ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫০ বছরের দুর্ভোগের অবসান, তিন গ্রামে কাঠের সেতুর নির্মাণ


৫০ বছরের দুর্ভোগের অবসান, তিন গ্রামে কাঠের সেতুর নির্মাণ

মমূর্ষ রোগী কিংবা আহত কোনো ব্যক্তিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে যেখানে বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। তিনটি গ্রামের মানুষদের একমাত্র সাঁকো পার হয়ে হাতিয়া উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যেতে হতো। এছাড়া দুর্যোগের সময় সাঁকো পার হতে গিয়ে অঙ্গহানীর মতো ঘটনা ঘটেছে অনেক।

উপজেলা সদরের ১০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত তিনটি গ্রাম এই সাঁকোর কারণে অনেকটা বিচ্ছিন্ন ছিল। উন্নত যোগাযোগের অভাবে আধুনিকতার কোনো ছোঁয়া এখানে লাগেনি। দীর্ঘ ৫০ বছর পর সাঁকোটি ভেঙে কাঠের ব্রিজ তৈরি করেছে প্রশাসন, যা তিন গ্রামের চিত্র বদলে দিয়েছে।

নোয়াখালী হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের দক্ষিণে কোরালিয়া, পশ্চিম জোড়খালী ও মাইজচরা গ্রামের অবস্থান। এই তিন গ্রামে প্রায় ১০-১৫ হাজার পরিবারের বসবাস। বাসিন্দাদের তমরদ্দি বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় যেতে কাটাখালী খাল পার হয়ে যেতে হতো। স্বাধীনতার পূর্ব থেকে এই খালে নির্মিত সাঁকো পার হয়ে মানুষদের যাতায়াত করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: কমিউনিটি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বয়স ২৩ হলেই আবেদন করতে পারবেন

স্থানীয়দের মতে, প্রায় দুইশত ফুট দৈর্ঘ্যের এই সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। মুমূর্ষ রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সবাইকে এই সাঁকো পার হয়ে প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হতো। দোকানের মালামাল মাথায় বহন করে এপার ওপার করতে হতো। এই দীর্ঘ সময়ে সাঁকো পার হতে গিয়ে অঙ্গহানীর ঘটনা ঘটেছে অনেক। শিক্ষার্থীদের সাঁকো থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। মাথায় মালামাল বহন করতে গিয়ে কয়েকজন শ্রমিক পঙ্গু হয়েছেন।

কোরালিয়া গ্রামের খালের পাড়ে বেড়ীর উপর দোকান করেন নুরউদ্দিন শেরআলী (৬০)। আলাপকালে শের আলী জানান, তার দোকানের মালামাল আনতে তমরদ্দি বাজার থেকে আসতে হয়। নির্দিষ্ট ভ্যান গাড়ির চালক মাল নিয়ে এসে খালের ওপারে রেখে মাথায় বহন করে সাঁকো পার হয়ে দোকানে পৌঁছে দেন। গত বছর এভাবে মাল আনতে গিয়ে চিনির বস্তাসহ সাঁকো ভেঙে খালে পড়ে যান নুর ইসলাম নামে এই ভ্যান চালক। এতে তার এক হাত ও এক পা ভেঙে যায়। ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করেও সুস্থ হননি। এখন তিনি পঙ্গু হয়ে ঘরে বসবাস করছেন।

শের আলী আরও জানান, এই সাঁকো পার হয়ে গ্রামের শিক্ষার্থীদের তমরদ্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতে হয়। ২০২৫ সালের শেষের দিকে হঠাৎ এক ছাত্রী খালে পড়ে ভেসে যেতে থাকে। সঙ্গে থাকা সহপাঠিদের চিৎকারে দোকান থেকে লোক দৌড়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা সিরাজ মিয়া (৮৫) জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় এই গ্রামে মেয়েদের বিয়েতে অনিহা ছিল অন্যান্য গ্রামের মানুষের। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই সাঁকো পার হয়ে তমরদ্দি বাজার আসা যাওয়া করেন। দিনের বেলায় আসা যাওয়া করা সম্ভব হলেও রাতে তা মোটেও সম্ভব ছিল না।

আরও পড়ুন: সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকরির আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত

তিনি আরও জানান, একবার ছেলে বউয়ের প্রথম সন্তান হওয়ার সময় সমস্যা দেখা দেয়। গ্রামের চিকিৎসকরা দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। সারারাত অপেক্ষা করে সকালে নৌকা দিয়ে খাল পার করে হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

সিরাজ মিয়া আরও বলেন, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধিরা আশ্বাস দিলেও পরে তা মনে রাখেননি। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোনো এক কাজে এই গ্রামে আসতে গিয়ে সাঁকো দেখে থমকে দাঁড়ান। পরে তিনি নিজ উদ্যোগে কাঠের এই ব্রিজ তৈরি করে দেন। নিজের শেষ সময়ে এসে গ্রামের মানুষের এই কষ্ট দেখে বৃদ্ধ সিরাজ মিয়া অনেকটা আবেগ আপ্লুত হয়েছেন।

সম্প্রতি ব্রিজটি সরেজমিনে দেখতে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের অনেক লোক একসঙ্গে জড়ো হয়ে ব্রিজটি দেখছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই আনন্দে আত্মহারা। শুধু গ্রামের বাসিন্দারাই নয়, অন্যান্য জায়গা থেকে দীর্ঘ এই সেতু দেখতে মানুষ আসছেন। দৃষ্টিনন্দন ব্রিজটি সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। নিচে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে তার উপর কাঠের পাটাতন দেওয়া হয়েছে এবং পাশে হাতল দেওয়া হয়েছে। পুরো ব্রিজটি সম্পূর্ণ রঙ দিয়ে সাজানো হয়েছে। গ্রামের মানুষ সাইকেল ও মোটরসাইকেল চালিয়ে পারাপার হচ্ছে। এ নিয়ে সবার মধ্যে এক ধরনের আনন্দ বিরাজ করছে। তাদের আশা একসময় এই কাঠের ব্রিজটিও ইট পাথরের ব্রিজ হবে।

প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরত্বে সোনাদিয়া থেকে এই ব্রিজটি দেখতে আসেন আরিয়ান ফরিদ নামে একজন। ফরিদ জানান, লম্বা ব্রিজটি রঙ দিয়ে সাজানো হয়েছে। দূর থেকে দেখতে এটি অনেকটা সুবিশাল ব্রিজের মতো মনে হয়। এটি এখন দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: দেশ ছেড়ে কেন প্রতিবেশী দেশে যাবেন, এ মাটিই আপনাদের: বরিশাল কমিশনার খলিল আহমেদ

এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বলেন, সম্পূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এলাকাটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। একটি সাঁকোকে ব্রিজে রূপান্তর করে এই অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র। এখানে ইট পাথরের সেতু তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে। তবে সফরকারীরা সুবিধা করতে না পেরে টানা দুই হারে সিরিজটি হাতছাড়া করেছে।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ রেকর্ড গড়লেও জয় পেতে পারেনি। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২২০ রান সংগ্রহ করে। টার্গেট তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেট ও ১৩১ বল হাতে রেখেই জয়লাভ করে।

দুই দল মিলে এদিন মোট ৪৪২ রান করেছে। এটি উভয় দলের ওয়ানডে ম্যাচে রেকর্ড সর্বোচ্চ রান। এছাড়া, এই ম্যাচে সোবহানা মোস্তারি ৭২ রান সংগ্রহের মাধ্যমে একটি রেকর্ড গড়েন।

তিনি ১৩৪ বল খেলে ১৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১১৮ রান করেন। এটি বাংলাদেশ নারী দলের ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এই ইনিংসে বাউন্ডারির সাহায্যে ৭২ রানের রেকর্ড গড়েন মোস্তারি।

এছাড়া, চতুর্থ উইকেটসহ যে কোনো উইকেটে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৯৫ রানের পার্টনারশিপ গড়েন সোবহানা মোস্তারি ও নিগার সুলতানা। অধিনায়ক নিগার সুলতানা ১১৪ বলে ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৭২ রান করেন। এই ম্যাচে ফারজানা হক পিংকি শূন্য রানে আউট হন। ওয়ানডেতে তিনি ১৮বার এই লজ্জার নজির গড়েছেন।

রান তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালায়। ১৯.৫ ওভারে উদ্বোধনী জুটিতে ১৬২ রান করেন জর্জিয়া ভোল ও ফোবে লিচফিল্ড। জর্জিয়া ভোল ৯৭ বল খেলে ১৯টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩১* রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। লিচফিল্ড ৫১ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ৭০ রান করে ফিরে যান। এরপর এলিস পেরিকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন ওপেনার জর্জিয়া ভোল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


জুলাই জাদুঘরের নথি হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ: নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট

নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নথিপত্র এখন আর কেবল ঐতিহাসিক দলিল নয়, বরং এই নথিগুলো হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ বহন করছে।

তিনি রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি গণভবনে পাওয়া নথিপত্রের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিবরণ পর্যালোচনা করেন এবং বলেন, এই জাদুঘর কেবল বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়, বরং বিশ্বের প্রতিটি নাগরিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

স্টিভেন কোলেট আরও বলেন, "জুলাই জাদুঘর আমার দেখা সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী জাদুঘর।" তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই জাদুঘরে প্রদর্শিত নথিগুলো এখন আর কেবল নথিপত্র নয়, বরং তা ওই সময়ের হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ হিসেবে কাজ করছে।

নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রী পরিদর্শনকালে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের স্মারকসমূহ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ভিডিওচিত্রও দেখেন। শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তি।

জাদুঘর পরিদর্শন শেষে স্টিভেন কোলেট বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, "আমি এই জাদুঘরের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিবাদন জানাই।" তিনি আরও বলেন, "এই জাদুঘর আমাদের সবাইকে এমন এক ইতিহাসের কথা বলে, যা কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়।"

তিনি যোগ করেন, জুলাই জাদুঘর আমাদের মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ করে তোলে।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেল, দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ইয়ানা ভান দের লিন্দেন, ফার্স্ট সেক্রেটারি জাওয়াদ আজওয়ি এবং রাজনীতি ও জনকূটনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন মাসুম উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


বাংলাদেশের আকাশে জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এর ফলে, সোমবার (১২ অক্টোবর) রবিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখার বিষয়ে বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী নদভী, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান এবং সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার প্রফেসর ওবায়দুল হকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুকে স্বীকৃতি, আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুকে স্বীকৃতি, আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রাজবাড়ীর ধর্ষণ মামলায় ফারুক হোসেন নামের এক আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল জজ আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন। আদালত একইসঙ্গে ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুকে সন্তানের স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ওয়ারিশ হিসেবে তার সকল অধিকার পাবে বলেও রায় দিয়েছেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. তহিদুল ইসলাম এই রায় প্রদান করেন।

রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার আহম্মদ খার ছেলে।

আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকশায় আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে দুই মাস ধরে ধর্ষণ করেন ফারুক। পরে ঢাকা নিয়ে চার মাস অবস্থান করেন। ঘটনার পর ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সালিশে তাকে বিয়ে করার জন্য ফারুক রাজি হন। কিন্তু পরে তিনি বিয়ে না করে পালিয়ে যান। ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ওই নারী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার দুপুরে আসামি মো. ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ওই শিশুটির ভরণপোষণ সরকার ২১ বছর পর্যন্ত বহন করবে। আদালত রায় দিয়েছেন যে ফারুক হোসেনের জৈবিক চাহিদায় জন্ম নেওয়া শিশুটি তার সন্তান এবং ওয়ারিশ হিসেবে ফারুক হোসেনের সমস্ত কিছু পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%