ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যার্তদের সহায়তায় ব্র্যাক ব্যাংক, সহযোগিতা পেল ৪৫০০ পরিবার


বন্যার্তদের সহায়তায় ব্র্যাক ব্যাংক, সহযোগিতা পেল ৪৫০০ পরিবার

আকস্মিক বন্যায় দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ত্রাণ সহায়তায় দুই কোটি টাকা দিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।

ব্র্যাকের ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের সহায়তায় ৪,৫০০ পরিবারের ২২ হাজারেরও বেশি মানুষের জন্য জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও নগদ সহায়তা দিচ্ছে ব্যাংকটি।

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার হাজারও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এই উদ্যোগের আওতায় প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ব্র্যাকের সাত দিনের খাদ্য সহায়তা প্যাকেজ পাবে, যাতে থাকবে ৩,৫০০ টাকা মূল্যের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং ১,০০০ টাকার নগদ সহায়তা। দুর্যোগ-পরবর্তী সংকটময় সময়ে এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করে ব্যাংকটি।

এ বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানো ব্র্যাক ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্র্যাকের ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা বন্যাকবলিত হাজারও পরিবারের কাছে সময়োপযোগী সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছি, যাতে তাঁরা নিজেদের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে পারেন এবং বন্যা-পরবর্তী সময়ে নতুন করে শুরু করতে পারেন। বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজনে তাঁদের পাশে থাকতে আমরা সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

মানবিক সংকটে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর পাশে সময়োপযোগী সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি এবং প্রয়োজনের সময়ে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকটির দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে সোনা পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ, ৪৬ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার এক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


যশোরে সোনা পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ, ৪৬ লাখ টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার এক

যশোর-নড়াইল মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে ৪৬ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭০ টাকা মূল্যের দুটি সোনার বারসহ এক পাচারকারীকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আটক করেছে।

বুধবার (২২ জুলাই) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) একটি বিশেষ অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নীলগঞ্জ ব্রিজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এবং তাকে আটক করে।

আটক করা ব্যক্তির নাম হচ্ছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নলকুরা লাপসা গ্রামের সাদিকুর রহমান সুমন (৩৩)।

বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় আটক ব্যক্তির প্যান্টের পকেটে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ২২০ দশমিক ৪৯ গ্রাম ওজনের দুটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এই সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে এবং নগদ ৫ হাজার ২৮৫ টাকা পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি বলেন যে, তিনি ঢাকা থেকে স্বর্ণের বারগুলো যশোর হয়ে সাতক্ষীরা সীমান্তের মাধ্যমে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য ৪৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৫ টাকা। এছাড়া জব্দ হওয়া মোবাইল ফোনের মূল্য ৩০ হাজার টাকা। নগদ টাকাসহ জব্দকৃত আলামতের মোট মূল্য ৪৬ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭০ টাকা।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং তাকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা নদীর জোড়া নৌ-বন্দর গঠনের মাধ্যমে নতুন আশা বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


যমুনা নদীর জোড়া নৌ-বন্দর গঠনের মাধ্যমে নতুন আশা বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে

স্থানীয় বাসিন্দারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন, বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় যমুনা নদী বরাবর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া দুটি অভ্যন্তরীণ নৌ-বন্দরকে কেন্দ্র করে। তারা মনে করছেন, বন্দর দুটি চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। তাছাড়া, এর ফলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি যুক্ত হবে।

যমুনা নদী গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর তীরে সহস্রাধিক চর জেগে উঠেছে। যদিও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, কৃষিপণ্য বিপণনের সুযোগের অভাব এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার অপ্রতুলতা চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন লাভে বাধা দিচ্ছে।

বর্ষা কিংবা খরার সময়ে নদীপাড়ের মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়ে যায়। যদি নৌ-বন্দর দুটি বাস্তবায়ন করা হয়, তবে সারিয়াকান্দিঘাট থেকে জামালপুর এবং ময়মনসিংহ রুটের জামথল, মথুরাপাড়া থেকে দেঘিপাড়া পর্যন্ত নৌ-যোগাযোগ সহজ হয়ে যাবে। অপরদিকে, ধুনটের শহরাবাড়ী বন্দর থেকে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার টেকুরিয়াহাট ও বেশাঘীর চরে যাতায়াত সহজ হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে কৃষি উৎপাদন ও বিপণনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে, সেইসঙ্গে পর্যটন শিল্পের উন্নতি ঘটতে পারে।

থাকছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, তারা জানাচ্ছেন, নদীবন্দর চালু হলে বড় নৌযান চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে মাঝনদীতে ঝড়-ঝঞ্ঝার সময়ে ঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। ফলে মানুষ কম খরচে স্বাভাবিকভাবে পারাপার ও পণ্য পরিবহন করতে সক্ষম হবেন।

ব্যবসায়ীদের মতে, নৌ-বন্দর চালু হলে চরাঞ্চলে উৎপাদিত কৃষিপণ্য মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত এড়িয়ে সরাসরি দেশের বড় পাইকারি বাজারে পাঠানো সম্ভব হবে। এতে পরিবহন ব্যয় কমবে, কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং বন্দরকেন্দ্রিক শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে।

চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বগুড়ার সভাপতি এম এস এম আতিকুর রহমান বাদল দাবি করেছেন, সারিয়াকান্দির চরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ আসবে। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য শুধু সড়কপথে নয়, নদীবন্দর ব্যবস্থার মাধ্যমে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা সহ দেশের নানা স্থানে সহজে পাঠানো সম্ভব হবে। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

শুধু স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন নয়, এই অভ্যন্তরীণ নৌ-বন্দরগুলোর মাধ্যমে বগুড়ার সঙ্গে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার নৌপথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এতে স্থলপথের তুলনায় কম খরচে এবং সুবিধার সঙ্গে পণ্যের পরিবহন ঘটবে।

বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আগামীতে এখানে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে চান। সাধারণ মানুষের কাছে নদীবন্দরের সুবিধা পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। তিনি জানান, দীর্ঘকাল ধরে এই এলাকায় মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নৌ-বন্দর বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই বৈষম্য দূর করার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


মাদারীপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

মাদারীপুরে মানব পাচারের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামি জুলহাস তালুকদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে, তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সকালে ঢাকার কদমতলীর স্মৃতিধারা আবাসিক এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে ধরে আনা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া জুলহাস মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার সত্যবদী গ্রামের একজন বাসিন্দা। জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইতালিসহ বিভিন্ন দেশে মানব পাচার করে আসছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে তথ্য অনুযায়ী, মাদারীপুরের রাজৈরের বাসিন্দা আরমান শেখকে ইতালি পাঠানোর উদ্দেশ্যে জুলহাস তালুকদারসহ ৯ জনের একটি চক্র ২৩ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু পরে আরমানকে ইতালি পাঠানোর পরিবর্তে লিবিয়ায় আটক করে মাফিয়াদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। সেখানে আরমানের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। তাকে বাঁচানোর জন্য পরিবারের সদস্যরা কয়েক দফায় আরও ৪৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হন। এরপরও চক্রটি অতিরিক্ত টাকা দাবি করে।

এ ঘটনায় গত ১২ জুন আরমানের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে রাজৈর থানায় মানব পাচার আইনে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে জুলহাস তালুকদারকে রাজৈর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে র‍্যাব-৮ ও ১০ এর মাধ্যমে।

দুপুরের পরে জুলহাস তালুকদারকে আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মানব পাচার আইনে করা মামলার প্রধান আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিগগিরই আদালতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া জুলহাসের বিরুদ্ধে মানব পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ কারাভোগ শেষে বাড়ি ফিরে জানতে পারলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


দীর্ঘ কারাভোগ শেষে বাড়ি ফিরে জানতে পারলেন স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

বগুড়ার শহরতলীতে স্বামী কারাগারে থাকার সময় মানসিক ভারসাম্যহীন একটি নারীর উপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। অপর এক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বগুড়া সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজ আলম বলেন, আটক করা দুজন হলেন- ওই এলাকার আলমগীর হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (৩২)। তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। একই মামলার আরেক আসামী মাহবুবুর রহমান পলাতক রয়েছেন।

মাহিফুজ আলম আরো বলেন, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। এই সময় ওই নারীকে তিন ব্যক্তি মিলে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। তার স্বামী জামিনে যখন বাড়ি ফেরেন তখন ধর্ষণের বিষয়টি জানা যায়। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় লোকজন দুজন অভিযুক্তকে আটক করে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। তৃতীয় অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ পৌঁছানোর আগেই পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, জামিনে কারাগার থেকে বাড়ি ফেরার পর তিনি জানতে পারেন যে তার স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি জানতে চাইলে তার স্ত্রী বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে কয়েক মাস ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীকে জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%