মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৫ পি.এম
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি শাখা ব্যবস্থাপনার জন্য জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকটিতে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার—ঢাকা মেট্রো অ্যান্ড সারাউন্ডিংস পদে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
ব্যাংকটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদটি সর্বোচ্চ সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসএভিপি) পদমর্যাদার। কর্মস্থল হবে ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা।
পদের বিবরণ
পদের নাম: ব্রাঞ্চ ম্যানেজার—ঢাকা মেট্রো অ্যান্ড সারাউন্ডিংস
পদমর্যাদা: সর্বোচ্চ সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসএভিপি)
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মস্থল: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
বয়স: সর্বোচ্চ ৪০ বছর
অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা
কোনো নামকরা ব্যাংকে কমপক্ষে ৮ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে করপোরেট, এসএমই ও রিটেইল বিজনেসে ক্লায়েন্ট বেজসহ অনুরূপ পদে অন্তত ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
সেন্ট্রালাইজড প্রসেস ও রিয়েল টাইম অনলাইন ব্যাংকিংয়ে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
প্রার্থীকে শাখা পরিচালনা, জেনারেল ব্যাংকিং, ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট ও বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনায় গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংক কোম্পানি আইন, অর্থ ঋণ আদালত আইন, এএমএল আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশিকা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।
মাইক্রোসফট অফিস ও ব্যাংকিং সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতাও প্রয়োজন।
প্রধান দায়িত্ব
শাখার বার্ষিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, আমানত বৃদ্ধি, নতুন ঋণপ্রস্তাব তৈরি এবং বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা বিক্রির মাধ্যমে শাখার ব্যবসা ও মুনাফা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে।
এছাড়া হেড অফিসের ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, ক্রেডিট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ট্রেড ফাইন্যান্স ও অপারেশনস টিমের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। শাখার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, গ্রাহকসেবার মান নিশ্চিত করা, টিম পরিচালনা এবং ব্যাংকিং আইন ও নীতিমালা যথাযথভাবে পরিপালন নিশ্চিত করাও দায়িত্বের অংশ।
বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য ও আবেদন প্রক্রিয়া জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের সময়সীমা
বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬। আবেদনের শেষ সময় ২০ অক্টোবর ২০২৬।
শুধু বাছাই করা প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বা পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য যোগাযোগ করা হবে। যেকোনো ধরনের তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো ও জৈব প্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ‘এআই যাতে নিয়ন্ত্রণহীন ও যথেচ্ছভাবে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। এআই-এর অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীল প্রতিভাকে হ্রাস করছে। তাই জনকল্যাণে ও পরিমিত মাত্রায় এর ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।’
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা প্রয়োজন।’
জাতীয় পর্যায়ের গবেষণা ও উন্নয়ন (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও সম্পৃক্ত করার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
এ সময় উপাচার্য (ভিসি) কুয়েটের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন জেলা ছাত্রলীগের উপ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক বশিরকে হত্যার উদ্দেশ্যে দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চারজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন বশিরের বাবা। এই ঘটনাটি ঘটেছিল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে।
আহত বশির মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা মিতরা ইউনিয়নের পালোরার চর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
বশিরের বাবা মনির হোসেন জানিয়েছেন, তার ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য কিনা তা তিনি জানেন না। তবে তিনি নিজে বিএনপির একজন সমর্থক এবং তার বড় ছেলে রবিউল ইসলাম জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। রোববার রাতে সদর উপজেলার পশ্চিম গুজুরী গ্রামের আকাশ তার ছেলে বশিরকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তারা বেতিলা মেঘবাড়ি রেস্টুরেন্টে বসে আড্ডা দেয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আহত অবস্থায় বশিরকে উদ্ধার করা হয়।
মনির হোসেন আরও জানান, তার ছেলে বশিরকে আকাশ (২১), তুহিন (২২), আরিফ (২২) ও তানজিদসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জন মিলে পূর্বশত্রুতার জের ধরে সিংগাইর উপজেলার ডেফলতলী এলাকায় একটি ইটভাটায় নিয়ে গিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে দুই পা ও দুই হাতের রগ কেটে দেয়। প্রথমে বশিরকে রাতেই মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বশিরকে রাজনৈতিক কারণে হাত-পায়ের রগ কাটা হয়েছে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে মনির হোসেন জানান, বশির মাদরাসায় পড়াশুনা করতেন। কিন্তু ২০২১ থেকে পড়াশুনা বাদ দিয়ে বাড়িতে রয়েছে। তার ছেলের নাম জেলা ছাত্রলীগে আছে, এটা তিনি আগে জানতেন না। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক কারণে তার ছেলেকে মারা হয়নি। আকাশ, আরিফদের সাথে পূর্ব শত্রুতার বিরোধের জের ধরে বশিরকে মারা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ বলেন, ওই ছেলের বন্ধুরাই তাকে কুপিয়েছে। মধ্যরাতে ইটভাটায় ওই ছেলে কাদের সঙ্গে গেছে? তাদের মধ্যে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা থাকতে পারে। সে ঘটনায় কুপিয়েছে বলে শুনেছি। এখানে ছাত্রদল বা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নাম জড়িয়ে গুজব ছড়াচ্ছে নিষিদ্ধ সংগঠন। বশিরের হাত-পায়ের রগ কাটার সাথে ছাত্রদলের কেউ জড়িত নয়। এর আগে শহীদ মিনারে একজনের আত্মহত্যা নিয়েও গুজব ছড়িয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন।
এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, বশির নামে এক যুবককে হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে। তারা সবাই বশিরের পরিচিত ও বন্ধু। বশির এদের সাথেই চলাফেরা করে। এই ঘটনায় বশিরের বাবা বাদি হয়ে সোমবার সন্ধ্যার দিকে একটি মামলা করেছেন। পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দেশটির দূতাবাসের ডেপুটি চীফ অব মিশন ড. লিউ ইউয়িন, কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং, এটাচে মিস লিয়াং শুয়িং এবং পলিটিক্যাল এ্যাফেয়ার্স এ্যাটাচে ওয়াং ডাউয়েই।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদায়ী সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে দলের আমীর ও নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরিতে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলন পরবর্তী রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময়ে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন, পারষ্পরিক সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টিতে চীনের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন ইতিবাচক ভূমিকা রাখায় তার প্রতি কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমীর জনাব নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মো: মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান এবং মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সরকারি ছুটির তালিকায় মুসলিমদের প্রধান দুই ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গভর্নর গ্যাভিন নিউজম ২৭ সেপ্টেম্বর ‘এবি ২০১৭’ বিলে স্বাক্ষর করার পর এই দুই ঈদ রাজ্যের সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হয়।
সান ফ্রান্সিসকোর অ্যাসেম্বলি সদস্য ম্যাট হ্যানি ‘স্টেট হলিডেজ: ঈদ’ নামের বিলটি উত্থাপন করেন। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিলটি উত্থাপনের পর এটি কয়েক ধাপে আইনসভায় অনুমোদন লাভ করে এবং ১০ সেপ্টেম্বর গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর গ্যাভিন নিউজম এতে স্বাক্ষর করেন।
নতুন আইনে ইসলামি চান্দ্রপঞ্জিকার শাওয়াল মাসের প্রথম দিনকে ঈদুল ফিতর এবং জিলহজ মাসের ১০ তারিখকে ঈদুল আজহা হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ইংরেজি বর্ষপঞ্জিতে প্রতি বছর তারিখ পরিবর্তন হলেও ঈদের সরকারি স্বীকৃতি বজায় থাকবে।
তবে এই স্বীকৃতির অর্থ এই নয় যে ঈদের দিন ক্যালিফোর্নিয়ার সব সরকারি দপ্তর, আদালত, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান বা বেসরকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকবে। আইনে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে বিচারিক ছুটির তালিকা থেকে আলাদা রাখা হয়েছে।
নতুন আইনে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালনের জন্য যদি কোনো শিক্ষার্থী স্কুলে অনুপস্থিত থাকে, তবে সেটিকে অনুমোদিত অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঈদের নামাজ বা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়ার কারণে শিক্ষার্থী স্কুলে না গেলে তার অনুপস্থিতির আইনি ভিত্তি থাকবে।
এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারি স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঈদের দিন বন্ধ রাখা যাবে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়। সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং প্রতিনিধিত্বকারী কর্মীদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। কমিউনিটি কলেজের ক্ষেত্রেও ঈদের দিন বন্ধ রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আইনে সরকারি কর্মীদের জন্যও ঈদ পালনের সুযোগ রাখা হয়েছে। নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মী ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে আট ঘণ্টার ছুটির সুবিধা নিতে পারবেন। এর জন্য অবকাশ, বার্ষিক ছুটি, অতিরিক্ত কাজের বিনিময়ে ছুটি বা ব্যক্তিগত ছুটির সুবিধা ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে।
ম্যাট হ্যানি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবি ২০১৭ বিলটি উত্থাপন করেন। পরবর্তী সময়ে বিলটি বিভিন্ন কমিটির অনুমোদন পায় এবং আইনসভায় কয়েক ধাপে এগোয়। ৩০ আগস্ট বিলটি আইনসভার দুই কক্ষেই পাস হয়। ১০ সেপ্টেম্বর এটি গভর্নরের কাছে পাঠানো হয় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর গ্যাভিন নিউজম এতে স্বাক্ষর করেন।
বিলটির প্রধান সহ-উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন অ্যাসেম্বলি সদস্য আশ কালরা ও স্টেফানি নগুয়েন এবং সিনেটর আইশা ওয়াহাব। আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা এতে সহ-উদ্যোক্তা ছিলেন।
নতুন আইনের ফলে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা এখন ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে। এর মাধ্যমে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ঈদের কারণে স্কুলে অনুপস্থিতির আইনি স্বীকৃতি তৈরি হলো এবং স্কুল ও কমিউনিটি কলেজগুলো স্থানীয় সমঝোতার ভিত্তিতে ঈদের দিন বন্ধ রাখতে পারবে। সরকারি কর্মীরাও নির্ধারিত নিয়মে ছুটির সুবিধা নিতে পারবেন।
তবে ঈদকে সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত করার অর্থ সব প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ থাকা নয়। আদালতও এই আইনের আওতায় বিচারিক ছুটি হিসেবে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে ঈদের স্বীকৃতি ও বাস্তবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার বিষয়টি এক নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ