বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:১৪ এম
ফাইন্যান্স এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের বেস্ট ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, বেস্ট ইকুইটি ক্যাপিটাল মার্কেটস (ইসিএম) হাউস এবং বেস্ট ডেট ক্যাপিটাল মার্কেটস (ডিসিএম) হাউস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র একটি সহযোগী (সাবসিডিয়ারি) প্রতিষ্ঠান।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংয়ের মূল তিনটি ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। ইকুইটি ও ডেট ক্যাপিটাল মার্কেটস, স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স, সিন্ডিকেশন, অ্যাডভাইজরি, আন্ডাররাইটিং এবং ট্রাস্টি সেবায় প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, তারল্য সংকট, উচ্চ সুদের হার এবং পাবলিক ইকুইটি ইস্যুর সীমিত সুযোগের কারণে গত অর্থবছর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য ছিল চ্যালেঞ্জিং। এ পরিস্থিতিতেও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস দেশের একমাত্র পাবলিক ইকুইটি ইস্যুর নেতৃত্ব দেয়। পাশাপাশি স্ট্রাকচার্ড ডেট সলিউশন সম্প্রসারণ, রেগুলেটরি ক্যাপিটাল গঠনে সহায়তা এবং শীর্ষস্থানীয় করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য গ্রিন, শরিয়াহসম্মত, সিন্ডিকেটেড ও অ্যাডভাইজরি সেবা প্রদান করে।
হংকংয়ে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এম জামাল উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ছোট বাজার হলেও এটি এশিয়ার অন্যতম স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির গল্প। এই প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপে আরও গভীর ইকুইটি মার্কেট, শক্তিশালী ডেট ক্যাপিটাল মার্কেট, টেকসই অর্থায়ন এবং বেশি প্রাতিষ্ঠানিক মূলধন প্রয়োজন। ফাইন্যান্স এশিয়ার এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি আমরা আমাদের সম্মানিত গ্রাহক, বিনিয়োগকারী, শেয়ারহোল্ডার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর প্রতি উৎসর্গ করছি।’
আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ফাইন্যান্স এশিয়ার কাছ থেকে এই তিনটি স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই অর্জন আমাদের সমন্বিত ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম, গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং গুণগত মান, উদ্ভাবন ও উৎকর্ষপূর্ণ বাস্তবায়নের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বর্তমানে দৃষ্টিনন্দন সবুজের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। মাচার পর মাচায় ঝুলছে থোকা থোকা আগাম জাতের পুইশাকের বীজ, যাকে স্থানীয়ভাবে 'পুইফল' নামে পরিচিতি দেওয়া হয়েছে। কম উৎপাদন খরচ, ভালো ফলন এবং বাজারে উচ্চমূল্যের কারণে কৃষকদের কাছে এটি নতুন সম্ভাবনার ফসলে পরিণত হয়েছে। দিন দিন এর বাণিজ্যিক চাষ বাড়ছে লাভজনক হওয়ার কারণে।
সাগান্না ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামের মাঠে দেখা গেছে ভারতীয় হাইব্রিড আগাম জাতের পুইফল বাণিজ্যিকভাবে চাষিত হচ্ছে, যা স্থানীয়ভাবে পুইশাকের মেচড়ি নামেও পরিচিত। লাভজনক হওয়ায় এ ফসলের আবাদ দিন দিন বাড়ছে। কৃষকরা মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে ফলন পাচ্ছেন, ফলে স্বল্প সময়ে ভালো আয় করতে সক্ষম হচ্ছেন। শুধু সাগান্না নয়, বৈডাঙ্গা, ভাতুড়িয়া, বকশিপুর, কুল্লাগাছা, চারাতলা, গাগেন্না, রাজনগর, দায়পাড়া ও শালিয়াসহ অন্তত ২০টি গ্রামের মাঠে বর্তমান সময়ে পুইফলের সবুজ রাজ্য দেখা যাচ্ছে।
এবং এসব এলাকার কৃষকরা, যেমন হাসমত আলী, চাঁদ আলী বিশ্বাস, শহিদুল ইসলাম, সাগর মিয়া ও মোছা. জেসমিন খাতুন, জানান যে, গত কয়েক বছরে বাজারে পুইফলের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি অনেক কৃষক এখন এ লাভজনক চাষে ঝুঁকছেন। লাভজনক হওয়ায় শুধু পুরুষরা নয়, অনেক নারী উদ্যোক্তাও পুইফল চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সদর উপজেলায় প্রায় ৯০ হেক্টর জমিতে পুইফলের আবাদ হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে মাচা তৈরি, বীজ সংগ্রহ এবং পরিচর্যা করতে কৃষকদের প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। তবে সেই খরচের তুলনায় অনেক বেশি আয় হচ্ছে বলে জানান কৃষকেরা। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পুইফল প্রায় ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর কারণে উৎপাদন খরচের বিপরীতে লাভও অনেক বেশি। আগামী বছর আরও বেশি জমিতে পুইফল চাষের পরিকল্পনা করছেন অনেকেই।
কৃষকদের আশাবাদ, যদি বাজারমূল্য এভাবে স্থিতিশীল থাকে, তাহলে আগামীতে আরও বেশি কৃষক এ চাষের সঙ্গে যুক্ত হবেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর এ নবী বলেন, 'পুইশাকের পাতা ও ডগা নিয়মিত কেটে ফেললে গাছে ফল বেশি ধরে।' তিনি আরও জানান, ভালো ফলন হলে প্রতিবিঘা জমি থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। কৃষি বিভাগ নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে এবং এটি লাভজনক ফসল হওয়ায় প্রতিনিয়ত নতুন কৃষক এ চাষে যুক্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি পুইফলের ক্ষেতে নারী শ্রমিকদের অংশগ্রহণও বেড়ে গেছে। যার ফলে কৃষিকাজের মাধ্যমে নারীরাও বাড়তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বাজারগোনা এলাকায় রিপন কাজী (৩৫) নামের একজন যুবককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বজনেরা দাবি করেছেন, জমি এবং পারিবারিক বিরোধের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনার সাথে নিহতের বাবা মিজানুর কাজীসহ পাঁচজন জড়িত আছেন। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ১১টার সময় সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারের উত্তর পাশে বাজারগোনা এলাকায় এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। নিহত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নে। নিহত ব্যক্তির বোন রাহিমা বেগম অভিযোগ করেছেন যে, পারিবারিক বিরোধের কারণে তাঁর বাবা ও চাচাতো ভাইয়েরা রিপন কাজীর উপর হামলা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান রাহিমা।
নিহত ব্যক্তির ভাই রাব্বি কাজী জানিয়েছেন, পারিবারিক জমি বিক্রির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর বাবারও সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী জানান, মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের পথ রোধ করেন। প্রাণ বাঁচানোর জন্য তিনি পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে পালাতে সক্ষম হন, তবে রিপন কাজী হামলার শিকার হন। স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের সময় রিফাত কাজী, রাসেল কাজী, মনির কাজী, সোহাগ কাজী ও মিজানুর কাজী সরাসরি জড়িত ছিলেন। পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, হাসপাতালে আনার আগেই রিপন কাজীর মৃত্যু হয়েছে।
তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এদিকে, পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, মরদেহ পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলায়। ঘটনাটি সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারের সংলগ্ন বাজারগোনা এলাকায় ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মানিকগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদ এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাডভোকেট জাহিদুর রহমান তালুকদার। তিনি এনসিপির মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন।
বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি এ ঘোষণা দেন।
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জাহিদুর রহমান তালুকদার বলেন, এনসিপির কর্মপরিবেশ (ওয়ার্ক এনভায়রনমেন্ট)-এর সঙ্গে আমি হয়তো নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারিনি, অথবা এনসিপিও আমার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, আমি একজন রাজনৈতিকভাবে সচেতন মানুষ এবং রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এই মুহূর্তে আমি কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিচ্ছি না।
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা থেকে প্রশাসনিক, শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, ভবিষ্যতে যদি কোনো দলকে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত মনে হয়, তাহলে সে দলে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৩ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মানিকগঞ্জ জেলায় ২৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করে। ওই কমিটিতে অ্যাডভোকেট জাহিদুর রহমান তালুকদারকে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর সেই কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সর্বশেষ তিনি দল ও সাংগঠনিক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় বালুবাহী একটি ট্রলির ধাক্কায় লিয়া আক্তার (১৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
লিয়ার মৃত্যুতে তার সহপাঠীরা তার মরদেহ কাঁধে নিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। বুধবার (১ জুলাই) সকাল বেলা ঘটনাটি ঘটে চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ আঞ্চলিক সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির দরজায়। নিহত লিয়া, হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. রফিকুল ইসলামের মেয়ে, চেয়ারম্যান বাজার ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানিয়েছে, নিয়মিতভাবে বুধবার সকালে লিয়া মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় যখন সে চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ আঞ্চলিক সড়কের জলিল মাঝির বাড়ির দরজায় পৌঁছায়, তখন পেছন দিক থেকে আসা একটি বালুভর্তি ট্রলি তাকে আঘাত করে, যার ফলে সে সড়কে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
দুর্ঘটনার পর ট্রলিচালক ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে, মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জমায়েত হন। পরে সহপাঠীরা লিয়ার মরদেহ কাঁধে নিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ, চালকের বিচারের দাবি এবং নিরাপদ সড়কের স্লোগান দিতে থাকেন।
এই অবস্থায় সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পরে খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে সড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেয়। শশীভূষণ থানার ওসি মো. ফিরোজ হাসান জানিয়েছেন, ‘ছাত্রী নিহতের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ