প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় ‘সেজেগুজে’ থাকা এক গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২ আগস্ট) ভোরে পৌর শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত ফারজানা আক্তার (১৭) বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের দত্তখলা গ্রামের সোলামুড়া এলাকার খলিল মিয়ার মেয়ে। প্রায় পাঁচ মাস ধরে তিনি মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার ওই বাসায় গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শহরের মেড্ডা পোদ্দারবাড়ি এলাকার হাবিবুর রহমানের ভবনের ভাড়াটিয়া সেন্টু মিয়ার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন ফারজানা। রাতের বেলায় বাসার ডাইনিংরুমে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে দেখা যায়, ফারজানা সেজেগুজে ছিলেন। তবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
নিহতের বাবা খলিল মিয়া জানান, মাঝেমধ্যে তিনি মেয়েকে দেখতে যেতেন। সবশেষ গত শুক্রবারও তিনি যান। তখন তাকে ৫০ টাকা দিয়ে আসেন। এরপর রোববার সকালে খবর পান, তার কলিজার টুকরা আর নেই।
তিনি জানান, ওই বাসার অন্যান্য লোকজন তার মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, ফারজানাকে নির্যাতনের পর হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে খলিল মিয়া এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, এক গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এই ঘটনার কারণে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন