০২:৫৩ পি.এম
মালদ্বীপে মো. সজীব (২৭) নামের এক বাংলাদেশি যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে তার তিন রুমমেটকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
লাপাত্তা থাকা তিনজনের মধ্যে দুজন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাসিন্দা এবং একজন নেপালের নাগরিক। সজীবের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে স্বজনদের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
নিহত সজীব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহালক্ষ্মীপাড়া উত্তরপাড়া এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে।
আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে বিনা খরচে ট্যাক্স ফাইল, বাংলায় সহায়তা পাবেন যেভাবে
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে সজীবের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছায়। তার চাচাতো ভাই মো. সোহেল এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সজীবকে তার কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে মালদ্বীপের পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।
নিহতের পরিবারের দাবি, মরদেহ উদ্ধারের সময় সজীবের সঙ্গে একই কক্ষে থাকা তিন প্রবাসী সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সজীবের মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছেন স্বজনেরা। তাদের আশঙ্কা, তাকে হত্যা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। তবে, এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
মালদ্বীপের পুলিশের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি। ফলে সজীবের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার চিঠি পাওয়ার পর করণীয় নির্দেশনা
সজীব অবিবাহিত ছিলেন। তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে বড় ধরনের কোনো সমস্যা ছিল না বলে দাবি করেন স্বজনরা। তিনি প্রায় তিন বছর আগে মালদ্বীপে পাড়ি জমান, পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা আনার আশায়।
সজীবের আকস্মিক মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার মহালক্ষ্মীপাড়া উত্তরপাড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজন ও এলাকাবাসী তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এছাড়া, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছে সজীবের পরিবার।
আরও পড়ুন: প্রবাসীদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির আবেদন ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন