বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৩০ পি.এম
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন নতুন একটি মাত্রা পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটিকে রাজনৈতিক প্রচারের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে আসছে, সেই প্ল্যাটফর্ম এখন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের দমনপীড়নের ছবি এবং ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দেশজুড়ে প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়েছে।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ জুলাই পার্লামেন্ট অভিমুখে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও বলপ্রয়োগের বিভিন্ন ভিডিও ইনস্টাগ্রাম, এক্স এবং টিকটকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিও তরুণদের মাধ্যমে মিম, রিলস এবং বিভিন্ন সৃজনশীল কনটেন্টের মাধ্যমে নতুন করে প্রচারিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এটি তাদের আন্দোলনের সরাসরি সম্প্রচার।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা বাতিলের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের সংগঠন কাকরোচ জনতা পার্টি সিজেপির নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। সংগঠনটির তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে এক লাখ পাঁচ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের সময় পুলিশ লাঠিচার্জ, ধাতব পেলট এবং টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে। যদিও পুলিশ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে আন্দোলনকারীদের ধারণাকৃত অসংখ্য ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ভিডিওর প্রভাবে দিল্লির পাশাপাশি মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, পাটনা, লখনউ এবং আইজলেও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তরুণরা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মিম, অ্যানিমে, কমিকস এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করছে। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অনেককে স্পাইডার ম্যান, আয়রন ম্যান কিংবা হাল্কের পোশাকে দেখা গেছে। কেউ আবার জাপানি অ্যানিমে ওয়ান পিসের ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করছেন।
তরুণদের দাবি, অতীতে সরকারের সমালোচনা করার সময় যে ভয় কাজ করত, বর্তমানে তা অনেকটাই কেটে গেছে। তারা ইউটিউব বা মূলধারার গণমাধ্যমের পরিবর্তে নিজেদের স্মার্টফোনের মাধ্যমে ঘটনাগুলো পৃথিবীজুড়ে তুলে ধরছেন।
ডিজিটাল মাধ্যমে আন্দোলনের প্রভাব বাড়তে শুরু করার পটভূমিতে বৃহস্পতিবার নিজের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, যুবসমাজের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হতে পারে না। একই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের বিষয়ে নির্দেশনা দেন তিনি।
তবে মোদীর এই বক্তব্যের পরেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ছবির ওপর মোদীর মন্তব্য ব্যবহার করে একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট প্রকাশ করেছেন। সেখানে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, হাই, আমার নাম গুরুত্বপূর্ণ কিছু না।
আল জাজিরার মতে, ক্ষোভ, প্রতিবাদ এবং ব্যঙ্গের সমন্বয়ে ভারতের তরুণ প্রজন্ম একটি ডিজিটাল আন্দোলন গড়ে তুলেছে, যা সরকারের জন্য নতুন ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের সর্বভারতীয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) বিষয়ক প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন চালাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এবার সেই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে কলকাতায় মিছিল করেছেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ক সার্কাস ক্যাম্পাস থেকে ‘মহা মিছিল সংহতি সভা’ ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করার দাবি জানান। পাশাপাশি, তারা বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, গত সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আয়োজিত ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির কারণে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। এর প্রতিবাদে, মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তুলে নেন। প্ল্যাকার্ডে ‘মোদি হটাও, দেশ বাঁচাও’ এবং ‘স্বৈরাচারী সরকার আর নয়’ সহ বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিল।
এদিকে, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে নতুন একটি গান প্রকাশ করেছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী রূপম ইসলাম। গানটির অংশ তিনি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন। একই দাবিতে মহারাষ্ট্রের আহিল্যানগরে নীরব কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন সমাজকর্মী আন্না হাজারে। তার কর্মসূচিতে স্থানীয় শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছেন।
অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগের দাবিতে ভারতের সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারের বক্তব্য এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। পরে, তারা প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদের ভেতরে বিক্ষোভে অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লি ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শহর, যেমন মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, পাটনা, কলকাতা, এসব স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য তাই নরেন্দ্র মোদির কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার নিজেদের সুর অনেকটাই নরম করেছে। তারা এখন আন্দোলনকারীদের ‘সুবিধাজনক যেকোনও সময়ে’ আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, বুধবার থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার জন্য চারটি প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনরত গোষ্ঠীগুলো কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবন বা কার্যালয়ে আলোচনা করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা ‘যন্তর মন্তর’ কিংবা অন্য কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা করার দাবি জানিয়েছে।
জিতেন্দ্র সিং আরো বলেন, “বুধবার দুপুর থেকে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনার জন্য চারটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সরকার আপনাদের সুবিধামতো যেকোনও সময় সব বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।”
মন্ত্রী আরও জানান, আলোচনার সময় তার সহকর্মী মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও উপস্থিত থাকবেন।
তিনি আরও যোগ করেন, “আলোচনা জেপি নাড্ডার কার্যালয় বা বাসভবনে হতে পারে। আমরা অহমিকা বা মর্যাদার লড়াইয়ে বিশ্বাসী নই। আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং আমি উভয়েই উপস্থিত থাকব। ধীরে ধীরে আলোচনার মাধ্যমে আমরা একটি সমাধানের দিকে এগিয়ে যাব। এটি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপেরই একটি অংশ। আমি আপনাদের সকলকে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন এবং আলোচনায় বসুন।”
এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ককারোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি বা অফিসের পরিবর্তে, তারা যন্তর মন্তরে কিংবা কোনো নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠকে বসবে। সূত্র: এনডিটিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ৩ মে ভারতে অনুষ্ঠিত নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে গত আড়াই মাস ধরে চলা আন্দোলন শেষ পর্যন্ত চরম রূপ নিয়েছে। গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে শিক্ষার্থীদের পূর্বঘোষিত ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের মাধ্যমে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত করে। ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানসহ রাজনৈতিক মহলে টনক নড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘প্রশ্নফাঁস মহাপাপ, এরজন্য দায়ীদের সাজা পেতে হবে।’
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে তারা শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শিক্ষার্থীরা জবাবদিহিতা পাবেন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা শিক্ষার্থীদের সাথে বসে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন এবং বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী বাসার সামনে ধর্নায় বসেছেন।
মূলত প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ৩ মে ব্যবহৃত পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ওপর প্রবল মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। এর ফলে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিল। এর পর ২১ জুন কঠোর নিরাপত্তায় পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগে, ৭ জুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর-মন্তরে প্রথম প্রতিবাদ সমাবেশ করে নবগঠিত করোচ জনতা পার্টি। এরপর ২৮ জুন লাদাখের অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করে আমরণ অনশন শুরু করলে এই আন্দোলন একটি নতুন মাত্রা পায়। ২০ জুলাই সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনকে সামনে রেখে সিজেপি ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। কিন্তু কর্মসূচি আটকাতে পুলিশ দুদিন আগে ভোরে সোনম ওয়াংচুককে জোর করে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতাল থেকে সোনম ওয়াংচুক ১৯ জুলাই রাতেও জানিয়েছিলেন, সরকার হাসপাতালে তার সাথে দেখা করলে সংসদে আলোচনা আশ্বাস দিলে তিনি অনশন ভাঙতে রাজি থাকবেন। কিন্তু সরকার সময়মতো পদক্ষেপ নেয়নি। ২০ জুলাই সোমবার ভোরে যখন হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী যন্তর-মন্তরে সমবেত হয়েছেন, তখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা দুই ছাত্রনেতাকে ডেকে আলোচনার আশ্বাস দেন। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবনের উদ্দেশে বের হয়ে পড়ে এবং পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশি হামলার পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অভিনেত্রী শাবানা আজমী এবং অভিনেতা প্রকাশ রাজসহ সুশীল সমাজ তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার যদি ৭ জুনের পর সঠিক পদক্ষেপ নিত, তবে নিরীহ শিক্ষার্থীদের রাজপথে মার খেতে হতো না। একেই বলে, সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কোমরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে পারভীনা খাতুন (৪০) নামে এক গৃহবধূর। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূ পারভীনা খাতুন, একই গ্রামের আজিজুল হকের স্ত্রী।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি শেখ মেসবাহ উদ্দীন জানিয়েছেন, দুপুরে তিনি গৃহস্থালির কাজ করার জন্য নিজ বাড়িতে ছিলেন। এ সময় পারভীনা খাতুন ঘরের একটি টিন সরাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত টিনটি বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে এবং তার ছিঁড়ে যায়। এর ফলে টিনটি বিদ্যুতায়িত হয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। এ বিষয় নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ