০৪:০৫ পি.এম
সিলেটের ওসমানীনগরে দুইটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জন হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরও অন্তত ১৩ জন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাশিকাপন অংশে উক্ত দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানী মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, হাসপাতালে তিন বছর বয়সী শিশু ফাইজার পর তিতন নামে (২২) একজনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া, ঘটনাস্থলে ৭ জন মারা গেছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
মৃত্যুর ঘটনাস্থলে মারা যাওয়ার মধ্যে দুই জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন– কিশোরগঞ্জের ঢুলিয়ারপারের লক্ষীপুর গ্রামের হাজী শফিক উদ্দিনের ছেলে হাজী মঈনুল ইসলাম (৫৫) এবং সিলেট নগরীর সোবহানিঘাটের বাসিন্দা প্রীতম দাশ (২২) ।
এছাড়া, আহতদের মধ্যে আছেন ওয়াব (৪৫), মনসুর (৩৪), আতিকুল ইসলাম (৪৮), বাবুল (৪০), মফিজ মিয়া (৫৫), সাজিদ নুর (৪৫), নুরুন্নাহার (৪০), মুক্তার হোসেন (৬৫), জাহাঙ্গীর (২৮), আফজল (৩০), আফরোজা (৩৮), মন্টু (৩০), রাজু (৫৫)।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে দয়ামীরস্থ কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ঢাকা থেকে সিলেটগামী ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ৭ জন নিহত হন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদেরকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ায়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন