১০:০৩ পি.এম
এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায়, অবশেষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে। এতে প্রায় ১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে কেন্দ্রে উপস্থিত কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
রোববার (১২ জুলাই) এ প্রসঙ্গে নিশ্চিত করে চরফ্যাশন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান জানান।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষায় চরফ্যাশন সরকারি কলেজের ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এমসিকিউ পরীক্ষা যখন শেষ হয়, তখন ৩০৪ নম্বর কক্ষের কিছু পরীক্ষার্থী প্রশ্ন কমন না পড়ার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে, এরপর তারা নকলের চেষ্টা করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বাধা প্রদান করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন পরীক্ষার্থী শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন এবং নকলের সুযোগ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুর ১টার দিকে, একদল শিক্ষার্থী এবং বহিরাগত ব্যক্তি কলেজের পকেট গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তারা পরীক্ষার খাতা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলার সময় ইটপাটকেলের আঘাতে সাতজন শিক্ষক, গভর্নিং বডির সভাপতিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য লাঠিচার্জ করে এবং দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িত হতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
চরফ্যাশন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনার জন্য কেন্দ্র সচিব বাদী হয়ে শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। তবে, এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন