ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি নেতার উদ্যোগে রংপুরে গণ-সুন্নতে খতনা কর্মসূচি


বিএনপি নেতার উদ্যোগে রংপুরে গণ-সুন্নতে খতনা কর্মসূচি

রংপুর মহানগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের শতাধিক শিশুদের বিনা মূল্যে সুন্নতে খতনা করার উদ্যোগ নিয়েছেন একটি বিএনপি নেতা।

শনিবার (১৮ জুলাই) জুম্মাপাড়ার করিমিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন সাবেক কাউন্সিলর কার্যালয়ে দিনব্যাপী এই সেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এই আয়োজনটি জুম্মাপাড়া সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাবেক কমিশনার মরহুম ছোট মুসলিমের স্মরণে দশমবারের মতো এটি পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. শামসুজ্জামান সামু এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা বিএনপির সদস্য মো. লিটন পারভেজ, যিনি এই কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপকও।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, শনিবার দিনব্যাপী চলতে থাকা এই কর্মসূচিতে এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের অন্তত একশ শিশুর সুন্নতে খতনা সম্পন্ন করা হয়েছে।

খতনা শেষে প্রতিটি শিশুকে বিনা মূল্যে লুঙ্গি, গেঞ্জি, গামছা এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ওষুধ বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারের শিশুদের জন্য এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। তারা ভবিষ্যতে এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব চৌধুরী, জাসদের রংপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. নুরুজ্জামান মানিক, জেলা যুবদলের সহসভাপতি মো. বিপ্লব হোসেন বিটু ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাপোলো চৌধুরী। এছাড়া দেউতি আইডিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মো. রাশেদুল ইসলাম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তারেক রহমানের ভাষাতেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার দেশের মানুষকে আশ্বাস দিয়েছেন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


‘তারেক রহমানের ভাষাতেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তার দেশের মানুষকে আশ্বাস দিয়েছেন’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত শক্তি হলো তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠন করার আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলার মাধ্যমে জাতির সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিলেন, সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বক্তব্যের সূচনায় ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ঘোষণা করে পরিকল্পনা ভিত্তিক নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে সামাজিক সংগঠন ‘আপন’ এর উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনা ভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার ওপর আস্থা রেখেই তাঁকে ও তাঁর দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা।

এছাড়া, মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারণাসমূহ প্রচার করে গিয়েছেন বলে তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেছেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

তিনি আরও বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী।

বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপন-ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে মৌসুমে ইলিশের দাম কি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


রাজধানীতে মৌসুমে ইলিশের দাম কি

বর্ষা ইলিশের মৌসুম শুরু হয়েছে। তাই বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং মাছের সারিতে ঝলমল করছে রুপালি ইলিশ। কিন্তু দাম শুনে অনেকেই খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, ইলিশের বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য থাকলেও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি নেই।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজার, চন্দ্রিমা বাজার, ঢাকা উদ্যান, কাদেরাবাদ হাউজিং ও জেনেভা ক্যাম্প বাজারে এই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, ৪৫০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা। আর এক কেজি বা তার বেশি ওজনের বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে।

টাউন হল বাজারে মাছের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতা শাওন জানান, "আমি টাউন হল বাজারে কেনাকাটা করি। ইলিশ কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু দাম শুনে ছোট মাছ নিয়ে ফিরে যাচ্ছি। সংসারের খরচ সামলে এত টাকা দিয়ে মাছ কেনা কঠিন। সবারই মনে চায় ইলিশ মাছ খেতে, কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও এত দাম দিয়ে কেনার উপায় নেই।"

টাউন হল বাজারে ইলিশ মাছ কিনতে এসেছেন আনোয়ার। তিনি বলেন, "আমার স্বামীকে নিয়ে মাছের বাজারে এসেছি। বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরলাম। এক এক দোকানে এক এক রকম দাম। পরে এক কেজির একটু বেশি দুটি ইলিশ কিনলাম চার হাজার ২০০ টাকা দিয়ে। বাজারে বেশি কোল্ড স্টোরের মাছ, নতুন তাজা মাছ পাওয়া খুব কঠিন।"

চন্দ্রিমা বাজারে আসা ক্রেতা সাইফুল জানান, "আমি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। বাচ্চারা ইলিশ খেতে চেয়েছিল। তাই ছোট একটা মাছ কিনলাম। বড় ইলিশ কেনার সামর্থ্য নেই।"

জেনেভা ক্যাম্প বাজারে এক চাকরিজীবী জানান, "ইলিশের মৌসুমে অন্তত এক দুইবার কিনতে চাই। কিন্তু বর্তমান বাজারে এক কেজি ইলিশ কিনতেই কয়েক দিনের বাজারের টাকা শেষ হয়ে যায়। দাম বেশি হওয়ায় তাই ইলিশ মাছ কেনা হলো না।"

একই রকম অবস্থা ঢাকা উদ্যান বাজারেও। এক গৃহিণী খাদিজা বেগম বলেন, "বাজারে মাছ অনেক আছে, কিন্তু দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নয়। তাই শুধু দেখে যাচ্ছি, কেনার সাহস পাচ্ছি না।"

চন্দ্রিমা বাজারের ইলিশ মাছ বিক্রেতা মামুন জানান, "আমার এখানে ছোট আকারের কয়েক ধরনের ইলিশ মাছ রয়েছে। যেগুলোর এক হাজার থেকে শুরু করে এক হাজার ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। আমরাও অনেক বড় মাছ ব্যবসায়ী নই, তাই দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ বা দুই হাজার ৮০০ টাকা কেজিতে মাছ এখানে নিয়ে আসব। আমাদের এখানে নিম্ন আয়ের মানুষজনই বেশি আসেন। যারা উচ্চ মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত তারা টাউন হল বাজার বা অন্য জায়গায় চলে যান।"

টাউন হল বাজারের ইলিশ মাছ বিক্রেতা বাদশা মিয়া বলেন, "আমার এখানে এক কেজি সাইজ এবং তার নিচে আরো দুই সাইজের ইলিশ মাছ রয়েছে। এক কেজি বা তার একটু বেশি দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা, এক কেজির নিচে সাইজ ভেদে দুই হাজার থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা। এখনো বাজারে তেমনভাবে তাজা ইলিশ মাছ সরবরাহ হয়নি। বাজারের বেশিরভাগ মাছ এখনো কোল্ড স্টোরের।"

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি থাকলেও বেশিরভাগ মানুষ দাম জিজ্ঞেস করে চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ ছোট আকারের ইলিশ কিনছেন, আবার অনেকে বাজেটের সাথে মিলিয়ে অন্য মাছের দিকে ঝুঁকছেন।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দুপুর পর্যন্ত বেচাকেনা মোটামুটি ভালো থাকলেও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে ছিল আক্ষেপের সুর। তাদের ভাষ্য, বাজারে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে, কিন্তু দাম এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে কিনে বাড়ি ফেরা যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেপজা ইজেডে ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


বেপজা ইজেডে ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান

চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপনে ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

এটি ৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর স্থাপিতব্য কারখানা, যা পূর্ণ উৎপাদনে গেলে বছরে ২৪ হাজার টন সুতা এবং দুই কোটি মিটার গ্রে ওভেন ফেব্রিক উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। এছাড়া, এই প্রতিষ্ঠানে ৫৮০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

সম্প্রতি, ১৬ জুলাই, ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে এই ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এ সময় বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিন ওয়াং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি, এমফিল।

অনুষ্ঠানে নির্বাহী চেয়ারম্যান হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান, যারা বাংলাদেশ ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে তাদের বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছে। তিনি বলেন, বেপজা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি নিরাপদ, আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে, তিনি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রতিষ্ঠানটির সাফল্য ও নির্বিঘ্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং হুয়ারান টেক্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালের ওপর বাঁধ দিয়ে বালু ভরাটের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


খালের ওপর বাঁধ দিয়ে বালু ভরাটের অভিযোগ

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার গালা এলাকার মাজারসংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা খালে বাঁধ দিয়ে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু ভরাট করে পুরো খাল আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একজন স্থানীয় বাসিন্দার বিরুদ্ধে, যার নাম হেলাল। দক্ষিণাঞ্চলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় আশপাশের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ এবং উদ্বেগ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নের গালা মাজারের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ধলেশ্বরী নদীর শাখা খালের ব্রিজের পাশে বাঁধ দিয়ে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু ফেলে পুরো খাল আটকে দেওয়া হয়েছে। তার ফলে খালের পানি স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে পারছে না। টানা বৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খালের উজানে পানি জমে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যদি এভাবে পানি আটকে থাকে, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই আশপাশের ধানখেত ও অন্যান্য ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।

স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, খালটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্ষা মৌসুমে এই খাল দিয়েই অতিরিক্ত পানি ধলেশ্বরী নদীতে নেমে যায়। কিন্তু খাল ভরাটের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেছেন, ব্যক্তিস্বার্থে খালের ওপর বাঁধ দিয়ে বালু ভরাট করা হয়েছে। এতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কয়েকশ' বিঘা কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গিয়ে কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত খালের ওপর নির্মিত বাঁধ অপসারণ করে পানি চলাচল স্বাভাবিক করা হোক। অন্যথায় বর্ষা মৌসুমে কৃষিজমি প্লাবিত হয়ে কৃষকদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় কৃষক মতলব মিয়া বলেন, আমাদের জমিতে কিছু আবাদি ফসল রয়েছে। পানি বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় বৃষ্টি হলেই জমিতে পানি জমে যাচ্ছে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

আরেক বাসিন্দা হাসমত আলী বলেন, এটা শুধু কৃষকদের ক্ষতিই নয়, বরং পরিবেশ ও পানি প্রবাহের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। খাল দখল বা ভরাটের সুযোগ থাকা উচিত নয়।

এ সব অভিযোগের বিষয়ে হেলাল বলেন, ওইখানে আমারও জায়গা আছে। আমি পানি যাওয়ার জন্য পাইপ দিয়েছি। যদি তাও সমস্যা হয়, তবে আমি ভেকু দিয়ে কেটে ঠিক করে দেব।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিয়ান নুরেন বলেন, বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%