ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদনের পদক্ষেপ


সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদনের পদক্ষেপ

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে। এটি সূচিত হয়েছে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি নিশ্চিত করার পর।

এটি জানা গেছে যে, ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান এবং পরবর্তী দিন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলির ঘটনার কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান এবং তৎকালীন বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক জেনারেল আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এই আবেদন করা হয়েছে।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং পুলিশের ইন্টারপোল ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত আইজিকে চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রথম পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ৮ ডিসেম্বর

তিনি বলেছেন, জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ আশঙ্কা করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গেছেন। আশা করা হচ্ছে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হবে।

আদেশক্রমে আরও বলা হয়েছে যে, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের যারা বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদেরও দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার (ইন্টারপোল) সংশ্লিষ্ট বিধিমালার ভিত্তিতে আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া, চিঠিতে অগ্রগতির বিষয় জানাতে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। এই চিঠিটি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এবং পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এনসিবি), বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং অন্য মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা ছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিদের তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। এছাড়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, তৎকালীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ এবং গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার। সাংবাদিকদের মধ্যে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিংসুক আত্মীয়কে সরাসরি ব্লক না করে দূরে রাখার তরুণদের নতুন কৌশল ‘সফট ব্লকিং’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


হিংসুক আত্মীয়কে সরাসরি ব্লক না করে দূরে রাখার তরুণদের নতুন কৌশল ‘সফট ব্লকিং’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে সরাসরি ব্লক না করে নিজের ব্যক্তিগত জীবন থেকে দূরে রাখা সম্ভব। তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠে আসছে এমন একটি নিরব কৌশল, যার নাম হচ্ছে ‘সফট ব্লকিং’।

কার সঙ্গে কোথায় ঘুরতে গেলেন, কোথায় খেতে গেলেন বা ব্যক্তিগত জীবনে কী ঘটছে, এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহজেই অনেকের নজরে চলে আসে। বিশেষ করে যদি আত্মীয় বা স্বজনের কেউ নিয়মিত এসব খোঁজ খবর নিতে থাকে, তখন অনেকেই সাধারণত অস্বস্তিতে পড়েন।

সরাসরি ব্লক করে দিলে পারিবারিক বা সামাজিক সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিন্তু তাইও, কেউ পুরোপুরি ব্লক না করে ধীরে ধীরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূরত্ব তৈরি করার সুযোগ নিচ্ছেন অনেকে।

সফট ব্লকিং কী?

সফট ব্লকিং এর অর্থ হলো কাউকে সরাসরি ব্লক না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সঙ্গে নীরবে দূরত্ব তৈরি করা। এই পদ্ধতিতে রয়েছে কয়েকটি উপায়।

কারও পোস্ট বা গল্প নিজের সামনে না আসার জন্য তাঁকে নীরব করে রাখা যেতে পারে। আবার নিজের পোস্ট বা গল্প নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা যায়।

এছাড়া কাউকে অনুসরণ না করা, নিজের অনুসারীর তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া বা তাঁকে বার্তার উত্তর দেওয়ার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়াও এই পদ্ধতির মধ্যে পড়ে।

কেন এই পথ বেছে নিচ্ছেন অনেকে?

প্রথমত, গোপনীয়তা রক্ষা করার কারণেই এটি করা হচ্ছে। অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সব তথ্য সবার সঙ্গে ভাগ করতে চান না, তাই নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য আড়াল করতেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর, প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে সরাসরি বিরোধে না গিয়ে দূরত্ব বজায় রাখতে এটি একটি উপায় হতে পারে।

দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলার জন্যও অনেকে নীরবভাবে এই দূরত্ব বৃদ্ধি করেন। কাউকে সরাসরি কিছু বলতে গেলে অশান্তি বা তর্ক তৈরি হতে পারে এবং সেই পরিস্থিতি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে তাঁরা এই ব্যবস্থা নেন।

সফট ব্লকিংয়ে কষ্ট বেশি হতে পারে?

সরাসরি কাউকে ব্লক করলে বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যায়। তবে সফট ব্লকিংয়ের ক্ষেত্রে কেন এমন আচরণ করা হচ্ছে, তা অনেক সময় বোঝা যায় না।

ফলে যিনি এই পরিস্থিতির মুখে পড়েন, তার মনে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হতে পারে—কী ভুল হয়েছে, কেন তাঁকে এড়িয়ে চলা হচ্ছে, কিংবা তিনি আদৌ কোনো ভুল করেছেন কি না। এই অনিশ্চয়তা মানসিক অস্বস্তি বৃদ্ধি করতে পারে।

সব সময় কি সফট ব্লকিং ভালো?

এটি উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। বিচ্ছেদের পর নিজের মানসিক শান্তির জন্য প্রাক্তন সঙ্গীর কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে এটি কার্যকর হতে পারে, যা ব্যক্তিগত সীমারেখা রক্ষার একটি উপায়।

কিন্তু যদি কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধবোধে ভোগানো হয়, তাঁর কাছ থেকে বারবার জানতে চাওয়া বা নিজের পেছনে ছুটতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে এমন আচরণ করা হয়, তাহলে তা মানসিক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হতে পারে।

সুতরাং, দীর্ঘদিনের বন্ধু বা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে হুট করে নীরবে দূরত্ব না বাড়িয়ে প্রয়োজনে খোলাখুলি কথা বলাই শ্রেয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে শরিক হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে শরিক হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি সেখানে পৌঁছান।

সরকারের অর্থ মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

এতে তার সঙ্গে আরও উপস্থিত রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


চার দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া এবং মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন বুখারেস্টে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে, বুখারেস্টের বাংলাদেশ দূতাবাস একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগের, তথ্য আদান-প্রদানের এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট এমন অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে, ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা অথবা অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন দূতাবাস।

দূতাবাস আরও জানায়, এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়, যা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থী, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছে এমন বিষয় থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সংযত ও সম্মানজনক আচরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি ঝামেলা এড়ানো সম্ভব এবং এর মাধ্যমে প্রবাসে নিজেদের অবস্থান ও জাতীয় মর্যাদা সুসংহত থাকবে বলেও দূতাবাস প্রত্যাশা করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনার আলোকে প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দূতাবাস এই ধরনের সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আপ্যায়নে খাসি ছিল না’ বলায় বর জুনায়েদ মিয়ার পাল্টা অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


‘আপ্যায়নে খাসি ছিল না’ বলায় বর জুনায়েদ মিয়ার পাল্টা অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় খদরে (বরের জন্য সাজানো খাবারের থালা) খাসি না থাকায় বিয়ে না করে চলে যাওয়ার ঘটনায় এবার নতুনভাবে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন জাপানপ্রবাসী বর জুনায়েদ মিয়া। কনেপক্ষের বিরুদ্ধে তিনি পূর্বনির্ধারিত কাবিনের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাবিন দাবি, যোগাযোগে বাধা এবং তাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি তিনি ঘটনাটি নিয়ে টাকা দিয়ে ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ভাড়া করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারের অভিযোগও তুলেছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এসব অভিযোগ প্রকাশ করেন তিনি।

জুনায়েদ মিয়া বলেন, সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ধেয়ে আসছে। টাকা দিয়ে ভুয়া সাংবাদিক ভাড়া করে এসব বানানো হচ্ছে। তিনি জানান, বিয়ের আসরে বসে খাওয়া-দাওয়া শেষে মেয়েপক্ষ তার কাছে পূর্ব নির্ধারিত অ্যামাউন্টের চেয়ে ১০ গুণ অতিরিক্ত কাবিন দাবি করে। তিনি এবং তার পরিবার তা দিতে অস্বীকার করলে এবং কথোপকথন শুরু হলে তারা বিয়ের আসর থেকে তাদের বের করে দেয়। পরে তাদের সকল লাগেজ, যা তারা মেয়ের জন্য নিয়ে গিয়েছিল, সেটাও ফেরত পাঠানো হয়।

মেয়ের সঙ্গে তাকে কোনো রকম যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং বাবার নির্দেশে মেয়েটিকে যোগাযোগ থেকে নিরুত্সাহিত করা হয়েছে। রাতে তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়ে করার জন্য বললেও তিনি রাজি হননি। এর ফলশ্রুতিতে তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে যে, জ-বা-ই করে দেওয়া হবে।

পরে তারা রাত থেকে টাকা দিয়ে ভাড়া করা সাংবাদিক দিয়ে নিজের ইচ্ছামত ভুয়া পোস্ট করিয়ে তার সম্মানহানির চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, মানুষ এসব অভিযোগে বিচলিত হবে না। ধন্যবাদ।

তবে জুনায়েদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কনেপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে বিয়ে না করেই অনুষ্ঠান থেকে বর জুনায়েদ মিয়া চলে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাপানপ্রবাসী জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। যখন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে কনের বাড়িতে পৌঁছালে, ফুল দিয়ে তাকে বরণ করা হয়। এ সময় তিনি ফুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তীতে ফুল ও গেটের আনুষ্ঠানিকতার পর তাকে নির্ধারিত স্থানে নেওয়া হয়। আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য খদরে খাবার পরিবেশন করা হয়। কিন্তু সেখানে খাসি না থাকায় জুনায়েদ তার আপত্তি জানান। তিনি জানান, তিনি খাসি ছাড়া খাবেন না এবং খাসি না দিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না। কনেপক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ উপস্থিত লোকজন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান বলে স্থানীয়রা জানায়।

কনের বাবা শফিক মিয়া বলেন, আমাকে আগে জানানো হলে খদরে খাসির ব্যবস্থা করতাম। এ বিষয়টি আমাকে আগে কোনও কিছু বলা হয়নি। এরপরও আত্মীয়-স্বজনসহ সবাই জুনায়েদকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে, স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়াও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। খাসির বিষয়টি উঠার পর জুনায়েদকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি খাসি ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%