প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশে গিয়ে ফিরতে ব্যর্থ হয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২৩ জন শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করার পাশাপাশি, তারা ছুটির সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতার অর্থও ফেরত দেননি। এই শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট পাওনার পরিমাণ ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। তথ্য অধিকার আইনে যবিপ্রবির শিক্ষকদের শিক্ষা ছুটিসংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করে।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষক মাস্টার্স, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছেন। তবে, ২৩ জন শিক্ষকের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও তারা এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি। এই শিক্ষকদের মধ্যে সিএসই ও এমবি বিভাগের চারজন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, ফার্মেসি ও ইএসটি বিভাগের দুজন এবং আইপিই, সিএইচই, পিএমই, ইইই, বিএমই, জিইবিটি, এআইএস ও এনএফটি বিভাগের ১ জন করে শিক্ষক রয়েছেন।
এ বিষয়ে যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দিন মন্তব্য করেন, যারা শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যোগদান করেননি, তাদেরকে কয়েক দফায় চিঠি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। যদি তারা সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তীতে রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান জানান, শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষা ছুটি শেষে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করায় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগগুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হচ্ছে। তাই যারা দীর্ঘ সময় ধরে যোগদান করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন