ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ ইস্যুতে আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি?


বিশ্বকাপ ইস্যুতে আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি?

আইপিএলের সর্বশেষ আসরের নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স মোস্তাফিজুর রহমানকে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে অন্তর্ভুক্ত করে। তবে, ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির কারণে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে আইপিএলের তালিকা থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারতে একমাত্র মোস্তাফিজকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায়, পুরো দল, টিম ম্যানেজমেন্ট, সাংবাদিক এবং দর্শকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গত মার্চে বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দলকে ভারতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি অন্তবর্তীকালীন সরকার।

বাংলাদেশ চেয়েছিল পাকিস্তানের মতো শ্রীলংকায় গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে, কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি। ফলে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ দেওয়া হয় আইসিসির পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

সেই সময়ের অন্তবর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ নজরুল। বিশ্বকাপে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের জন্য বর্তমানে তাকেই দায়ী করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন প্রশ্ন উঠছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, "বাংলাদেশ টিম যে ইন্ডিয়ায় গেল না, সেটার তদন্তে এসেছে তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এটার জন্য রেসপন্সিবল।" পরে তিনি বলেন, "উনি আসলে কখনো এটা নিয়ে কোনো লুকোছাপা করেননি। উনি আগেও জানিয়েছিলেন—এটা আসলে উনি উনার সিদ্ধান্তে করেছেন।"

মঙ্গলবার তিনি আরও বলেন, "এখন প্রশ্ন হচ্ছে—এই সিদ্ধান্তটা কি এমন কোনো সিদ্ধান্ত, যেটা আসলে আমরা কোনো না কোনোভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে পারি?" তিনি উল্লেখ করেন, "একটা জিনিস খেয়াল করব, আমি একটু আগেই এ কথাটা বলেছি যে—ওই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়াতে যাওয়া উচিত হবে কি হবে না, এটা কিন্তু খুবই সাবজেক্টিভ ডিসিশন।"

তিনি বলেন, "এখন উনি যেহেতু দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, উনার কাছে মনে হয়েছে। এটা কারও কাছে ডিফরেন্ট মনে হতে পারে। উনার কাছে যেহেতু মনে হয়েছে, উনি ওই প্রেক্ষাপটে সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। এটার পক্ষেও মানুষ আছে, বিপক্ষেও মানুষ আছে।"

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

তিনি আরও বলেন, "উনি ওই কাজটা করার মাধ্যমে উনার ওপরে যে অর্পিত দায়িত্ব ছিল, উনার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সেখানে কোনো আইনি ব্যত্যয় উনি ঘটিয়েছেন—এমনভাবে যেহেতু বলা যাবে না। তাই উনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, সেরকম কিছু না। বরং এটা আমাদের সোশ্যাল স্ফিয়ারে থাকুক, মানুষ কথা বলুক পক্ষে-বিপক্ষে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর প্রদেশ শিগগিরই চারটি রাজ্যে বিভক্ত হবে: রাজভর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


উত্তর প্রদেশ শিগগিরই চারটি রাজ্যে বিভক্ত হবে: রাজভর

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যকে ভেঙে চারটি নতুন রাজ্য গঠনের পরিকল্পনা খুব শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী এবং সোহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির প্রধান ওম প্রকাশ রাজভর।

রাজভর জানান, নতুন ‘পূর্বাঞ্চল’ রাজ্য গঠনের ক্ষেত্রে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজভর সম্প্রদায়ের একজনকে নির্বাচিত করা হবে।

আম্বেদকরনগরে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, জাতি শুমারি সম্পন্ন হওয়ার পর রাজ্য বিভাজনের কাজ শুরু হবে।

প্রস্তাবিত চারটি নতুন রাজ্যের মধ্যে রয়েছে—পূর্বাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড এবং হারীত প্রদেশ। রাজভরের মতে, পূর্বাঞ্চলে রাজভর জনগণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, তাই সেখানে ক্ষমতার শীর্ষে এই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির অবস্থান থাকবে।

২০২৭ সালের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে রাজভরের এই মন্তব্য রাজ্যের রাজনীতিতে পুরোনো রাজ্য বিভাজনের আলোচনাকে আবার উজ্জীবিত করেছে। প্রশাসনিক সুবিধার জন্য বিশাল এই রাজ্যটিকে ভাগ করার দাবি বহুদিন ধরেই উঠছে। ২০১১ সালে মায়াবতীর সরকার বিধানসভায় চারটি ভাগে বিভাজনের প্রস্তাব পাস করলেও কেন্দ্র সরকার তখন তা অনুমোদন করেনি।

সমাবেশে অনগ্রসর শ্রেণীর (ওবিসি) ২৭ শতাংশ কোটার সুবিধা সবার জন্য সমানভাবে পাওয়া উচিত বলেও জোর দিয়েছেন রাজভর। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জাতি শুমারির পর অনগ্রসর শ্রেণীর সকলের জন্য ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রওনা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী তেহরান ত্যাগ করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইরান তার অধিকার ও অবস্থান বিন্দুমাত্র ছাড় না দিয়ে দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘকালীন বিরোধ এবং হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত উত্তপ্ত পরিস্থিতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান একটি কঠোর বার্তা প্রদান করেন। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি বলেন, "চাপ সৃষ্টি বা গায়ের জোর খাঁটিয়ে কোনো স্বাধীন জাতিকে কখনো দমিয়ে রাখা যায় না।"

এই সফরের সার্বিক বিষয় তদারকি করার জন্য ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতোমধ্যেই নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তিনি সোমবার সেখানে পৌঁছান এবং জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে মূল প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সূত্র: এবিসি নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনিয়মে ঠাসা এলজিইডির উন্নয়ন প্রকল্প, নিউজ না করতে তদবিরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


অনিয়মে ঠাসা এলজিইডির উন্নয়ন প্রকল্প, নিউজ না করতে তদবিরের অভিযোগ

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন রাস্তা নির্মাণের পর সেই রাস্তা কেটে নালা নির্মাণের আয়োজন, বাজারদরের প্রায় দ্বিগুণ দামে ডাস্টবিন কেনাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নকশা পরিবর্তনের কারণে কাজ থেমে আছে, কোথাও নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, আবার কোথাও যোগ্য ঠিকাদারকে বঞ্চিত করে বহিষ্কৃত ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কাজ না করেও অনেক পরামর্শক বসে বসে বেতন নিচ্ছেন। ‘নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন (আইইউজিআইপি)’ প্রকল্পের এই চিত্র, যা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের পৃথক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রকল্পটি দেশের পৌরসভা ও শহর অঞ্চলে নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নত করতে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব অনিয়মের বিষয়ে নিউজ না করতে তদবির করা হয়েছে। প্রকল্পের উপপরিচালক ইমতিয়াজ জহিরুল হক এই প্রতিবেদককে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করেন এবং জানান, প্রকল্প পরিচালক তোফায়েল আহমেদ তাকে দিতে বলেছেন। তবে প্রতিবেদক তা প্রত্যাখ্যান করেন (রেকর্ড সংরক্ষিত)।

জানা যায়, প্রকল্পটির ব্যয় ৬ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা। পরিকল্পনায় নানা গলদ রয়েছে। সমন্বয়হীনতার সবচেয়ে বড় উদাহরণ মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকায় দেখা গেছে। সেখানে সড়ক ও নালার কাজ আলাদা প্যাকেজে নেওয়া হয়। পরে নালা করতে গিয়ে দেখা যায়, জায়গা নেই। এখন সেই নতুন সড়ক কেটেই নালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কাজ করতে গিয়ে অনুমোদন পেতেই কেটে গেছে কয়েক মাস। এতে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

প্রকল্পের ক্রয় কার্যক্রম নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। অডিট আপত্তিতে অস্বাভাবিক দামে নিম্নমানের ডাস্টবিন কেনা এবং যথাযথ পরীক্ষা ছাড়াই সেগুলোর বিল পরিশোধের অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সরকারি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৮ কোটি ৭৭ লাখ ৪৩ হাজার ৪৯ টাকা। ক্রয় কার্যক্রমের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রকল্পে দুই ধরনের ডাস্টবিন কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ লিটারের ডাস্টবিন ২ লাখ ৫২ হাজারটি। প্রতিটির দাম ৬৮০ টাকা হিসাবে এতে ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ১২০ লিটারের ডাস্টবিন কেনা হয়েছে ২৫ হাজার ২০০টি। প্রতিটির দাম ৬ হাজার ৮০০ টাকা, এতেও ব্যয় হয়েছে ১৭ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বাজারদর যাচাই করে দেখা গেছে, এসব ডাস্টবিনের প্রকৃত বাজারমূল্যের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ব্যয় হয়েছে।

ঠিকাদার নিয়োগেও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে এমন এক ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হয়েছে, যিনি ওই সময় সরকারি কাজ থেকে বহিষ্কৃত ছিলেন। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৫০ লাখ ৩২ হাজার ৯৫৫ টাকা। পৃথক ঘটনায় নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ ঠিকাদারের জামানত বাজেয়াপ্ত না করে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৩৯ হাজার ৪০০ টাকা।

এছাড়া চুক্তি অনুযায়ী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সরকারি স্থাপনা ব্যবহার করলেও অফিস ভাড়া দেয়নি। এতে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা এবং পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আয়কর না কাটায় ৩৮ লাখ ৯৯ হাজার ৭১৭ টাকা ক্ষতি হয়েছে। পাঁচটি অডিট আপত্তিতে মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা।

নির্মাণের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। শুধু ক্রয় ও ঠিকাদার নির্বাচন নয়, মাঠপর্যায়ে নির্মাণকাজের মান নিয়েও একাধিক গলদ পাওয়া গেছে আইএমইডির প্রতিবেদনে। ৪০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে সড়কের ঢাল ও বাঁকের উঁচু-নিচু ঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এর ফলে যান চলাচলের নিরাপত্তা ও সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। নকশা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও গলদ রয়েছে। জমিদখল ও জায়গাসংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিভিন্ন স্থানে নকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নিরাপত্তাঝুঁকিও রয়েছে। কোথাও ফুটপাতের পাশে গভীর গর্ত থাকলেও নিরাপত্তাবেষ্টনী বা খুঁটি নেই। কোথাও পথের পাশে রেলিং না থাকায় পথচারী পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নালার গর্তের ঢাকনা নিরাপদ না হওয়ায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নির্মিত কিছু অংশ ভেঙে গেলেও তা মেরামত করা হয়নি। কোথাও ম্যানহোলের ঢাকনা না থাকায় উন্মুক্ত নালা দুর্ঘটনা, দুর্গন্ধ, মশার উপদ্রব ও জলাবদ্ধতার শঙ্কা তৈরি করেছে। আবার কালীগঞ্জে নির্মাণবর্জ্য নালার সঙ্গে যুক্ত স্থানে ফেলে রাখায় নালার কার্যকারিতা কমে যাওয়ার চিত্রও পাওয়া গেছে। সরকারের ইটের ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রকল্পের পরিকল্পনা ও অনুমোদিত কাজের পরিমাণ নিয়েও অসঙ্গতি রয়েছে। প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার সড়ক ও ৯০০ কিলোমিটার নালা নির্মাণের লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু অনুমোদিত প্রকল্পে সড়কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭ দশমিক ৮১ কিলোমিটার এবং নালার পরিমাণ ৪৩৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার। আবার প্রকল্পের যুক্তিকাঠামোতেও সড়ক ও নালার পরিমাণের ভিন্ন হিসাব রয়েছে। ফলে প্রকল্পের লক্ষ্য নির্ধারণ, সম্ভাব্যতা যাচাই এবং শেষ পর্যন্ত অনুমোদিত কাজের পরিমাণ কীভাবে নির্ধারিত হলো-সে প্রশ্নও সামনে এসেছে। প্রকল্পের আর্থিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ নিয়েও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এমনকি প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ছিল নারী ও পুরুষের প্রয়োজন বিবেচনায় অবকাঠামো নির্মাণ এবং দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় কার্যক্রমে অন্তত ৫০ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কিন্তু প্রায় ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে এই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

অনিয়মের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) তোফায়েল আহমেদ বলেন, "অডিট আপত্তিগুলোর জবাব দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো আপত্তি নিষ্পত্তি হয়নি। যাচাই প্রক্রিয়া চলমান আছে। আর কাজের ক্ষেত্রে যেসব অভিযোগ উঠেছে সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রিদ ডার্বির পর শাস্তি থেকে রক্ষা পেলেন মরিনিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


মাদ্রিদ ডার্বির পর শাস্তি থেকে রক্ষা পেলেন মরিনিও

মাদ্রিদ ডার্বির পর রেফারিং নিয়ে মন্তব্য করার কারণে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জোসে মরিনিও। তবে আপাতত পর্তুগিজ এই কোচের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। স্প্যানিশ রেফারিদের সংগঠন মরিনিওর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ না তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর রিপোর্ট অনুযায়ী, মরিনিওর মন্তব্যের পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার বিষয়টি রেফারিদের সংগঠন বিবেচনা করেছিল। এ বিষয়ে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের রেফারি কমিটির (সিটিএ) আইনি বিভাগের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়। তবে সোমবারের বৈঠকের পর অভিযোগ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠে ২-১ গোলে পরাজিত হয় রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচ শেষে মূল রেফারি মিগেল আনহেল ওর্তিস আরিয়াসের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মরিনিও। বিশেষ করে ভিএআর কর্মকর্তা ড্যানিয়েল ত্রুহিয়ো সুয়ারেসের ভূমিকা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

মরিনিওর অভিযোগ ছিল, আতলেতিকোর দুই খেলোয়াড় এমন অপরাধ করেছেন, যার জন্য লাল কার্ড প্রদানের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রেফারি তাদের মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেননি। একই সঙ্গে ম্যাচ পরিচালনার জন্য রেফারি ওর্তিস আরিয়াসের অভিজ্ঞতা এবং বড় ম্যাচ সামলানোর সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মরিনিও। ভিএআর কর্মকর্তা ত্রুহিয়োর পূর্ববর্তী একটি রিয়াল-সংশ্লিষ্ট ম্যাচের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন।

মরিনিওর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হলে সর্বোচ্চ চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জরিমানা হতে পারত। তবে রেফারিদের সংগঠন অভিযোগ না করার ফলে আপাতত সেই সম্ভাবনা থাকছে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%