রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৬ পি.এম
জ্বালানি তেল এবং বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকদের জন্য সেচ ব্যয় একটি বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঝিনাইদহের প্রান্তিক কৃষকেরা সৌরশক্তিনির্ভর সেচ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সোলার পাম্প স্থাপন করে সেচ খরচ কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্য অনুসন্ধান করে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলায় ইতোমধ্যে ৩৬টি সোলার পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩টি, কোটচাঁদপুরে ১টি এবং মহেশপুরে ৩২টি পাম্প রয়েছে। ধাপে ধাপে জেলার অন্যান্য এলাকাতেও সোলার পাম্প স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) কারিগরি সহায়তায় রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশনের (আরআরএফ) বাস্তবায়নাধীন ‘স্মার্ট’ প্রকল্পের আওতায় এসব সৌরবিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প স্থাপন করা হচ্ছে।
সোলার পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকেরা জানান, প্রচলিত ডিজেলচালিত সেচ ব্যবস্থার তুলনায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত পাম্পে পরিচালন ব্যয় অনেক কম। এতে নিজেদের জমিতে সেচ দেওয়ার পাশাপাশি অন্য কৃষকদের জমিতে সেচ দিয়ে বাড়তি উপার্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে মহেশপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় ফুলচাষীদের জন্য এ উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, সোলার পাম্প স্থাপনে তার ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে আরআরএফের ‘স্মার্ট’ প্রকল্প থেকে ৪৫ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছেন তিনি।
মহেশপুরের কৃষক সাদিকুল রহমান বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আরআরএফ প্রথমবারের মতো ফুলচাষিদের নিয়ে কাজ করছে। প্রকল্পের ঋণ ও অনুদানের মাধ্যমে সোলার পাম্প স্থাপন করেছেন তিনি। নিজের জমিতে সেচ দেওয়ার পাশাপাশি অন্য ১৫ বিঘা জমিতেও সেচ দিচ্ছেন।
ফুলচাষি গফুর মিয়া জানান, সোলার পাম্প স্থাপনের পর তার তেল ও বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে না। নিজের জমির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জন করতে পারছেন তিনি।
আরআরএফের সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ ড. অসিত বরণ মণ্ডল বলেন, পিকেএসএফের সহায়তায় ‘স্মার্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৩৬টি সোলার পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সামনে আরও ১০০টির বেশি পাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। আগে এক বিঘা জমিতে সেচ দিতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হলেও সোলার পাম্পে খরচ হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা। এতে কৃষকদের সেচ খরচ কমার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাবও কমবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সকালে এক কাপ গরম কফি ছাড়া অনেকের দিন শুরু হওয়া সম্ভব নয়। কিছু মানুষ কড়া কফি পছন্দ করেন, আবার অন্যরা কফিতে দুধ ও চিনি মিশিয়ে পান করেন। তবে কফিতে দুধ মেশানো নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে—এটি শরীরের জন্য উপকারী, নাকি ক্ষতিকর?
অনেকে মনে করেন, দুধ দিয়ে কফি খেলে ওজন বৃদ্ধি পায় বা হজমের সমস্যা দেখা দেয়। আবার কিছু মানুষের কাছে দুধ মেশানো কফি তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও বিভিন্ন গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, কফির সঙ্গে কতটা দুধ, চিনি ও অন্যান্য উপাদান যোগ করা হচ্ছে, তার ওপরই পানীয়টির প্রভাব অনেকাংশে নির্ভর করে।
দুধ মেশালে যে উপকার হতে পারে—
পেটের অস্বস্তি কমাতে পারে
কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও অম্লীয় উপাদান অনেকের ক্ষেত্রে খালি পেটে অস্বস্তি বা অ্যাসিডিটি সৃষ্টি করতে পারে। কফিতে দুধ মেশালে এর তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হতে পারে। তাই যাদের কফি খেলে পেটে অস্বস্তি হয়, তাদের জন্য দুধ মেশানো কফি তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হতে পারে।
প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে
ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় কফিতে থাকা পলিফেনল এবং দুধের প্রোটিনের পারস্পরিক প্রভাব নিয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা যায়, পলিফেনল ও প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিড একসঙ্গে কাজ করলে শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে।
তবে এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন এবং এটিকে কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে দেখা ঠিক নয়।
বাড়ে পুষ্টিগুণ
শুধু কফির তুলনায় দুধ যোগ করলে পানীয়টিতে অতিরিক্ত পুষ্টি যুক্ত হয়। দুধ থেকে পাওয়া যায় ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি১২। ফলে পরিমিত দুধ মিশিয়ে কফি খেলে শরীর কিছু অতিরিক্ত পুষ্টি পেতে পারে।
কখন দুধ কফি সমস্যা তৈরি করতে পারে?
দুধ কফি স্বাস্থ্যকর হবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করে কীভাবে কফিটি তৈরি করছেন তার ওপর।
কফিতে বেশি চিনি, মিষ্টি সিরাপ, ক্রিম বা অন্য মিষ্টি উপাদান যোগ করলে এর ক্যালরি দ্রুত বেড়ে যায়। নিয়মিত এমন কফি পান করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে।
আবার যাদের দুধের শর্করা হজমে সমস্যা হয়, তারা দুধ কফি পান করলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটের অস্বস্তিতে ভুগতে পারেন। এমন ক্ষেত্রে দুধের বিকল্প ব্যবহার করা যেতে পারে।
অন্যদিকে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই দুধ মেশানো হয়েছে বলে ইচ্ছেমতো কফি পান করা নিরাপদ নয়।
ওজন বাড়তে পারে কখন?
কফিতে ফুল-ফ্যাট দুধ ও অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার করলে পানীয়টির ক্যালরি অনেক বেড়ে যেতে পারে। যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য নিয়মিত এমন কফি পান করা সমস্যার কারণ হতে পারে।
তাহলে কফি খেলে চিনির পরিমাণ কম রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কম চর্বিযুক্ত দুধ ব্যবহার করা ভালো।
দুধ কফি নাকি কালো কফি?
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পরিমিত কফি সাধারণত খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে। দুধ যোগ করলে কফিতে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম বাড়ে। তবে বেশি চিনি ও ক্রিম যোগ করলে ক্যালরিও বাড়ে।
আবার কালো কফিই যে সবার জন্য বেশি উপকারী, এমনটাও বলা যায় না। কফির সঙ্গে দুধ মেশালে কফির কিছু উদ্ভিজ্জ উপাদানের কার্যকারিতায় কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণার ফল এখনো একেবারে একমত নয়।
তাহলে কফি খাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিমাণ এবং কফি তৈরির পদ্ধতি।
কার জন্য কোনটি?
যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, চিনি কমাতে চান বা কফির স্বাভাবিক স্বাদ পছন্দ করেন, তারা কালো কফি বেছে নিতে পারেন।
অন্যদিকে যারা কফির সঙ্গে কিছুটা প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম পেতে চান কিংবা দুধ মেশানো কফি বেশি পছন্দ করেন, তারা পরিমিত দুধ দিয়ে কফি পান করতে পারেন।
সব মিলিয়ে, দুধ দিয়ে কফি খাওয়া নিজে থেকেই ক্ষতিকর কোনো অভ্যাস নয়। তবে কফিতে কতটা দুধ, চিনি ও অন্যান্য উপাদান যোগ করছেন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। পরিমিত দুধ ও কম চিনি দিয়ে কফি খেলে অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্য এটি দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।
অ্যাসিডিটি, দুধ হজমে সমস্যা বা ক্যাফেইনে সংবেদনশীলতা থাকলে নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে কফির পরিমাণ কমানো ভালো। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যার বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার যেমন দ্রুত হয়েছিল, অপ্রতিমের ক্ষেত্রেও তেমন হবে। আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে সব সহযোগিতা করবো।"
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, "কুমিল্লার এই মর্মান্তিক ঘটনায় সারাদেশের মানুষ মর্মাহত।" তবে তিনি জানান, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে এবং ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে অপরাধ স্বীকার করেছে এবং তারা মূলত কিশোর অপরাধী এবং ভিকটিমের পরিচিত ছিল। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছে।
তিনি বলেন, "এই ধরনের মারাত্মক অপরাধের পেছনে মাদকসহ নানা সামাজিক কারণ যুক্ত থাকে।" কিশোর অপরাধ রোধে স্কুল পর্যায়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি। সরকার ও সাধারণ মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সামাজিক পচন রোধে এটি অত্যন্ত জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক ও উদ্ভাবনী চিন্তায় উৎসাহিত করার মাধ্যমে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব, এমন মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মান্ডায় পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘সায়েন্স অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে তিনি এই কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী মেলায় উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত বিভিন্ন স্টল ও উদ্ভাবনী প্রকল্প পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বিজয়ী শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন।
মেলায় রাজধানীর বিভিন্ন স্বনামধন্য ইংরেজি ও বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন প্রকল্প, মডেল ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
সমাপনী বক্তব্যে পার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল মহসিন মজুমদার অতিথি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
মহসিন মজুমদার আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানমনস্ক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছাদিক এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাবিরুজ্জামান (সুজা)।
নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটি গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের অনুষ্ঠানটি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনের পূর্ব লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটিতে সহসভাপতি-১ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম-২। সহসভাপতি-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসান (মুকুল)। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ সরওয়ার জাহান।
এছাড়া যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ড. মো. আনিছুর রহমান। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের ড. পারভেজ আজহারুল হক (প্রিন্স)। প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ফিশারিজ বিভাগের ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মণ্ডল এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের ড. মো. আব্দুল মান্নান।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ড. মো. ফজলুল হক (ফজলু), প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. মতিয়ার রহমান, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ড. মো. গোলাম মোর্তুজা, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. তোফাজ্জল হোসেন, মার্কেটিং বিভাগের ড. এ. কে. এম. গোলাম রব্বানী মণ্ডল, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ড. রিজওয়ানা ইসলাম সাম্মী, ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের ড. এস. এম. সাহিনুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের ড. মো. আরিফুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. ফারজানা আশরাফী নীলা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ড. মো. হারুন-অর-রশীদ, ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. আওরঙ্গজীব মো. আব্দুর রহমান, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. মো. আসাদুল হক, ফার্মেসি বিভাগের ড. মো. আব্দুল আলীম আল-বারী এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের বিদায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফোরামের সদস্যরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির সফলতা কামনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ