প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় মোট ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
এর আগে থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৩৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার এসআই ওমর ফারুক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন, এ তথ্য জানিয়েছেন ওসি মাসুদ খান।
ওসি মাসুদ বলেন, মামলার পর বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির, বোন শারমিন আক্তার, সবুজ ফকির, মান্নান ফকির, রিফাত ফকির, নাঈম ফকির, হাবিবুর রহমান, রাজু হাওলাদার, তাহমিনা বেগম, মনোয়ারা বেগম, আসমা আক্তার, মমতাজ বেগম, ঝুমুর বেগম, নাজমা আক্তার, তানজিলা আক্তারসহ ১৮ জনকে। গ্রেফতারদের পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মামলায় আলাদা আলাদা অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে মারধর, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি, হুমকি এবং যৌথভাবে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় একটি চুরির মামলায় রিয়াজ ফকির নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। রাতে থানা হাজতে তিনি নিজের মাথায় আঘাত করলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল বিকালে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়রা থানায় হামলা ও ভাঙচুর করে।
পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এএসআই আব্দুল হালিমসহ মোট পাঁচ পুলিশ সদস্য ও হামলাকারীদের কয়েকজনসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফারহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল-আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান। তারা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন