ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এসএসসিতে শতভাগ ফেল, সমালোচনার মুখে ৩১২ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ


এসএসসিতে শতভাগ ফেল, সমালোচনার মুখে ৩১২ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ

এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ জনের কম রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশও নেই। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, এসব প্রতিষ্ঠান কিভাবে অনুমোদন পেয়েছে; এটি নিয়ে শিক্ষা গবেষকরা প্রশ্ন তুলছেন।

এদিকে, শতভাগ ফেল করা ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ করছে শিক্ষা বোর্ড।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার শহীদ স্মৃতি গার্লস হাইস্কুল থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মাত্র পাঁচজন পরীক্ষার্থী। তাদের সকলেই ফেল করেছে। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংখ্যা সাতজন। শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, নানা সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল খারাপ হয়েছে। একজন শিক্ষকের দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে গণিতের শিক্ষক বেতন না পাওয়ায় তিনি নিয়মিত ক্লাসে আসছেন না। এর ফলস্বরূপ, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

গাজীপুরের মেরুয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৮ জন। তাদের মধ্যে একজনও পাস করেনি। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক রয়েছেন ১৮ জন। শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের অনেক অভিভাবক পড়াশোনার বিষয়ে সচেতন নন। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই বিয়ে দিয়ে দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অনেক সময় ক্লাস চলাকালীন অভিভাবক এসে মেয়েদের নিয়ে যান, পরে জানা যায় তাদের বিয়ে হয়ে গেছে।

শতভাগ ফেল করা বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের চিত্রও প্রায় একই। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ জনের কম শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। শতাধিক প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র পাঁচ থেকে সাতজন এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭২ শতাংশই মাদ্রাসা।

এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা বোর্ড শোকজ করছে। ধাপে ধাপে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সদস্যরা। আন্তঃশিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, প্রতিষ্ঠানের অবহেলা বা তাদের নিজেদের সমস্যার কারণে যদি এমন ফলাফল হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

শিক্ষা গবেষকরা বলছেন, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা ও প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নূর-ই-আলম সিদ্দিকী জানান, পুরো উপজেলায় মাত্র একজন শিক্ষা কর্মকর্তা ও তার সঙ্গে এক বা দুইজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা থাকেন। তাদের পক্ষে পুরো জেলার সব প্রতিষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয় এবং তাদের আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই কারণে, দূর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

এবার এত শিক্ষার্থী কেন ফেল করল, সেই কারণও অনুসন্ধানের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বিগত সময়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর শিক্ষার মান দূরের কথা, উপযুক্ত শিক্ষার পরিবেশও নেই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শতভাগ ফেল করা এসব প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান কতদিন ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে ? ইরান বর্তমানে যুদ্ধে প্রবেশ করেছে তৃতীয় ছয় মাসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


ইরান কতদিন ধরে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে ?  ইরান বর্তমানে যুদ্ধে প্রবেশ করেছে তৃতীয় ছয় মাসে

ইরান বর্তমানে যুদ্ধে প্রবেশ করেছে তৃতীয় ছয় মাসে। যদিও অর্থনীতির ওপর চাপ পড়েছে তবে যুদ্ধ কতদিন চলবে এবং কবে শেষ হবে, তা ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। এ বিষয়ে দেশটির নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকেও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই। তাই তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক মূল্য বৃদ্ধি করতে চাচ্ছে যাতে ওয়াশিংটন কিছু দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।

তবে, যুদ্ধের প্রসঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- ইরান কতদিন এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে?

ইরানের সামরিক শক্তি কি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম?

ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সময় নিশানা করা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিরপেক্ষ তথ্য পাওয়া যায়নি। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘চ্যাথাম হাউজ’ জানিয়েছে, ইরানের কাছে বর্তমানে মৌলিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের কোনো নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই।

সময়ের সাথে সাথে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাত্রা বা ঢেউ ছোট হয়ে এসেছে। তবে যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা শুধুমাত্র ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যার উপর নির্ভর করে না। ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করা তুলনামূলকভাবে সহজ এবং দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব।

অন্যদিকে, এই যুদ্ধে নিহত কমান্ডারদের পদে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে এবং সামরিক কমান্ড কাঠামো এখনও অক্ষুণ্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এই প্রসঙ্গে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ গায়েদি বলেন, ইরান সম্ভবত দীর্ঘ সময় ধরে উৎক্ষেপণ কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা বজায় রাখতে পারবে, যদিও তার মাত্রা কমতে পারে। তারা হরমুজ প্রণালিতেও বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম।

অধ্যাপক গায়েদি আরও বলেন, তেলের দামের উপর যুদ্ধের প্রভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তেহরানে আশা সৃষ্টি হয়েছে যে, তারা ওয়াশিংটনকে নিজেদের কিছু শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করতে সক্ষম হবে।

তেহরানের লক্ষ্য হয়তো যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে পরাজিত করা নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী এবং অত্যন্ত ব্যয়সাধ্য একটি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া। যা চাপ তৈরি করে দেয়ার একটি পন্থা হতে পারে। কিন্তু বর্তমান সময়ে সামরিক সীমাবদ্ধতার কারণে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই।

কতদিন টিকবে ইরানের অর্থনীতি?

যুদ্ধ শুরুর আগেই ইরানের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, তাদের নিজস্ব মুদ্রা ‘রিয়াল’-এর মূল্য হ্রাস এবং ব্যাপক কাঠামোগত ভারসাম্যহীনতার মত একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল।

বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ২.৭ শতাংশ সংকুচিত হবে এবং এই অর্থবছরের শেষ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের প্রভাব দেখা গেছে।

এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুনভাবে বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সে দেশে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার ৬২ শতাংশে পৌঁছেছে।

ইরানের শ্রম উপমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মসংস্থানের দিক থেকে ১০ লাখেরও বেশি পদের উপর যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। শুধু তাই নয়, প্রত্যক্ষ যোগাযোগ বা পরোক্ষভাবে প্রায় ২০ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।

ইন্টারন্যাশনাল মনেটারি ফান্ড (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে ২০২৬ সালে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ৫.৪ শতাংশ সংকুচিত হবে এবং মূল্যস্ফীতি ৬৯ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাবে।

তেহরানে যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে মতভেদ

বর্তমানে, তেহরানের অভ্যন্তরে কোন পন্থা সবচেয়ে উপযোগী সে বিষয়ক মতভেদ রয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় দরকষাকষির দায়িত্বে থাকা দলের প্রধান মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ আগেই সতর্ক করেছেন যে, ইরান যেন কোনোভাবে ‘দীর্ঘস্থায়ী ও ক্ষয় সৃষ্টিকারী সংঘাতের’ ফাঁদে না পড়ে। তিনি এই আলাপ-আলোচনার বিরোধিতাকারীদেরও সমালোচনা করেন।

তবে এই মতপার্থক্য নির্দিষ্টভাবে ‘যুদ্ধের সমর্থক’ এবং ‘শান্তির সমর্থক’ দুই শিবিরে বিভক্ত করা যায় না। এদিকে, মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ জানিয়েছেন যে, তিনি এমন কোনো চুক্তি মেনে নেবেন না যা ইরানের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হবে।

ইরানের জনসাধারণ কী ভাবছেন?

যুদ্ধ চালানোর বিষয়ে ইরানের নাগরিকদের মতামত নিয়ে কোনো নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপ নেই। সামাজিক মিডিয়া সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম নয়।

তবে এক গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে ইরান-বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ‘জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্স’-এর ভিজিটিং ফেলো হামিদরেজা আজিজি জানিয়েছেন, এই ইসলামি প্রজাতন্ত্রর জন্য তাদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক ফ্রন্ট’ হয়ে উঠতে পারে।

যুদ্ধ থেকে বেরোনোর কৌশল

দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে ইরানের আঞ্চলিক পর্যায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তেহরান উপসাগরীয় আরব দেশগুলির সঙ্গে বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা চালিয়েছে। তবে ছিন্নমূল সামরিক ঘাঁটিগুলি এবং অবকাঠামো, নৌ-চলাচলের পথে অব্যাহত হামলা সেই প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।

ইরানের কাছে যুদ্ধের একটি গ্রহণযোগ্য সমাপ্তি ঘটাতে পারে এমন একটি চুক্তি কেমন হবে এবং কোন পথে পৌঁছানো যাবে, তা সাম্প্রতিক এই সময়ে স্পষ্ট নয়।

যদিও তেহরান প্রমাণ করেছে যে তারা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বড় পরিমাণ মাশুল দিতে বাধ্য করতে সক্ষম। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে তারা কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতপূর্ণ অবস্থায় টিকে থাকবে, সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো বিদ্যমান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় দিনেও টাইগারদের দাপট, হ/তাশ অজিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ পি.এম


দ্বিতীয় দিনেও টাইগারদের দাপট, হ/তাশ অজিরা

ডারউইনে প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ দল। টাইগার ব্যাটাররা স্টার্ক-কামিন্সের চোখে চোখ রেখে ব্যাট করেছেন। এর ফলে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ১৫৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে।

অজিদের ১৯৮ রানের বিপরীতে ব্যাট করতে নামার ফলে দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫১ রান হয়েছে। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩২ রানে ও ১৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন হাসান মাহমুদ।

এর পূর্বে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাংলাদেশ দলের ১ উইকেট নিয়ে ৯৬ রানে দিনের খেলা শুরু হয়েছিল। ৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শুরু করেন মুমিনুল হক ও তানজিদ।

সেই জুটি একশ ছোঁয়ার পথে ছিল। ইতোমধ্যে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেছে তানজিদ। ৩২ রানে দিনের খেলা শুরু করেছিলেন তিনি, অন্য প্রান্তে ৩৫ রানে দিন শুরু করেছিলেন মুমিনুল।

৩৬তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি উদযাপন করেন তানজিদ। তার ১০২ বলের ইনিংসে ৫টি চার ছিল। তামিমকেও সঙ্গ দিয়ে রান তুলতে থাকেন অধিনায়ক শান্ত।

দুজনের ব্যাটে ভর করে প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান সংগ্রহ করেছে। দ্বিতীয় সেশনে মাঠে নেমে রান তুলতে থাকেন তামিম এবং শান্ত। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করে ৭৪ বলে ফিফটি তুলে নেন শান্ত।

অন্যদিকে, তামিম ১৮৮ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান। কিন্তু এরপর ১ রান যোগ করেই স্টার্কের বলে ক্যাচ আউট হন এই টাইগার ওপেনার। এটি ছিল বাংলাদেশ দলের তৃতীয় উইকেট, যে উইকেট ২৩১ রানে হারায় তারা।

তামিমের বিদায়ের পর শান্তকে সঙ্গ দেন মুশফিকুর রহিম। দুজনের ব্যাটের মাধ্যমে বাংলাদেশের লিড একশো ছাড়িয়েছে। পরবর্তীতে শান্ত সাজঘরে ফেরেন। তিনি ১ ছক্কা ও ৪ বাউন্ডারিতে ১২৬ বলে ৮৪ রান করেন।

এ দিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি লিটনও। তিনি ১২ বল খেলেই রান শূন্য থাকেন। ৫৫ বলে ৩৬ রান করে মুশফিকুর রহিম তাকে সঙ্গ দেন।

২ রান নিয়ে ২ অভিজ্ঞ ব্যাটার হারালে সফরকারীরা চাপের মধ্যে পড়ে। কিন্তু হাসান মাহমুদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন মিরাজ। তিনি অজিদের চাপ সামাল দিয়ে ৩২ রানে অপরাজিত আছেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন মিচেল স্টার্ক ও জস হ্যাজলউড। এছাড়া প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তা ছাড়াই জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে ৭ শ্রমিকের মৃ/ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


নিরাপত্তা ছাড়াই জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে ৭ শ্রমিকের মৃ/ত্যু

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি শিপইয়ার্ডে পুরোনো এলএনজি ট্যাংকার কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে ৭ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ আরও ১৪ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দাবি করতে হয়েছে যে, মালিকপক্ষের গাফিলতি এবং সঠিক নিয়ম না মানার কারণে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, অন্যান্য দিনের মতোই ভাটিয়ারীর ফেরদৌস স্টিল জাহাজভাঙা কারখানায় কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। শুক্রবার সকালে তারা একটি পুরোনো এলএনজি ট্যাংকার কাটার কাজ শুরু করেন। এ সময় হঠাৎ করেই বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হতে শুরু করে, ফলে ইয়ার্ডের ভেতরেই অনেকে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। কারখানার ভেতর থেকে শ্রমিকদের চিৎকার শুনে অন্যান্য শ্রমিকরা তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে যান।

গ্যাসের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। বাকিদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক আরও চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সাত শ্রমিকের সবার বাড়িই ভাটিয়ারী এলাকায়। জানা যায়, গত বছর এই এলএনজি ট্যাংকারটি ফেরদৌস শিপ ইয়ার্ডে আনা হয়েছিল।

এদিকে, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে শ্রমিকদের মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন স্বজন ও সহকর্মীরা। উদ্ধারকারী এক শ্রমিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক যারা এর সাথে জড়িত। কাটিং করার সাথে সাথে বিষাক্ত গ্যাসগুলো লিক হওয়ার কারণে যে কাটিং করতে নামছে, উনি জায়গাতেই শেষ। ছয় জন লোক এভাবে পড়ে ছিল, আমরা নিজেদের হাতে করে তাদের টেনে বের করি।’

বিক্ষুব্ধ একটি স্বজন বলেন, ‘এরা কোনো সেফটি নেয় নাই। এই সেফটি না নেয়ার কারণেই এই অবস্থা হয়েছে। এত বড় ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো অ্যাম্বুলেন্স নেই কেন? আর দুর্ঘটনার পর মালিকপক্ষ দরজা পর্যন্ত খুলছিল না।’

ফায়ার সার্ভিস বলছে, সঠিক নিয়ম মেনে কাজ করলে এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেতো। ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘জাহাজের ভেতরে যে পুরাতন গাদ বা ময়লা থাকে, সেগুলো আধুনিক সিস্টেমে পরিষ্কার করে তারপর কাটিং করতে হয়। কিন্তু আমাদের ধারণা, এই জাহাজটি পরিষ্কার না করেই কাটা হচ্ছিল। কাটার সঠিক নিয়মকানুন ফলো করলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটত না।’

এ দুর্ঘটনার পর থেকে ইয়ার্ডের মালিকপক্ষের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন কাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন কাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : গণতন্ত্রের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল পালন করা হবে।

এ উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ঢাকাসহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়, মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। আগামীকাল ১৫ আগস্ট শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিএনপি'র সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মিলাদ ও দোয়া মাহফিলগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের আপসহীন নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গত বছর ৩০ ডিসেম্বর অগণিত ভক্ত রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান।

মঙ্গলবার ভোর ছয়টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) তাঁর বয়স ছিল ৮০ বছর।

সেদিন এভারকেয়ার হাসপাতালে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সে সময়ের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, "এই সংবাদটা নিয়ে সবার সামনে দাঁড়াতে হবে ভাবিনি। আমরা এবারও ভেবেছিলাম он আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবেন। আমরা ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলছি আজ ভোর ৬টায়, গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, জাতির অভিভাবক আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।"

মৃত্যুর সময় বেগম খালেদা জিয়ার শয্যাপাশে ছিলেন তাঁর জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বিএনপির তখনকার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় হাসপাতালে আরও উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি। স্বজনদের মধ্যে ছোট ভাই শামীম এসকান্দার ও তাঁর স্ত্রী, বড় বোন সেলিনা ইসলামসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও শেষ সময়ে হাসপাতালে ছিলেন। এছাড়াও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকেরাও উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাও ছিল তাঁর।

হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ার পর মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত বছর ২৩ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা তদারকি করে।

আগস্ট মাসের প্রথমদিকে চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার কারণে পরবর্তীতে তা আর সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধিতে স্মরণীয় হয়ে আছেন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে জীবনের পরম সত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

রাজনীতিকদের জীবনে উত্থান-পতন ঘটে। মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেফতার, কারাবাস, নির্যাতন, প্রতিপক্ষের আক্রমণ এসব তাঁর জীবন থেকে অবিচ্ছেদ্য। বেগম খালেদা জিয়াও এসব চরম পর্যায়ের নির্যাতন সহ্য করেছেন। সহ্য করেছেন স্বামী ও সন্তানের মৃত্যু, সর্বদা থাকা দীর্ঘ রোগযন্ত্রণা।

রাজনৈতিক জীবনে মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছাড়াও প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন তিনি। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন, যিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তাঁর জন্ম। তাঁর আদি বাড়ি ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।

১৯৬০ সালে জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন। জিয়াউর রহমান বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি হলে বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন। এ সময় তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ নানা দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন।

বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রেক্ষাপটে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো কোনো নির্বাচনে কোনো আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনে বিজয়ী হন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%