বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৭ এম
ভারত ছেড়ে দুবাইতে গিয়েও শান্তি পাচ্ছেন না ইরানি মডেল এবং বলিউড অভিনেত্রী মান্দানা করীমী। পুরনো আতঙ্ক তাকে তাড়া করছে। দুবাইয়ে পাড়ি দেওয়ার পরেও তার পরিচিত মহলে রহস্যময় ই-মেল পৌঁছাচ্ছে।
এই ই-মেলে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে এবং কখনও কখনও টাকা চাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে চলা এই সাইবার হেনস্থার বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
সাবেক ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী হিসেবে মান্দানা দাবি করেছেন, তার বিচ্ছেদের পর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিয়মিতভাবে তাকে অনুসরণ করছে। শুধু তিনি একা নন, তার সঙ্গে কাজ করা প্রযোজক, সহ-অভিনেতা এবং পরিচিতদের কাছেও পৌঁছাচ্ছে বার্তা। এর উদ্দেশ্য একটাই— তার কাজ, সম্পর্ক এবং সামাজিক পরিচিতি নষ্ট করে দেওয়া।
মন্দানার কথায়, ছুটিতে থাকাকালীনও ফের একই ঘটনা ঘটেছে। কয়েক বছর আগে বিষয়টির উৎস খুঁজতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তদন্তের চেষ্টা করেছিলেন। তখন তাকে জানানো হয়েছিল, একজন পেশাদার হ্যাকারকে ব্যবহার করে তার সামাজিক মাধ্যমের কার্যকলাপ নজরে রাখা হচ্ছে। ‘মীনাক্ষী’ নামে একটি ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন পরিচিত ব্যক্তির কাছে ই-মেল পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান অভিনেত্রী।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ভারত ছাড়ার পরেও সেই যোগাযোগ থামেনি। মন্দানার দাবি, তার বন্ধুদের কাছেও এখনও ওই ই-মেল পৌঁছাচ্ছে। ফলে দেশ বদলালেও আতঙ্কের ছায়া যেন একই রয়ে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে পরিচিতদের উদ্দেশে অভিনেত্রীর স্পষ্ট বার্তা হলো, তাকে ঘিরে কোনও ই-মেল এলে তাতে বিশ্বাস না করতে। টাকা পাঠানো তো নয়ই, কোনওরকম যোগাযোগ না করে বরং বার্তাটি সংরক্ষণ করতে, স্ক্রিনশট নিতে এবং তার কাছে পাঠাতে বলেছেন তিনি।
মন্দানার অভিযোগ, ভারতে থাকাকালীন একাধিক বার সাইবার অপরাধের অভিযোগ দায়ের করেও বিশেষ সুরাহা পাননি। তাই এবার প্রকাশ্যেই প্রমাণ প্রকাশ্যে এনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে চেয়েছেন তিনি। তার বক্তব্য, বছরের পর বছর ধরে চলা এই হয়রানির বিরুদ্ধে আর নীরব থাকতে রাজি নন।
মন্দানার ব্যক্তিগত জীবনে টানাপড়েন নতুন নয়। ব্যবসায়ী গৌরব গুপ্তের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের পর ২০১৭ সালে তাদের বিয়ে হয়। কয়েক বছরের দাম্পত্যের পর ২০২১ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। পরে একাধিক অনুষ্ঠানে সেই সম্পর্কের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেত্রী। এর মধ্যেই চলতি বছর ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মন্দানা। প্রায় ১৬ বছর ভারতে থাকার পর আবেগঘন বার্তায় দেশকে বিদায় জানান তিনি। নতুন দেশ, নতুন বাড়ি, নতুন জীবন— এই আশাতেই দুবাইতে পাড়ি দিয়েছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ক্যান্টিনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এক নারী যাত্রীর ওপর। অভিযুক্ত ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাটি সোমবার ঘটে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে থানাধীন নাটোর এলাকায় চলন্ত ট্রেনে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সান্তাহার রেলওয়ে থানার পুলিশ আবু বক্কর সিদ্দিককে আদমদীঘি আমলি আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তারকৃত আবু বক্কর সিদ্দিক নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ওই নারী ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি নাটোর এলাকায় পৌঁছালে আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক ট্রেনের ক্যান্টিনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে ট্রেনের কয়েকজন যাত্রী ক্যান্টিনের দিকে এগিয়ে আসেন। এ সময় তারা আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
পরে মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী নারী সান্তাহার রেলওয়ে থানায় গিয়ে ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিক, দুই পুলিশ সদস্যসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সান্তাহার রেলওয়ে থানার পুলিশ মামলার পর অভিযান চালিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা বাজারের জামাল মার্কেটে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
পরে কিছুটা দেরিতে হলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে মালিহা এন্টারপ্রাইজসহ বাজারের বহু দোকান, রেস্টুরেন্ট, এজেন্ট ব্যাংক এবং অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
হ্নীলা বাজার পরিচালনা কমিটির অধ্যাপক জহির আহমদ ও আল মাসুদ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে ছেহের মিয়ার একটি রঙের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে রঙের দোকানে আগুনের সূত্রপাতের সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ওই দোকানে অনুমোদনহীন কেমিক্যাল ছিল।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্রুত অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে সার্ফিংয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক অভিযানে দেশের প্রথম নারী সার্ফার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন কক্সবাজারের দশম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তার। আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০তম এশিয়ান গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উঁচিয়ে ধরার জন্য ফাতেমা এখন দিন-রাত উত্তাল সমুদ্রে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করছেন।
ফাতেমা সার্ফিংয়ে বাংলাদেশের পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিবিড় অনুশীলনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তার এই কঠোর যাত্রায় সহ-সার্ফার মোহাম্মদ মান্নান তার পাশে রয়েছেন। 'বাংলাদেশ সার্ফ গার্লস অ্যান্ড বয়েজ ক্লাব'-এর প্রধান প্রশিক্ষক রাশেদ আলমের তত্ত্বাবধানে তারা নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
পড়ালেখার পাশাপাশি নিজের ক্রীড়া স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ফাতেমার এই নিরলস প্রচেষ্টা ইতিমধ্যে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। কোচ রাশেদ আলমের নির্দেশনায় ফাতেমার গতি, ভারসাম্য এবং কৌশলগত দক্ষতার উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যাতে এশিয়ান গেমসের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিশ্বমানের সার্ফারদের চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব হয়।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সার্ফিং দলের এই অভিষেক এবং ফাতেমার একক সাফল্য দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ফাতেমার এই অর্জন শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত স্বপ্ন পূরণ নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি নতুন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজের সেরাটা দিয়ে দেশের জন্য নতুন ইতিহাস লেখার লক্ষ্য নিয়ে ফাতেমা আক্তার জাপানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আদালতের এক কর্মচারীর ব্যাগ তল্লাশি করার চেষ্টা করার প্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে খাসকামরায় ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এ মারধরের এই ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগকারী পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী ঢাকা রেলওয়ে থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ঘটনার পর ন্যায়বিচার চেয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে লিখিত অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার পূর্বে আদালতের কর্মচারীর হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে ঢাকা রেলওয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে থানার আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ ও পদ্মা সেতুগামী শহরতলি রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে দায়িত্ব পালনকালে এএসআই (নিরস্ত্র) মৌসুমী আক্তারসহ সঙ্গীয় ফোর্স যাত্রীদের ব্যাগ তল্লাশি করছিলেন।
এ সময় সাকিব আল হাসান ব্যাগ তল্লাশি না করানোর বিষয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে উচ্চবাচ্য ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন যে, পুলিশ সদস্যদের তল্লাশি করার কোনো অধিকার নেই।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সাকিব রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তিনি নিজেকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর পিয়ন পদমর্যাদার কর্মচারী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে সংশ্লিষ্ট বিচারকের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তখনই নিষ্পত্তি করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোহাম্মদ আলী। এরপর তাকে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়।
মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কোর্ট রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বিচারকের খাসকামরায় যান এসআই মোহাম্মদ আলী। তবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাদের বাইরে রেখে তাকে একাই ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, খাসকামরায় আগে থেকেই বিচারকের কর্মচারী সাকিব আল হাসানসহ কয়েকজন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। মোহাম্মদ আলী ভেতরে প্রবেশের পর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে একজন ব্যক্তি পেছন থেকে তাকে সজোরে আঘাত করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আত্মরক্ষার্থে তিনি ওই ব্যক্তির হাত ধরে ফেলেন। এ সময় বিচারকের দিকে তাকিয়ে ‘স্যার, এটা কী হচ্ছে?’ জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি দরজার দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে বলেন, ‘বুঝছস, আমরা কারা?’
পুরো ঘটনাটি খাসকামরায় থাকা এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে ধারণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী এসআই মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, যদি কোনো অপরাধ থাকে তবে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা যেত অথবা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া যেত। কিন্তু এভাবে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিকভাবে হয়রানি করার কোনো কারণ আমি দেখি না।
তিনি আরো বলেন, আমি জজ স্যারকে বলেছি, যদি আমার কোনো অপরাধ হয়ে থাকে তবে আমি দুঃখিত, আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। কিন্তু এভাবে আমাকে অপমান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার কারণ কী?
মোহাম্মদ আলী বলেন, পরে আমাকে হাত ধরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলাতে বাধ্য করা হয়। এরপর আমি সেখান থেকে বের হয়ে আসি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১০-এর বিচারক শাহিদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ