ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এমবোলোর লাল কার্ডে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ডের কোচ


এমবোলোর লাল কার্ডে ক্ষুব্ধ সুইজারল্যান্ডের কোচ

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে সুইজারল্যান্ডকে। তবে ৩-১ গোলের পরাজয়ের চেয়ে ম্যাচ শেষে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ব্রিল এমবোলোর বিতর্কিত লাল কার্ড। সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিনের দাবি, যে নিয়মে তার দলের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ডকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে, সেটি ফুটবলের জন্যই অগ্রহণযোগ্য।

ম্যাচে শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও ৬৭তম মিনিটে সমতা ফেরায় সুইজারল্যান্ড। কিন্তু মাত্র পাঁচ মিনিট পর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সুইস তারকা এমবোলোর পড়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রথমে আর্জেন্টিনার লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের জন্য হলুদ কার্ড দেন রেফারি।

পরে ভিএআরের পরামর্শে রিপ্লে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। এমবোলোর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ডাইভ দেয়ার অভিযোগ এনে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল কার্ডে রূপ নেয়। সিদ্ধান্তে বিস্মিত এমবোলো প্রতিবাদ করলেও শেষ পর্যন্ত কান্নাজড়িত চোখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

১০ জনের দল হয়েও অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত হুলিয়ান আলভারেস ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে ইয়াকিন বলেন, এমবোলোর বিরুদ্ধে হলুদ কার্ড দেখানোর কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। তার মতে, ভিএআরের এমন হস্তক্ষেপ পুরো ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে।

সুইস কোচের ভাষায়, 'এটি এমন একটি নিয়ম, যার সঙ্গে ফুটবলের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এমন এক সিদ্ধান্তের শাস্তি পেয়েছি, যা মেনে নেয়া কঠিন। এই ঘটনাই আমাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে।'

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলগঞ্জ পৌরসভায় বর্জ্য শোধনাগার নেই, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


কমলগঞ্জ পৌরসভায় বর্জ্য শোধনাগার নেই, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

কমলগঞ্জ পৌরসভায় বর্জ্য শোধনাগার প্রকল্প গড়ে ওঠেনি জায়গার অভাবে। ফলে পরিবেশ সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন ও আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার সুফল থেকে কমলগঞ্জ পৌরসভার লোকজন বঞ্চিত রয়েছেন। তবে পৌর প্রশাসক মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জমি পাওয়া গেলে বর্জ্য শোধনাগারের নির্মাণের পরিকল্পনা আছে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নাগরিক সেবার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হলো কমলগঞ্জ পৌরসভা। এই প্রতিষ্ঠানের চালু হওয়ার পর দীর্ঘ সাতাশ বছর পর বাংলাদেশের মিউনিসিপালিটি ওয়াটার সাপ্লাই এন্ড স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় কমলগঞ্জ পৌরসভায় পানি ও স্যানিটেশন খাতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে পৌরবাসীর সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ৬ লাখ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ওভারহেড জলাধার (ট্যাংক) নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়া ৩৫ কিলোমিটার পানি সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণ, ৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। সাথে সাথে ৩ কিলোমিটার ড্রেনেজ নির্মাণ ও সাড়ে তিনশো হাউজের জন্য আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে দুটি আধুনিক মানের পাবলিক টয়লেট কমলগঞ্জ উপজেলা চৌমুহনা ও ভানুগাছ বাজারে নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। তাছাড়া মানব বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন সুবিধার্থে আধুনিক মানের দুটি ভ্যাকুয়াম গাড়িও প্রদান করা হয়েছে।

পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পুরো প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। তবে পৌরবাসীদের পরিবেশ সুরক্ষায় বর্জ্য শোধনের জন্য বর্জ্য শোধনাগার এখনও স্থাপন করা যায়নি। এ বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনের জন্য এক-একর জমির প্রয়োজন, কিন্তু এই এক-একর খাস জমি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বর্জ্য শোধনাগারের নির্মাণ কাজ আটকে আছে।

এতে কমলগঞ্জ পৌর এলাকার সুষ্ঠু স্যানিটেশন ব্যবস্থা ব্যাপক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গনমাধ্যম কর্মী এম এ ওয়াহিদ রুলু, রুমেলসহ অন্যান্যরা জানান, পৌর এলাকার সেপটিক ট্যাংক থেকে মানবদেহের বর্জ্য উত্তোলন করে তা শোধন না করেই যেখানে সেখানে ফেলা হচ্ছে। শুধু পৌরবাসীর জন্য নয়, পুরো ভানুগাছ বাজারের ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে। এতে পানি ও পরিবেশের দূষণ ঘটছে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। পৌরবাসী দ্রুত বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।

এদিকে, কমলগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বেলাল চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রকল্পের একটি মাত্র কাজ বাকি থাকলেও অপর সব কাজ সম্পন্ন হওয়ায় পৌরবাসী ব্যাপক সুফল ভোগ করছেন। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, খাসজমি খোঁজা হচ্ছে এবং জমি পাওয়া গেলেই বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে কাজ শুরু হবে। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কমলগঞ্জ পৌরসভায় নয়টি ওয়ার্ডের লোকসংখ্যা প্রায় ২০ হাজার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বেতন দেবেন গাজীপুরের সাংসদ ও সরকারি কর্মচারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


বন্যার্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বেতন দেবেন গাজীপুরের সাংসদ ও সরকারি কর্মচারীরা

দেশের চলমান ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির কারণে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও জেলার জনপ্রতিনিধিরা একটি অনন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

জেলার পাঁচটি আসনের সব সংসদ সদস্য তাদের এক মাসের মূল বেতন এবং জেলার সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের এক দিনের মূল বেতন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই অর্থ আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংগ্রহ করে তহবিলে পাঠানো হবে।

রোববার (১২ জুলাই) গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির নিয়মিত মাসিক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে বন্যাকবলিত মানুষের সহায়তায় তিনি প্রথমে নিজের এক মাসের মূল বেতন দেয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে জেলার সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক দিনের মূল বেতন প্রদানের জন্য একটি মানবিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

এই সংসদ সদস্যের প্রস্তাবে গভীর সংহতি প্রকাশ করে তাৎক্ষণিক সম্মতি জ্ঞাপন করেন জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। সভায় উপস্থিত জেলার সব সরকারি দফতরের প্রধানরাও নিজেদের দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে এই মহতি উদ্যোগে অংশ নেয়ার বিষয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহমত পোষণ করেন। পরে জেলার বাকি চারটি আসনের সংসদ সদস্যরাও তাদের এক মাসের সম্পূর্ণ মূল বেতন এই বন্যা তহবিলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে জমা দেয়া হবে।

সভায় জানানো হয়, আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসনের সার্বিক সমন্বয়ে জেলার সব সরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১ দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হবে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের সৈনিক, সাবেক মন্ত্রী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সিনিয়র আইনজীবী এবং বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আজ রোববার এক শোকবার্তায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।’

জহির উদ্দিন স্বপন এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় তিনি যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে গেছেন, জাতি তা সব সময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তথ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে নিজে মনিটরিং করছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে নিজে মনিটরিং করছেন: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন জানিয়েছেন, দুর্যোগের সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই মনিটরিং করছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্যসহ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী এসময় বলেন, পাহাড় ধস এবং বন্যা কবলিত এলাকার অসহায় মানুষের সহযোগিতা যতদিন প্রয়োজন, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। সরকারের পক্ষ থেকে তিন মাস লাগলে তিন মাস ধরে সহায়তা দেওয়া হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদীস্থ লোকনাথ ব্রক্ষচারী আশ্রমের হলরুমের সংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এম ইকবাল হোসেইন এই প্রসঙ্গে আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসারে আমরা সবাই কাজ করছি। তিনি আমাদের সবাইকে দৌড়ের উপরে রেখেছেন এবং কোথায় কী করলে ভালো হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করছেন। প্রধানমন্ত্রী সমস্ত মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়ে অবহিত আছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি দেখভাল করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে সেখানে পাঠিয়েছেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত চট্টগ্রামে আগামী ৬-৭ দিন থাকবেন এবং যতদিন প্রয়োজন, ততদিন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার সার্বিক বিষয় মনিটরিং করবেন।

তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলাসহ পাঁচটি জেলার পরিস্থিতি দেখা এবং এ বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছে। এখানে এসে দেখলাম টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি মোটামুটি সামাল দিতে পেরেছে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে আরো ত্রাণ সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, পানি কমলে ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে কী করা যায় তা আমরা স্থানীয় প্রশাসনসহ সবার সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।

রাঙামাটি ২৯৯ নং সংসদীয় আসনের সাংসদ দীপেন দেওয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মাদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মুহম্মদ ইমরানুল হক ভুঁইয়া এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেইন আরও বলেন, দুর্যোগ এবং বন্যার প্রকোপটা এখন যে আমরা দেখছি, এটাতো একদিনে হয়নি। হ্রদের নাব্যতাতো একদিনে কমেনা। এই বিষয়ে আমাদের আগে চিন্তা করা উচিত ছিল।

তিনি বলেছেন, প্রকৃতির উপর হাত দিয়ে মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করেছে। সেজন্য এই সংকট মোকাবেলা করা আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। পরে তিনি সবার মাঝে খাবার বিতরণ করেন। এর আগে তিনি খাগড়াছড়ি জেলা পরিদর্শন করে শনিবার রাতে রাঙামাটির আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%