রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
ময়মনসিংহ নগরীতে মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কারণে আহত সাবেক যুবদল নেতা রাজা মিয়া (৪০) মারা গেছেন। এই ঘটনার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত রাজা মিয়া নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্টপুর এলাকার মমরোজ মিয়ার পুত্র। তিনি মহানগর যুবদল ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় রাজা মিয়াকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম রাজা মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই ঘটনায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রাজা মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামি কবিরসহ (৩০) তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অন্য দুই আসামি হলেন বিনু (৩৮) ও নিশাত (২৫)। গ্রেপ্তারকৃত প্রত্যেকেই একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নাস্তা খেয়ে রাজা মিয়া ঘরে শুয়ে ছিলেন। এই সময় কবিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন হামলা চালায়। হামলার সময় কবির শাবল দিয়ে রাজা মিয়ার মাথায় আঘাত করে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
কিন্তু সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় রাজা মিয়াকে আবারও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। শনিবার বিকেলে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি রাজা মিয়া কবির ও তার লোকজনকে মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল, যা ২২ সেপ্টেম্বর রাজা মিয়ার উপর হামলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পুলিশের একটি পক্ষ দাবি করছে যে উভয় পক্ষই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে, কতগুলো মাদক মামলা কার নামে রয়েছে তা জানাতে পারেনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শাকিল বলেন, রাজা মিয়া মহানগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি আন্দোলন সংগ্রামে সবসময় দলের সঙ্গে ছিলেন। তাকে যে বা যারা হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। তবে, রাজা মিয়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না বলেও তিনি জানান।
ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে রয়েছে। নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে শুক্রবার রাতে ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে বলেও তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির সামনে একাধিক মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ রয়েছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিরুবনন্তপুরমে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
কোহলির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রেকর্ড বরাবরই চমৎকার। এই দলের বিপক্ষে ৪৩ ম্যাচে ৪১ ইনিংসে তার রান সংখ্যা ২ হাজার ২৬১। ব্যাটিং গড় ৬৬.৫০। তার নামের পাশে রয়েছে ৯টি সেঞ্চুরি এবং ১১টি ফিফটি।
ওয়ানডেতে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে পরিচিত কোহলি। ৩১৪ ম্যাচের ৩০২ ইনিংসে তার রান সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৪১। ১৫ হাজার রান পূর্ণ করতে তার প্রয়োজন মাত্র ৫৯ রান।
যদি তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করতে সক্ষম হন, তবে শচীন টেন্ডুলকারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় এবং ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করবেন কোহলি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা বর্তমানে ৮৫। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি শতক করলে সেই সংখ্যা ৮৬-তে পৌঁছাবে।
তিরুবনন্তপুরমের মাঠটি কোহলির জন্য সুখকর স্মৃতির স্থান। এখানে দুটি ওয়ানডে খেলে তিনি কখনো আউট হননি। দুই ম্যাচে তার রান সংখ্যা ১৯৯, যার মধ্যে ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ১৬৬ রানের ইনিংসটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫৯। শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ৬০ সেঞ্চুরি। অতএব, আরও দুটি শতক করলে কোহলি শচীনের রেকর্ডকে অতিক্রম করবেন।
ভারতের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শচীনের সেঞ্চুরি সংখ্যা ৪২। কোহলির রয়েছে ৪১টি। ফলে আরও দুটি সেঞ্চুরি করলে তিনি ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক শতকের সংখ্যায় শচীনকে ছাড়িয়ে যেতে পারবেন।
ওয়ানডেতে ভারতের মাটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও কোহলির নাগালের মধ্যে রয়েছে। শচীনের ১৬৪ ম্যাচে ৬ হাজার ৯৭৬ রান এবং কোহলির ১৩০ ম্যাচে ১২৭ ইনিংসে ৬ হাজার ৮৬৭ রান। রেকর্ডটি ভাঙতে তার প্রয়োজন ১১০ রান।
বর্তমান বছরে কোহলি ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ছয় ইনিংসে তার রান সংখ্যা ৩৮৪, গড় ৬৪.০০ এবং স্ট্রাইক রেট ১০৬-এর বেশি। এর মধ্যে একটি সেঞ্চুরি এবং তিনটি ফিফটি রয়েছে।
এ কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে কোহলির সামনে একাধিক ব্যক্তিগত মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদ থেকে অধ্যাপক নূরুল ইসলামকে অব্যাহতি প্রদান করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাকে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে হবে, সেই সময় পর্যন্ত উপাচার্য পদে থাকবেন।
অধ্যাপক নূরুল ইসলাম এর আগে চলতি বছরের ১৬ মার্চ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এছাড়া, তিনি ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রো-ভিসি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।
অধ্যাপক নূরুল ইসলাম ২০১১ সালে যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগ থেকে ১৯৯২ ও ১৯৯৩ সালে যথাক্রমে বিএসসি (অনার্স) ও এমএসসি (থিসিস) সম্পন্ন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ২২০ জন কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য ৬ থেকে ১০ গ্রেডের ১৭ ক্যাটাগরির পদ খালি রয়েছে।
আবেদন করা যাবে আগামী ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত।
এক নজরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
১. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৬টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
২. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-টেক্সটাইল)
পদসংখ্যা: ৩টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৩. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-লেদার)
পদসংখ্যা:২টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৪. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-আর্কিটেকচার)
পদসংখ্যা: ৪টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আর্কিটেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৫. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-মেকানিক্যাল)/সহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৭টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৬. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)/সিনিয়র অফিসার (সহকারী প্রকৌশলী-সিভিল)/সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)
পদসংখ্যা: ২২টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারি বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৭. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-ইলেকট্রিক্যাল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৮টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
৮. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-মেকানিক্যাল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল)
পদসংখ্যা: ৯টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেকানিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
৯. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল)/অফিসার (সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার-সিভিল)/উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬টি,
পদসংখ্যা: (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১০. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (আর্কিটেকচার)
পদসংখ্যা:১টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আর্কিটেক্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১১. পদের নাম: সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল)
পদসংখ্যা: ৪টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রকৌশল বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা পাস।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
১২. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (ল)/সিনিয়র অফিসার (আইন)/আইন অফিসার
পদসংখ্যা: ৮১টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আইন বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৩. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট)
পদসংখ্যা: ১৪টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাংকিং, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা, ফিন্যান্স এবং হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা সিএ/এফসিএ বা এমবিএ ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৪. পদের নাম: ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট
পদসংখ্যা: ১টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএসহ এমবিএ বা এমবিএম। অথবা অর্থনীতি, কৃষি অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান বা ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৫. পদের নাম: আইন কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১টি, (গ্রেড-৬)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আইন বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা।
১৬. পদের নাম: সিনিয়র অফিসার (নিরীক্ষা)
পদসংখ্যা: ২০টি, (গ্রেড-৯)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকসহ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কোর্স কম্পিটেড (সিসি)।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
১৭. পদের নাম: প্রটোকল অফিসার
পদসংখ্যা: ১টি, (গ্রেড-১০)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক পাস।
বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।
বয়সসীমা: ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ১ থেকে ১৭ নম্বর পর্যন্ত সব পদের প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩২ হতে হবে। তবে ১৫ নম্বর পদের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।
আবেদন ফি: ২০০ টাকা।
নিয়োগ দেবে আগোরা, রয়েছে সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ উৎসব বোনাস।
আবেদনের নিয়ম: বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে এর আগে প্রার্থী তার বিদ্যমান সিভি আইডি নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আবেদন করতে পারবেন।
অন্যদিকে, নতুন প্রার্থী তার পছন্দের পদের পাশে ‘Apply Online’ এ ক্লিক করলে যে পেজটি ওপেন হবে, তার নিচের অংশে Register Now লিংক পাবেন। উক্ত লিংকে গিয়ে সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ধারিত ছক পূরণের পর ‘Submit Application’ এ ক্লিক করলে উক্ত পদে তার আবেদন দাখিল সম্পন্ন হবে এবং একটি সিভি আইডি নম্বর পাবেন। এই সিভি আইডি নম্বর এবং পাসওয়ার্ড ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ ও সময়: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাতকে আধুনিক, নিরাপদ, প্রতিযোগিতামূলক এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন এবং পরিচালনাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যা জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব নৌ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর নির্ধারিত ‘নীতিকে বাস্তবে রূপ দিয়ে সামুদ্রিক খাতের উৎকর্ষ অর্জন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র সুষ্ঠু নীতি ও বিধিবিধান প্রণয়ন যথেষ্ট নয়, বরং সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কার্যকর প্রয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হলো শক্তিশালী বাস্তবায়ন, আধুনিক অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব নৌপরিবহন, দক্ষ নাবিক এবং কার্যকর সামুদ্রিক সুশাসন।
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই উপায়ে সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং উপকূলীয় শিল্পের মাধ্যমে ‘ব্লু ইকোনমি’ বা নীল অর্থনীতির উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় ব্লু ইকোনমি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ভৌগোলিক গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথে পরিচালিত হয়। বর্তমানে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং বিস্তৃত নদীপথের মাধ্যমে দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার পরিবহন সম্পন্ন হচ্ছে।
২০২৬ সালকে ‘বাস্তবায়নের বছর’ হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান চারটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। এগুলো হলো সবুজ নৌপরিবহন এগিয়ে নেওয়া ও বিশ্বমানের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা গড়ে তোলা; স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল লজিস্টিক ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে বন্দর অবকাঠামো আধুনিকায়ন; হাইড্রোগ্রাফি কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সামুদ্রিক প্লাস্টিক দূষণ রোধে পদক্ষেপের মাধ্যমে সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা সুরক্ষা; এবং নাবিকদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে সামুদ্রিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন।
তিনি বলেন, ‘সামুদ্রিক উৎকর্ষ আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে প্রতিফলিত হতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বন্দর কর্তৃপক্ষ, জাহাজ মালিক, নাবিক, সামুদ্রিক পেশাজীবী ও পরিবেশবিষয়ক সংস্থাগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ড ও জাতীয় অগ্রাধিকারকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী নীল অর্থনীতি এবং আরও নিরাপদ, সবুজ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ