ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর হাত ধরে শুরু হলো জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা


ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর হাত ধরে শুরু হলো জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা

প্রতিভা অন্বেষণমূলক মেগা ইভেন্ট ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক আনুষ্ঠানিকভাবে এই জাতীয় পর্বের উদ্বোধন করেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মিরপুরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সুইমিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খান এবং সুইমিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে গত ২ মে সিলেট থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল। উপজেলা ও জেলা পর্যায় পেরিয়ে সফলভাবে বিভাগীয় ধাপ শেষ করে এখন জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে দল-মত নির্বিশেষে পুরো জাতিকে এক সুতোয় গাঁথা যায়। দেশের জার্সিতে মাঠে নামলে সবাই কেবল বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত হন। সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, এই উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাগুলোকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৮টি ইভেন্ট দিয়ে খেলা শুরু হলেও নতুন করে ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হয়ে মোট ইভেন্টের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১০টিতে। প্রথম আসর শেষ হওয়ার আগে থেকে পহেলা জুলাই থেকে দ্বিতীয় আসরের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে।

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন কোনো বিভাগীয় শহর থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি সাপেক্ষে দ্বিতীয় আসরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এছাড়া দেশের ৪,৫৮৯টি ইউনিয়ন ও ৫০৩টি উপজেলা পর্যায় থেকে দল গঠন করে এই প্রতিযোগিতা বছরব্যাপী চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমান প্রজন্মকে মুঠোফোনের আসক্তি এবং মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি বাবা-মা চান তাদের সন্তান সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠুক। আর সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

জাতীয় পর্যায় এবং বিভিন্ন ইভেন্ট থেকে যেসব খুদে ক্রীড়াবিদ অসাধারণ নৈপুণ্য দেখাবে, তাদের চিহ্নিত করে বিকেএসপিতে ভর্তির ব্যবস্থা করা হবে। তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার যাবতীয় দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাঁতার প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগীতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

আগামী ২৭ জুলাই বিকেল ৪ টায় আর্মি স্টেডিয়ামে এই প্রতিযোগিতার বর্ণাঢ্য সমাপনী ও সেরা ক্রীড়াবিদদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে

৯ম আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডে (আইইও) উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। অর্থনীতি, ফাইন্যান্স ও বিজনেস কেসভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় ৫৭টি দেশের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

চীনের শেনঝেন শহরে অনুষ্ঠিত এই আসরে বাংলাদেশ দলের সদস্য ফারাবিদ বিন ফয়সাল ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন। তিনি ঢাকার মাস্টারমাইন্ড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের (ধানমন্ডি শাখা) শিক্ষার্থী।

এদিকে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘আইইও ইয়ুথ টক’-এ বাংলাদেশ দল প্রথম স্থান অর্জন করে গ্লোবাল চ্যাম্পিয়নের স্বীকৃতি পেয়েছেন জাইফ বিন মোরশেদ।

যোগাযোগ দক্ষতা, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং নেতৃত্বের সক্ষমতার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তার এই অর্জন বাংলাদেশের জন্য নতুন গৌরব বয়ে এনেছে। জাইফ ঢাকার মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (গুলশান শাখা) শিক্ষার্থী।

এছাড়া অর্থনীতি শিক্ষায় ধারাবাহিক অবদান, আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ এবং সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াড কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডকে (বিডিইও) ‘স্পেশাল ইন্টারন্যাশনাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি শিক্ষায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কারকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ দলের অন্য সদস্যরা হলেন ফারিহা তাসনিম (মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গুলশান), প্রান্ত ঘোষ (মাস্টারমাইন্ড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, ধানমন্ডি) এবং ফাইয়াদ সালেহীন আহমেদ (স্কলাস্টিকা, দ্বাদশ শ্রেণি)।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই আন্তর্জাতিক সাফল্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অর্থনীতি, ফাইন্যান্স ও নেতৃত্বের দক্ষতার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে দেশের সম্ভাবনাকেও নতুনভাবে তুলে ধরেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ১৬টি নৌকা, দৃশ্যপট বদলাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ১৬টি নৌকা, দৃশ্যপট বদলাবে

সুনামগঞ্জ হাওরবেষ্টিত একটি জনপদ। এই জনপদটি সিলেট বিভাগের মধ্যে অবস্থিত সংসদীয়-১ আসন (জামালগঞ্জ- তাহিরপুর- ধর্মপাশা-মধ্যনগর)। অঞ্চলের জনগণ হাওরপাড়ের জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। এখানে অধিকাংশ লোক কৃষিকাজ এবং মৎস্য চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। সুতরাং, এই আসনটি রামসার সাইট খ্যাত টাঙ্গুয়ার হাওরসহ অনেক নৈসর্গিক স্থানের জন্য পরিচিত, এর মধ্যে রয়েছে যাদুকাটা, ফাজিলপুর, বালুপাথর মহাল এবং বড়ছড়া কয়লা পাথর কোয়ারি। এ কারণে, এই সংসদীয় আসন থেকে সরকারের জন্য বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে।

সুনামগঞ্জ-১ আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে বর্ষা মৌসুমে ৬ মাস পর্যন্ত বর্ষা এবং পরবর্তী ৬ মাস হেমন্তকাল থাকে। বর্ষা মৌসুমে নিম্নাঞ্চল এলাকার অনেক বিদ্যালয় পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে, যাতায়াত ব্যবস্থা অচল হয়ে গেলে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এই অবস্থায়, বিদ্যালয়ের যাতায়াত ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করার দাবি স্থানীয় জনগণের মনে চলমান একটি উচ্চারণ।

জেলার হাওরের জীবন মানেই প্রকৃতির সঙ্গে এবং ঋতুর সঙ্গে লড়াই। বর্ষা এলে সড়কগুলো পানির নিচে হারিয়ে যায় এবং গ্রামের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে পৌঁছানোর জন্য জলপথে চলাচল করে। এই জলপথ শিশুর জন্য হয়ে দাঁড়ায় এক অনিশ্চিত যাত্রা। কখনও কখনও এটি শিক্ষাজীবনের জন্য মারাত্মক বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই বাস্তবতায়, মধ্যনগর উপজেলায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মানবিক এবং সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাওরাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাতায়াতের একমাত্র হাতিয়া নৌকা। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই, হাওরের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াতের লক্ষ্যে একটি বিজয়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে, বিদ্যালয়ে যাতায়াত নিরাপদ হয়ে উঠবে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে এই উদ্যোগ সম্পর্কে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা মনে করেন যে, এটি শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে আরও উৎসাহিত করবে এবং বর্ষাকালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমিয়ে দেবে। তারা ভবিষ্যতে হাওরাঞ্চলের অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোকে এ ধরনের সুবিধার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

হাওরপাড়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে, বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত আরও সহজ এবং নিরাপদ করার জন্য সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের উদ্যোগে মধ্যনগর উপজেলার ১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকার বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার বরাদ্দ থেকে এসব নৌকা প্রস্তুত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়েছে।

জানা গেছে যে, সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের বরাদ্দের অর্থে খালিশাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদ আলমকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির মাধ্যমে ১৬টি নৌকা তৈরি করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে হাওরপাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং বিদ্যালয়ের উপস্থিতি বাড়বে।

মধ্যনগর উপজেলার শালীয়ানী, জামালপুর, কামাউড়া, খালিশাকান্দা, গলইখালী, ইটাউরি, দুগনই, বলরামপুর, মাছুয়াকান্দা, দৌলতপুর, দোয়াদুর রহমান, আলীপুর, সাতুর, বীরসিংহপাড়া, চাপাইতি এবং আটাইশা মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পুলিশিভাবে নৌকাগুলি পেয়েছে।

মধ্যনগরের বাসিন্দা মানিক মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে বেশিরভাগ সময় বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে বলে আমি ধারণা করি।

মধ্যনগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে উপজেলার ৮৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৪৫টি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নৌকা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এর আগে সংসদ সদস্য এক বিদ্যালয়ে নৌকা দিয়েছিলেন। এবার তিনি আরও ১৬টি বিদ্যালয়ে নৌকা দিয়েছেন। নতুন নৌকাগুলো শিক্ষার্থীদের নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে। পাশাপাশি, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হারও বৃদ্ধি পাবে।

প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি রমা রঞ্জন সরকার বলেন, বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে অনেক কষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু যদি এসে ছাত্র না পাওয়া যায় তখন তো মন ভেঙে যায়। এই উদ্যোগটি সত্যিই সময়োপযোগী। এতে অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরাও বেশ আনন্দিত।

খালিশাকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশিদ আলম বলেন, নৌকাপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর ছাত্র-ছাত্রীরা এখন সাচ্ছন্দ্যে বিদ্যালয়ে আসতে পারবে।

সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, আমি নিজে হাওরপাড়ের সন্তান। হাওরাঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। বর্ষাকালে অনেক শিক্ষার্থী নৌকার অভাবে বিদ্যালয়ে যেতে অক্ষম। সেই কারণে, যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নৌকায় পারাপার করতে হয়, সেই সব বিদ্যালয়ে নৌকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এই সময়পরিষরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিদ্যালয়ে নৌকার ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বাসস’কে বলেন, নৌকাগুলো শিক্ষার্থীদের নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করবে। এই উদ্যোগ হাওরাঞ্চলের জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিক্ষা ব্যবস্থায় এক ধরনের নতুনত্ব নিয়ে আসবে। ফলে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার হার এবং বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির হার কমবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌ-প্রধানের সঙ্গে বিদায়ী রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


নৌ-প্রধানের সঙ্গে বিদায়ী রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ

নৌবাহিনীর বিদায়ী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল হাসান রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, যিনি দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা প্রদান করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি রাষ্ট্রপতিকে নৌবাহিনীর সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিন বিদায়ী নৌ-প্রধানকে ধন্যবাদ জানান, যিনি সফল ও সুচারূভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাহিনীর উন্নয়নে বিদায়ী নৌপ্রধানের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

এসময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আগামী ২৩ জুলাই অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান নতুন নৌ-প্রধানের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় এলাকাবাসীর সেতুর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় এলাকাবাসীর সেতুর দাবি

সাঁথিয়া উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ কৃষক পরিবারগুলো সেতুর অভাবে ১০ বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে আছে। নদী একদিকে, কবরস্থান অন্যদিকে। মাঝখানে কোনো পারাপার নেই। নাগডেমরা ইউনিয়নের ভিটাপাড়া গ্রামের মানুষের মরদেহ দাফনের জন্য সুতিখালী নদী পার হতে হয়। কখনো নৌকা দিয়ে, আবার কখনো কোমরসমান পানিতে নেমে অথবা সাঁতরে মরদেহ নিয়ে যেতে হয় নদীর অন্য পাশে।

মরদেহ দাফন করার সমস্যার পাশাপাশি গ্রামের প্রায় সকল কৃষকের জমি ওই নদীর উত্তর পাড়ে। সেতু না থাকার কারণে কৃষক পরিবারের ফসল তুলতে গিয়ে চরম সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এক দশক পার হলেও সমস্যা সমাধানের কোনো লক্ষণ নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ১০ বছর আগে সাবেক সদস্য সরোয়ার হোসেনের উদ্যোগে এলাকার মানুষেরা টাকার সংস্থান করে সুতিখালী নদীতে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরিকল্পনা ও অর্থ সংকটের কারণে মাঝপথে কাজ থমকে গেছে। নদীর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা পিলারের অবস্থা এখন মানুষের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্রামের দক্ষিণপাড়ার কৃষক ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, তারা মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল। নদীর ওপারে রয়েছে তাদের কয়েকশ’ বিঘা আবাদি জমি। সেতু না থাকায় ফসল আনা-নেওয়ায় বাড়তি খরচ এবং সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বর্ষা, শুষ্ক কিংবা যেকোনো মৌসুমে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন তারা।

এই গ্রামে বেশ কিছু কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দ্বারে গিয়ে একটি সেতু নির্মাণের জন্য অনুরোধ করেছেন, কিন্তু কোনো ফল হয়নি।

গ্রামের গৃহবধূরাও একই সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। তাদের মতে, নদীর ওপারে যাতায়াত সহজ হলে কৃষিতে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থাও উন্নতি হতো।

অর্ধনির্মিত সেতুর উদ্যোক্তা সাবেক ইউপি সদস্য সরোয়ার হোসেন বলছেন, তিনি জনদুর্ভোগ কমাতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে নানা সমস্যার কারণে কাজটি শেষ করা সম্ভব হয়নি। তিনি সরকারিভাবে এটি সম্পন্ন করার দাবি করছেন।

নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসীর দুর্ভোগ দূর করার জন্য।

পাবনার সাঁথিয়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম জানান, সুতিখালী নদীর ওই স্থানে পরিদর্শন হয়েছে। গ্রামের বাসিন্দাদের তালিকা করা কলামগুলোর ভিত্তিতে ৯০ মিটারের একটি পূর্ণাঙ্গ সেতু নির্মাণ করা যাবে না। সেখানে নতুন করে সেতু নির্মাণের প্রয়োজন। তবে সড়কটি প্রকৌশল অধিদপ্তরের আইডিভুক্ত না থাকায় প্রক্রিয়া আটকে ছিল। সড়কটি আইডিভুক্তের আবেদন চলছে। অনুমোদন মিললেই প্রকল্পের আওতায় সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%