মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২২ পি.এম
রাতের মধ্যে দেশের ১৩ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, একইসঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য পূর্বাভাসে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সমুদ্রবন্দরের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। সংস্থাটি আরও জানায়, নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের মুসলিম অধ্যুষিত (মালয় ভাষী) দক্ষিণাঞ্চলে আলাদা স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন)’।
দলটির প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকামাতুল্লাহ সেরি সম্প্রতি এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, "যতদিন আমাদের লক্ষ্য অর্জিত না হচ্ছে, আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। সময় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই চলবে।"
১৯৬০ সাল থেকে থাইল্যান্ডের মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে ইসলামিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য লড়াই করে আসছে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনালের যোদ্ধারা। ২০০৪ সালে নতুন করে লড়াই শুরু হলেও মাঝে এটি থেমে গিয়েছিল।
মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় থাইল্যান্ড ২০১৩ সাল থেকে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনালের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা থমকে গেছে, বিশেষ করে গত জুলাইয়ে ব্যাংকক সরকার এই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা বাতিল করে। ওই সময় মুসলিম অঞ্চলে পাঁচ থাই নাগরিক নিহত হন, যা দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।
নিকামাতুল্লাহ কুয়ালামপুরের একটি হোটেলে বসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমাদের লক্ষ্য একই রয়ে গেছে। সেটি হলো স্বাধীনতার দাবি।"
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে আগে মালয়-মুসলিম পাতানি সুলতানাতের শাসন ছিল। তবে ১৯০০ সালের শুরুর দিকে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাইল্যান্ড এ অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করে, তখন থাইল্যান্ডের নাম ছিল সিয়াম।
২০০৪ সাল থেকে এই স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে স্থানীয় যোদ্ধা, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক রয়েছে। সম্প্রতি সেখানে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তবে নিকামাতুল্লাহ এর পেছনে তার দলের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেননি আবার প্রত্যাখ্যানও করেননি।
নিকামাতুল্লাহ বলেন, তারা দক্ষিণাঞ্চলে আলাদা স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠা করে সেখানকার রাজনৈতিক ক্ষমতা চান। তিনি জানান, এরপর সেখানে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। ১০ বছর পর গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
নিকামাতুল্লাহ আরও বলেন, "আমরা রাজনৈতিক ক্ষমতা চাই। আমাদের দক্ষিণাঞ্চলে (মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী চারটি প্রদেশ) সরকার চালাতে দেওয়া উচিত। এটি শরিয়াহ পুলিশ ও আদালত দিয়ে চলবে। তবে শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পাশে সতীশ বাবু লেনে ঘটে যাওয়া ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল হোতা ও ৯ মামলার আসামি সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার উত্তর শিকলবাহা এলাকা থেকে সাদ্দামকে আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাদ্দামের বিরুদ্ধে পূর্বে ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এবং তার দলের সদস্যরা ছিনতাইয়ের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানার পাশের সতীশ বাবু লেনে একটি অটোরিকশায় থাকা যাত্রীকে ছিনতাইকারীরা গতিরোধ করে ছোরার ভয় দেখিয়ে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত ছিনতাইকারী মো. সাদ্দাম হোসেন এবং তার সহযোগীরা তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান এবং বার বার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে।
সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ জানিয়েছেন, ডিবির একটি টিম সোমবার রাতে কর্ণফুলী থানার উত্তর শিকলবাহা এলাকা থেকে ভাইরাল ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরিহিত মূল আসামি মো. সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, গ্রেপ্তার সাদ্দাম একজন পেশাদার ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য। এর আগে ২০২৫ সালে কোতোয়ালি থানার টেরিবাজার এলাকায় একই কায়দায় এক মহিলাকে ছুরিকাঘাত করে সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। জামিনে বের হয়ে পুনরায় ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, সাদ্দামের প্রকাশ্য কোনো জীবিকা নেই। সে এবং তার সহযোগী মাইন উদ্দিন বান্ডু ছিনতাই করে জীবিকা নির্বাহ করে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিনতাই, দস্যুতা, দ্রুত বিচারসহ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় ৯টি মামলা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশে ব্যাপক রদবদল করেছে সরকার। মোট ৩১ জন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পর্যায়ের সদস্য রয়েছে, নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে (টিডিএস) কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ এনামুল হককে সিলেট মহানগর থেকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষ ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। একই পদে থাকা পরিতোষ ঘোষকে পার্বত্য জেলা এপিবিএন কার্যালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, সুপার নিউমারারি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদেরও বদলির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হঠাৎ করে ইরানের আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্তযান দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে একটি উজ্জ্বল আলোকিত বস্তু তেহরানের আকাশে ভেসে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে এবং এটি ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে।
এই ভিডিওগুলি নিয়ে ইরানে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এটি কি ইউএফও, ড্রোন, বিমান, নাকি অন্য কিছু? তবে এখন পর্যন্ত এর সঠিক পরিচয় সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। ভিডিওতে ধারণ করা বস্তুটি আসলে কী, সে সম্পর্কে ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনও কিছু জানায়নি।
মজার বিষয় হলো, প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে তেহরানে একটি ইউএফও দর্শনের ঘটনা বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ দশক পর আবারও রাতের আকাশে রহস্যময় একটি বস্তু দেখা গেছে।
তেহরানের ১৯৭৬ সালের ইউএফও রহস্য
এই সময়টি এই রহস্যকে আরও গভীর করে তুলেছে। ১৯৭৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, তেহরানের আকাশে একটি আকাশযান সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে। সেটি পরবর্তীতে নথিভুক্তও করা হয়েছে। প্রায় পঞ্চাশ বছর পর এই নতুন ফুটেজ সামনে এসেছে।
ঘটনাটি শুরু হয়েছিল শেমিরান এলাকার বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য থেকে। তারা জানায়, আকাশে একটি অদ্ভুত উজ্জ্বল বস্তু দেখেছেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি গোপনীয়তামুক্ত প্রতিবেদনে ইম্পেরিয়াল ইরানিয়ান বিমানবাহিনী এবং দুটি এফ-৪ ফ্যান্টম যুদ্ধবিমানের প্রতিক্রিয়ার বিবরণ নথিভুক্ত করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম এফ-৪ বিমানটি বস্তুটির কাছাকাছি পৌঁছালে এর যন্ত্রপাতি এবং যোগাযোগব্যবস্থা বিকল হয়ে যায়। পাইলট বিমানটি ঘুরিয়ে নেওয়ার পর সিস্টেমগুলো আবার কাজ করা শুরু করে। এরপর তদন্তের জন্য পাঠানো হয় দ্বিতীয় একটি এফ-৪ বিমান। রাডারে বস্তুটি শনাক্ত করে সেই বিমান।
দ্বিতীয় বিমানের ক্রুরা আরেকটি অস্বাভাবিক ঘটনার কথা জানান। তাদের মতে, মূল বস্তুটি থেকে একটি ছোট অংশ আলাদা হয়ে যায়। পাইলট সেটির মোকাবিলা করার চেষ্টা করলে ঠিক সেই মুহূর্তে বিমানের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং যোগাযোগব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে যায়।
১৯৭৬ সালের এই ঘটনা পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নথিতে লিপিবদ্ধ হয়। এটি সামরিক বিমান জড়িত ইউএফও সংক্রান্ত ইতিহাসের অন্যতম পরিচিত ঘটনা হিসেবে এখনো বিবেচিত হয়।
সামাজিক মাধ্যমে নানা মত
সামাজিক মাধ্যমের কিছু ব্যবহারকারীর দাবি, এই আলো একটি সামরিক ড্রোন অথবা একসঙ্গে উড়তে থাকা একাধিক ড্রোনের হতে পারে। আবার অনেকের ধারণা, এটি কোনো বিমান অথবা ইউএফও হতে পারে। তবে এসব দাবির কোনোটিই স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এই ফুটেজ নিয়ে নেটদুনিয়ায় নানা মজার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন, এটি আলাদিনের উড়ন্ত গালিচা, আবার কেউ বলছেন, এটি চীনের এলইডি বাতি।
একজন লিখেছেন, ‘এই ইউএফওর রংগুলো দেখে মনে হচ্ছে এটা নিশ্চয়ই কোনো নারী এলিয়েনের উড়ন্ত যান। দেখুন তো, কত সুন্দরভাবে রঙিন আলো দিয়ে নিজের নভোযানটি সাজিয়েছে সে।’
আরেকজন মজা করে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প এবং ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা করাতেই বুঝি এসেছে এলিয়েনরা।’
তৃতীয় একজনের প্রশ্ন ছিল আরও বাস্তবসম্মত, ‘এলিয়েনরা এত সস্তা আরজিবি লাইট কেন ব্যবহার করছে?’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ