০৩:৪৫ এম
লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বৈরুতে উভয় দেশের প্রতিনিধি দলে উপস্থিতির মধ্যে এই চুক্তিটি করা হয়। এ সময় সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শায়বানি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার বৈরুতে সংসদ স্পিকার বেরি (ডানদিকে) পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল-শিবানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, চুক্তিতে ‘সহযোগিতার নীতিমালা’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ঐক্য ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সম্মান, দুই পক্ষের মধ্যে সমতা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে।
এই চুক্তিটি এমন সময়ে স্বাক্ষর করা হলো যখন লেবানন এবং সিরিয়া উভয় দেশই ইসরাইলের চলমান আক্রমণের মুখোমুখি রয়েছে। ইসরাইল প্রতিবেশী দেশগুলোতে আগ্রাসন ও দখল চালাতে সক্ষম হচ্ছে।
‘প্রয়োজন হলে হিজবুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তুত সিরিয়া’
সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শায়বানি বলেছেন, ‘জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজন হলে’ সিরিয়া হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে প্রস্তুত রয়েছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
লেবানন সফরের সময় তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন, প্রধানমন্ত্রী নাওয়াপ সালাম এবং পার্লামেন্টের স্পিকার নবিহ বেরির সঙ্গে বৈঠক করেন। বেরি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে আল জাজিরার রিপোর্টে জানানো হয়েছে, আল-শাইবানি বক্তব্য দিয়েছেন, ‘স্বার্থের প্রয়োজন হলে’ হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য সিরিয়া প্রস্তুত।
এটি হবে সিরিয়ার বর্তমান নেতৃত্ব এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। কারণ, বর্তমান সময়ে সিরিয়া পরিচালনাকারী সাবেক বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। সেই সময় হিজবুল্লাহ সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকারের সমর্থন দিয়ে যুদ্ধে অংশ নিত।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
আল-শাইবানির এই সফর এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন দামেস্ক বারবার জানিয়ে আসছে তারা লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর হিজবুল্লাহ মোকাবিলায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছে।
এর পূর্বে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার মন্তব্য করেছেন যে, সিরিয়া চাইলে হিজবুল্লাহকে ‘সামলাতে পারে’। একই সঙ্গে তিনি হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য ইসরাইলকে সমালোচনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন