ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রেমিকার বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী


প্রেমিকার বাসায় স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী

ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগারওয়ালের হত্যা মামলার প্রেক্ষাপটে আরেকটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে। এবার হরিয়ানার গুরুগ্রামের মানেসরে ঘটেছে এক ব্যক্তি বিয়ের মাত্র তিন মাসের মধ্যে প্রেমিকার সহযোগিতায় নিজের স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যার ঘটনাটির পর দুজনে নেপালে পালিয়ে গেলেও দেশে ফেরার পর তারা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২২ মে নিহত তরুণীর মা মানেসর থানায় অভিযোগ করেন যে, তার ২২ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মানেসরের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী অঙ্কিতের বিয়ে হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২১ মে থেকে ওই তরুণী নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। এছাড়া শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি। পরে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর সন্দেহ হওয়ায় নিহতের মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তদন্তের এক পর্যায়ে ২২ মে মানেসরের একটি কক্ষ থেকে ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পরে মামলায় হত্যা ধারা যুক্ত করে তদন্ত জোরদার করা হয়।

পুলিশ পরে অভিযুক্ত স্বামী অঙ্কিত এবং তার ৩৮ বছর বয়সী প্রেমিকা রজনী দেবীকে গ্রেফতার করে। রজনীর বাড়ি হরিয়ানার ঝাঝ্জর জেলায়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অঙ্কিত মানেসরে একটি তামাকের দোকান চালাতেন, এবং রজনী ওই এলাকায় একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অঙ্কিত ও রজনীর মধ্যে গত তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, রজনীর ভাড়া করা কক্ষেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার দিন অঙ্কিত তার স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যান এবং পরে দুজনে মিলে তাকে গুলি করে হত্যা করেন।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি ঘটনার প্রায় দুই মাস আগে উত্তর প্রদেশ থেকে কেনা হয়েছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

হত্যার পর অঙ্কিত ও রজনী প্রথমে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে যান। পরে সেখান থেকে সীমান্ত পার করে নেপালে পালিয়ে যান। পুলিশ দাবি করেছে, ৩০ জুন তারা ভারতে ফিরে এলে মানেসরের ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাদের গ্রেফতার করে। আদালতে হাজির করার পর দুজনকেই পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনটি কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনটি কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে

রাজধানীর গুলশানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের বর্তমান বাসভবনেই থাকছেন। এজন্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলস্বরূপ, এ বাসভবন ও এর আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় চলে এসেছে।

জানা যায়, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরে সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না।

এ বাসভবনের মালিকানা প্রসঙ্গে জানা যায়, গত বছরের ৫ জুন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাতে বাড়িটির নামজারির কাগজ হস্তান্তর করে। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর গুলশানে প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর বাড়িটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তারেক রহমান ওই বাসভবনে ওঠেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও তিনি সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন।

নিরাপত্তা তদারকিতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যরা। তাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরাও।

নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার সীমানা প্রাচীরের উচ্চতা অবশ্যই ১২ ফুট হতে হবে। এর ওপর তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে হবে।

এ ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি, ছবি তোলা বা সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কেপিআই স্থাপনার ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো উঁচু ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কেপিআই স্থাপনার ২৫ মিটারের মধ্যে নতুন কোনো ভবন বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। পাশাপাশি স্থাপনার চারপাশের পাঁচ ফুট এলাকার মধ্যে থাকা বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে এমন গাছপালা অপসারণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি, তথ্য serta প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুরক্ষার স্বার্থেই গুলশানের এই বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে প্রস্তুত নতুন রূপের বরিশাল স্টেডিয়াম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে প্রস্তুত নতুন রূপের বরিশাল স্টেডিয়াম

দীর্ঘ ২১ বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে অবশেষে কীর্তনখোলা নদীর তীরের কবি জীবনানন্দ দাস স্টেডিয়াম আলোর মুখ দেখছে। প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান মেগা আধুনিকায়ন প্রকল্পটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। যদি সব ঠিক থাকে, তাহলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ এখানে আবারও আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ক্রিকেট বোর্ড।

২০২২ সালে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের ফলস্বরূপ স্টেডিয়ামটিতে দৃশ্যমান হয়েছে অত্যাধুনিক প্যাভিলিয়ন, আন্তর্জাতিক মানের মিডিয়া সেন্টার, প্যাসেঞ্জার লিফট ও ইনডোর প্র্যাকটিস নেট। ইতিমধ্যে মূল পিচের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ ২১ বছর পর নতুন করে জ্বলে উঠেছে আধুনিক ফ্লাড লাইট, যার আলোয় আলোকিত হয়েছে পুরো স্টেডিয়াম এলাকা। এখন শুধু অপেক্ষা আউটফিল্ডে সবুজ ঘাসের গালিচা বিছানোর।

অতীতে অব্যবস্থাপনা এবং নানা অনিয়মের কারণে এই মাঠ দীর্ঘ সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে বর্তমানে সংস্কারের ফলে স্থানীয় ক্রিকেটাররা নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন।

স্থানীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের উদীয়মান পেসার রাফসান বলেন, 'গত কয়েক বছর ধরে আমরা দেখেছি এই মাঠের যে অবহেলা, তা দুঃখজনক। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে এখানে বছরের পর বছর কোনো বড় ম্যাচ হয়নি। একটি আন্তর্জাতিক মানের মাঠকে ফেলে রেখে আমাদের ক্যারিয়ার ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।'

স্থানীয় ক্রিকেটার আসিফ জানান, 'অতীতে মাঠের দেখভালের নামে নানা অনিয়ম হয়েছে। ঠিকঠাক প্র্যাকটিস পিচ ছিল না, ড্রেসিংরুমের অবস্থা ছিল বেহাল। ফ্লাডলাইটগুলো নষ্ট হয়ে অন্ধকারে পড়ে ছিল ২১ বছর। এখন সংস্কার হওয়ায় ভালো লাগছে, তবে আমাদের দাবি— ভবিষ্যতে যেন আর কোনো নোংরা রাজনীতির কারণে এই মাঠের জৌলুস হারিয়ে না যায়।'

২৯ একরের এই ভেন্যুটিতে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৬শে অক্টোবর বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ পেয়েছিল বরিশালবাসী। এরপর আর কোনো বড় আসর এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি এ.কে. এম আসাদুজ্জামান খসরু উল্লেখ করেছেন যে, '৬৫ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই ভেন্যুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের জন্য শতভাগ যোগ্যতা অর্জন করছে। ক্রিকেট বোর্ড বরিশালের ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগকে মূল্যায়ন করে চলতি বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফেরানোর ব্যাপারে ইতিবাচক।'

বরিশাল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মশিউর রহমান মঞ্জু সংস্কার কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে জানান, 'সংস্কার কাজ পুরোপুরি শেষ হলে চলতি বছরের শেষের দিকে এখানে বড় ম্যাচ আয়োজনের একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটি মাঠটিকে আন্তর্জাতিক মানে ফিরিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর। আউটফিল্ডের কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমরা বড় আসর আয়োজনের জন্য প্রস্তুত।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৯ পি.এম


গ্রামীণ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকারের বদ্ধপরিকর থাকার কথা তুলে ধরেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে পল্লী উন্নয়নকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সরকার পল্লী উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষি সহযোগিতা, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং কৃষি কার্ডের মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার ব্যাপারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, সিরডাপ প্রায় পাঁচ দশক ধরে পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে, প্রান্তিক পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংস্থাটির অবদান উল্লেখযোগ্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌরবিদ্যুতেই জ্বালানি সংকট মোকাবিলার পথ দেখছে সরকার: মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


সৌরবিদ্যুতেই জ্বালানি সংকট মোকাবিলার পথ দেখছে সরকার: মন্ত্রী

সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে চায়, এমন কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি সোমবার (৬ জুলাই) ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এ বিবৃতি দেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার জ্বালানি আমদানির চাপ কমাবে। বিগত দিনের দায়দেনা পরিশোধের জন্য এটিই হচ্ছে একমাত্র পথ। তবে, এই পথে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে বা উৎপাদন করে ভোক্তার কাঁধে বোঝা চাপানো যাবে না।

বর্তমানে ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এই তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, পুরোনো চুক্তি অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। তাদের পাওনা পরিশোধ না করলে উৎপাদন ব্যাহত হবে, ফলে বাধ্য হয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হয়েছে।

এ সময়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে বিনিয়োগ ও উৎপাদন লক্ষ্য স্পষ্ট করা হলেও, ভোক্তার স্বার্থ অনিশ্চিত। তাই এটি চূড়ান্ত করার আগে সাশ্রয়ী মূল্য কাঠামো, আইনি প্রতিকার, বিইআরসির স্বাধীনতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে শতভাগ বেসরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%