প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের বাজারগোনা এলাকায় রিপন কাজী (৩৫) নামের একজন যুবককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বজনেরা দাবি করেছেন, জমি এবং পারিবারিক বিরোধের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনার সাথে নিহতের বাবা মিজানুর কাজীসহ পাঁচজন জড়িত আছেন। গতকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ১১টার সময় সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারের উত্তর পাশে বাজারগোনা এলাকায় এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। নিহত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নে। নিহত ব্যক্তির বোন রাহিমা বেগম অভিযোগ করেছেন যে, পারিবারিক বিরোধের কারণে তাঁর বাবা ও চাচাতো ভাইয়েরা রিপন কাজীর উপর হামলা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় রিপনকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান রাহিমা।
নিহত ব্যক্তির ভাই রাব্বি কাজী জানিয়েছেন, পারিবারিক জমি বিক্রির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁর বাবারও সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী জানান, মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাদের পথ রোধ করেন। প্রাণ বাঁচানোর জন্য তিনি পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে পালাতে সক্ষম হন, তবে রিপন কাজী হামলার শিকার হন। স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের সময় রিফাত কাজী, রাসেল কাজী, মনির কাজী, সোহাগ কাজী ও মিজানুর কাজী সরাসরি জড়িত ছিলেন। পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেছেন, হাসপাতালে আনার আগেই রিপন কাজীর মৃত্যু হয়েছে।
তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এদিকে, পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, মরদেহ পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলায়। ঘটনাটি সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারের সংলগ্ন বাজারগোনা এলাকায় ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন