ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে


দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার (ফরেক্স) মোট বা গ্রস রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার(১৩ জুলাই) পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫৪৬ বিলিয়ন (৩৬,৫৪৬ দশমিক ১৪ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল-৬ (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুযায়ী, একই সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৯০৭ বিলিয়ন (৩১,৯০৭ দশমিক ০৩ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারী বর্ষণে চরফ্যাশনের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভেসে গেছে ঘেরের মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


ভারী বর্ষণে চরফ্যাশনের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভেসে গেছে ঘেরের মাছ

 টানা এক সপ্তাহের বর্ষণের ফলে ভোলার নদী-নালা ও খাল-বিলে পানি বৃদ্ধির কারণে চরফ্যাশন উপজেলার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। এই কারণে হাজারো মানুষ হতে পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে।

পানিতে এ অঞ্চলের মানুষের ঘর-বাড়ি এবং কয়েকশ মাছের ঘের, পুকুর, খাল ও বিল তলিয়ে রয়েছে। এর ফলে মৎস্যচাষিদের ব্যাপক পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বেড়িবাঁধের স্লুইসগেটসমূহ বন্ধ রাখার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ঘর-বাড়ি, পুকুর-নালা, মাছের ঘের এবং ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

খনজোপ করা খবর অনুযায়ী, চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর, চরমাদ্রাজ, হাজারীগঞ্জ, জাহানপুর, চরমানিকা ও নীলকমল ইউনিয়নের বাংলাবাজার, ঘোষেরহাট, চরমানিকা ইউনিয়নের চর কচ্ছপিয়া, নজরুল নগর, বাবুরহাট, চর নলুয়া, ঢালচর, কুকরি-মুকরি, চরপাতিলা এবং চর নিজামে ভারী বর্ষণ এবং অতি জোয়ারের প্রভাবে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে যেখানে খাল-বিল, পুকুর ও জলাশয় মাছের ঘের এবং কৃষি ফসল তলিয়ে গিয়েছে।

এছাড়া, বেড়িবাঁধের একাধিক স্লুইসগেট বন্ধ থাকার কারণে জলাবদ্ধতার কারণে বাসা-বাড়িতে পানি প্রবেশ করছে। এর ফলস্বরূপ হাঁস-মুরগির খামার এবং গবাদিপশুর খামারও পানির নিচে ডুবে গেছে।

মৎস্যচাষিরা জানান, উপকূলীয় ইউনিয়নগুলোর বেড়িবাঁধে যেসব স্লুইসগেট রয়েছে সেগুলোর কপাট সব সময় খোলা থাকে না। লিজ নেওয়া ব্যক্তিরা মাছ ধরার সুবিধার কারণে অধিকাংশ সময় গেটগুলো বন্ধ রাখেন। বিশেষ করে, জোয়ারের সময় গেট খোলা রাখা হয় এবং অন্য সময় বন্ধ থাকে। এর কারণে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি নদীতে প্রবাহিত হতে না পেরে জনবসতি এলাকায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং প্লাবিত হয়ে থাকে। সেখানকার আটকপাট, পাঁচকপাট এবং এক কপাট নামক এলাকা, চর মাদ্রাজ এলাকার নতুন বাজার স্লুইসগেট এবং পশ্চিমাঞ্চলের স্লুইসগেট অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বাসসকে বলেন, চরফ্যাশন উপজেলার কৃষিতে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ শাকসবজি ১২১০ হেক্টর এবং ১৭০ হেক্টর আমনের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, অতি বৃষ্টি এবং জোয়ারের পানিতে সেখানে ২ হাজার ৩৬০ জন মৎস্যচাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এছাড়া, ৩ হাজার ৬৭১টি ছোট-বড় মৎস্য খামারও তলিয়ে গেছে, যার আয়তন ২১৮ হেক্টর। বরাবর ২৭২ মেট্টিক টন মাছ এবং মাছের পোনা ভেসে গেছে।

উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের মৎস্যচাষি মনিরুল ইসলাম পন্ডিত, আবুল খায়ের, জসিম মিয়া এবং মৎস্য উদ্যোক্তা ছালেহা খাতুন জানান, এলাকার কোটি টাকার মাছের ঘেরসহ অনেকের বাড়ি-ঘর, পুকুর, নালা পানিতে ডুবে গেছে। খামার থেকে মাছ স্রোতের সাথে চলে গেছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বাসসকে বলেন, অবিরাম বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় এবং ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ও সংকট মোকাবিলা এবং সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশনের (ভোলা-৪ আসন) সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন বাসসকে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে এবং অসহায় পরিবারগুলোকে যথাযথ সাহায্য সহযোগিতা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪ ছেলের পাকা বাড়ি থাকলেও বৃদ্ধা মায়ের আশ্রয় খোলা আকাশের নিচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


৪ ছেলের পাকা বাড়ি থাকলেও বৃদ্ধা মায়ের আশ্রয় খোলা আকাশের নিচে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে চার ছেলের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন ৭০ বছর বয়সী আরেসের নেছা। খোলা আকাশের নিচে একটি ভাঙা চৌকিতে তিনি বসবাস করছিলেন। এর মধ্যে টানা বৃষ্টির কারণে চৌকিটি ভিজে যাওয়ায় তার দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বৃদ্ধার সেই ছবি ও ভিডিও যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তখন ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের ফলে তাকে ছেলের বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনাটি উপজেলা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটেছিল। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ৩০ বছর আগে স্বামী হযরত আলীর মৃত্যুর পর আরেসের নেছা একা চার ছেলে ও এক মেয়েকে লালন-পালন করেছেন। অভাব-অনটনের মধ্যেও তিনি সন্তানদের বড় করেছেন এবং মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন। তার চার ছেলে হলেন আব্দুর রহিম, মোমেন মিয়া, হুমায়ুন কবির ও ইয়াসিন মিয়া। এই চার ভাইয়ের মধ্যে ইয়াসিন মারা গেছেন।

অভিযোগ উঠেছে যে, অন্য ছেলেরা পাকা বাড়িতে বসবাস করলেও আরেসের নেছা প্রায় দুই মাস ধরে তৃতীয় ছেলে হুমায়ুন কবিরের বাড়ির পাশের একটি পুরাতন চৌকিতে খোলা আকাশের নিচে বাস করছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে টানা বৃষ্টির ফলে সেই চৌকিটি ভিজে যাওয়ায় তার জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল।

বৃদ্ধার এমন করুন অবস্থার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এলাকাবাসীর মতামত হল, মা-বাবার ভরণপোষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সন্তানের নৈতিক, সামাজিক এবং আইনগত দায়িত্ব। তারা সমাজে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন ঘটতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসন এবং সমাজের সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহ আলমের মন্তব্য ছিল, "দুই ছেলের পাকা বাড়ি থাকার পরও যদি মায়ের মাথা গোঁজার ঠাঁই না হয়, তার চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না।" প্রবীণ বাসিন্দা সুরুজ মিয়া বলেন, "মা-বাবার সেবা করা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি সন্তানের কর্তব্য। এমন ঘটনা সমাজের জন্য লজ্জাজনক।"

তৃতীয় ছেলে হুমায়ুন কবির নিজেকে দায়ী করে বলেছেন, "আমি সব সময় মায়ের দেখভাল করেছি। অন্য দুই ভাই খোঁজখবর নেন না। বাড়িতে অতিথি থাকার কারণে গত দুই মাস মা বাইরে ছিলেন।" তিনি বলেন, "এটিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আমি বলি, এখন থেকে মায়ের পুরো দায়িত্ব নেব।"

বিষয়টি যখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের নজরে আসে, তিনি রবিবার রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে আরেসের নেছাকে উদ্ধার করে হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম জানান, "সোমবার ছেলেদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। তারা মায়ের যথাযথ দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। প্রশাসন বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে, চরাঞ্চলে ৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে, চরাঞ্চলে ৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল এবং টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিস্তার পানি দোয়ানি পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে তীরবর্তী এলাকায় আবারও স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে সন্ধ্যা ৬টায় নদীটির পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর আগে সকালে সেখানে পানিপ্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচে।

দেশে এবং উজানে তিস্তা অববাহিকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কারণে নদীটিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানাচ্ছে।

এদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আজ জানাচ্ছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লালমনিরহাটসহ আশপাশের অঞ্চলে নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় উত্তরের পাঁচ জেলা - রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও নীলফামারী নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা যাচ্ছে।

এতে চরাঞ্চল ও তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানিয়েছেন, নদীর মধ্যবর্তীতে বসবাসকারী চরের প্রায় ৬ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

তিনি যুক্ত করছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় পানি আরও বাড়বে এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে। তাই চরের মানুষের সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে।

আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৮ মিটার। বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার হওয়ায় বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে তিস্তার পানি ওঠানামা করলেও উজানের ঢল অব্যাহত থাকায় নদীতে পানির চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে চরাঞ্চলের নিচু এলাকা, ফসলি জমি ও কাঁচা রাস্তায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পানি আরও বাড়লে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিস্তা তীরবর্তী বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের অনেক অংশ সংস্কার না করায় পানি বৃদ্ধি পেলেই ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়। শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী সংস্কারের পরিবর্তে বর্ষাকালে জরুরি মেরামতের কারণে কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত হয় না।

চর রাজপুরের বাসিন্দা ওমর আলী জানান, দুপুরের পর থেকে তার বাড়িতে পানি উঠছে। পানি আরও বাড়ছে, তাই ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হবে।

চর বাগেরহাটের বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, পানির চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

এদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টি অথবা বিদ্যমান পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।

অন্যদিকে, সোমবারের তথ্য অনুযায়ী দেশের চারটি নদী স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হলো সুরমা নদীর ছাতক, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা স্টেশন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বাসসকে জানিয়েছেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার কারণে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া নদীতে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উখিয়ায় যৌথ অভিযানে উদ্ধার হলো ১৩০ বস্তা সার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ পি.এম


উখিয়ায় যৌথ অভিযানে উদ্ধার হলো ১৩০ বস্তা সার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি এবং উপজেলা কৃষি বিভাগের যৌথ অভিযানে ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।

এই অভিযানের কার্যক্রম সোমবার সন্ধ্যায় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলী কবরস্থান মোড় এলাকায় লম্বা কালুর দোকানের পাশে পরিচালিত হয়েছে। ৬৪ বিজিবির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানাচ্ছে, অভিযানে কালাম উদ্দিনের ছেলে মুফিজ উদ্দিনের (৪৫) কাছ থেকে ৭২ বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে, দুদু মিয়ার কাছে উদ্ধার হয়েছে ২১ বস্তা এবং মোহাম্মদ সোলেমানের পুত্র মোহাম্মদ ইউনুসের কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত সারগুলো ছিল মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা। মিয়ানমারে সার চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে দুদুমিয়ার পুত্র সাগর, আলী আকবরের পুত্র 'সোনা মিয়া', আবদুল জব্বারের পুত্র নুর মোহাম্মদ, আকবর আলীর পুত্র এবং নুরুল ইসলামের পুত্র বাদশা মিয়ার নাম আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে তৎপর রয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার বলেছেন, কৃষি উপকরণ কৃষকের জন্য বরাদ্দ। এসব অবৈধভাবে মজুদ বা সীমান্ত দিয়ে পাচারের কোনো সুযোগ নেই। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রশাসন ও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের মাহামুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ সার উদ্ধার করা হয়েছে। কৃষি উপকরণ অবৈধভাবে পাচার না হয়, সে বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবির সুবেদার তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সীমান্ত অঞ্চলে সারসহ কোনো ধরনের চোরাচালান যাতে না ঘটে, সে জন্য বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%