ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজে আগুন, শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন আহত


নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজে আগুন, শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন আহত

নারায়ণগঞ্জের সদরে গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে।

দগ্ধদের এরইমধ্যে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে আশঙ্কাজনক অবস্থায়।

দগ্ধদের নাম হলো: মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২৪) এবং তাদের আট বছর বয়সের শিশু সন্তান মারুফ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এই দগ্ধরা সকলেই নারায়ণগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা। তবে ঘটনার স্থানটি সদর এলাকার কোন নির্দিষ্ট স্থানে ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা: শাওন বিন রহমান শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার সকালে দগ্ধদের হাসপাতালে আনার পর তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। তিনজনের অবস্থাই খুবই খারাপ, যেখানে মাইদুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মারুফের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তারা বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ডা. শাওন বিন রহমান আরও জানান, নারায়ণগঞ্জ সদরের একটি বাসায় সকালে সিগারেট ধরাতে দিয়াশলাই জ্বালালেই বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনায় পরিবারটির তিনজনই দগ্ধ হন। জানা যাচ্ছে, ওই বাসার ভেতরে আগে থেকেই লিকেজের কারণে গ্যাস জমা ছিল।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন সময় সংবাদকে বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আমরা এখন পর্যন্ত কোন তথ্য পাইনি। আমরা বিভিন্ন উপায়ে খোঁজখবর নিচ্ছি, এবং যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছি।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গিরিজা খালে বিজিবির উদ্যোগে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে দিনাজপুরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


গিরিজা খালে বিজিবির উদ্যোগে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে দিনাজপুরে

ঐতিহ্যবাহী গিরিজা খালে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এটি শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এতে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য বিজিবির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতের দিকে, দিনাজপুর ৪২ বডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি মিডিয়া সেল থেকে বাসসকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রটির তথ্য অনুযায়ী, শহরের মিশন রোড, ষষ্ঠীতলা ও দক্ষিণ বালুয়াডাঙ্গা এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দূরীকরণের লক্ষ্যে, বিজিবি দিনাজপুর সেক্টর ও সদর ব্যাটালিয়ন ৪২ বিজিবির উদ্যোগে গিরিজা খালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, গিরিজা খালটি দীর্ঘদিন ধরে শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে স্থানীয় গৃহস্থালী বর্জ্য, পরিত্যক্ত আবর্জনা, ময়লা ও নোংরা পানি নিষ্কাশনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণা-বেক্ষণের অভাবের কারণে গিরিজা খালে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য, পলি, কচুরিপানা ও আগাছা জমা হয়ে গিয়ে পানি প্রবাহ প্রায় সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলস্বরূপ, খালের বিস্তীর্ণ অংশ বর্তমানে জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে পড়েছে। জমে থাকা পচনশীল বর্জ্য থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে আশপাশের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।

এ ধরনের পরিস্থিতি খালের সংলগ্ন এলাকায় সপরিবারে বসবাসরত বিজিবি সদস্য, তাদের পরিবারবর্গ, স্থানীয় বেসামরিক ব্যক্তি এবং সাধারণ জনগণের জন্য চরম ভোগান্তি এবং স্বাস্থ্য-ঝুঁকির সৃষ্টি করছে। পানি জমে থাকার ফলে মশা, মাছি, সাপসহ নানা ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য যে, খালের পাশে শহীদ কর্ণেল কুদরত ইলাহী পাবলিক স্কুল এবং কুঠিবাড়ী বিজিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। এই দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিন ধরে দুর্গন্ধ এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, দুর্গন্ধ দূরীকরণ, মশা-বাহিত রোগ প্রতিরোধ, এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে বিজিবি দিনাজপুর সেক্টরের উদ্যোগে ও সদর ৪২ বিজিবির তত্ত্বাবধানে এই খালটির পরিষ্কার এবং খনন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সমন্বয়ে, ২২ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত বিজিবির নিজস্ব জনবল এবং শ্রমিকদের সহায়তায় খালের ময়লা-আবর্জনা, কচুরিপানা এবং আগাছা অপসারণ করা হয়েছে। এরপর ৪ আগস্ট থেকে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের একটি এক্সকাভেটর মেশিনের সহায়তায় খালে ড্রেজিং ব্যবহারে পুনঃখনন ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত চলমান রয়েছে।

দিনাজপুর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, পিএসসি জানিয়েছেন যে, গিরিজা খাল সম্পূর্ণ পরিষ্কার ও পুনঃখনন শেষ হলে, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে, জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং মশা, মাছি, সাপ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। এতে শিক্ষার্থী, বিজিবি সদস্য এবং তাদের পরিবার এবং স্থানীয় জনগণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং পরিবেশগত ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন যে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিজিবি আগামীতে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডায়রিয়া হলে শুধু স্যালাইন নয়, আরও কিছু বিষয় জানা জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ পি.এম


ডায়রিয়া হলে শুধু স্যালাইন নয়, আরও কিছু বিষয় জানা জরুরি

ডায়রিয়া হলে অনেকের ধারণা থাকে যে, শুধু ওআরএস খেলেই তারা সুস্থ হয়ে যাবেন। কিন্তু দ্রুত সুস্থতা অর্জনের জন্যে আরও কিছু বিষয় মেনে চলা আবশ্যক।

ডায়রিয়া হলে শুধু স্যালাইন ছাড়াও যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত-

১. পাতলা পায়খানা হওয়ার পর প্রতিবার বয়স অনুযায়ী ওআরএস পান করা প্রয়োজন।

২. তরল পানিও জরুরি। তাই প্রচুর নিরাপদ পানি ও অন্যান্য তরল পানের ওপর জোর দিন।

৩. সহজপাচ্য খাবারের তালিকায় ভাত, খিচুড়ি, কলা, আলু, স্যুপ অন্তর্ভুক্ত করুন।

৪. শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানো অব্যাহত রাখুন।

৫. চিকিৎসকের নির্দেশনা ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা ডায়রিয়া বন্ধের জন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।

৬. রক্তমিশ্রিত পায়খানা, তীব্র জ্বর, বারবার বমি অথবা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

ডায়রিয়ায় মৃত্যুর অন্যতম কারণ হচ্ছে শরীরে অতিরিক্ত পানি ও লবণের ঘাটতি। সেজন্য অবহেলা না করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যালয়ের প্রবেশপথের বেহাল দশা, দু র্ভো গে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


বিদ্যালয়ের প্রবেশপথের বেহাল দশা, দু র্ভো গে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা

নড়াইল সদর উপজেলার দত্তপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশপথের সড়কের বেহাল অবস্থা দেখা দেওয়ার কারণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের সংস্কার না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টির ফলে কাদাপানিতে একাকার হয়ে যাওয়ার কারণে সড়কটি চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থী এবং স্থানীয়রা জানান, নড়াইল-যশোর প্রধান সড়ক থেকে নামার পর তাদের এই রাস্তা ধরে বিদ্যালয়ে আসতে বাধ্য হতে হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বর্ষাকালে রাস্তাটি কাদাপানির ডোবায় পরিণত হয়ে যায়। ইউনিফর্ম এবং জুতো নষ্ট হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য অসাবধানতার কারণে পিছলে পড়ে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক শিক্ষার্থী পোশাক কাদা লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে মাঝপথ থেকে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইকবাল হোসেন এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, নড়াইল-যশোর মহাসড়ক থেকে নেমে যে সংযোগ সড়কটি রয়েছে, বর্ষাকালে সেটি পুরোপুরি চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়। প্রতিদিন প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী এবং ২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে চরম ঝুঁকি ও ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হচ্ছে। কাদাপানির ভয়ে অনেক অভিভাবক তাঁর সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চাইছেন না। এর ফলে পাঠদান কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আকুল আবেদন যে, অতি দ্রুত যেন সড়কটির সংস্কার করা হয়।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. তারিকুজ্জামান লিটু প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গ্রামাঞ্চলের কোমলমতি ছেলেমেয়েরা যখন শিক্ষা নিতে আসে, তখন যদি তারা কাদায় পড়ে, তবে এটি একেবারেই দুঃখজনক। প্রশাসনের অবহেলার কারণে দীর্ঘদিন সড়কটি অবহেলিত রয়েছে। জনস্বার্থে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সড়কটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি নড়াইল সদর উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারাই নয়, প্রতি দিন এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন আশপাশের গ্রামের সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রোগী বা বয়স্ক মানুষকে নিয়ে এই পথ দিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ছোট কোনো যানবাহনও বিদ্যালয়ে ঢুকতে পারে না। শিক্ষার্থী এবং স্থানীয়রা বিভিন্ন সময় সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসলেও তাদের অভিযোগ, কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এছাড়া খুব দ্রুত এই সংযোগ সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা না হলে কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার কথাও তারা জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯

সিলেটের ওসমানীনগরে দুইটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জন হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও অন্তত ১৩ জন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাশিকাপন অংশে উক্ত দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানী মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, হাসপাতালে তিন বছর বয়সী শিশু ফাইজার পর তিতন নামে (২২) একজনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া, ঘটনাস্থলে ৭ জন মারা গেছেন।

মৃত্যুর ঘটনাস্থলে মারা যাওয়ার মধ্যে দুই জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন– কিশোরগঞ্জের ঢুলিয়ারপারের লক্ষীপুর গ্রামের হাজী শফিক উদ্দিনের ছেলে হাজী মঈনুল ইসলাম (৫৫) এবং সিলেট নগরীর সোবহানিঘাটের বাসিন্দা প্রীতম দাশ (২২) ।

এছাড়া, আহতদের মধ্যে আছেন ওয়াব (৪৫), মনসুর (৩৪), আতিকুল ইসলাম (৪৮), বাবুল (৪০), মফিজ মিয়া (৫৫), সাজিদ নুর (৪৫), নুরুন্নাহার (৪০), মুক্তার হোসেন (৬৫), জাহাঙ্গীর (২৮), আফজল (৩০), আফরোজা (৩৮), মন্টু (৩০), রাজু (৫৫)।

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে দয়ামীরস্থ কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ঢাকা থেকে সিলেটগামী ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ৭ জন নিহত হন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদেরকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%