বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫০ পি.এম
ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ না পাওয়ার বিষয় এবং ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার শঙ্কা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন, ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ রয়েছে এবং তারা যে কোনো সময় এটি বন্ধ করে দিতে পারে।
তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয় ‘পতিত স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ভারতের ইন্ধনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’ এর প্রতিবাদে।
রিজভী বলেন, ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট, ব্যাংক লোপাট এবং গুম-হত্যার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের বিরোধী দল ও পার্শ্ববর্তী একটি বিশেষ গোষ্ঠী প্রতিনিয়ত সরকারের সমালোচনা ও চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানানো হলেও সেখানে সাইডলাইনে বসানোর পরিকল্পনা ছিল। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং বিমসটেকের প্রধান হিসেবে তাকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। তারেক রহমান দেশের মর্যাদা রক্ষা করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের চরম সমালোচনা করে রিজভী অভিযোগ করেন, ‘যেদিন প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার পরদিনই প্রচার করা হলো আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই পাওয়ার প্ল্যান্টের ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসে। অথচ এর সুইচ রয়েছে ভারতের ঝাড়খণ্ডে। তারা যে কোনো সময় তা বন্ধ ও চালু করতে পারে।’
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এ ধরনের পরিস্থিতির পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে কি পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয়?’
শেখ হাসিনাসহ ১৪০০ ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতন ও হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেন রিজভী। তিনি বলেন, বহু অপরাধী ভারতে পালিয়ে রয়েছে। পূর্বে একটি ঘটনায় সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলেও এখন ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা খুনিদের কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চরম প্রশ্ন জেগেছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে রিজভী দাবি করেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; এটি বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। তিনি জানান, সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি চলমান সংকটের মধ্যেও দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, একটি পক্ষ ১৯৭১ সালের পরাভূত শক্তির প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে এবং মধুর ক্যান্টিনকে ‘বিশ্রাম মঞ্জিল’ বানাতে চাইছে। তিনি তাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, এই দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণ যে কোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেনের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪১ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৬ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৭ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৫৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৮৬ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৩১ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৮ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪৯ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি, পাঁচটি রাম দা, দুটি তরবারি এবং একটি ছোড়া। এছাড়া ৩৯৫ পিস ইয়াবা, ৪৩৮ বোতল ফেনসিডিল, ২ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও ৪৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয় চারটি মোবাইল ফোন, একটি সোনার কানের দুল, নয়টি ফুয়েল পেপার, তিনটি গ্যাস লাইট, তিনটি ইয়াবা সেবনের প্লাস্টিকের বোতল এবং নগদ ২৫ হাজার টাকা।
ডিএমপি আরও জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ গ্রেপ্তারকৃতদের আটক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’। এই ধরনের ঘোষণাসহ পোস্টারগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে সিরাজপুরে পোস্টারগুলো লাগানোর ঘটনা ঘটে।
খোকন, যিনি খলিল ভূঞা বাড়ির মো. আবুল হোসেনের ছেলে, ২০১৫ সাল থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদে পুনরায় প্রার্থী।
পোস্টারে খোকনকে গাঁজার ডিলার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দাবি করা হয়েছে। পোস্টারে বেকারদের জন্য গাঁজা ভাতা, মাদকসেবীদের জন্য বিশেষ কার্ড, স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই, থানা-পুলিশ আমার ভাই এবং উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে—এমন নানা স্লোগানও রয়েছে। পোস্টারগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
পোস্টারে নিজের নাম ব্যবহারের বিষয়ে খোকন বলেন, "কয়েক দিন আগে আমার ছেলে চাঁন মিয়াকে স্কুলে চড় মারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে। তা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি। এরপর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। মাদকের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দল ক্ষমতায় এলেও আমি আগের মতো গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করি। সমাজের মানুষ তা জানে। এমনকি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নই।"
সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেম অভিযোগ নাকচ করে বলেন, "খোকনকে ঘিরে তার দলের মধ্যেই মাদকসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে।" তিনি দাবি করেন, স্কুলে খোকনের ছেলে তাদের বাড়ির এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় তার ছেলে ওই ছেলে-মেয়েকে চড় মেরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। তবে পোস্টার লাগানোর সঙ্গে তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য জড়িত নন বলে দাবি করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম বলেন, "পোস্টারের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় কোমরসমান পানি মাড়িয়ে জানাজার মাঠে এক ব্যক্তির মরদেহ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইসমাইল গাজী নামের মুদি দোকানি মারা যান, যিনি চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৩ নম্বর আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চর কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার মরদেহ যখন গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন জানাজার সময় স্বজনরা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন।
ভিডিওতে দেখা যায়, মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি ও নদীভাঙনের ফলে ইসমাইল গাজীর দোকানের সামনের অংশ থেকে বাবুল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি সম্পূর্ণভাবে পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বাধ্য হয়ে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে কাঁধে করে মরদেহ জানাজার মাঠে নিয়ে যেতে হয়।
স্থানীয় যুব ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব শিমুল অধিকারী সুমন মন্তব্য করেন, "জীবিত অবস্থায় যেমন দুর্ভোগ ছিল, মৃত্যুর পরও একজন মানুষকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।" এতে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তাদের দাবি, সড়কটি দ্রুত উঁচু করে স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হোক, যেন ভবিষ্যতে আর কাউকে এমন দুর্ভোগ ভোগ করতে না হয়।
হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, "উপজেলা উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।" যদি তা সম্ভব না হয়, তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) চলমান বা নতুন প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রথমবারের মতো সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। এক বছরের মধ্যে ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সংক্রান্ত এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি জানায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সরকারের পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, গত অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে। এ সময় সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। তবে সরকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা বেশি ঋণ গ্রহণ করেছে। এর ফলে অর্থবছর শেষে সরকারের পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
গত অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার ১ লাখ ৩১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৭৭ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গত অর্থবছরে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এই খাত থেকে সরকার ৪২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল।
এদিকে, বিদেশি ঋণের পরিমাণও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অপর একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত মার্চের শেষে সরকারের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৯১ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে। প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৫ টাকা ধরে হিসাব করলে, দেশের মুদ্রায় সরকারের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। জুন মাস পর্যন্ত সরকারের বিদেশি ঋণের সর্বশেষ হিসাব এখনও প্রকাশ করা হয়নি, ফলে গত অর্থবছর শেষে বিদেশি ঋণের স্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যায়নি।
তবে মার্চ পর্যন্ত বিদেশি ঋণের স্থিতি বিবেচনায়, সরকারের দেশি ও বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় সমান। দেশি ও বিদেশি ঋণ মিলিয়ে সরকারের উপর এখন প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। ঋণের পরিমাণ যত বাড়ছে, ঋণের সুদের চাপও তত বাড়ছে।
আরিটিভি/এমএ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ