ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিমানবন্দরে চাকরির জন্য আকর্ষণীয় বেতন, আবেদন করা যাবে এইচএসসি পাসে


বিমানবন্দরে চাকরির জন্য আকর্ষণীয় বেতন, আবেদন করা যাবে এইচএসসি পাসে

জনবল নিয়োগের জন্য অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ‘প্যাসেঞ্জারের সার্ভিস এজেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম হচ্ছে: অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেড। পদের নাম: প্যাসেঞ্জার সার্ভিস এজেন্ট। পদের সংখ্যা নির্ধারিত নয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এসএসসি অথবা এইচএসসি পাস হতে হবে। অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীরা শারীরিকভাবে সুঠাম দেহের অধিকারী হতে হবে। প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি ৬/৬ থাকতে হবে। অভিজ্ঞতা: যেকোনো প্রতিষ্ঠানে লোডার হিসেবে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বেতনের পরিমাণ হলো ১৬,০০০ টাকা (মাসিক)। চাকরির ধরন হবে ফুলটাইম।

কর্মক্ষেত্র হবে বিমানবন্দরে। প্রার্থীর ধরন শুধুমাত্র পুরুষ। বয়সসীমা হবে ১৮ থেকে ২৮ বছর।

কর্মস্থল: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ঢাকা, সিলেট। কোম্পানির প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের ভেতরে যেকোনো বিমানবন্দরে স্থানান্তরিত করা হতে পারে।

সুযোগ-সুবিধাসমূহ: প্রবেশন পিরিয়ড শেষ হলে বছরে দুটি উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে। এছাড়া কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সব সুবিধা প্রদান করা হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা বিডি জবসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ইং তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দল গুজব মোকাবেলায় সচেতনতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দল গুজব মোকাবেলায় সচেতনতার

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে গুজব, অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ইতিবাচক ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দল (বিএনসিপি)। নেতারা অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রচার রুখতে দেশপ্রেমিক এবং দায়িত্বশীল তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) সংগঠনটির ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে আয়োজিত কর্মসূচিতে নেতারা এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

দিবসটির উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত সম্পন্ন করেন। এরপর, তারা দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জিয়া উদ্যান প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাজী কামরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন একটি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। একইসঙ্গে উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যান্য উপদেষ্টাগণও নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

কর্মসূচিতে বক্তারা remarked, ‘সাইবার দল আগেই প্রযুক্তি এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সচেতনতা তৈরি করতে কাজ করেছে। গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিহত করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরা আমাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর পূর্তিতে সংগঠনটিকে আরও শক্তিশালী, শৃঙ্খলিত এবং গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার পাশাপাশি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় ‘সেজেগুজে’ থাকা ফারজানার ম র দেহ উদ্ধার,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় ‘সেজেগুজে’ থাকা ফারজানার ম র দেহ উদ্ধার,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় ‘সেজেগুজে’ থাকা এক গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২ আগস্ট) ভোরে পৌর শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত ফারজানা আক্তার (১৭) বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের দত্তখলা গ্রামের সোলামুড়া এলাকার খলিল মিয়ার মেয়ে। প্রায় পাঁচ মাস ধরে তিনি মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার ওই বাসায় গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার হাবিবুর রহমানের ভবনের ভাড়াটিয়া সেন্টু মিয়ার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন ফারজানা। রাতের বেলায় বাসার ডাইনিংরুমে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে দেখা যায়, ফারজানা সেজেগুজে ছিলেন। তবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

নিহতের বাবা খলিল মিয়া জানান, মাঝেমধ্যে তিনি মেয়েকে দেখতে যেতেন। সবশেষ গত শুক্রবারও তিনি যান। তখন তাকে ৫০ টাকা দিয়ে আসেন। এরপর রোববার সকালে খবর পান, তার কলিজার টুকরা আর নেই।

তিনি জানান, ওই বাসার অন্যান্য লোকজন তার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, ফারজানাকে নির্যাতনের পর হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।

এ বিষয়ে খলিল মিয়া এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এই ঘটনার কারণে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবির ১৩ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার চু রি ও অনিয়মের অভিযোগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


ইবির ১৩ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার চু রি ও অনিয়মের অভিযোগে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিরুদ্ধে চুরি ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যার ভিত্তিতে মোট ১৩টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার (রিট্র্যাক্ট) করা হয়েছে। গবেষণাপত্রগুলোতে লেখকত্ব বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে সমস্যা, তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স সংক্রান্ত সমস্যা, চিত্র সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা ডুপ্লিকেশন, অবিশ্বস্ত ফলাফল বা উপসংহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন জার্নাল থেকে গবেষণাপত্রগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিকভাবে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার ও সংশ্লিষ্ট সম্পাদকীয় নোটিশ সংরক্ষণকারী রিট্রাকশন ওয়াচ ডাটাবেইজ অনুসন্ধান করলে এ বিষয়ের তালিকা পাওয়া যায়। তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. সাদেক আলী, অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল ও ড. মো. সজিব আলীসহ একাধিক বিভাগের বর্তমান এবং প্রাক্তন গবেষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বিশ্ব জার্নাল সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মোট ১৩টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার (রিট্র্যাক্ট) করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে বিশ্বসেরা ২শতাংশ গবেষকের তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ড. হাবিবুর রহমানের ২টি গবেষণাপত্রও রয়েছে।

মোট ১৩টি গবেষণা রেকর্ডের মধ্যে ১২টি পিয়ার রিভিউড জার্নাল আর্টিকেল এবং একটি রিট্রেকটেড প্রিপ্রিন্ট জায়গা পেয়েছে। ১২টি জার্নাল আর্টিকেল ভিন্ন ভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে; ২টি প্রিপ্রিন্ট রিসার্স স্কয়ারে পোস্ট করা হয়েছে। লেখকভিত্তিক হিসাবে দেখা গেছে ১৩টি পৃথক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-সংযুক্ত পরিচয় এবং ১৭টি লেখক-রেকর্ড উপস্থিত রয়েছে। ৪জনের ২টি করে এবং নয়জনের একটি করে রেকর্ড পাওয়া গেছে।

বিভাগভিত্তিক ভাবে গণিত বিভাগের ৪টি, এনএফটি বিভাগের ৩টি, আইসিটি বিভাগের ২টি, সিএসই বিভাগের ২টি এবং বাকি তিনটি বিভাগের ও একটি করে রেকর্ড রয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২টি গবেষণাপত্র রয়েছে, যা ড. হাবিবুর রহমানের (সহলেখক ইমরান হাসান) লেখা। এছাড়া গণিত বিভাগের ৪টি প্রত্যাহারকৃত গবেষণাপত্রের মধ্যে ড. মো. মোস্তফা কামালের ২টি এবং ড. মো. সজিব আলীর ২টি গবেষণাপত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের ২টি গবেষণাপত্রের মধ্যে ড. কামরুজ্জামানের একটি গবেষণাপত্র এবং আতিকুর রহমান ও সাবেক শিক্ষার্থী আলমগীর হোসেনের যৌথ একটি গবেষণাপত্রও প্রত্যাহার করা হয়েছে। বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী শাহেদুর রহমান ও আসিফ ইকবালের যৌথ ১টি গবেষণাপত্র উলেস্নখযোগ্য। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের ৩টি গবেষণাপত্রের মধ্যে একটি হলো শিক্ষার্থী এন. গাফারের, এবং অপর দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মো. সাদেক আলীর।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যারা কাজ করে তাদের মধ্যে ত্রুটি বিচ্যুতি হয়, আর যারা কাজ করে না তাদের ভুল ত্রুটির সম্ভাবনা থাকে না। গবেষকদের উৎসাহিত করা উচিত। তবে যদি কেউ জেনে শুনে অন্যের লেখা চুরি করে অথবা বিভিন্ন মাধ্যমে কপি করে চালিয়ে দেয়, তাহলে সেটি আগামী প্রজন্মের জন্য হুমকি হতে পারে। বলে রাখা ভাল, গবেষণাপত্রগুলো দেখেই জীবনের উৎকর্ষতা আনা যায় এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই ক্ষেত্রে ভুল গবেষণার ফল আমাদের সমাজে বা বায়ুমণ্ডলে (বৈজ্ঞানিক) ভুল কিছু বয়ে আনতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার একা নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিক সচেতন হলে আবর্জনামুক্ত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল বেলায় ১১টায় তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দেশবাসীর উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

ভিডিও বার্তার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে বলেন, আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি বিষয় নিয়ে খুব সংক্ষেপে দুটি কথা বলতে চাই, যে বিষয়টি সমাজের প্রত্যেকটি শ্রেণী-পেশার মানুষকে স্পর্শ করে। বিষয়টি কি সেটি? সেটি হচ্ছে আমাদের পরিবেশ। অর্থাৎ আমি, আপনি, আমরা সকলে যে পরিবেশটাতে থাকি সেই পরিবেশটি কেমন? আমার আশপাশটি কেমন?

তিনি বলেন, আপনারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে খেয়াল করে দেখেছেন, আমরা ঢাকা শহরের যেকোনো রাস্তাঘাটই হোক, যেকোন এলাকায় হোক, যেকোনো জেলা শহরের এলাকায় হোক, এমনকি উপজেলা পর্যায়েও ক্ষেত্রবিশেষে বিভিন্ন গ্রামগঞ্জেও আমরা দেখেছি যে, যেখানে বাজার ঘাট বা রাস্তা চলাচলে বেশি সেই জায়গাগুলোতে চারিদিকে একটি জিনিস খুব পরিষ্কারভাবে চোখে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেটি আমরা যখন ছোট ছিলাম, আজকে থেকে ৩০-৪০ বছর আগে দৃশ্যটা এমন ছিল না। কিন্তু বর্তমানে দৃশ্যটা এইরকম। সেটা কেমন? চারিদিকে আমার, আপনার, আমাদের ব্যবহার করা হাতের টিস্যু অথবা আমার-আপনার খাওয়া চিপসের প্যাকেট অথবা বাসায় ব্যবহার করা রান্নার তেলের প্লাস্টিকের বোতলটি অথবা আমি বা আপনি পানি পান করেছি প্লাস্টিকের বোতল থেকে—সেই বোতলটি; এরকম আরো অনেক ধরনের আবর্জনা যত্রতত্র সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে।

তারেক রহমান বলেন, কোনো জায়গায় একটু জমা হয়ে আছে অথবা লোকালয়ের চারিদিকে ছড়িয়ে আছে। চিন্তা করে দেখুন তো, আপনার ঘরে যে ঘরটিতে আপনি থাকেন, যে বাসাটিতে আপনি থাকেন, যদি চারিদিকে এমন টিস্যু ছড়িয়ে থাকতো, যদি চারিদিকে এমন আবর্জনা ছড়িয়ে থাকতো, আপনার কাছে কি ভালো লাগতো দেখতে? নিশ্চয়ই না। আমাদের কারো কাছেই ভালো লাগতো না। কবি তো সুন্দরভাবে লিখেছেন—"সবুজ শস্য শ্যামলা আমার এ ভুবন"। তা আসুন না, আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর করতে পারবো না।

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই পায়ে হেঁটে চলে অথবা রিকশায় যায় অথবা বাসে চলাচল করে। এই মানুষগুলো যখন রাস্তা পার হয়, বিভিন্ন জায়গায় যখন আবর্জনা জমে থাকে, ময়লা থাকে, এই মানুষগুলোর কিন্তু অনেক কষ্ট হয়। বিভিন্ন জায়গায় অনেক দুর্গন্ধ হয়, আবর্জনা জমে থাকে। তবে আমরা যদি সকলে মিলে একটু সচেতন হই; আমরা যদি নিজেরা সচেতন হই, যত্রতত্র যদি আমাদের ব্যবহারকৃত আবর্জনাগুলো আমরা না ফেলে দেই, আমরা যদি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় এই আবর্জনাকে জমা করি এবং নির্দিষ্ট উপায়ে যদি এটাকে পরে ধ্বংস করি, তাহলে যেমন আমাদের পরিবেশটি ভালো থাকবে, ঠিক একইভাবে আমরা আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দরভাবে রাখতে পারবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেখুন, অনেক জায়গায় আমি দেখেছি গত কয়েক মাসে যখন আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি—হয়তো কোনো একটি পুকুরের পাশ দিয়ে যাচ্ছি, দেখেছি পুকুরের ভেতরে বিভিন্ন রকম ময়লা স্তুপ হয়ে পড়ে আছে। অথবা পুকুর পাড়ে বিভিন্ন ময়লা স্তুপ হয়ে পড়ে আছে। অথচ একসময় কিন্তু এই পুকুর পাড়েই মানুষ বিকেলে বসতো, গল্প করতো পরিবার পরিজন নিয়ে। কিন্তু এখন আবর্জনার জন্য সেটি সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরেও বিভিন্ন পার্ক আছে, বিভিন্ন জেলা শহরেও বিভিন্ন পার্ক আছে। আমরা পার্কগুলোতে যাচ্ছি বিকেল বেলায় পরিবার পরিজনকে সাথে নিয়ে। কিন্তু গিয়ে যখন আমরা চিনে বাদাম খাচ্ছি অথবা চিপস খাচ্ছি অথবা বাচ্চারা লজেন্স খাচ্ছে, খেয়েই আমরা জিনিসটা সেখানে ফেলে দি। আমরা যখন যাই তখন হয়তো যারা পরিচ্ছন্ন কর্মী তারা হয়তো পরিষ্কার করে রাখছে। কিন্তু আমরা যখন বেরিয়ে আসছি তখন আর সেটি আগের মতন পরিষ্কার থাকছে না। কিন্তু যদি সেটি পরিষ্কার থাকতো, আপনি যদি পরিষ্কার করে রেখে আসেন, আপনার পরবর্তীতে যে যাবে সেও সেই পরিচ্ছন্নতা ও সুন্দর পরিবেশটি উপভোগ করতে পারবে।

দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কাজেই আসুন না, আমরা যদি আজকে থেকে প্রত্যেকে সচেতন হই। আমাদের হাতের আবর্জনা বা ব্যবহারকৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট জায়গায় সুন্দরভাবে আমরা গুছিয়ে ফেলি, তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনা মুক্ত করতে পারবো। সুন্দর একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো। দেশটা তো আমাদের সকলের। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে করি, তাহলে আমরা বড় কিছু করতে সক্ষম হব।

বক্তব্যের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের কাছে আজকে এই সহযোগিতাটা আমি চাইছি। আমরা সকলে মিলে আসুন চেষ্টা করি আমাদের দেশটিকে পরিষ্কার-সুন্দর রাখতে। আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করি আমাদের পরিবেশটিকে সুন্দর পরিষ্কার রাখতে, যা নিশ্চিত করবে আমাদের আগামী দিনের বংশধরদের জন্য একটি সুস্থ দেশ ও সুস্থ পরিবেশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%