০২:২১ পি.এম
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শুধুমাত্র শোক প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং, এর মাধ্যমে দেশটির নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় নীতির ধারাবাহিকতার বার্তা বিশ্বকে দিচ্ছে তেহরান। এই বক্তব্যটি প্রকাশ করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফেলো মোহাম্মদ এসলামি।
আজ শনিবার (৪ জুলাই) আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসলামি বলেন, ইরানের ইতিহাসে খামেনি এমন কয়েকজন নেতার একজন, যিনি যুদ্ধ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন।
তার ভাষায়, ‘খামেনি এমন নেতা ছিলেন না, যিনি শুধুমাত্র নির্দেশ দিতেন। তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সামনের সারিতে ছিলেন। তাই তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।’
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এসলামি বলেন, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানি সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বার্তা দিতে চায় যে, খামেনির আঞ্চলিক নীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার যে পথ ছিল, তা তার মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকবে।
খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ছেলে এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মুজতবা খামেনির প্রকাশ্যে অনুপস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন এই গবেষক। তার মতে, গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এটি মূলত একটি নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্ত।
এসলামি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন নেতৃত্বকে নিরাপদ রাখা এবং রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বকে স্থিতিশীল করা। এই সংকটময় সময়ে মুজতবা খামেনির প্রধান দায়িত্ব হলো তার নেতৃত্বকে সুসংহত করা।’
তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নতুন নেতৃত্বের অধীনে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে দৃঢ়ভাবে পরিচালনা করা।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন