রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৯ পি.এম
পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সেলস অ্যাসোসিয়েট
লোকবল নিয়োগ: ৫০০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে ইনভেন্টরি বা মজুদ পণ্য গণনা, আপ-সেল ও ক্রস-সেলে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ বছর
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
কর্মক্ষেত্র: আউটলেট
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩২ বছর
কর্মস্থল হিসেবে বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ঢাকা (সাভার), দিনাজপুর, ফরিদপুর, ফেনী, যশোর (যশোর সদর), খুলনা, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী, রাজশাহী ও রংপুর নির্ধারিত করা হয়েছে।
বেতন: ১০,০০০-১২,০০০ টাকা (মাসিক)
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত চারজনের মধ্যে তিনজন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। অপর একজনের সম্পৃক্ততা নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— সদর দক্ষিণ উপজেলার সানন্দা এলাকার নূরে আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), সালমানপুর এলাকার মমিন হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকার মো. আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে কামরুল হাসান (১৫) এবং সদর দক্ষিণের এলাহিপুর এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে মো. সিয়াম।
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তুহিন অপ্রতীমকে নির্জন জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, তুহিন মূলত অপ্রতিমের মায়ের আইফোনের দিকে নজর ছিল। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, ওই ফোন নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও তার বন্ধু কামরুল হাসান। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফাহাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কামরুল হাসানও হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে জানা যায় এবং তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে, গ্রেপ্তারকৃত সিয়ামের সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে অপ্রতিম মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয়। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ এবং গণপরিবহনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এর ধারাবাহিকতায়, মিরপুরের পল্লবীতে পরিস্থান পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিরামিক রোডে এই ঘটনা ঘটে।
পরিস্থান পরিবহনের মালিক খান মো. মহিতুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তার সাবেক ড্রাইভার ফোন করে তাকে জানায় যে, পরিস্থান বাসটিতে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে, তার বাসটি পুড়ে গেছে।
মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে বৃষ্টির মধ্যে সিরামিক রোডের সরকারি কলেজের পাশে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সকাল সোয়া ৭টার থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে পার্কিং অবস্থায় পরিস্থান পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
একইদিন মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে হাইকোর্ট ও শিল্পকলা একাডেমির সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুপুর দেড়টার দিকে শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। আর হাইকোর্টের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে দুপুর সোয়া ১টার দিকে।
এর আগে, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার পরে রাজধানীর শাহবাগে তিন নেতার মাজারের পাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তার আগে সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের একটি নির্জন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়, যাতে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন।
ককটেল বিস্ফোরণের এসব ঘটনার পাশাপাশি শনিবার সন্ধ্যা ও রাতে রাজধানীর মিরপুর, মধ্যবাড্ডা এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তিনটি বাস ও একটি পিকআপে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাসে এবং মধ্যবাড্ডায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে সড়কের ওপর জব্দ করে রাখা একটি পিকআপে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
এছাড়া, গত শুক্রবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত নয়টি এলাকায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, মগবাজার, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও নিউমার্কেট এলাকায় এসব বিস্ফোরণ ঘটে। কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এদিকে, ঢাকায় দুইদিন ধরে চলমান এই ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোল্লা মো. শাহীন জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই রাজধানীতে এসব নাশকতা চালানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীতে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে জামায়াতের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১১টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলা শরীফপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম খানপুর গ্রামের ফরাজী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজী বাড়ির মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা অনুভব করায় সে বাবুনগর এলাকার হাসানহাট বাজারে আলমগীরের ওষুধের দোকানে যায়। আলমগীর ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করেন।
শিশুটির বাবার অভিযোগ, মাথাব্যথা ঝাড়ফুঁক করলে ভালো হয়ে যাবে বলে আলমগীর শিশুটিকে দোকানের পেছনের একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে নিপীড়ন করা হয়। এ ঘটনার পর কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। পরে শিশুটি শরীরে ব্যথা অনুভব করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, ২০২২ সাল পর্যন্ত আলমগীর জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলীয় কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শনিবার রাতে মামলা করেন। ওই মামলায় রাতেই আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আজ দুপুরে আলমগীরকে বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম ও তৎপরতার বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন জবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ওই ব্যক্তি সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দাবি করেন। বিষয়টি নজরে আসার পর তারা প্রতিবাদ জানান এবং পরে ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দাবি, আটক ব্যক্তি অতীতে স্থানীয় পর্যায়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, "আমরা সকাল থেকে ছাত্রলীগের তৎপরতার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক কর্মী আমাদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। বিষয়টি আমাদের নেতাকর্মীদের নজরে এলে আমরা এর প্রতিবাদ জানাই এবং তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ধরনের তৎপরতা মেনে নেওয়া হবে না।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের অবস্থান কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নয়। যারা নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিচয়ে ক্যাম্পাসে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিষয়ে আমরা সতর্ক থাকব। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করব।"
কর্মসূচিতে উপস্থিত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেদ বলেন, "ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাসে কোনো ঠাঁই দেওয়া হবে না। ছাত্রলীগকে বিভিন্নভাবে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কারা যুক্ত হয়ে তৎপরতার সুযোগ করে দিচ্ছে, সেটিও আমরা লক্ষ্য করছি।"
তিনি আরও বলেন, "ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় প্রস্তুত থাকবে। কোনো ধরনের তৎপরতা বা অরাজকতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের নিরাপত্তার জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় পাশে থাকবে।"
উল্লেখ্য, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের পূর্বঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন জবি ছাত্রদল ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। একই দিন জবিতে ছাত্রলীগের তৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচির খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ