ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাঁচ জেলায় বন্যার প্রভাব, ঝুঁকিতে আরও পাঁচ জেলার মানুষ


পাঁচ জেলায় বন্যার প্রভাব, ঝুঁকিতে আরও পাঁচ জেলার মানুষ

সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং উজানের বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে অব্যাহত পরিবর্তন ঘটছে। এর ফলে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার সর্বশেষ পানি সমতল পরিস্থিতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেনী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার, সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য কেন্দ্রটি অনুরোধ জানিয়েছে।

এর আগে বেলা ১২টায় জানানো হয়েছে, আগামী কয়েক দিনে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলের কিছু নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। এতে সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য জেলার কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা নদীর পানি বেড়ে গেছে। তবে উভয় নদীই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিনে এ অববাহিকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায়ও আগামী পাঁচ দিনে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই নদীগুলোর পানি আপাতত বিপদসীমার নিচে থাকতে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় ২৪ ঘণ্টায় পানি কমেছে। কিন্তু কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী দুই দিনে এ অববাহিকার পানি আবার বাড়তে পারে।

উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্ট সতর্কসীমায় রয়েছে। তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের পানি আগামী দুই দিনে বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা ও আশপাশের তুরাগ, টঙ্গীখাল, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থেকেও মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারবে।

পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গোমতী, মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির কিছু জেলায় বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা সৃষ্টি বিরাজ করতে পারে। একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানিও দ্রুত বাড়তে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু নদী সতর্কসীমা স্পর্শ করতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


বরিশালে থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেফতার

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

এর আগে থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন, এ তথ্য জানিয়েছেন ওসি মাসুদ খান।

ওসি মাসুদ বলেন, মামলার পর বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির, বোন শারমিন আক্তার, সবুজ ফকির, মান্নান ফকির, রিফাত ফকির, নাঈম ফকির, হাবিবুর রহমান, রাজু হাওলাদার, তাহমিনা বেগম, মনোয়ারা বেগম, আসমা আক্তার, মমতাজ বেগম, ঝুমুর বেগম, নাজমা আক্তার, তানজিলা আক্তারসহ ১৮ জনকে। গ্রেফতারদের পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, মামলায় আলাদা আলাদা অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে মারধর, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি, হুমকি এবং যৌথভাবে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় একটি চুরির মামলায় রিয়াজ ফকির নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। রাতে থানা হাজতে তিনি নিজের মাথায় আঘাত করলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল বিকালে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়রা থানায় হামলা ও ভাঙচুর করে।

পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এএসআই আব্দুল হালিমসহ মোট পাঁচ পুলিশ সদস্য ও হামলাকারীদের কয়েকজনসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফারহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল-আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুকুরের কামড়ে বরিশালে আহত ২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


কুকুরের কামড়ে বরিশালে আহত ২৭

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পাগলা কুকুরের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রথখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরে স্থানীয় লোকজন কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে একটি বেওয়ারিশ কুকুর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে পথচারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়ে জখম করে। এতে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে স্থানীয়রা ধাওয়া করে কুকুরটিকে হত্যা করেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন- রাবেয়া আক্তার (১০), মনিরা বেগম (৪৫), বেল্লাল (১০), সাহেব আলী (৬৫), আতাই (২), আরাফাত (৬), আয়ান (৫), আল-আমিন (৪৩), মিনারা বেগম (৬০), জিদনী (২৫), তাওহীদ (২৪), সোহাগ মোল্লা (৪০), প্রত্যয় (২), বিউটি (৪০), রুনু বেগম (৪৫), শাহানুর (৩৭), জান্নাত (৪), মিলন (২৪), নুপুর (৪২), সালমা (৩৫), সেলিনা (৩০), মনজু হালদার (৪৮), হাফিজুল (৩৬), সরোয়ার হোসেন (৩৮), মাসুমা (৫৫) ও পারুল বেগম (৬০)।

আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাহামুদুল হাসান জানান, আহত ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জলাতঙ্কের ঝুঁকি থাকায় আহত সবাইকে দ্রুত অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার নবজাতক পেল বৈধ অভিভাবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার নবজাতক পেল বৈধ অভিভাবক

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন-সংলগ্ন এলাকা থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক কন্যা নবজাতকের বৈধ অভিভাবকত্ব রবিউল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শিশুটির সর্বোত্তম স্বার্থ, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণ বিবেচনায় প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, গত ২৯ জুন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন-সংলগ্ন স্থান থেকে কন্যা নবজাতকটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করার পর প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য নবজাতককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শিশুটির চিকিৎসার পাশাপাশি নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে।

এ বিষয়ে গত ৬ জুলাই জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গজারিয়ায় উদ্ধার হওয়া নবজাতকের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদানের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

পরে ৯ জুলাই জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সদস্যরা তাদের মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন। সদস্যদের সুপারিশ এবং শিশুটির নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ভবেরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির কাছে নবজাতকের বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অসহায় শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ শিশুর অধিকার সংরক্ষণ ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকার প্রতিফলন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারী বৃষ্টিতে চুয়াডাঙ্গায় সড়ক ধস, দুর্ভোগে দুই গ্রামের বাসিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


ভারী বৃষ্টিতে চুয়াডাঙ্গায় সড়ক ধস, দুর্ভোগে দুই গ্রামের বাসিন্দা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা এলাকায় টানা ভারি বৃষ্টির ফলে একটি সড়কের একাংশ ধসে পড়েছে। এর ফলে ওই এলাকার দুটি গ্রামের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শুক্রবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত চলা টানা বৃষ্টিতে এই ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়দের মতে, শুক্রবার সকালের বৃষ্টির ফলে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর কাঁঠালতলা থেকে কুমারীদহ গ্রামে যাওয়ার জন্য অপরিহার্য সড়কের একটি অংশ ধসে গিয়ে গভীর একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই ধসে প্রায় ১৫ ফুট এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে জয়রামপুর এবং কুমারীদহ গ্রামের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে দুই গ্রামের হাজারো সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হয়েছেন।

হাউলি ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দীন বলেন, ‘সড়ক ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকাবাসীর চলাচল স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%