ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে ছয় দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ


বরিশালে ছয় দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে যে অভিযোগজনক মন্তব্য করা হয়েছে, তার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ছয় দফা দাবি নিয়ে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও সড়ক অবরোধ করেন বিভিন্ন কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভের সূচনা করেন। এরপর তারা সড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সড়কের উভয়পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এই অবস্থার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিলো। এ সময়, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে দ্রুত তাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আহবান জানাতে থাকেন।

আন্দোলনরত অমৃত লাল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আতিক জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা তাদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের উদ্বেগকে গুরুত্ব না দিয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কিছু বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও মিসম্যাচ করেছে। সেজন্য, তাদের দাবি বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন তারা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

আলেকান্দা কলেজের শিক্ষার্থী এহসানুল ইসলাম নাবিদ ও তৌফিকুল হক তামিম বলেন, অভিন্ন প্রশ্নপত্রে যখন পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, তখন একটি বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত হলেও অন্যান্য বোর্ডগুলোতে তা করা হয়নি, যা খুবই বৈষম্যমূলক। এজন্য তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কারের আবেদন জানান।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন। পরে প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আলোচনার পর দুপুর দুইটার দিকে বিক্ষোভ চলাকালীন কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।

এটি উল্লেখ্য, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিতে সারাদেশের মতো বরিশালেও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


আমতলীতে হামের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট

আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনের মধ্যে ৩০ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। মঙ্গলবারের পর ১৫ শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেও ১৫ শিশু এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট বিদ্যমান। সঙ্কটের কারণে শিশুদের স্বজনদের বাইরে থেকে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে শিশুর স্বজনদের দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহের দাবী উঠেছে।

জানা গেছে, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও আমতলী উপজেলায় পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। জুন মাস পর্যন্ত তেমন কোনো শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। তবে জুলাই মাসে দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। ১৩দিনে ৩০ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। কিন্তু এক্ষুণি ১৫ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং হামের কারণে হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সঙ্কট বিদ্যমান। বিষয়টি জানিয়েছেন শিশুর স্বজনরা রাবেয়া ও তাজিনুর। তাদের কথা থেকে জানা যাচ্ছে, হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ শিশুর প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সরবরাহ করতে পারছে না। ফলে স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইন কিনতে হচ্ছে এবং এতে তাদের আর্থিক কষ্ট হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা ইউনিট প্রস্তুত করেছে। কিন্তু ওই ইউনিটে বেডের অভাবে ফ্লোরে বিছানা পেতে শিশুরা ও তাদের স্বজনরা থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। মঙ্গলবার দুপুরে দেখা গেছে, হাসপাতালের আলাদা ফ্লোরে আক্রান্ত শিশু ও তাদের স্বজনরা বিছানা পেতে বসে ছিলেন। এই ইউনিটে বেড না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন তারা। শিশুর স্বজনরা রাবেয়া ও তাজিনুর বলেছেন, হাসপাতাল থেকে কিছু এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না। এগুলো তারা বাইরের দোকান থেকে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের দাবি, দ্রুত হাসপাতালকে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করতে হবে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেছেন, হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে সঙ্কটের কথা যেভাবে বলা হচ্ছে, এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের অভাব রয়েছে। তিনি আরও জানান, হতদরিদ্র শিশুদের জন্য এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেছেন, নতুন অর্থ বছরের কারণে এন্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সঙ্কট রয়েছে, তবে খুব শীঘ্রই এই সঙ্কট কেটে যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোরেলগঞ্জে ৯ ফুট দীর্ঘ অজগর উদ্ধার, দেখতে ভিড় জনতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


মোরেলগঞ্জে ৯ ফুট দীর্ঘ অজগর উদ্ধার, দেখতে ভিড় জনতার

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার কেসি চালিতাবুনিয়া গ্রামে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে, যা জেলের জালে আটকা পড়েছিল। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সময় চালিতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিবর রহমান হাওলাদার বুছনা তুলতে গিয়ে জালে আটকে থাকা অজগরটি দেখতে পান। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাসেল কবিরাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজগরটি নিরাপদে উদ্ধার করেন।

রাসেল কবিরাজ জানিয়েছেন, উদ্ধার করা অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ২০ কেজি। তিনি বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেছি। এটি আমাদের জাতীয় সম্পদ। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সাতটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের সচেতনতা ও দ্রত উদ্যোগের ফলে অজগরটি কোনো ধরনের ক্ষতির শিকার হয়নি।

আজগরটি মোরেলগঞ্জ উপজেলা সদরে নিয়ে আসার পর স্থানীয়রা সাপটি দেখার জন্য ভীড় জমান। এ সময় রাসেল কবিরাজ তার থলি থেকে সাপটি বের করে স্থানীয়দের দেখার ব্যবস্থা করেন।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাপটি রাসেল কবিরাজের জিম্মায় ছিল এবং পরবর্তীতে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে সাপটি মডেল মসজিদের সামনে থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের গুলিশাখালী টহল ফাঁড়ির ওসি আব্দুল হাকিম জানান, সংবাদ পেয়ে অজগরটি উদ্ধারের জন্য আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। বিকেলেই অজগরটি সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাত্র ১০০ মিটার ড্রেনের অভাবে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে অর্ধশতাধিক পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


মাত্র ১০০ মিটার ড্রেনের অভাবে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে অর্ধশতাধিক পরিবার

মাত্র ১০০ মিটার একটি ড্রেনের অভাবেই বছরের পর বছর ধরে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার কুলিয়া তালুকের মাঠ সংলগ্ন জামে মসজিদ এলাকার অর্ধশতাধিক পরিবার। বর্ষাকালে তাদের ঘরের আঙিনা, রান্নাঘর, গোয়ালঘর এমনকি অনেক ক্ষেত্রেই বসতঘরের মেঝেতে পানি জমে থাকে। জলাবদ্ধতার মধ্যে যেন তাদের জীবনযুদ্ধ শেষ হতে নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে এলাকার একটি সড়ক উঁচু করে পাকা নির্মাণের পর থেকে বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে পাশের খালে যাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো মহল্লা পানিবন্ধ হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগ চললেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

কুলিয়া তালুকের মাঠ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. আরজ আলী শিকদার (৬৫) জানান, “আমাদের এলাকায় বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে আসার মতো সচেতন কেউ নেই। একটি ছোট্ট ড্রেনের অভাবে আমরা বছরের পর বছর কষ্ট করছি। বর্ষাকালে প্রায় সকলের উঠানে পানি জমে থাকে। অনেকের রান্নাঘর ও গোয়ালঘরে পানি উঠে যায়, কোথাও কোথাও ঘরের মেঝেতে পানি ঢুকে পড়ে। ছোট-বড় সবাইকে নোংরা পানির মধ্য দিয়ে চলাফেরা করতে হয়। মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদেরও জলাবদ্ধতা পেরিয়ে যেতে হয়। শিশুদের স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার প্রতিটি পদক্ষেপই অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।”

একই মহল্লার প্রবীণ বাসিন্দা ও নিয়মিত মুসল্লি মোতালেব মোল্লা (৮৫) বলেন, “আমাদের কষ্টের শেষ নেই। সামান্য একটি ড্রেন নির্মাণ হলে পানি খালে নেমে যাবে, এবং আমরা এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাব।”

স্থানীয়দের মতে, মাত্র প্রায় ১০০ মিটার ড্রেন নির্মাণ করা হলে বৃষ্টির পানি সহজেই পাশের খালে প্রবাহিত হবে এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার অবসান ঘটবে। এতে অর্ধশতাধিক পরিবারের পাশাপাশি জামে মসজিদে আসা মুসল্লি, শিশু শিক্ষার্থী ও পথচারীদেরও স্বস্তি ফিরে পাবে।

বর্ষা আসলেই দেশের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নের গল্প শোনা যায়, কিন্তু কুলিয়া তালুকের মাঠ জামে মসজিদের মহল্লার মানুষ এখনো ১০০ মিটার একটি ড্রেনের অপেক্ষায় আছে। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নিলে বহুদিনের এই মানবিক সংকটের অবসান ঘটবে এবং এলাকাবাসী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড়দলে প্রতিবন্ধী পরিবারের বাড়ি ও ঘেরে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


বড়দলে প্রতিবন্ধী পরিবারের বাড়ি ও ঘেরে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ

আশাশুনি উপজেলার বড়দল বাজারে খাস জমিতে বসবাসকারী অসহায় গরীব পরিবারের সদস্য ও প্রতিবন্ধী সন্তানদের উপর হামলা হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে বসত বাড়ি ও ঘের, অলঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার সময় ছিল ১৩ জুলাই, দুপুর দেড়টা। এব্যাপারে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

বড়দল বাজারের সেলিম গাজীর স্ত্রী জরিনা খাতুন বাদী হয়ে থানায় দাখিলকৃত এজাহার সূত্র এবং বাদী জানান, মোহাম্মদ নগর (বড়দল) গ্রামের মাসুম শেখ, অজিয়ার রহমান সানা অনু, বড়দল বাজারের আব্দুর রহমান সানা ওরফে ছোট কখন আনুদের বাড়ী আমাদের একই গ্রামে। জরিনা খাতুন বলেন, "আমি অসহায় ভূমিহীন গরীব মহিলা। আমার স্বামী গরীব দিনমজুর। আমরা শারীরিক প্রতিবন্ধী কন্যা কারিমা খাতুন ও প্রতিবন্ধী পুত্র ইমরানকে নিয়ে বুড়িয়া সাকিনস্থ সরকারী ১০০ শতক খাস জমিতে বসবাস ও কিছু জমিতে মৎস্য ঘের করে আসতেছি।"

তিনি আরও জানান, প্রতিপক্ষ সম্পূর্ণ গায়ের জোরে বেআইনী ভাবে আমাদের ভোগদখলীয় জমি জবর দখল করতে ষড়যন্ত্র করছিল। ১৩ জুলাই বেলা ১.৩০ টার সময় তারা দা, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি সহকারে আমাদের বসত বাড়ীর মধ্যে অনধিকার প্রবেশ করে। "বাড়ী ছেড়ে চলে যেতে" বলে তারা হুমকি দেয়। জরিনা বললেন, "আমার স্বামী বাড়ীতে না থাকায় রাজি না হওয়ায় তারা আমার প্রতিবন্ধী সন্তান দু'জনকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে।"

এলাকাবাসীদের মারধরের ফলে শরীরের রক্তজমাট বাধা ও বেদনাদায়ক নিলাফোলা জখম করে। জরেনার অভিযোগ, "আমার গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়।" তারা তার পরনের কাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানী ঘটায়। তাছাড়া বসত ঘর বাড়ী ও মৎস্য ঘেরের ঘুনি, পাটা ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন করে যার মোট মূল্য ৭০,০০০ টাকা। এছাড়াও, "আমার গলায় থাকা ১ ভরি ওজনের রুপার চেইন (মূল্য অনুঃ ৫০০০) টাকা জোর পূর্বক কেড়ে নেয়।" পরিস্থিতির মধ্যে, "আমাদের ডাকচিৎকারে আমার স্বামী সহ আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে আক্রমনকারীরা হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়।"

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান জানান, "অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%