রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৭ পি.এম
উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশে গিয়ে ফিরতে ব্যর্থ হয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২৩ জন শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করার পাশাপাশি, তারা ছুটির সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতার অর্থও ফেরত দেননি। এই শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট পাওনার পরিমাণ ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। তথ্য অধিকার আইনে যবিপ্রবির শিক্ষকদের শিক্ষা ছুটিসংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করে।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষক মাস্টার্স, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছেন। তবে, ২৩ জন শিক্ষকের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও তারা এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি। এই শিক্ষকদের মধ্যে সিএসই ও এমবি বিভাগের চারজন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, ফার্মেসি ও ইএসটি বিভাগের দুজন এবং আইপিই, সিএইচই, পিএমই, ইইই, বিএমই, জিইবিটি, এআইএস ও এনএফটি বিভাগের ১ জন করে শিক্ষক রয়েছেন।
এ বিষয়ে যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দিন মন্তব্য করেন, যারা শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যোগদান করেননি, তাদেরকে কয়েক দফায় চিঠি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। যদি তারা সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তীতে রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান জানান, শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষা ছুটি শেষে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করায় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগগুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হচ্ছে। তাই যারা দীর্ঘ সময় ধরে যোগদান করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশে ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সীমা ১২ হাজার ডলার থেকে ১৮ হাজার ডলারে উন্নীত করেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এই সংশোধনী প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা বিদ্যমান ভ্রমণ-সুবিধাকে সংশোধন করে। এর ফলে, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার অথবা এর সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করতে পারবে। এই পরিমাণের মধ্যে, প্রতি ভ্রমণে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার ডলার নগদে এবং বাকি অর্থ কার্ডের মাধ্যমে খরচ করার সুযোগ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের প্রয়োজন এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে। তবে, ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ৯ হাজার ডলার ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে মো. মোসলিম (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে, যা ভুল চিকিৎসার কারণে হয়েছে।
এই ঘটনা ঘটেছে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে।
নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের মাহফুজুর রহমানের ছেলে। অভিযুক্ত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট হাজীবাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে এবং তিনি দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কমলনগরের চরবসু গ্রামে বাড়ির পাশে খেলাধুলার সময় হঠাৎ লাঠির একটি অংশ মোসলিমের বাম চোখে লাগে। এরপর তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে যে, হাসপাতালে কর্তব্যরত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেশিয়া দেন। অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর মোসলিম বমি করতে শুরু করলে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মোসলিমকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যারামেডিকস এবং দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, "চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেশিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেশিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।"
নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী জানান, মৃত অবস্থায় শিশুটিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মরদেহ মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সুধারাম থানার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিহতের স্বজনেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। মরদেহ নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পরপরই তিনি দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিহতের স্বজনদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এ এম এ মুহিত জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং যদি সতর্কতা অবলম্বন না করা হয়, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
তিনি রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের টানেলে এক ব্রিফিংয়ে এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১১৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। তথ্য ও ডাটার ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই অক্টোবরের আগেই সকলকে সতর্ক হতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আগের বছরের তুলনায় এই বছর এখনও ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কম রয়েছে। তবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামীকাল থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধের কার্যক্রম জোরদার করা হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে ড. এ এম এ মুহিত বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে হাসপাতালসহ সব জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাকে মশার প্রজননস্থলমুক্ত রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারের নয়। জনগণকে সম্পৃক্ত করেই মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানুষের জীবনে বরকত একটি অমূল্য নিয়ামত, যা শুধুমাত্র সম্পদের প্রাচুর্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অল্প সম্পদে তৃপ্তি, সময়ের সঠিক ব্যবহার, ইবাদতে স্বাদ, পরিবারে শান্তি এবং কর্মে সফলতার মধ্যেই বরকতের প্রকৃত প্রকাশ ঘটে। অনেককে দেখা যায় যাঁরা অধিক পরিমাণে উপার্জন করেন; কিন্তু দিনশেষে তাঁদের অশান্তি ও হতাশার গল্প শোনাতে হয়। এর পেছনে কারণ হলো, চলার পথে কিছু গোনাহ ও ভুল অভ্যাস রয়েছে, যা অজান্তেই জীবন থেকে বরকত কেড়ে নিচ্ছে।
১. মিথ্যা ও প্রতারণা
মিথ্যা ও প্রতারণা বরকত ধ্বংসের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেনদেনের ক্ষেত্রে অসততা মানুষের উপার্জনকে বরকতহীন করে দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "ক্রেতা ও বিক্রেতা যদি সত্য কথা বলে এবং পণ্যের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করে, তবে তাদের লেনদেনে বরকত দেওয়া হয়। আর যদি তারা মিথ্যা বলে এবং দোষ গোপন করে, তবে তাদের লেনদেনের বরকত মুছে ফেলা হয়।" (বোখারি: ২০৭৯)
অতএব, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত লাভ সাময়িকভাবে বেশি মনে হলেও তা প্রকৃত অর্থে কল্যাণ ও বরকত থেকে বঞ্চিত করে।
২. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা
আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা শুধুমাত্র একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি বরকত লাভেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং তার আয়ুতে বরকত দেওয়া হোক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (বোখারি: ৫৯৮৬) যেখানে সম্পর্ক রক্ষা বরকতের কারণ, সেখানে সম্পর্ক ছিন্ন করা নিঃসন্দেহে বরকত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ।
৩. সুদ ও হারাম উপার্জন
সুদ, ঘুষ, প্রতারণা, জালিয়াতি কিংবা মানুষের হক নষ্ট করে অর্জিত সম্পদ বাহ্যিকভাবে বাড়লেও তাতে বরকত থাকে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, "আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং সদকাকে বৃদ্ধি করেন।" (সুরা আল বাকারা: ২৭৬)
তাফসিরবিদগণ বলেন, এখানে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার অর্থ শুধু সম্পদ কমে যাওয়া নয়; বরং সেই সম্পদের বরকত, কল্যাণ ও শান্তি উঠে যাওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। (তাফসিরে ইবনে কাসির: ১/৬১৩)
৪. দিনের প্রথম ভাগকে অবহেলা করা
সকালের সময়কে আল্লাহ তাআলা বিশেষ বরকতময় করেছেন। অথচ অনেকেই দিনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়টি ঘুম, অলসতা বা অপ্রয়োজনীয় কাজে নষ্ট করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) দোয়া করেছেন, "হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য দিনের প্রথম ভাগে বরকত দান করুন।" (আবু দাউদ: ২৬০৬)
তাহলে ফজরের পরের সময়কে ঘুমের মধ্যে না কাটিয়ে, ইবাদত, জ্ঞানার্জন ও জীবিকার কাজে ব্যয় করা বরকত অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, বরকত কখনো অর্থ দিয়ে কেনা যায় না; এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ। তাই জীবনের বরকত ধরে রাখতে হলে মিথ্যা ও প্রতারণা বর্জন করতে হবে, আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখতে হবে, সুদ ও হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকতে হবে, দিনের প্রথম ভাগকে মূল্য দিতে হবে এবং অলসতাকে পরিহার করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ