ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশ


বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্য গণসমাবেশ করছে। অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে শুরু হলেও, সকাল ৯টার আগে থেকেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি এবং গ্যাস-তেল সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন নেতারা।

এ সময়, জুলাই গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত অপরাধীদের বিচার তরান্বিত করারও দাবি তোলা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের থাড ব্যবস্থার ৮০ শতাংশ ব্যবহার সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১২ পি.এম


ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের থাড ব্যবস্থার ৮০ শতাংশ ব্যবহার সম্পন্ন

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। এই বিষয়ের সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ খবর প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গোলাবারুদের মজুত দ্রুত হারানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলার আশঙ্কা প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের অবকাঠামোর ওপর পরিকল্পিত বড় ধরনের হামলা থেকে সরে আসতে প্রভাবিত করেছে। তবে এই গোলাবারুদের ঘাটতির দাবি দু'টি প্রতিষ্ঠান পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস নাকচ করে দিয়েছে।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল সিএনএনকে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী, এবং প্রেসিডেন্ট যখন, যেখানে ও যেভাবে নির্দেশ দেন, সেভাবেই অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা রয়েছে।’

অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলিও বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব কৌশলগত লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য এবং তারও বেশি প্রয়োজন মেটানোর মতো পর্যাপ্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।’

এর আগে, রয়টার্স এবং সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘপাল্লার স্থল থেকে স্থলে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করে ফেলেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী আর্মি ট্যাক্টিক্যাল মিসাইল সিস্টেম বা এটিএসিএমএস এবং প্রেসিশন স্ট্রাইক মিসাইল বা পিআরএসএম-এর মতো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সব’ মজুত ব্যবহার করেছে। এর মাধ্যমে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করেই দক্ষিণ ইরানের নানা লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলা চালানো সম্ভব হয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত চলাকালে ব্যাপক ব্যবহারের কারণে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বিবেচনায়, এই অস্ত্রভাণ্ডার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দূরপাল্লার নির্ভুল হামলার সক্ষমতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অন্য কোনো সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য যথাযথ অস্ত্র মজুত রাখা ওয়াশিংটনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর (পেন্টাগন) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্ট মজুত অথবা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ প্রকাশ করে নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুবাইয়ে ২০ মিনিটের ব্যবধানে ৭টি বিস্ফোরণ, ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


দুবাইয়ে ২০ মিনিটের ব্যবধানে ৭টি বিস্ফোরণ, ভিডিও ভাইরাল

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে সাতটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) ভোরে শহরের দক্ষিণাঞ্চলে, জেবেল আলি শিল্পাঞ্চল ও বন্দর এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি।

এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে আকাশজুড়ে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। এসব ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর জানিয়েছে, অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

মেহর নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনাস্থলের ভিডিও ধারণের কারণে দুজনকে আটক করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়টি সম্পর্কে আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, কয়েকটি ইরাকি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চলমান উত্তেজনার মাঝে ইয়েমেন থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই দাবির সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে আমিরাতের সরকারি বা মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যম ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

অন্যদিকে, নাসার তাপীয় উপগ্রহ চিত্রে জেবেল আলি বন্দরের পাশের একটি গুদাম এলাকায় আগুনের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ওই গুদামটি জ্বালানি সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হতো।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে আবাসিক এলাকার কাছাকাছি থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পুরো সময়জুড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়ায় অতীতে বিভিন্ন সময়ে দেশটি সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার লক্ষ্য হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, বিস্ফোরণের কারণ ও আটক সংক্রান্ত কয়েকটি দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি। এ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারাগার এখন মাদকসেবীদের নিশ্চিন্ত আস্তানা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


কারাগার এখন মাদকসেবীদের নিশ্চিন্ত আস্তানা!

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে প্রায় আট বিঘা সরকারি জমির উপর দাঁড়িয়ে আছে একটি উপ-কারাগার।

উদ্দেশ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা, সীমান্তবর্তী এলাকার আসামিদের নিরাপদে সংরক্ষণ করা এবং জেলা কারাগারের ওপর চাপ কমানো। তবে নির্মাণের ৪২ বছর পেরিয়ে গেলেও একদিনের জন্যও চালু হয়নি এই উপ-কারাগারটি। এর ফলে মাদকসেবীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এই পরিত্যক্ত কারাগারটি। এই কারণে বেহাত হয়ে গেছে কোটি টাকার সরকারি স্থাপনাটি, যা আজ পরিণত হয়েছে এক পরিত্যক্ত ধ্বংসস্তূপে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কারাগারের ভবনগুলোতে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, জানালা-দরজা নষ্ট হয়ে গেছে এবং চারপাশ ঘিরে আছে ঝোপঝাড়। দীর্ঘদিনের অবহেলায় একসময়কার সম্ভাবনাময় সরকারি স্থাপনাটির এখন ভূতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংরক্ষণ ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পুরো স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও পুরোনো নথি থেকে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে প্রায় ২ দশমিক ৭৩ একর (প্রায় ৮ বিঘা) জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল বকশীগঞ্জ উপ-কারাগার। এখানে বন্দিদের জন্য ব্যারাক, প্রশাসনিক ভবন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক কোয়ার্টার, খেলার মাঠ ও একটি বড় পুকুর নির্মাণ করা হয়েছিল।

তবে নির্মাণ ব্যয়ের তথ্য বর্তমানে আর পাওয়া যায় না। তৎকালীন সময়ে বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জসহ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জামালপুর জেলা কারাগারে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নিতে হতো। সেই ভোগান্তি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতেই উপ-কারাগারটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে প্রকল্পটি আর চালু হয়নি।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভবনটি পরিণত হয়েছে অব্যবহৃত সরকারি সম্পদে। কারাগারের ভবন থেকে ইট খুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নজরদারির অভাবে কারাগারের কিছু অংশ অবৈধ দখলে চলে গিয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পুরো জায়গাই বেদখলের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে স্থাপনাটি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে এটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে সংরক্ষিত থাকলেও দীর্ঘকাল ধরে এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত এত বড় সরকারি জায়গা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের দাবি ক্রমে জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, এখানে একটি আধুনিক শিশু বিনোদন কেন্দ্র, পার্ক, কোল্ড স্টোরেজ, স্টেডিয়াম, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সরকারি কলেজ অথবা অন্য কোনো জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হলে এলাকার শিক্ষা, ক্রীড়া, কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আফসার আলী বলেন, ১৯৮৪ সালে তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলে জেলখানাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু চালু না হওয়ায় এটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। মূল স্থাপনার ঐতিহাসিক কাঠামো অক্ষুণ্ন রেখে ভেতরে শিশু বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে এটি যেমন ইতিহাসের স্মারক হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে, তেমনি শিশুদের বিনোদনের নতুন ঠিকানাও হবে। এছাড়া এখানে একটি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করা হলে কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোছা. কনিকা খাতুন বলেন, ২০০৩ সালে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে স্থাপনাটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর থেকে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে পরিত্যক্ত জেলখানা, মাঠ ও পুকুরটি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেলে এটি জনগণের কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, বকশীগঞ্জের পরিত্যক্ত উপ-কারাগারটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। এটিকে জনগণের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিত্যক্ত উপ-কারাগারটিকে জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা গেলে একদিকে রক্ষা পাবে কোটি টাকার সরকারি সম্পদ, অন্যদিকে বকশীগঞ্জবাসী পাবে একটি যুগোপযোগী ও প্রয়োজনীয় সেবাকেন্দ্র।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনা ইতিহাসের নিকৃষ্ট ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট ছিলেন: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


শেখ হাসিনা ইতিহাসের নিকৃষ্ট ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট ছিলেন: রিজভী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট ও নাৎসিরা জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকলেও শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

আজ রাজধানীর গুলশানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত ১৭ বছরের আন্দোলনের চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, নাৎসি হিটলার ও মুসোলিনির মতো ফ্যাসিস্টরা এথনিক ক্লিনজিং বা জাতিগত নিপীড়নের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছে। তবে তারা নিজেদের জাতিকে পৃথিবীজুড়ে শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছেন।

তিনি বলেন, হিটলার বা মুসোলিনি শেখ হাসিনার মতো টাকা পাচার, ব্যাংকের অর্থ লুট, শেয়ারবাজার লুণ্ঠন কিংবা সরকারি জমি দখল করেননি। তার ভাষ্যে, তারা ভয়ংকর খুনি ও ফ্যাসিস্ট হলেও নিজ দেশের প্রতি তাদের ভালোবাসা ছিল। অন্যদিকে শেখ হাসিনার মূল এজেন্ডা ছিল গোটা জাতিকে লুণ্ঠন করে নিজের আত্মীয়স্বজনকে বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত করা। এ কারণে শেখ হাসিনা ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে বিশেষ এক চোরাপথে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ জনগণের রক্ত ঝরাতে দ্বিধা করেনি।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, ছাত্র ও শিক্ষার্থী হত্যার শিকার হয়েছেন। রিজভী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে কোলের শিশুও নিহত হয়েছে। এছাড়া রেস্টুরেন্টের বাবুর্চি, ফলের দোকানের কর্মচারী, সাংবাদিকসহ অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষ ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল এক বিশাল জাগরণ এবং অত্যাচারীর বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে সুপ্ত শক্তির পারমাণবিক বিস্ফোরণ। জনগণের এই শক্তি শেখ হাসিনা উপলব্ধি করতে পারেননি বলেই বারবার ভুয়া ও পাতানো নির্বাচন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছেন। বিশ্বের দু-একটি দেশ ছাড়া কেউ সেই সরকারকে সমর্থন করেনি। তবুও তারা জোর করে ক্ষমতায় ছিল।

রিজভী বলেন, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার যে গণতান্ত্রিক প্রত্যয় রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যেভাবে লড়াই করেছেন, সেই লড়াইয়ে তারা ভবিষ্যতেও শামিল হতে দ্বিধা করবেন না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%