ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আদেশ বাতিল


ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আদেশ বাতিল

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৪ সালের নভেম্বরে একটি আদেশ জারি করেছিলেন, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলেই স্বাভাবিকভাবে নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনটি বাতিল করা হয়। তবে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বুধবার (৩০ জুন) তার এ আদেশটি বাতিল করে দিয়েছে।

বিবিসি থেকে জানা যায়, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা ৬-৩ ভোটে ওই নির্বাহী আদেশটিকে বাতিল করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৫০ বছর আগে নাগরিকত্ব পাওয়ার বিধান জন্মসূত্রে চালু হয়েছিল। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যে, আইনটি বাতিল করেছেন। বেশিরভাগ বিচারক ঐতিহাসিক এই আইন বাতিলের পক্ষে ছিলেন না। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এ আইন বাতিলের খুব একটা জনপ্রিয়তা ছিল না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিভিন্ন অবৈধ অভিবাসী যারা অনুমতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দেন, ট্রাম্প মূলত তাদের সন্তানদের নাগরিকত্ব পাওয়া ঠেকাতে এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এখন যেহেতু আদালত তার নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছে, তিনি হয়ত অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করতে নতুন কোনো উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন। যদি অবৈধ অভিবাসীরা দেশে প্রবেশই করতে না পারেন, তাহলে তাদের ও তাদের সন্তানদের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না।

প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস ঐতিহাসিক রায়টি লিখেছেন। তিনি রায়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী এবং অস্থায়ীভাবে অবস্থান করা যেসব বাবা-মায়ের সন্তান এই দেশের মাটিতে জন্ম নেবে, সংবিধান অনুযায়ী তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

তিনি তার রায়ে উল্লেখ করেছেন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনের কথা, যা যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় আনা হয়েছিল। এটি মুক্ত ও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া সাবেক দাসদের নাগরিকত্বের বিষয়টি সুরাহা করার জন্য চালু হয়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সাফল্য জুলাই অভ্যুত্থানে ফুটে উঠেছে বলে দাবি রিজভীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৮ এম


ছাত্রদলের ১৭ বছরের আন্দোলনের সাফল্য জুলাই অভ্যুত্থানে ফুটে উঠেছে বলে দাবি রিজভীর

আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ১৭ বছরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ধারাবাহিক আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

তিনি বলেছেন, জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতি দেশের মানুষকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রেরণা জোগাবে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শীর্ষক এই মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘এই আলোর প্রজ্বালন শুধু এক দিনের জন্য নয়। প্রতিদিন সব কটা জানালা খুলে রাখতে হবে, যেন কোনো অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শক্তির আর কখনও আগমন ঘটতে না পারে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের তীব্র সমালোচনা করে রিজভী বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট পরাজিত হয়েছে বটে, কিন্তু তার অবশিষ্টাংশ এখনও নানা জায়গায় রয়ে গেছে। তারা দেশের মেগা প্রজেক্ট অর্থাৎ মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতুর টাকা পর্যন্ত চুরি করেছে।’

অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, ‘তারেক রহমানের কাজ দেখে মনে হচ্ছে আমরা, আপনারা– সবাই জাতীয়তাবাদী। শুধু ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ড নয়, আজ রেড সিগন্যালে যে গাড়িটি নিয়ম মেনে দাঁড়িয়ে যায়, সেটিও জাতীয়তাবাদেরই অংশ।’

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানটি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মার জেলে জালে উঠল ৪৭ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ এম


পদ্মার জেলে জালে উঠল ৪৭ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ৪৭ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের বিশাল আকৃতির একটি বাঘাইড় মাছ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাছটি ধরা পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি গ্রামের জেলে মো. মুসা (২৩)-এর নেতৃত্বে একদল জেলে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে যান। যখন জাল তোলার সময় বিশাল আকৃতির বাঘাইড়টি ধরা পড়ে। পরে মাছটি নদী থেকে ঘাটে নিয়ে এলে সেটি দেখতে স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে।

জেলেরা জানান, পদ্মা নদীতে এ মৌসুমে বাঘাইড়, পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় মাছ মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে। তবে ৪৭ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের বাঘাইড় খুব কমই দেখা যায়। তাদের ধারণা, নদীতে পানি বাড়তে শুরু করায় বড় মাছের আনাগোনা বেড়েছে।

১২ নং চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। পদ্মা নদীতে মাঝেমধ্যে বড় আকারের মাছ ধরা পড়ে। এত বড় একটি বাঘাইড় ধরা পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

জেলেরা জানান, মাছটি স্থানীয় এক আড়তদারের কাছে প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। পরে আড়তদার মাছটি ঢাকার বাজারে বিক্রির জন্য পাঠিয়েছেন।

মাছটি ঘাটে আনার পর একনজর দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় করেন। অনেকে মোবাইল ফোনে মাছটির ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। বিশাল আকৃতির বাঘাইড়টির ওজন ও বিক্রয়মূল্য নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা দেখা যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পদ্মা নদীতে এত বড় বাঘাইড় ধরা পড়ার ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মানবতা এক বিশেষ অধিকার

ভারতে বিচারাধীন অবস্থায় ছয় বছর কারাগারে উমর খালিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ এম


ভারতে বিচারাধীন অবস্থায় ছয় বছর কারাগারে উমর খালিদ

দিল্লির কুখ্যাত তিহার কারাগারে যখন সূর্য অস্ত যায়, তখন বন্দিদের মনে এক নির্মম আতঙ্ক ভর করে। বন্দি নম্বর ৬২৬৭১৪ তথা উমর খালিদের কাছেও এই সময়টা সবচেয়ে কষ্টের। তিনি বলেন, ‘সম্ভবত সূর্যাস্তের সময় মনে হতে থাকে, জীবনের আরও একটি দিন বন্দিদশায় কেটে গেল।’ 

দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে গ্রেপ্তারের পর প্রথমবারের মতো এক সাক্ষাৎকারে নিজের বন্দিজীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানান এই বামপন্থি মানবাধিকারকর্মী। ৩৮ বছর বয়সী সাবেক এই ছাত্রনেতা পরিবার ও বন্ধুদের মাধ্যমে এই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। 

তিহার কারাগারের বাইরে উমর খালিদ ভারতের এক অতি পরিচিত নাম। ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী গড়ে ওঠা গণআন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন তিনি। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লির সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ‘মূল ষড়যন্ত্রকারী’ এবং ‘সহিংস সরকার পরিবর্তনের’ চক্রান্তের অভিযোগে তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। 

ভারতের মূলধারার সংবাদমাধ্যমও তাঁকে ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে উপস্থাপন করে। অন্যদিকে, অধিকারকর্মী ও বামপন্থিদের কাছে তিনি মোদি সরকারের ভিন্নমত দমনের এক জীবন্ত প্রতীক। সমালোচকদের মতে, উমর খালিদকে মোদি সরকারের ভিন্নমত দমনের এক রাজনৈতিক শিকার বানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিচার ছাড়া দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর তাঁকে আটকে রাখাকে অন্যায় বলে নিন্দা জানিয়েছে। 

মানবতা আমাদের মতো মানুষের জন্য নয় 

বছরের পর বছর মিথ্যা প্রোপাগান্ডার শিকার হওয়া খালিদ বলেন, ‘যখন আপনাকে স্রেফ একটা নেতিবাচক বা ইতিবাচক ইমেজে নামিয়ে আনা হয়, তখন মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখাই কঠিন হয়ে পড়ে। সহবন্দিরাও পেছনে পেছনে সন্ত্রাসী বলে ডাকে। মানবতা আসলে এক বিশেষ অধিকার, যা আমাদের মতো মানুষদের দেওয়া হয় না।’ 

দিল্লির জামিয়া নগরে বেড়ে ওঠা খালিদ ছাত্রজীবনেই বুঝতে পেরেছিলেন কীভাবে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি সমাজকে বিভক্ত করছে। জেএনইউতে পিএইচডি করার সময় তিনি ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন। তাঁর পিএইচডি থিসিসটি চলতি মাসেই বই আকারে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। 

২০২০ সালের দিল্লির দাঙ্গায় যখন ৫৩ জন মানুষ মারা যান (যাদের বেশির ভাগই মুসলিম), তখন খালিদ ঘটনাস্থল থেকে এক হাজার মাইল দূরে ছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে মূল পরিকল্পনাকারী সাজানো হয়। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে এই মামলায় ভুয়া সাক্ষী ও প্রমাণ তৈরির অভিযোগ রয়েছে।

বছরের পর বছর ধরে খালিদের জামিনের আবেদন বারবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অন্তহীন অপেক্ষার ধকল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে আশা মরে যেতে থাকে। আর আশা ছাড়া কারাগারে টিকে থাকা অসম্ভব।’ একই সঙ্গে ভারতের বিরোধী দল ও সুশীল সমাজের নীরবতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘তাদের এই নীরবতা স্বৈরাচারী শাসনকে আরও বেশি সাহসী করে তুলছে।’ 

তবে এত অন্ধকারের মধ্যেও খালিদ ভেঙে পড়েননি। কারাগারের সেলে বিপ্লবী ভগত সিংয়ের ছবির পাশে তিনি লিখে রেখেছেন তাঁর বিখ্যাত উক্তি– ‘আমি এমন এক পাগল, যে বন্দিদশায়ও মুক্ত’।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমতা ফিরিয়ে লড়াইয়ে টিকে রইল আইভরি কোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ এম


সমতা ফিরিয়ে লড়াইয়ে টিকে রইল আইভরি কোস্ট

আইভরিকোস্ট নরওয়ের বিপক্ষে সমতায় ফিরেছে। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে আমাদ দিয়ালো অনেকটা একক কৃতিত্বে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলটি করেন। বেঞ্চ থেকে নেমেই আমাদ দিয়ালো একটি জাদুকরী মুহূর্ত উপহার দিলেন। তার দারুণ গোলে আইভরিকোস্ট ম্যাচে সমতায় ফিরেছে। এই গোলটি তার বিশ্বকাপে দ্বিতীয় গোল। প্রথম ৪৫ মিনিটের খেলা শেষে, নরওয়ে এগিয়ে থাকার স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। নরওয়ের উইঙ্গার আন্তনিও নুসা ৩৯তম মিনিটে গোল করেছেন। আইভরিকোস্টও আক্রমণ করে ছাড়েনি। নরওয়ের ৬ শটের বিপরীতে আফ্রিকান দলটি নিয়েছে ৫টি শট, কিন্তু তার মধ্যে চারটি ছিল ‘অফ–টার্গেট।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%