বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৪৯ পি.এম
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী এলাকায় বজ্রপাতে নিহত চারটি গরুর মালিক দুজন কৃষকের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে এই সহায়তার অর্থ তুলে দেন।
এর আগে গত ৭ জুলাই দুপুরে চলমান বৃষ্টির মধ্যে আকস্মিক বজ্রপাতে নলুয়াবাগী এলাকার মাঠে চরতে থাকা চারটি গরুর মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বজ্রপাতে কৃষক মো. নিজাম প্যাদার তিনটি এবং কৃষক মো. রুহুল আমিনের একটি গরু মারা যায়। এর ফলে দুই কৃষকের উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতি লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গরুপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে কৃষক মো. নিজাম প্যাদা তার তিনটি গরুর জন্য মোট ৩০ হাজার টাকা এবং কৃষক মো. রুহুল আমিন একটি গরুর জন্য ১০ হাজার টাকা অনুদান গ্রহণ করেন।
সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল নবী, গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিব বিশ্বাস এবং গলাচিপা উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার সব সময় রয়েছে। আগামীকালের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
গলাচিপার সকল স্তরের জনগণ ইউএনও ইজাজুল হকের এই উপকারের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনার পুরাতন জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া হাজতি ইমন মাঝিকে, পালানোর মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার কিছু কিছুক্ষণ আগে নগরীর লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া সেকেলার বটতলা এলাকায়, নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক করার পর, রাতেই পুনরায় তাকে কারাগারে নেওয়া হয়।
এর আগেই, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার সময়, কারাগারের পূর্ব পাশের দেয়াল টপকে পালিয়ে যান ইমন মাঝি। উল্লেখ্য, তিনি নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় দায়ের করা একটি চুরির মামলায় ১৩ জুন থেকে হাজতি হিসেবে এই কারাগারে ছিলেন।
খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার আবু ছায়েম এ বিষয়ে জানান, পালানোর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কারারক্ষীদের একাধিক দল কাজ শুরু করে। একটি দল ইমন মাঝির বাড়িতে অবস্থান নেয়। কিছু সময়ের মধ্যেই, যখন তিনি বাড়িতে আসেন, তখন স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। আউট অব কারাগার পালানোর এই ঘটনার বিষয়ে খুলনা সদর থানায় একটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ার বালুয়াকান্দী এলাকার ডাস-বাংলা ফ্যাক্টরির বিপরীত পাশের ঢাকা মুখী লেনে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজন নারী নিহত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরেক নারীকে ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত নারীর এখনো পর্যন্ত পরিচয় পাওয়া যায়নি। এই দুর্ঘটনা বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে ঘটে। দুর্ঘটনার পর ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, 'খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের মোবাইল টিম ওইখানে পাঠিয়েছি। এখনো পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির পরিচয় মিলে নাই, পরিচয় পেলে আপনাদেরকে জানানো হবে।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। এই মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালক এবং উত্তরবঙ্গের গাড়িচালকদের মাত্রাতিরিক্ত ওভারটেকিং প্রবণতার পাশাপাশি সার্ভিসলেন আটকে রাখার কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাসে এই মহাসড়কে একের পর এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩০টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। এই সময়ের মধ্যে ছোট-বড় ১০৮টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৮৩ জন। একই সময়ে টাঙ্গাইলের রেল লাইনের অংশে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সকল দুর্ঘটনায় মোট ১৫০ জনেরও বেশি আহত হয়ে জীবন যাপন করছেন অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের মে মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটার তীব্রতা ছিল সবচেয়ে বেশি। এই মাসে সর্বোচ্চ ৩৯ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হন। এর মধ্যে গত ২৫ মে দুপুরে কালিহাতী উপজেলায় একটি মারাত্মক দুর্ঘটনায় একটি ট্রাক উল্টে ঘটনাস্থলে ১৫ জনের মৃত্যু ঘটে, যেখানে আহত হন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের বাড়ি ছিল নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারসো ইউনিয়নে। এছাড়া জানুয়ারি মাসে ১২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৬ জন, মার্চে ২৩ জন, এপ্রিলে ২৪ জন এবং জুন মাসে ১৬ জন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ৯ জন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ৭ জন করে, এপ্রিলে ১৮ জন এবং জুনে ৬ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, মহাসড়কের পাশাপাশি অরক্ষিত রেলপথেও মৃত্যুর মিছিল বেড়ে চলেছে। গত ছয় মাসে টাঙ্গাইলের ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারি মাসে ১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মার্চে ৮ জন, এপ্রিলে ২ জন এবং মে মাসে ৫ জন মারা যায়। তবে স্বস্তির বিষয় হলো জুন মাসে কোনো ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল পুলিশ স্টেশনের মুন্সি আবুল বাশার।
এদিকে, দুর্ঘটনা পরবর্তী সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে টাঙ্গাইলের ট্রাস্টি বোর্ড ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। গত ছয় মাসের মধ্যে মোট ৫২ জন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাদের পরিবারকে চেকের মাধ্যমে মোট ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে, বলে বিআরটিএ সূত্র জানিয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক মাওলানা মাসুদুর রহমান, আল আমিন, আরাফাত রহমান, রুমনসহ অনেকেই বলেন, যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অত্যন্ত ঝুঁঁকিপূর্ণ। এটি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হিসেবেও পরিচিত। এই মহাসড়কের যে অংশে সার্ভিস লেন আছে, সেখানে বিভিন্ন যানবাহন রেখে আটকে রাখা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেল চালকরা মহাসড়কে উঠতে বাধ্য হচ্ছেন। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত এখনো কোনো সার্ভিস লেন নেই। মহাসড়কের দুই পাশে বালুর স্তূপ থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা সৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ করেছেন বালুর স্তূপ সরিয়ে দেওয়ার জন্য।
টাঙ্গাইলের বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান শফিক জানিয়েছেন, এই মহাসড়কে উত্তরাঞ্চলের যানবাহনের দুর্ঘটনার হার বেশি। তিনি দুর্ঘটনার জন্য উত্তরাঞ্চলের যানবাহনগুলোর বেপরোয়া গতিকে দায়ী করেন। অভিযোগ করেন যে, অদক্ষ চালক দিয়ে উত্তরাঞ্চলের যানবাহন পরিচালনা করা হয়।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও ঘটছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রবিউল ইসলাম পরামর্শ দেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করার প্রথম শর্ত হলো চালকদের সচেতন থাকা। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বাঁক রয়েছে। বাঁকগুলোতে অতিরিক্ত গতি থাকলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিরোধে নিয়ম মেনে চললে তা অনেকাংশে কমে আসবে। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে গাড়ি চালাতে হবে। অদক্ষ চালক দিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।
তিনি আরো জানান, সার্ভিস লেন থেকে মহাসড়কে উঠতে গিয়ে অনেক মোটরসাইকেল চালক গাড়ি চালাচ্ছেন। এরপর তাদেরকে বিরত থাকতে হবে এবং অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো থেকে সরে আসতে হবে। দুর্ঘটনার একটি বড় কারণ হলো ওভারটেক করা। এ বিষয়টি সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান করেছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তরুণরা কি দেশ পরিচালনা করতে সক্ষম হবে? কিছু দেশের রাজনীতিতে এখনো মনে করা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য চুল পাকা থাকা চাই, বয়সে ভারী হতে হবে এবং অভিজ্ঞতার ফাইলে মোটা পিএইচডি ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। কারণ, তরুণরা সাধারণত আবেগী, অনভিজ্ঞ বলে মনে করা হয় এবং ক্ষমতার জন্য প্রস্তুত নন। তবে পৃথিবীর সব দেশ এই পুরোনো ধারণায় আটকে নেই। কিছু দেশ সেই সেকেলে বিশ্বাসকে পাশ কাটিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার চাবি তরুণদের হাতে তুলে দিয়েছে। বয়সে কম হলেও দায়িত্বে তারা বিশাল। কেউ র্যাপার থেকে রাজনীতির কেন্দ্রে, কেউ অর্থনীতিবিদ থেকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে, কেউ আবার সংকটের সময় রাজ্যের হাল ধরেছেন।
বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর দিকে তাকালে ছবিটি কিছুটা আলাদা। যুক্তরাজ্যের রাজা, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের শীর্ষ নেতাদের বয়স তুলনামূলকভাবে প্রবীণ। তাদের বয়স সত্তরের ঘরেও দেখা যায়, যেখানে অভিজ্ঞতার দীর্ঘ ছায়া স্পষ্ট। তবে একই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে তরুণ নেতাদের ভিন্ন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। তারা পুরোনো রাজনীতির দেয়ালে নতুন রং লাগানোর প্রয়াস চালাচ্ছেন। কেউ অর্থনীতিতে নতুন ধারণার উদ্ভাবন করছেন। কেউ রাষ্ট্রকে সংকট থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। আবার কেউ বিতর্ক এবং প্রত্যাশার মাঝে দাঁড়িয়ে আছেন।
এই তালিকায় উঠে এসেছে নেপালের বালেন্দ্র শাহের নাম। তিনি রাজনীতিবিদ, স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং র্যাপার হিসেবে পরিচিত। তরুণদের ভাষা, শহরের ছন্দ এবং রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা সবকিছু মিলিয়ে তাঁর উত্থান অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ৩৫ বছর বয়সের এই নেতা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম তরুণ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আলোচিত হচ্ছেন।
আইসল্যান্ডের ক্রিস্টরুন ফ্রস্টাডোত্তিরও তরুণ নেতৃত্বের আরেকটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। রাজনীতি ও অর্থনীতিতে তার অভিজ্ঞতা তাকে দ্রুত সামনে নিয়ে এসেছে। ৩৭ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করা তার জন্য যেমন একটি বড় অর্জন, তেমনি দেশের জন্যও একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনার ইঙ্গিত।
পশ্চিম আফ্রিকার বুরকিনা ফাসোতে ইব্রাহিম ত্রাউরের উত্থান ঘটেছে একটি অস্থির সময়ের মধ্যে। সেনা পটভূমি থেকে উঠে আসা তিনি মাত্র ৩৪ বছর বয়সে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বের সঙ্গে নিরাপত্তা সংকট, রাজনৈতিক চাপ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত বড় প্রশ্ন জড়িয়ে আছে।
ইকুয়েডরের ড্যানিয়েল নোবোয়ার গল্পও ভিন্ন। তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ইকুয়েডরের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের রেকর্ড গড়েন। তরুণ বয়সে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্ব গ্রহণ করা তার জন্য একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট।
মন্টেনিগ্রোর মিলোজকো স্পাজিচ তার অর্থ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রকের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন। ছোট পাহাড়ি দেশটির ভবিষ্যৎকে সামনে নিয়ে তার নেতৃত্ব এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিদেশিদের নজরে পড়েছে। স্যান ম্যারিনোর অ্যালিস মিনাউ তরুণ নেতৃত্বের এই ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ক্যাপ্টেন রিজেন্ট হিসেবে তার দায়িত্ব ছোট রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত।
ইতিহাসে আরও কম বয়সে রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার নজির রয়েছে। হাইতির জঁ-ক্লোদ দুভালিয়ে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ক্ষমতায় আসেন। যুক্তরাষ্ট্রের থিওডোর রুজভেল্ট ৪২ বছর বয়সে রাষ্ট্রপ্রধান হন। যুক্তরাজ্যে উইলিয়াম পিট দ্য ইয়ংগার মাত্র ২৪ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ