০৮:৫৯ পি.এম
রাজবাড়ীর ধর্ষণ মামলায় ফারুক হোসেন নামের এক আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল জজ আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন। আদালত একইসঙ্গে ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুকে সন্তানের স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ওয়ারিশ হিসেবে তার সকল অধিকার পাবে বলেও রায় দিয়েছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. তহিদুল ইসলাম এই রায় প্রদান করেন।
রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার আহম্মদ খার ছেলে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকশায় আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে দুই মাস ধরে ধর্ষণ করেন ফারুক। পরে ঢাকা নিয়ে চার মাস অবস্থান করেন। ঘটনার পর ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সালিশে তাকে বিয়ে করার জন্য ফারুক রাজি হন। কিন্তু পরে তিনি বিয়ে না করে পালিয়ে যান। ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ওই নারী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার দুপুরে আসামি মো. ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ওই শিশুটির ভরণপোষণ সরকার ২১ বছর পর্যন্ত বহন করবে। আদালত রায় দিয়েছেন যে ফারুক হোসেনের জৈবিক চাহিদায় জন্ম নেওয়া শিশুটি তার সন্তান এবং ওয়ারিশ হিসেবে ফারুক হোসেনের সমস্ত কিছু পাবে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন