ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মসজিদে মাইকিং, অতঃপর পাঁচ যুবকের গণপিটুনি


‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মসজিদে মাইকিং, অতঃপর পাঁচ যুবকের গণপিটুনি

যশোরে মসজিদের মাইকে ডাকাত সন্দেহে পাঁচ যুবককে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে একটি প্রাইভেটকার ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে বেশ কয়েকজন যুবক বালিয়াডাঙা গ্রামে প্রবেশ করেন। তাদের আচরণ দেখে স্থানীয়দের মধ্যে ডাকাত হওয়ার সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এ সময় বালিয়াডাঙা বিসিক এলাকা থেকে তাদের ধাওয়া করা হয়। এক পর্যায়ে মান্দারতলায় প্রাইভেটকারটি ফেলে তারা বিভিন্ন দিকে পালানোর চেষ্টা করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

পরে মালোপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা পাঁচজনকে ধরে ফেলেন। তাদের গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। একইসাথে মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঝিকরগাছা উপজেলার বাইশা চাঁদপুর গ্রামের রাসেল, নাহিদ, নিরব, সুজন ও তানজিম। তাদের পুলিশ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ দাবি করেছেন, আটককৃতদের সঙ্গে একজন নারীও ছিলেন, কিন্তু তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, হাসপাতালে নেওয়ার পর আটক ব্যক্তিরা ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রদান করতে থাকেন। একজন দাবি করেন, তারা এক আদম ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা টাকা নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। অপর একজন বলেন, তাদের একজনের স্ত্রীকে নিতে তারা এলাকায় এসেছিলেন, কিন্তু গ্রামবাসী তাদের ডাকাত মনে করেন। অন্য একজন জানান, তিনি কিছুই জানেন না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আটক ব্যক্তিদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে ঘটনার রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, "তারা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য হতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ডাকাতির কোনো ঘটনার আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা তাদের গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।"

তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিনের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০১ পি.এম


ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিনের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত) ত্রিশিতা মওলাসহ একটি প্রতিনিধিদল। সাক্ষাৎকালে বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন প্রতিনিধিদল ডিএমপি কমিশনারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান, কারণ জিএসএফ হাইতি মিশনে ডিএমপির সোয়াট সদস্য ও বোম্ব টেকনিশিয়ান সরবরাহ করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে পূর্বের মতো প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে রাজধানীর পুরো কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পিয়ার টিম গঠন করায় ডিএমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন (ক-৯) টিমের মতো বিশেষায়িত টিম গঠন এবং বাংলাদেশে উগ্রবাদ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মার্কিন প্রতিনিধিদল ডিএমপির সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন টিমের কার্যক্রম পরিদর্শন করে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর কার্যক্রম, সক্ষমতা ও ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়।

মার্কিন প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান লোগান কলিন্স, সহকারী আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা স্টুয়ার্ট সুলিভান এবং জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা তদন্ত কর্মকর্তা জাহিদ হাবিব।

এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক বাহিনীতে জেনারেল-অ্যাডমিরাল সংখ্যা কমাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক বাহিনীতে জেনারেল-অ্যাডমিরাল সংখ্যা কমাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে জেনারেল ও অ্যাডমিরালের সংখ্যা কমানোর একটি নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করতে যাচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভার্জিনিয়ার কোয়ান্টিকোতে মেরিন বাহিনীর ঘাঁটিতে সামরিক কর্মকর্তাদের সামনে দেওয়া এক বিরল ভাষণে তিনি এই পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে।

এই পরিকল্পনার আওতায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জেনারেল ও অ্যাডমিরাল পদসংখ্যা ২০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, ২০২৫ সালের মে মাসে হেগসেথ সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল ও পতাকাবাহী কর্মকর্তাদের সংখ্যা অন্তত ১০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে ন্যাশনাল গার্ডের জেনারেল কর্মকর্তাদের ২০ শতাংশ কমানোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। নতুন পরিকল্পনায় সামগ্রিক কাটছাঁটের লক্ষ্য দ্বিগুণ করে ২০ শতাংশ করা হচ্ছে।

হেগসেথের পূর্ববর্তী নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছিল যে, সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক স্তর কমিয়ে কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং নেতৃত্ব কাঠামোকে আরও সহজ করা অপরিহার্য। তাঁর মতে, অতিরিক্ত পদ ও কাঠামো কমানোর মাধ্যমে সামরিক বাহিনীতে নতুনত্ব এবং কার্যকর নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, মেরিন বাহিনী, বিমানবাহিনী ও মহাকাশ বাহিনী মিলিয়ে সক্রিয় দায়িত্বে থাকা জেনারেল ও অ্যাডমিরালের সংখ্যা ছিল ৮৫১ জন। এক বছর আগে এই সংখ্যা ছিল ৮৪৮। দেশটির আইনে সক্রিয় দায়িত্বে থাকা এ ধরনের কর্মকর্তার সর্বোচ্চ সংখ্যা ৮৫৭ নির্ধারিত রয়েছে।

হেগসেথের এবারের বক্তব্যের সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। ঠিক এক বছর আগে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে কোয়ান্টিকোতে ডেকেছিলেন। ওই বৈঠকে তিনি সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন মানদণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেন এবং শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বে আরও কঠোর শৃঙ্খলা ও মান বজায় রাখার কথা বলেন।

হেগসেথ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর থেকে অন্তত ২০ জন জেনারেল, অ্যাডমিরাল ও বেসামরিক সামরিক কর্মকর্তা তাদের পদ হারিয়েছেন বা পদ ছেড়েছেন। তাঁদের মধ্যে যৌথ বাহিনীর প্রধান এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর শীর্ষ ইউনিফর্মধারী কর্মকর্তারাও রয়েছেন। সেনা ও নৌবাহিনীর বেসামরিক শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও পরিবর্তন করা হয়েছে।

সামরিক বাহিনীতে জেনারেল ও অ্যাডমিরালের সংখ্যা কমানো প্রয়োজন কি না, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মতভেদ রয়েছে। কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমালোচকদের মতে শীর্ষ পর্যায়ে অতিরিক্ত কর্মকর্তা থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ধীর হতে পারে এবং সামরিক ব্যবস্থায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, এর বিপরীত মত হলো—আন্তর্জাতিক জোটের সঙ্গে সামরিক সমন্বয়, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি এবং জটিল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক অভিজ্ঞ শীর্ষ কর্মকর্তা প্রয়োজন।

ডেমোক্র্যাট দলীয় সিনেটর মার্ক কেলি হেগসেথের পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এটি তার রাজনৈতিক মতামত; হেগসেথ প্রশাসন শীর্ষ নেতৃত্বের কাঠামোকে ছোট ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রী হত্যায় সাবেক ‘আমেরিকান আইডল’ গায়ক ক্যালেব ফ্লিন দোষী সাব্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


স্ত্রী হত্যায় সাবেক ‘আমেরিকান আইডল’ গায়ক ক্যালেব ফ্লিন দোষী সাব্যস্ত

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় গানের প্রতিযোগিতা ‘আমেরিকান আইডল’-এর সাবেক প্রতিযোগী ক্যালেব ফ্লিন তার স্ত্রী অ্যাশলি ফ্লিনকে হত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ওহাইওর মিয়ামি কাউন্টির আদালতে জুরি বোর্ড তাকে হত্যা, হামলা ও প্রমাণ নষ্টের অভিযোগসহ মোট নয়টি ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে।

৩৭ বছর বয়সী অ্যাশলি ফ্লিনকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওহাইওর টিপ সিটির নিজ বাড়িতে গুলি করে হত্যা করা হয়। ক্যালেব শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, একজন ডাকাত বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আদালতে রায় ঘোষণার পর ক্যালেবকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। তিনি বারবার চোখ ও নাক মুছছিলেন। পরে হাতকড়া পরিয়ে তাকে আদালত থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত দিতে দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লাগে। আগামী ৫ অক্টোবর তাঁর সাজা ঘোষণা করা হবে। হত্যার মামলায় তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে এবং প্যারোলে মুক্তির সুযোগ নাও থাকতে পারে।

কিন্তু ক্যালেবের আইনজীবী প্যাট্রিক মুলিগান জানিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। তিনি বলেন, আপিল আদালতে রায়টি বিস্তারিতভাবে চ্যালেঞ্জ করা হবে।

ঘটনার দিন ক্যালেব জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে জানান, তার স্ত্রীকে এক অনুপ্রবেশকারী মাথায় একাধিকবার গুলি করেছে। ওই ব্যক্তি তখনও বাড়ির ভেতরে আছে কি না, তিনি জানেন না বলেও জানান।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ক্যালেব দাবি করেন, তিনি বসার ঘরের সোফায় ঘুমাচ্ছিলেন। গুলির শব্দে তার ঘুম ভাঙে। তিনি আরও জানান, হত্যার এক দিন আগে এক ব্যক্তি তাদের বাড়িতে এসে অ্যাশলির হাতে একটি মার্কিন পতাকা দিয়েছিল এবং আমেরিকা নিয়ে অদ্ভুত ধরনের পণ্য বিক্রির কথা বলেছিল।

তবে পুলিশ বাড়িতে পৌঁছে দেখতে পায়, গ্যারেজের দরজা, পাশের দরজা এবং ক্যালেবের গাড়ির মাঝের বাক্স খোলা ছিল। ক্যালেব জানান, ওই বাক্সে তিনি একটি আগ্নেয়াস্ত্র রাখতেন। কিন্তু সেখানে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি।

কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেন, ক্যালেবই হত্যাকাণ্ডকে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখানোর জন্য বাড়িতে সাজানো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রও শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি।

সহকারী কৌঁসুলি ম্যাথিউ সি. জোসেফ আদালতে বলেন, ক্যালেব পুলিশের কাছে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, প্রমাণের সঙ্গে তার মিল নেই। তার ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির তথ্যও হত্যার আগের কয়েক ঘণ্টায় তাঁর চলাফেরা ও সক্রিয় থাকার প্রমাণ দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মামলার শুনানিতে ক্যালেবের সঙ্গে তার তৎকালীন প্রেমিকা অ্যালেইঘা বটনারের আদান-প্রদান করা খুদে বার্তাও আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

বটনার জানান, তিনি ২০ বছর বয়সে ক্যালেবের সঙ্গে পরিচিত হন। তখন তিনি ক্যালেবের গির্জায় শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতেন। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়।

আদালতে বটনার দাবি করেন, ক্যালেব তার স্ত্রীকে ঘৃণা করার কথা বলতেন এবং তাকে হত্যার চিন্তাও করতেন। একটি বার্তায় বটনার লিখেছিলেন, ‘আমি তাকে হত্যা করতে চাই।’ জবাবে ক্যালেব লিখেছিলেন, ‘আমরাও দুজন একই কথা ভাবছি।’

আরেকটি বার্তায় ক্যালেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ২০২৫ সালের আগস্টে তিনি লিখেছিলেন যে, আগের রাতে ভোর ৪টা পর্যন্ত জেগে স্ত্রীকে কীভাবে হত্যা করা যায় এবং কারাগারে না যেতে কী করা যায়, তা ভাবছিলেন।

তবে বটনার পরে আদালতে জানান, তিনি ওই সময়ের সম্পর্ক ও নিজের অনুভূতি নিয়ে এখন ভিন্ন অবস্থানে আছেন। ক্যালেবকে তিনি ঘৃণা করেন বলেও জানান। কেন ঘৃণা করেন—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার বিশ্বাস ক্যালেবই তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন।

মামলার শুনানিতে ক্যালেবের আইনজীবী তার বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যার প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন। আইনজীবী মুলিগান বলেন, কারও সঙ্গে অবিশ্বস্ত আচরণ করা আর হত্যা করা এক বিষয় নয়।

তিনি দাবি করেন, মামলাটিতে হত্যার সঙ্গে ক্যালেবকে সরাসরি যুক্ত করার মতো যথেষ্ট সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। তবে জুরি বোর্ড শেষ পর্যন্ত তাকে সব নয়টি অভিযোগেই দোষী সাব্যস্ত করে।

২০১৩ সালে ‘আমেরিকান আইডল’-এর দ্বাদশ মৌসুমে শিকাগোতে টেলিভিশন অডিশনে গান করেছিলেন ক্যালেব। তবে তিনি মূল প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপে যেতে পারেননি। পরে তিনি গির্জায় সংগীতের দায়িত্বেও কাজ করেন।

অ্যাশলি ফ্লিন ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক ও ভলিবল প্রশিক্ষক। হত্যাকাণ্ডের পর তার পরিবার জানিয়েছে, তিনি মা হিসেবে সন্তানদের নিয়ে খুবই যত্নশীল ছিলেন।

মিয়ামি কাউন্টির কৌঁসুলি পল ওয়াটকিনস পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি পড়ে শোনান। সেখানে বলা হয়, রায়টি অ্যাশলির জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করেছে। তবে কোনো রায়ই অ্যাশলিকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না বা তার সন্তানদের কাছ থেকে মাকে কেড়ে নেওয়ার কষ্ট মুছে দিতে পারবে না।

পরিবার অ্যাশলির জীবন, বিশ্বাস, দয়া ও সন্তানদের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরে জানায়, তার জীবন কেড়ে নেওয়া ঘটনার মধ্যেই অ্যাশলির গল্পের শেষ হতে দেওয়া হবে না।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাকসু ভিপি: নির্বাচনী ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


রাকসু ভিপি: নির্বাচনী ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি পেয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পূর্তির কাছাকাছি এসে রাকসু নেতারা নিজেদের প্রতিশ্রুতি ও কাজের হিসাব তুলে ধরছেন। বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে।

দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা, অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিয়ে আরটিভির সঙ্গে মুখোমুখি হয়েছেন রাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আরটিভির রাবি সংবাদদাতা সায়েম চৌধুরী।

আরটিভি: রাকসু ভিপি হিসেবে আপনার দায়িত্ব কেমন চলছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমি জনপ্রিয় নেতা হওয়ার জন্য নয়, বরং বড় নেতা হওয়ার উদ্দেশ্যও নেই। আমার লক্ষ্য হচ্ছে, ক্যাম্পাসে অনেক শিক্ষার্থী না খেয়ে থাকে, তাদের আবাসন সমস্যা রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই সমস্যাগুলো সমাধান না হবে, ততক্ষণ আমি শান্তি পাচ্ছি না। শিক্ষার্থীরা এসে কান্নাকাটি করে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে আরও ভালো লাগতো।

আরটিভি: দায়িত্ব গ্রহণের শেষ পর্যায়ে রাকসু কতটা সফল হয়েছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমরা রাকসুকে শতভাগ সফল করার চেষ্টা করছি। আমাদের ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু কাজ চলমান রয়েছে। কিছু কাজ প্রশাসনের সঙ্গে জড়িত, তাই অল্প কিছু কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

আরটিভি: রাকসু পরিচালনা করতে গিয়ে কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ মনে হয়েছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমার কাছে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অনাবাসিক ভাতা এবং আবাসন সমস্যা। এই চ্যালেঞ্জটি মোকাবেলা করতে কোটি কোটি টাকার প্রয়োজন। বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী বাহিরে থাকে। প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী বাইরে রয়েছে।

‘এই ২০ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয় যে, এই সমস্যাটি কীভাবে সমাধান করা যায়। হল তৈরি করাও সম্ভব নয়, কারণ হল নির্মাণে কয়েক বছর সময় লাগবে। এই কয়েক বছর কীভাবে চলবে? প্রতিমাসে যদি ভাতাও দেওয়া যায় ১ হাজার করে, তবে তাও কয়েক কোটি টাকা লাগে। সরকার কোন ফান্ড থেকে দেবে? কীভাবে দেবে, আমরা যোগাযোগ করছি। এই সমস্যাটিই সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং।’

আরটিভি: নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমাদের কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে ১২ মাসে ২৪টি ইশতেহার দিয়েছি, যেখানে ১০৭টি কাজের কথা রয়েছে। আমাদের প্রায় ৭৩ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকি কাজগুলোর বেশিরভাগই চলমান রয়েছে।

‘আমরা আশা করছি, মেয়াদের মধ্যেই অনেকগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তবে কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলো নিয়ে আমরা এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। এর মধ্যে রয়েছে অনাবাসিক ভাতা, মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার, পূর্ণাঙ্গ টিএসসি, অনাবাসিক এলাকায় সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপন, হলগুলোতে ফ্রিজ দেওয়া, হলের মসজিদে এসি স্থাপন, কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন এবং হলগুলোতে জিমনেশিয়াম স্থাপন।’

‘হলগুলোর রিডিং রুমে এসি দেওয়া হয়েছে; তবে মসজিদগুলোতে এসি দেওয়া এখনও বাকি রয়েছে। আমরা বর্তমানে এসব বিষয় নিয়েই কাজ করছি। এর বেশিরভাগই প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কারণ আমরা চাইলেও অনাবাসিক ভাতার জন্য সরাসরি আমাদের ফান্ড থেকে অর্থ দিতে পারি না। একইভাবে জিমনেশিয়াম স্থাপনের জন্যও অনেক টাকা প্রয়োজন, যা আমাদের মূল ফান্ড থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলমান রয়েছে।

‘তবে যদি প্রশাসনের মাধ্যমে কোনো কারণে এগুলো বাস্তবায়ন সম্ভব না হয়, তাহলে আমাদের নিজস্ব ফান্ড থেকে কিংবা স্পন্সর ম্যানেজ করে, যেভাবেই হোক এসব কাজ বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, ইশতেহারের শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

আরটিভি: অনেক শিক্ষার্থী রাকসুর কার্যক্রমে হতাশা প্রকাশ করেছে, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলবেন?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: শিক্ষার্থীদের বড় চাহিদাগুলোর মধ্যে অনাবাসিক ভাতা অন্যতম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী এই সমস্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। বিশেষ করে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আমরা প্রতিনিয়ত এমন সমস্যার মুখোমুখি হতে দেখছি। অনেকে বিভাগীয় ফি দিতে পারছেন না, মেসের ভাড়া দিতে পারছেন না, এমনকি খাবারের টাকাও জোগাড় করতে পারছেন না।

এই শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান করতে না পারায় তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে। আমরা অনাবাসিক ভাতার বিষয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কিন্তু এটি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। প্রশাসন যদি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে আসত, তাহলে আমাদের ইশতেহারের বাস্তবায়ন শতভাগের কাছাকাছি নেওয়া সম্ভব হতো এবং শিক্ষার্থীদের হতাশাও অনেকাংশে দূর করা যেত বলে আমরা মনে করি।

আরটিভি: কিছুদিন আগে রাকসু কিছু প্রতিনিধি দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাকসুকে সহযোগিতা করছে না। আপনি কি মনে করেন?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের চরমভাবে অসহযোগিতা করেছে। প্রথমে যেমন অসহযোগিতা করেছে, এখন সেটি আরও বেড়ে গেছে। অনাবাসিক ভাতা, মেডিকেল সংস্কার এবং ডাইনিংয়ে খাদ্য ভর্তুকির ব্যাপারে প্রশাসনকে আমরা বারবার বলেছি। কিন্তু প্রশাসন এসব ব্যাপারে বারবার ‘ইগনোর পলিসি’ অবলম্বন করছে এবং বিশেষ করে অনাবাসিক ও অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভাতা দেওয়ার ব্যাপারে কোনো ভ্রুক্ষেপই করছে না।

আরটিভি: লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি থেকে কতটা মুক্ত থাকতে পেরেছে রাকসু?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আমরা রাকসুকে দলীয় লেজুড়বৃত্তি থেকে মুক্ত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমরা ছাত্রশিবির প্যানেল থেকে নির্বাচিত হলেও আমাদের কাজগুলো দল-মত নির্বিশেষে সকলের জন্য ছিল। কোন দল, মতকে আমরা বলি নাই যে, তোমাদের আমরা এই সেবা দেবো না।

আরটিভি: কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, এটা নিয়ে কিছু বলবেন?

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: এই বিষয়টি একটু ভিন্নভাবে মিডিয়ায় এসেছে। এটি ভুল বোঝাবুঝি ছিল। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। মূলত ফ্যাসিস্ট সহযোগীদের উদ্দেশ্য সেই বক্তব্য ছিল।

আরটিভি: বিভিন্ন ব্যস্ততার মাঝে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মোস্তাকুর রহমান জাহিদ: আপনাকেও ধন্যবাদ। আরটিভির পাঠক ও দর্শকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%