রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৪ পি.এম
ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ খনন করে নৌপথের জন্য প্রয়োজনীয় গভীরতা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের চিলমারী, রৌমারী ও খেরুয়ার চরসংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে এখন ফেরি চলাচলের জন্য কোনো বাধা নেই। কিন্তু, ফেরি নেই। ফলে প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ চিলমারী-রৌমারী নৌপথ বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে ফেরিশূন্য হয়ে পড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন একাধিক উপজেলার ১০ হাজার মানুষ।
নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে কোটি টাকা ব্যয়ে খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। গত আগস্ট মাসে নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর একে একে তিনটি ফেরি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ, ২ সেপ্টেম্বর মেরামতের জন্য একমাত্র সচল ফেরি ‘কদম’ নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়, ফলে চিলমারী-রৌমারী নৌপথ এখন পুরোপুরি ফেরিশূন্য হয়ে গেছে।
এতে সরকারের বিপুল বিনিয়োগের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দুই পাড়ের মানুষ, চালক এবং ব্যবসায়ীরা। বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, জুলাই মাসের শেষ দিকে চিলমারী, রৌমারী ও খেরুয়ার চরসংলগ্ন এলাকায় চারটি কাটার সাকশন ড্রেজার দিয়ে নিবিড় খনন কাজ শুরু হয়। খননের পর নৌপথে ফেরি চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় গভীরতা নিশ্চিত হয়েছে। বর্তমানে চ্যানেল সচল রাখতে সংরক্ষণমূলক ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে ফেরি না থাকায় পণ্যবাহী যানবাহনের চালক ও ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে।
বাধ্য হয়ে দীর্ঘ বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে, ফলে সময় এবং জ্বালানির খরচ বাড়ছে। পচনশীল পণ্য পরিবহনে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নৌপথ খনন করে প্রস্তুত রাখার পরও ফেরি না চললে এই বিনিয়োগের সুফল কিভাবে পাওয়া যাবে?
বিআইডব্লিউটিএর পুরকৌশল শাখা ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনকে (বিআইডব্লিউটিসি) দ্রুত ফেরি চালুর তাগিদ দিয়ে একটি চিঠি প্রেরণ করেছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়মিত ফেরি না চললে নৌপথে আবার পলি জমে নাব্যতা সংকট তৈরি হতে পারে।
২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর চালু হওয়া এই রুটে ‘কুঞ্জলতা’, ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ এবং ‘কদম’ নামে তিনটি ফেরি চলাচল করত। কিন্তু, চালুর তিন বছরের মধ্যেই বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। পরিবহন সংশ্লিষ্ট এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা দ্রুত ফেরি চালুর এবং দুই সংস্থার সমন্বয়ে নিয়মিত ড্রেজিং অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল করিম মন্তব্য করেন, "এইভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে ফেরি আর চালু হবে না, আমাদের দুর্ভোগও শেষ হবে না।"
ট্রাকচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, "ফেরি বন্ধ হওয়ার পরে আমাদের খুব সমস্যা হচ্ছে। রংপুর থেকে এসে মাল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় মালবাহী নৌকার জন্য। এতে হয়রানি হচ্ছে এবং পোষাচ্ছে না।"
কুলি মজনু মিয়া জানান, "ড্রেজিং করে জনগণের টাকা তো খায়ই খায়ই। কর্মকর্তারা টেবিলে শুয়ে খায়। এখানে শুনছিলাম ৬০০ কোটি টাকা বাজেট বলে আসছিল। সব টাকা ব্যাটা তারা একাই খেয়ে লাইছে।"
বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক মাহমুদুল আলম তায়েফ বলেন, "ঘাট ম্যানেজমেন্টসহ বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম বিআইডব্লিউটিএ করে। কিন্তু, নৌপথের নাব্যতা সংকট দূরীকরণের জন্য বিআইডব্লিউটিএ ইতোমধ্যে যথেষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বৃদ্ধির জন্য নতুন প্রণোদনার ঘোষণা করেছে।
ঘোষণার আওতায়, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের জন্য সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।
এতে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান (লেনদেন সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠান) ০.১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২ টাকা পাবে এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান (গ্রাহকের হিসাব বা কার্ড প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান) ০.২০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৪ টাকা পাবে। উল্লেখ্য, এই অর্থ সরাসরি গ্রাহক বা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাবে না।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনার ভিত্তিতে, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে প্রণোদনা প্রদান করা হবে। ২ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ৪ টাকা পাবে। একইভাবে, ১ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ২ টাকা পাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রণোদনার আওতায় থাকবে ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্ট। এছাড়া, ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন হওয়া বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনও এই সুবিধার আওতায় আসবে।
এর আগে, গত ১০ আগস্ট জারি করা পিএসডি-২ সার্কুলার লেটারের অনুচ্ছেদ ২-এ বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান ছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ওই অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার আওতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ফলে, এখন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টেও বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে অবস্থিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মূল পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ার, ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন এবং মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্না অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, স্টুডিওর জমির মালিক নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এলাকার অন্যান্য জমি মালিকদের মধ্যে বিরোধের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সালমান মুক্তাদির স্টুডিও নির্মাণ করেছিলেন। হামলার সময় স্টুডিওটি ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করা হয়।
এর আগে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে দুই ট্রাকে লোকজন এসে হামলা চালিয়ে স্টুডিওটি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করেছেন সালমান মুক্তাদির। রাত পৌনে ২টায় ব্রাউনফিশ স্টুডিওর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সালমান বলেন, "একটু আগে এখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।"
সালমান পরে অভিযোগ করেন যে, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সম্ভবত ভবনের মালিক ছিলেন এবং তার কাছে হয়তো চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, নিউ গিনি প্রপার্টিজ ওই জমিতে একটি গেট তৈরি করে অন্যদের যাতায়াত আটকে দিয়েছিল। চলাচলে সমস্যা হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে গিয়েছিল। তিনি জানান, "আমরা ইতোমধ্যে মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখতে ‘কোডিং পদ্ধতি’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই পদ্ধতির আওতায় উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বরের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। এর ফলে পরীক্ষকের কাছে শিক্ষার্থীর পরিচয় প্রকাশিত হবে না।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি অনুসরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত পরিচিতি থাকলে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃতভাবে তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কোডিং পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকায় এ ধরনের সম্ভাবনা এড়ানো সম্ভব হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, "শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম লক্ষ্য। একজন শিক্ষার্থীর পরিচয়ের চেয়ে তার উত্তরপত্রে প্রদর্শিত মেধা ও জ্ঞানই যেন মূল্যায়নের ভিত্তি হয়, সেটি নিশ্চিত করতে কোডিং পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
তিনি আরও জানান, কোডিং পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষক কোনো শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বর না জেনেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আরও আস্থা অর্জন করবে। আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো থেকেই ধাপে ধাপে এ পদ্ধতি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও মূল্যায়নের মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থাকে বিতর্ক ও সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে এবং কোনো শিক্ষার্থী যেন মূল্যায়নে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে মনে না করেন, সে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীবান্ধব, আধুনিক ও জবাবদিহিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করছে। কোডিং পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে সেই কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কানাডার কুইবেক প্রদেশে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ আগুনের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কানাডিয়ান পুলিশ এবং বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কুইবেকের সেন্ট-ব্রিজিড-ডি-ইবারভিল এলাকার ১০ নম্বর মহাসড়কের পাশে ‘র্যাং ডেস ইকোসের’ নিকটে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়ে সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায়। জরুরি সেবাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হেলিকপ্টারে থাকা চারজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
নিহতদের নাম ও পরিচয় স্থানীয় প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ ও পরিস্থিতি উদঘাটনের জন্য কুইবেক পুলিশের ‘মেজর ক্রাইমস ইউনিট’ (গুরুতর অপরাধ তদন্ত বিভাগ) তদন্ত শুরু করেছে। এ ছাড়া কানাডার ‘ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড’ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ তদন্ত দল পাঠাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ