ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাসিরনগরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন


নাসিরনগরে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের সংসদ সদস্যের জন্য একটি পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবনে পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরীন, সহকারী কমিশনার ভূমি সাহেল আহমেল, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান শাকিল, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবদুল মমিন, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি কেএম খালেদ, সাধারণ সম্পাদক কেএম বসির উদ্দিন তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আলী আজম চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরীসহ উপজেলা বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

পরে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা শছায়েদুল হক। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি উপজেলায় সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নাসিরনগর উপজেলায় এ পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন করা হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দিনের ভাঙনে চিলমারীতে ৫০ বাড়িঘর নদীগর্ভে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৫ এম


তিন দিনের ভাঙনে চিলমারীতে ৫০ বাড়িঘর নদীগর্ভে

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের ক্রমাগত ভাঙনের ফলে বসতভিটা এবং ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত তিন দিন ধরে অন্তত ৫০টি পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অর্ধা ঘন্টার ব্যবধানে ২৫টি বাড়ির পাশাপাশি এ অবস্থার ফলস্বরূপ, নদীর পাড়ের লোকজন শত শত একর আবাদি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত তিন দিনে এই ভাঙনের জন্য বিশারপাড়া আশ্রয়ন এলাকায় সোমবার ভোরবেলা ৩০ মিনিটের মধ্যে ২৫টি বাড়ীসহ ৫০টি পরিবার তাদের বাড়িঘর হারিয়েছে। এ ছাড়াও নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ছয়টি বৈদ্যুতিক লাইনের খুটি এবং হাজারো একর আবাদী জমি। বিভিন্ন স্থাপনা যেমন মনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢ়ুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কড়াইবরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কড়াইবরিশাল বাজার, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, নির্মাণাধীন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এর মধ্যে রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের শাখাহাতী, কড়াইবরিশাল, বিশারপাড়া এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন চলছে। প্রতিদিনই নদী গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি এবং বসতভিটা। ইতোমধ্যে ৬টি বৈদ্যুতিক খুঁটি নদীগর্ভে চলে গেছে, যার ফলে প্রায় ৪০০ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভুক্তভোগীদের জমি এবং বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার দৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে। এলাকার আতিকুর রহমান, আনসার আলী, আ:হামিদ, বক্কর আলী, লাল মিয়া, শাহিন মিয়া, ফুলু মিয়া, মোনছোর মেম্বারসহ অনেকে তাদের ভিটেবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। বিশারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহিন মিয়া, তোফায়েল হোসেন, এবং মুকুল মিয়া বলেছেন, "ব্রহ্মপুত্র নদ আমাদের বসতবাড়ি কেড়ে নিয়েছে। সাজানো সংসার হারিয়ে ফেলেছি। লাখ লাখ টাকার সম্পদ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আমরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছি। ত্রাণ চাই না, চাই নদীভাঙন থেকে স্থায়ী রক্ষা।"

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, গত দুই বছরে ইউনিয়নের প্রায় ৬৫০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে যে হারে ভাঙন চলছে, যদি দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ইউনিয়নের একটি বড় অংশ, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্র এবং কড়াইবরিশাল বাজার নদীতে চলে যাবে। ইতোমধ্যে শত শত একর আবাদি জমিও নদীগর্ভে চলে গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেছেন, "ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এত ব্যাপক ভাঙন আসলে সামান্য কিছু দিয়ে রক্ষা করা কঠিন। ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারিভাবে সহায়তা দেয়া হবে।" কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেছেন, "এত দীর্ঘ ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ জিও বস্তা দেয়া হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য। এজন্য ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনা গুলি সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূরুঙ্গামারীতে বিদ্যালয়ে পরিবেশন রুটিতে ফাঙ্গাস, তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৭ এম


ভূরুঙ্গামারীতে বিদ্যালয়ে পরিবেশন রুটিতে ফাঙ্গাস, তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাতুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য সবুজ ফাঙ্গাস (ছত্রাক) পড়া পঁচা বনরুটি পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনা সরকারি স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় দেওয়া নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের ফলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে সত্যতা পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ও অভিভাবক সূত্র জানায়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে দুপুরের টিফিন হিসেবে এই বনরুটি বিতরণ করা হয়। কিন্তু রুটিগুলো হাতে পাওয়ার পর শিক্ষকরা দেখতে পান সেগুলোর ওপর সবুজ রঙের ফাঙ্গাস (ছত্রাক) পড়ে আছে।

বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কুলসুম বেগম বলেন, "রুটিতে ফাঙ্গাস বা ছত্রাক দেখা মাত্রই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে রুটি বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।"

ঘটনাটি জানার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোবাশ্বর হোসেনকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তদন্তের দায়িত্ব দেন।

দায়িত্ব পেয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোবাশ্বর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে তিনি জানান, "শিক্ষার্থীদের জন্য ফাঙ্গাস পড়া রুটি পরিবেশনের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হচ্ছে।"

শিশুখাদ্য পরিবেশনকারী সংস্থা ইএসডিও এর স্থানীয় প্রতিনিধি মনজু আলম বলেন, মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও বনরুটিতে সবুজ ফাঙ্গাস পড়ার কারণ কি তিনি বুঝতে পারছেন না। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা না বলে তিনি কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান।

অভিভাবকদের দাবি, কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এবং এর পেছনে সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি খতিয়ে দেখে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন সাজে সেবাগ্রহীতাদের প্রশংসায় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৪ এম


নতুন সাজে সেবাগ্রহীতাদের প্রশংসায় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাস

সেবাগ্রহীতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাস।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবার সমন্বয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা ক্যাম্পাস বর্তমানে কেবল সেবাগ্রহীতাদেরই নয়, সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক এবং সৌন্দর্যবর্ধনমূলক উদ্যোগের ফলে এটি শুধু একটি সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালনার স্থানই নয়, বরং আকর্ষণীয় প্রশাসনিক কমপ্লেক্সে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সবুজায়ন, কৃষি অফিসের ফুলের বাগান, সুপরিকল্পিত হাঁটার পথ, বসার স্থান এবং সুশৃঙ্খল যানবাহন পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন বিভিন্ন সেবা নিতে আসা মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে সরকারি দপ্তরে যাতায়াত করতে সক্ষম হচ্ছেন।

সেবা নিতে আসা নাগরিকদের মধ্যে নীলফামারীর একজন জানান, "আগে উপজেলা ক্যাম্পাসের পরিবেশ এতটা আকর্ষণীয় ছিল না। বর্তমানে পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে সরকারি দপ্তরে এসে কাজ করতে ভালো লাগে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও কমেছে।" কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি, সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ যত সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হবে, ততই সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হবে।" সৈয়দপুর উপজেলা ক্যাম্পাসের বর্তমান রূপ অন্য উপজেলাগুলোর জন্যও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, "ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা ধরে রাখতে নিয়মিত পরিচর্যা, বৃক্ষরোপণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।" পাশাপাশি সেবার মান আরও উন্নত করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সৌন্দর্যায়ন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ দীর্ঘদিন ধরে বজায় রেখে সৈয়দপুর উপজেলা ক্যাম্পাসকে আধুনিক, জনবান্ধব ও দৃষ্টিনন্দন প্রশাসনিক কমপ্লেক্স হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করা হবে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেকেন্দার আলী বলেন, "এক সময় এ উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাস ছিল খোলা মেলা। আজ সুন্দর বাউন্ডারি দেয়াল ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস। বিশেষ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশংসনীয়।" সাংবাদিক আঞ্জেলো মন্ডল বলেন, "নতুন ভবন চালু হলে আরো সৌন্দর্যমণ্ডিত হবে ক্যাম্পাস।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সলেমান সোলার সেচপাম্প’ দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা মির্জা ফখরুলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৮ এম


‘সলেমান সোলার সেচপাম্প’ দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা মির্জা ফখরুলের

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মোলানী বাজার, চুনিহাড়ী পশ্চিমপাড়ায় "করবো কাজ, গড়বো দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যে আয়োজিত ‘সলেমান সোলার সেচপাম্প’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “দেশীয় উদ্ভাবনকে কৃষির উন্নয়নে কাজে লাগাতে উদ্ভাবক মো. সলেমান আলীর তৈরি ‘সলেমান সোলার সেচপাম্প’ সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্ভাবন কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচন করবে। কৃষকদের সেচ ব্যয় কমানো এবং একটি পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সৌরশক্তিচালিত এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সোলেমান আমাদের দেশের গর্ব, তাই সরকারের পক্ষ থেকে সোলেমানের উদ্ভাবিত সোলার সেচপাম্প দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সেই সাথে তাকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা হলে দেশের কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে এবং কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনের আগের সময়ে মন্ত্রী সোলার সেচপাম্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং উদ্ভাবক মো. সলেমান আলীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

উদ্ভাবক মো. সলেমান আলী জানান, বিদ্যুৎ ও ডিজেলের বিকল্প হিসেবে সৌরশক্তি ব্যবহার করে কম খরচে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারি সহযোগিতা পেলে এ প্রযুক্তি দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%