মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২২ পি.এম
টাঙ্গাইলের গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ধারণ করে ব্লাকমেইল করার অভিযোগে এসআরবি-১৪ কর্তৃক এক মাদরাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া খাইরুল ইসলাম (৩৩) সদর উপজেলার গালা গ্রামের অধিবাসী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৪ এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেন।
এসআরবি এবং এজাহারের বিবরণ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূর মেয়ে একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে। সেই কারণে গৃহবধূর মেয়েকে পড়াতে খাইরুল ইসলাম প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি সেখানে উপস্থিত হতেন।
৮ আগস্ট বিকেলে, ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে তিনি গৃহবধূর মেয়েকে বাইরে খেলতে দেখে সুযোগ গ্রহণ করেন। বাড়িতে একা পেয়ে খাইরুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একইসঙ্গে তিনি কিছু আপত্তিকর ছবি ধারণ করেন। পরবর্তীতে, সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগী ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এসআরবি-১৪ সিপিসি-৩ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে।
এরপর সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড় থেকে খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের মুলতানে, শের শাহ সেতুর নিকট মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রেহমান বাবা এক্সপ্রেস ট্রেনের ১৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন, যা পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জিও টিভি এই তথ্য প্রকাশ করে।
দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। আহতদের চিকিৎসার জন্য মুলতানের নিশতার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ১৩টি বগি থেকে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটি বগিতে উদ্ধার অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।
এক যাত্রীর সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনটি করাচি থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল।
এক যাত্রী সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনার আগে রোহরির কাছে ট্রেনের নয় নম্বর বগির নাট-বল্টু মেরামত করা হয়েছিল। তবে ওই মেরামতের সঙ্গে দুর্ঘটনার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। আহত যাত্রীদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে, আহতদের যেন বিলম্ব ছাড়াই সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, পরাজিত শক্তি সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সরকারকে ব্যর্থ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "বোমা বাজি ও অগ্নিসংযোগ করে নৈরাজ্য তৈরির মাধ্যমে সরকারকে ব্যর্থ করার অপচেষ্টা চলছে।"
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘দীর্ঘ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী জানান, বিএনপি বর্তমানে একটি ভয়াবহ সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, "সেই কঠিন সংকট থেকে দেশকে উত্তরণের জন্য সরকার প্রতিনিয়ত সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা ও গভীর আন্তরিকতার কারণে বিদ্যমান সংকটগুলো দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হচ্ছে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে সম্ভাব্য নাশকতার বিষয়ে সতর্কতা জারি করে রিজভী বলেন, "শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে।" তিনি সকলকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান যাতে যেকোনো ধরনের চক্রান্ত রুখে দেওয়া যায় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা যায়।
আলোচনা সভায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ১২ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে আগামী দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাগুলো, যেখানে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দোতলার কনফারেন্স রুমে বোর্ড অব ডিসিপ্লিনের সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ সিরিজের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) ও তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের একজন করে, ২২ সিরিজের যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন, পুরকৌশল বিভাগের দুইজন, ২৪ সিরিজের পুরকৌশল বিভাগের তিনজন এবং মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (এমটিই) বিভাগের একজন শিক্ষার্থী শাস্তির আওতায় পড়েছেন। এর মধ্যে ২১ সিরিজে দুইজন, ২২ সিরিজে দুইজন, ২৪ সিরিজে পাঁচজন এবং ২৫ সিরিজে তিনজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। ২১ সিরিজের দুই শিক্ষার্থীর ৪র্থ বর্ষ বিজোড় সেমিস্টার পরীক্ষা, ২২ সিরিজের দুই শিক্ষার্থীর ৩য় বর্ষ বিজোড় সেমিস্টার পরীক্ষা, ২৪ সিরিজের পাঁচ শিক্ষার্থীর ১ম বর্ষ ব্যাকলগ পরীক্ষা এবং ২৫ সিরিজের তিন শিক্ষার্থীর ১ম বর্ষ বিজোড় সেমিস্টার পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তাদের আগামী দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে, বহিষ্কার শেষে পুনঃভর্তি হয়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন তারা।
শাস্তিপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরীক্ষার সময় জব্দ করা ক্যালকুলেটর ও মোবাইল ফোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষণ করা হবে। এসব সামগ্রী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রুয়েটের ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার এ বিষয়ে বলেন, "পরীক্ষায় অসদুপায়ের বিরুদ্ধে রুয়েট প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। একজন শিক্ষার্থীর জন্য একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি সততা, নৈতিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে রুয়েটে ব্যাকলগ ও শর্ট সেমিস্টার উভয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাঁচটি পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে।"
তিনি সতর্ক করে বলেন, "শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও সততার সঙ্গে পড়াশোনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।" উল্লেখ্য, এবছরের ২৮ এপ্রিল একই অভিযোগে আরও ৫ শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও একাডেমিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অসদুপায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখবে রুয়েট প্রশাসন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের জনপ্রিয় সৈকতগুলোর অগভীর পানিতে একসঙ্গে দেখা মিলেছে ডজন ডজন বিরল স্ক্যালপড হ্যামারহেড হাঙরের। এই হাঙরগুলো এক থেকে দুই বছর বয়সী এবং উপকূলীয় নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণে পরিচালিত ড্রোনের ক্যামেরায় তাদের বিচরণ ধরা পড়েছে। গবেষকদের মতে, বিপন্ন এই প্রজাতির হাঙরদের জন্য উপকূলীয় অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল হতে পারে।
দক্ষিণ-পূর্ব কুইন্সল্যান্ডের গোল্ড কোস্টের বার্লি বিচে একসঙ্গে প্রায় ৮০টি হ্যামারহেড হাঙর দেখা গেছে। অন্যদিকে, সানশাইন কোস্টের নুসা মেইন বিচে সবচেয়ে বড় দলে আনুমানিক ১০০টি হাঙরের উপস্থিতি রেকর্ড করা হয়েছে।
কুইন্সল্যান্ডের ‘শার্কস্মার্ট’ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত ড্রোনের ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গবেষণাটি পরিচালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব দ্য সানশাইন কোস্ট ও কুইন্সল্যান্ডের প্রাথমিক শিল্প বিভাগের গবেষকরা। গবেষণাটির নেতৃত্বে ছিলেন ম্যাডিসন ক্রস।
গবেষণায় ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নয়টি সৈকতে পরিচালিত ২০ হাজার ৯১১টি ড্রোন ফ্লাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে ৮৪টি পৃথক ঘটনায় হাঙরের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, যা সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ৬৯৬টি হাঙর দেখার সমান। তবে একই হাঙর একাধিকবার ক্যামেরায় ধরা পড়ে থাকতে পারে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হাঙরের বড় দলগুলো সাধারণত অস্ট্রেলিয়ার শরৎ ও শীতের শুরুর দিকে, অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন মাসে বেশি দেখা যায়। এসব হাঙরের গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ১ দশমিক ০৯ মিটার বা ৩ দশমিক ৬ ফুট। বয়স আনুমানিক এক থেকে দুই বছর।
গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, উত্তর স্ট্র্যাডব্রোক দ্বীপের কাছাকাছি বড় হাঙরগুলো তুলনামূলকভাবে সরল পথে চলাচল করে। বিপরীতে, বার্লি ও নুসা বিচের অপ্রাপ্তবয়স্ক হাঙরগুলো নির্দিষ্ট ছোট এলাকায় ঘোরাফেরা করে।
তবে হাঙরগুলো কেন উপকূলের এত কাছে দলবদ্ধ হয়, তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। গবেষকদের ধারণা, এসব এলাকায় খাবারের পর্যাপ্ত জোগান ও তুলনামূলক নিরাপদ পরিবেশ থাকায় ছোট হাঙরগুলো এখানে অবস্থান করে। কাছাকাছি প্রবালপ্রাচীর ও পাথুরে অঞ্চল শিকারের সন্ধান পেতে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে দলবদ্ধভাবে চলাচল বড় শিকারি প্রাণীর আক্রমণ এড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে।
এদিকে, কুইন্সল্যান্ডের হাঙর নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় বার্লি বিচে হাঙর-জাল এবং নুসা বিচে ড্রামলাইন ব্যবহার করা হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এসব ব্যবস্থায় ৬৭৫টি স্ক্যালপড হ্যামারহেড হাঙর ধরা পড়ে। এর মধ্যে ৬৬৫টির মৃত্যু হয়।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মার্চ থেকে জুন মাসে ড্রোনে হাঙরের উপস্থিতি বেশি শনাক্ত হলেও মাছ ধরার জালে সেগুলো বেশি ধরা পড়ে সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোট হাঙরগুলো সুরক্ষিত উপকূলীয় এলাকা ছেড়ে উন্মুক্ত সমুদ্রে যাওয়ার সময় জালে আটকে পড়তে পারে।
গবেষকদের পর্যবেক্ষণে আরও উঠে এসেছে, স্নরকেলার বা প্যাডেলবোর্ডাররা কাছাকাছি এলে হাঙরের দল সাময়িকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে হাঙরগুলোর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত না করা এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বিপন্ন এই প্রজাতির হাঙর সংরক্ষণে তাদের চলাচলের দীর্ঘমেয়াদি গতিপথ অনুসরণ করতে অ্যাকোস্টিক ট্যাগ ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁদের মতে, এ ধরনের পর্যবেক্ষণ হাঙরগুলোর আবাসস্থল, চলাচলের ধরন এবং সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে সহায়তা করতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ