রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
চোখের সামনে হঠাৎ কালো, ধূসর বা অন্ধকার ছায়া দেখা, অথবা দৃষ্টির কোনো অংশ পর্দার মতো অন্ধকার হয়ে আসা অনেকেই সাময়িক সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান। তবে, এই ধরনের লক্ষণ কখনো কখনো গুরুতর চোখের সমস্যার সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে, যদি দৃষ্টির পাশের অংশ থেকে এমন ছায়া বা পর্দার মতো অন্ধকার দেখা শুরু হয়, তাহলে দ্রুত চোখ পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।
কীভাবে দেখা যায় এই লক্ষণ
চোখের সামনে কালো, ধূসর বা ঝাপসা অংশ দেখা দিতে পারে। কখনো কখনো মনে হতে পারে যে দৃষ্টির একটি অংশ অন্ধকার পর্দায় ঢেকে গেছে। সাধারণত, এটি চোখের পাশের দৃষ্টিতে শুরু হলেও যেকোনো দিক থেকে দেখা দিতে পারে। এক চোখে অথবা একসাথে দুই চোখেও এমন সমস্যা হতে পারে।
চোখের পর্দা সরে যেতে পারে
এ ধরনের লক্ষণের একটি গুরুতর কারণ হতে পারে চোখের ভেতরের আলো-সংবেদনশীল পর্দা, অর্থাৎ রেটিনা ছিঁড়ে যাওয়া বা সরে যাওয়া। রেটিনা হলো চোখের পেছনের অংশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর, যা দৃষ্টির জন্য অত্যাবশ্যক। রেটিনা সরে গেলে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে ওই চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
রেটিনা সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে হঠাৎ আলোর ঝলক দেখা, চোখের সামনে নতুন করে অনেক কালো দাগ বা ভাসমান রেখা দেখা এবং দৃষ্টির পাশে ছায়া বা ধূসর পর্দার মতো কিছু দেখা দিতে পারে।
চোখের রক্তনালিতে বাধা
চোখের রক্তনালিতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে দৃষ্টিতে অন্ধকার বা ছায়ার মতো পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। চোখের প্রধান ধমনি বা শিরায় বাধা তৈরি হলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই ধরনের সমস্যার সঙ্গে শরীরের রক্তনালি ও হৃদ্যন্ত্রের কিছু সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে।
ঘাড়ের রক্তনালির সমস্যার সঙ্গেও সম্পর্ক থাকতে পারে। ঘাড়ের প্রধান রক্তনালিতে চর্বি বা অন্য কারণে বাধা তৈরি হলে চোখে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি ভবিষ্যতে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের গুরুতর সমস্যার সতর্কসংকেতও হতে পারে। তাই হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তনকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
চোখে সংক্রমণ থেকেও হতে পারে
কিছু ভাইরাসের কারণে চোখের ভেতরের রেটিনায় সংক্রমণ হতে পারে। এমন সংক্রমণেও দৃষ্টিতে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে চোখের এমন লক্ষণ দ্রুত পরীক্ষা করা জরুরি।
হঠাৎ হলে অপেক্ষা নয়
দৃষ্টির সামনে হঠাৎ কালো বা ধূসর পর্দার মতো কিছু দেখা গেলে নিজে থেকে ভালো হয়ে যাবে—এমন ধারণা করা ঠিক নয়। রেটিনা সরে যাওয়ার মতো সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ চোখ পরীক্ষা করানো উচিত।
চোখের অনেক রোগের শুরুতে স্পষ্ট কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তনকে বয়স বাড়ার স্বাভাবিক অংশ মনে করে উপেক্ষা করেন। তাই অস্বাভাবিক কোনো দৃষ্টির পরিবর্তন দেখা দিলে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করানোই নিরাপদ।
সূত্র: আমেরিকান একাডেমি অফ অপথালমোলজি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে প্রার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ের কাছে অবস্থান নিয়ে তারা দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য যে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্তদের আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র প্রদান শুরু হয়েছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ প্ল্যাটফর্মের দাবি, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের অজুহাতে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র আটকে রাখা হয়েছে। সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ না করে প্রার্থী বাদ দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে নিয়োগপত্র প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে তারা পাঁচ দফা দাবি জানান।
এর আগে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল এবং গত ৮ ফেব্রুয়ারি ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে ফল প্রকাশ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্যারিবীয় অঞ্চলের সার্বভৌম রাষ্ট্র কিউবায় সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। মার্কিন বাহিনী সরেজমিনে যাচাই করছে প্রয়োজনীয় জনবল এবং সহায়ক বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের সক্ষমতা ও প্রস্তুতি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিবিএস নিউজ, মার্কিন সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু নথি পর্যালোচনার ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্ভাব্য অভিযানের প্রয়োজনে আগামী চার মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাউদার্ন কমান্ড’-কে সামরিক পুলিশ, প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মী ও অন্যান্য সহায়ক ইউনিট সরবরাহ করা সম্ভব কি না, তা সেনারিজার্ভ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও নথিতে সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে সরাসরি দেশটির নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে মার্কিন সামরিক প্রশাসনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এটি কিউবাকেন্দ্রিক সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অংশ।
যাচাই প্রক্রিয়ায় মূল নজর রাখা হচ্ছে লজিস্টিকস ও রসদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ‘কমব্যাট সাসটেইনমেন্ট সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন’, প্রকৌশলী ব্যাটালিয়ন, জরুরি অস্ত্রোপচারের সুবিধাসহ মেডিকেল ব্রিগেড এবং নিরাপত্তা ও বন্দি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সামরিক পুলিশ ব্রিগেডের ওপর। সম্ভাব্য প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতে গত ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব ইউনিটের চূড়ান্ত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সেনা রিজার্ভ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য অভ্যন্তরীণ পত্রে সক্ষমতা মূল্যায়নের তাগিদ দেওয়া হলেও কোনো ইউনিটকে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে মোতায়েনের আদেশ জারি করা হয়েছে কি না—তা পরিষ্কার করা হয়নি। সামরিক গোপনীয়তার স্বার্থে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড আগাম অভিযানের পরিকল্পনা বা সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় আসার পর সরকারের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও সামরিক বলপ্রয়োগের বিকল্প এড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। তবে ট্রাম্পের এই সমঝোতার বার্তার পাশাপাশি পেন্টাগনের এই অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে চরম সামরিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে বিদ্যুতের তার চুরি করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের উত্তরপাড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রকি, তিনি কানুহরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের উত্তরপাড়ায় একটি ঘাষের জমিতে রকি নামের যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশের বরাত দিয়ে জানা যায়, ভোররাতে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে রকি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, "মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জন্মের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ছেলে ও মেয়ের আচরণে সূক্ষ্ম পার্থক্য দেখা দিতে পারে, এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে নতুন একটি গবেষণায়। গবেষণায় দেখা গেছে, খেলনার তুলনায় মানুষের মুখের দিকে গড়ে বেশি সময় তাকিয়ে থাকে মেয়ে-ছেলেরা।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল পরিচালিত এই গবেষণায় ১৩০ জন নবজাতক অংশগ্রহণ করে। তাদের বয়স ছিল আট ঘণ্টা থেকে তিন দিন পর্যন্ত। ফলে সামাজিক পরিবেশ বা লালন-পালনের প্রভাব পড়ার সুযোগ ছিল খুবই সীমিত।
নবজাতকদের সামনে ল্যাপটপের পর্দায় দুটি ভিডিও একসঙ্গে দেখানো হয়। একটি ভিডিওতে ছিল একটি তরুণীর মুখ, অন্যটিতে ছিল ‘নিউটনের ক্রেডল’ নামে পরিচিত দোল খাওয়া ধাতব বলের খেলনা। আই-ট্র্যাকিং প্রযুক্তির মাধ্যমে গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করেন, কোন ভিডিওর দিকে শিশুরা কতক্ষণ তাকাচ্ছে।
ফলাফলে দেখা যায়, ছেলে ও মেয়ে উভয় শিশুই খেলনার তুলনায় মানুষের মুখের ভিডিওর দিকে বেশি সময় তাকিয়েছে। তবে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় মুখের দিকে আনুপাতিকভাবে বেশি সময় মনোযোগ ধরে রেখেছে।
গবেষণার প্রধান গবেষকদের একজন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অটিজম রিসার্চ সেন্টারের পিএইচডি গবেষক ইউমনা খান বলেন, "আচরণে লিঙ্গভেদে পার্থক্যের কারণ এবং এর সূচনা কখন থেকে এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিতর্ক রয়েছে।" নতুন গবেষণাটি অন্তত কিছু পার্থক্য জীবনের শুরুতেই দেখা দিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গবেষকদের ধারণা, এত অল্প বয়সে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের সুযোগ কম থাকায় বংশগত বৈশিষ্ট্য কিংবা গর্ভাবস্থায় হরমোনের মাত্রার পার্থক্যের মতো জৈবিক কারণ এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।
গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এই ফলাফল সব ছেলে বা সব মেয়ের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নয়। গবেষণাটি দুটি দলের গড় পার্থক্য তুলে ধরেছে, যেখানে ব্যক্তিগত পর্যায়ে দুই দলের শিশুর আচরণে যথেষ্ট মিল ও পার্থক্য থাকতে পারে।
জন্মের সময় দেখা এই পার্থক্য কোনো শিশুর ভবিষ্যৎ আচরণ বা বিকাশ নির্ধারণ করে দেয়, এমন দাবি করা সম্ভব নয়। তবে গবেষকদের মতে, জীবনের শুরুতে থাকা কোনো প্রাথমিক প্রবণতা পরবর্তী বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে।
সাধারণভাবে মেয়েরা কিছু ভাষাগত ও সামাজিক দক্ষতায় ছেলেদের তুলনায় কিছুটা আগে এগিয়ে যেতে পারে। জন্ম থেকেই সামাজিক বিষয়ে মনোযোগের পার্থক্য থাকলে তা পরবর্তী বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, সেটি ভবিষ্যৎ গবেষণায় খতিয়ে দেখা হবে।
এছাড়া নবজাতকের মনোযোগের এই পার্থক্যের সঙ্গে পরবর্তী স্নায়ুবিক বিকাশ বা মানসিক স্বাস্থ্যের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটিও গবেষকদের আগ্রহের বিষয়। তবে বর্তমান গবেষণায় নবজাতকের এই আচরণের সঙ্গে অটিজম, এডিএইচডি, উদ্বেগ বা বিষণ্নতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি।
গবেষকদের মতে, গর্ভাবস্থায় হরমোনের পার্থক্যও এ ধরনের আচরণগত তফাতের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। আগের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থার প্রথম ও দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ছেলে ভ্রূণ মেয়ে ভ্রূণের তুলনায় বেশি টেস্টোস্টেরনের সংস্পর্শে আসে।
এই হরমোনগত পার্থক্য জন্মের পর মনোযোগ ও মস্তিষ্কের বিকাশে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
গবেষণাটির বিস্তারিত ফলাফল ‘Biology of Sex Differences’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, নতুন এই ফলাফল প্রকৃতি ও লালন-পালনের প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে নতুন কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে জন্মের সময়ের এই সূক্ষ্ম পার্থক্য কীভাবে পরবর্তী বিকাশের সঙ্গে যুক্ত হয়, তা জানতে আরও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন।
সূত্র: গার্ডিয়ান
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ