শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪২ পি.এম
গণঅধিকার পরিষদ, দিনাজপুর জেলা কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যে একটি মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ই সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা উপজেলার নেতৃত্ববৃন্দ কমিটি গঠন এবং আগামী দিনের রাজনীতি এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের মতামত প্রকাশ করেন।
মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। তিনি বলেন, "গণঅধিকার পরিষদ ২০২২ সাল থেকে বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলন করেছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি বলেছিলো তারা ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সরকার গঠন করবে। মিত্রদের দাবি হলো, বিএনপি তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত তাদের মূল্যায়ন করবে। আবু হানিফ বলেন, "বিএনপি যখন ফ্যাসিবাদের আমলে হামলা মামলায় বিপর্যস্ত ছিলো, তখন এই মিত্ররা তাদের পাশে ছিলো। এখন যদি মিত্রদের মূল্যায়ন না করা হয়, তাহলে সংকটে পড়লে বিএনপি কাউকে পাশে পাবে না।"
আবু হানিফ আরও বলেন, "দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ মিছিল করছে।" তিনি বলেন, "তারা এই সাহস পেত না, প্রশাসনে থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের গুপ্তদের চিহ্নিত করতে হবে।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "এটা না হলে সরকার যেকোন সময় বিপদে পড়তে পারে।" সম্প্রতি গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের মিছিলের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "সেখানে দেখা গেছে গুলশান জোনের ডিসির সাথে আগেই নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ যোগাযোগ করেছে, এবং প্রশাসনের সিগন্যালে তারা গুলশানে মিছিল করার সাহস পেয়েছে।" তিনি জানান, "এটি শুধু গুলশানে নয়, সারাদেশের অবস্থা একই। টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগকে মিছিল করার সুযোগ করে দিচ্ছে প্রশাসন।" তাই এই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সবাই যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো, নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক প্রধান সাকিব হোসাইন বলেন, "জুলাইয়ের পর সুবিধাবাদের রাজনীতি শুরু করেছে এনসিপি, অনেকেই সেখানে যুক্ত হয়েছে শুধু ধান্দা করার জন্য।" তিনি বলেন, "এনসিপি এখন হাদীর নামে ব্যবসা শুরু করেছে, অথচ এই হাদীই বলেছিলো এনসিপি জুলাইয়ের ঐক্য নষ্ট করেছে।" সাকিব হোসাইন বলেন, "সুতরাং এদের এই ধান্দাবাজির ব্যবসা বেশি দিন চলবে না।"
সভায় গণঅধিকার পরিষদ, দিনাজপুর জেলার সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম আজমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদ রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ মোন্নাফ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, পেশাজীবি অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ তোফায়েল আহমেদ দিহান, দিনাজপুর জেলার সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি হারুনর রশীদ হিমেল, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মোসাদ্দেক, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি ইয়াকুব, জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ-চায়না রিনিউয়েবল এনার্জি কোম্পানি লিমিটেড (বিসিআরইসিএল) একটি এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যান্ট ম্যানেজার) পদে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। এই পদে নিয়োগ চুক্তিভিত্তিকভাবে হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১ অক্টোবর ২০২৬।
চাকরির বিবরণ
পদের নাম: এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যান্ট ম্যানেজার)
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
আবেদনকারীকে অবশ্যই স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ বা প্রতিষ্ঠান থেকে ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়। গ্রেডিং পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ৫–এর মধ্যে ন্যূনতম জিপিএ–৩ এবং ৪-এর মধ্যে ন্যূনতম সিজিপিএ–২.৫ থাকতে হবে।
প্রার্থীর জন্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে অন্তত ৪ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া, বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন বা বিদ্যুৎ খাতের প্রতিষ্ঠানে সহকারী প্রকৌশলী বা তার উপরের পদে অন্তত ৮ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
বেতন
৯৭ হাজার ৩৭০ টাকা।
বয়স
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সর্বোচ্চ বয়স হতে হবে ৪২ বছর।
আবেদনের নিয়ম
আবেদনকারীর কভার লেটার, বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার সনদের সত্যায়িত কপি, সব শিক্ষাগত ট্রান্সক্রিপ্ট বা মার্কশিট, জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয়তা সনদের কপি এবং গত ছয় মাসের মধ্যে তোলা তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।
আবেদনের ঠিকানা: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ-চায়না রিনিউয়েবল এনার্জি কোম্পানি লিমিটেড, ইউনিক ট্রেড সেন্টার (লেভেল-১৩), ৮ পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
আবেদন ফি
২০০ টাকা।
আবেদনের শেষ তারিখ
১ অক্টোবর ২০২৬।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ ফুটবলের আংশিক মালিকানা বিক্রির প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নতুন চাপের সম্মুখীন হয়েছেন। উয়েফা ও কনকাকাফ ফিফার কাছে ২১১ কোটি ডলার দেওয়ার দাবি জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকা।
বিবিসি স্পোর্টসের কাছে আসা উয়েফা ও কনকাকাফের যৌথ চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৭-২০৩০ চক্রে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার করে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে) ১ কোটি ডলার পেতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।
এই অর্থ ফুটবলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা হবে। যৌথ চিঠিতে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফারিন এবং কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানির স্বাক্ষর রয়েছে।
চিঠিতে ফিফার বর্তমান আর্থিক অবস্থার একটি বিশ্লেষণও উপস্থাপন করা হয়েছে। উয়েফা ও কনকাকাফের দাবি, ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ফিফার তহবিলে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার জমা হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৩ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা।
তাদের মতে, ২০৩০ সালের পুরুষদের বিশ্বকাপ পর্যন্ত হিসাব করলেও সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া ফিফার পক্ষে সম্ভব।
এর আগে ইনফান্তিনো ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফার মাধ্যমে বিশ্বকাপের ২০ শতাংশ মালিকানা বিক্রির প্রস্তাব দেন। এই প্রস্তাবটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে ফিফা শেষ পর্যন্ত তা থেকে সরে আসে। পরবর্তীতে ইনফান্তিনো ক্ষমাও চেয়েছিলেন।
তবে বিতর্ক থামেনি। ফিফার কয়েকটি সদস্য সংস্থা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করেছে এবং কেউ কেউ তাঁর পদত্যাগের দাবিও করেছেন। উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসির পক্ষ থেকেও যৌথভাবে বলা হয়েছে যে, ফুটবল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।
আগামী মার্চে ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতি পদে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে লড়বেন। ২০১৬ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ফিফার নেতৃত্বে রয়েছেন। নির্বাচন সামনে রেখে ২১১ সদস্য সংস্থার জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের এই দাবি তাঁর ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদসহ আটটি অঞ্চলে সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতির কারণে সতর্কতা জারি করেছিল দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে এসব অঞ্চলকে বিপদমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ একটি পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, জেদ্দা, ইয়ানবু, তাইফ, আল-উলা, খামিস মুশায়ত, ফারাসান, রিয়াদ ও আল-খারজে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সতর্কতার সময়, এসব এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তার স্বার্থে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়। জনসমাগম এড়াতে এবং কোনো ধরনের ছবি বা ভিডিও ধারণ না করার নির্দেশও দেওয়া হয়।
তবে, কী ধরনের সম্ভাব্য হুমকির কারণে এসব সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রদান করেনি।
পরবর্তী সময়ে, একটি পৃথক ঘোষণায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিপদ কেটে যাওয়ার কথা জানায় বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ। শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে রিয়াদ ও আল-খারজকে বিপদমুক্ত ঘোষণা করার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে জেদ্দা, তাইফ, ইয়ানবু, আল-উলা ও খামিস মুশায়তেও সতর্কতা প্রত্যাহার করে বিপদমুক্ত ঘোষণা করা হয়। এসব ঘোষণায়ও সতর্কতা জারির কারণ বা সম্ভাব্য হুমকির ধরন স্পষ্ট করা হয়নি।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের জরুরি সতর্কতা একাধিকবার জারি হয়েছে। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর তাইফে একটি ড্রোন প্রতিহত করার পর সেটির ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজন নিহত ও দুজন আহত হন বলে জানিয়েছিল সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য দুই বছরের রিসার্চ পিএইচডি ফেলোশিপের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এই ফেলোশিপের মাধ্যমে টিউশন ফি, স্টাইপেন্ড, জীবনযাপন এবং গবেষণাসহ বিভিন্ন খরচের সহায়তা পাবেন।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত যেকোনো বর্ষের শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
গবেষণা প্রস্তাবের মান, সম্ভাব্য প্রভাব ও সুপারিশপত্র আবেদন মূল্যায়নে গুরুত্ব পাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুটি সুপারিশপত্র জমা না দিলে আবেদন মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে না।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন -
> দুই বছরের পূর্ণ টিউশন ফি ও অন্যান্য অ্যাকাডেমিক ফি।
> বছরে ৪২ হাজার মার্কিন ডলার স্টাইপেন্ড।
> জীবনযাপন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের খরচ।
> মেটার বার্ষিক ফেলোশিপ সামিটে অংশ নেওয়ার সুযোগ।
> মেটার গবেষকদের সঙ্গে কাজ ও যোগাযোগের সুযোগ।
মেটা জানায়, ফেলোশিপের আওতায় দুই বছরের জন্য টিউশন, স্টাইপেন্ড ও গবেষণাসংক্রান্ত সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের যোগ্যতা
> স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত হতে হবে।
> যেকোনো জাতীয়তার শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন।
> এক বা একাধিক চলমান গবেষণা প্রকল্পে যুক্ত থাকতে হবে।
> ফেসবুক থেকে ইতোমধ্যে অন্য কোনো অনুদান পেলে এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করা যাবে না।
সময়সূচি
আবেদন শুরু: ৩ আগস্ট ২০২৬
আবেদন শেষ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুপারিশপত্র জমার শেষ সময়: ৬ অক্টোবর ২০২৬
আবেদন মূল্যায়ন শুরু: ১১ অক্টোবর ২০২৬
ফল প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৭
বিজয়ীদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: ৩১ জানুয়ারি ২০২৭- এর মধ্যে
যেভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় নিজেদের গবেষণার সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেত্র নির্বাচন করতে হবে। পাশাপাশি দুটি সুপারিশপত্র জমা দিতে হবে, যার একটি গবেষণা-তত্ত্বাবধায়কের কাছ থেকে হতে হবে।
আবেদন করতে এবং নির্দেশাবশি জানতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ