বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ পি.এম
চট্টগ্রাম বন্দরে পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরে নোঙর করেছে চীনা নৌবাহিনীর তিনটি যুদ্ধজাহাজ, যেগুলোর নাম হলো ‘থাং শান’, ‘দা ছিং’ ও ‘থাই হু’।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) যখন জাহাজগুলো বন্দরে পৌঁছায়, তখন কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে চীনা নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সুসজ্জিত বাদকদল ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী ব্যান্ড পরিবেশন করে। এই অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, চীনা নাগরিক এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, চীনা নৌবাহিনীর জাহাজগুলো যখন বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে, তখন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা ওমর ফারুক’ তাদের অভ্যর্থনা জানায়।
সফরকালে চীনা নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর অধিনায়ক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের মিলিটারি অ্যাটাশেসহ একটি প্রতিনিধি দল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার বিএন ফ্লিট এবং চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া, সফরকারী জাহাজগুলোর কর্মকর্তা ও নাবিকরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন জাহাজ ও ঘাঁটি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরা চীনা নৌবাহিনীর জাহাজ পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।
এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের নৌসদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক কার্যক্রম ও পেশাগত বিষয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি উভয় দেশের নৌবাহিনীর সদস্যরা পরস্পরের কার্যক্রম ও পেশাগত উৎকর্ষ সরাসরি পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এ ধরনের শুভেচ্ছা সফরের মাধ্যমে দুই দেশের নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকদের মধ্যে পেশাগত মতবিনিময়, ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শুভেচ্ছা সফর শেষে চীনা নৌবাহিনীর জাহাজ তিনটি আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জলসীমা ত্যাগ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্যের ব্যক্তিগত সচিবের (পিএস) বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অসহযোগিতা ও রূঢ় আচরণের একাধিক অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় পেতে নানা ধরনের ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। সম্প্রতি জকসুর এক প্রতিনিধির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর আরও কয়েকজন তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
অভিযোগকারীদের মতে, উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়ার সময় পিএসের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। অনেকের অভিযোগ, তাদের সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলা হয়েছে এবং সাক্ষাতের বিষয়ে পরে জানানো হবে বলেও কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীও ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে আগস্টের পর ডিন অফিস পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিতর্ক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এক শিক্ষার্থী জানান, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চাইতে গিয়ে তাকে প্রায় তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়েছে। তার অভিযোগ, সাক্ষাতের বিষয়টি উপাচার্যের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি মনে করেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকট ও সংস্কারসংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলার জন্য তারা সাক্ষাতের উদ্যোগ নেন। প্রথমে চেয়ারম্যান ছাড়া দেখা করা যাবে না বলে জানানো হয়। পরে চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে সময় চাওয়ার পর আবেদন গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এরপর আর সাক্ষাতের সময় বা এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির অভিযোগ, পিএসের আচরণে সাংবাদিকদেরও বিভিন্ন সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কয়েকটি পোস্ট ও মন্তব্যে ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে ‘রূঢ়’, ‘বদমেজাজী’ ও ‘অসহযোগিতামূলক’ মন্তব্য করা হয়েছে।
সম্প্রতি জকসুর হল সংসদের সংস্কৃতি সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পেতে গিয়ে অসহযোগিতা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেন। তার ভাষ্য, বার্ষিক ফেস্ট আয়োজনের বিষয়ে সময় চাইতে গেলে পিএস প্রথমে জানান, সাক্ষাতের সময় দেওয়ার দায়িত্ব তার নয়। পরে দায়িত্ব তার ওপর থাকার বিষয়টি স্বীকার করলেও নির্দিষ্ট দিনের সাক্ষাতের কথা উপাচার্যকে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
ফাতেমা তুজ জোহরা আরও অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে তাকে উপাচার্য আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়। শুধু সাক্ষাতের সময় জানার জন্য অনির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করা সম্ভব নয় জানিয়ে পরে সময়সূচি জানাতে অনুরোধ করলে পিএস উচ্চস্বরে কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি সময়সূচি দেবেন না বলেও জানান বলে অভিযোগ করেন ফাতেমা।
এসব অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার পদ্ধতি এবং উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পেশাদার ও সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইচ উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না। আপনাদের সাংবাদিকদের কয়েকজনের মাধ্যমে মাত্রই বিষয়টি জানলাম। দ্রুতই তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পিএসের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী না।”
উল্লেখ্য, এর আগেও ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সরকারদলীয় হুইপ মো: আখতারুজ্জামান মিয়া মন্তব্য করেছেন যে, দিনাজপুরের মানুষ নিজেদের বঞ্চিত ভাবার সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, "আপনারা নিজেদেরকে কোথায় নিয়ে যেতে চান সেটা আপনাদেরকে ঠিক করতে হবে।"
এই বক্তব্যগুলো তিনি বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলা সমিতির নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে প্রদান করেন।
হুইপ আরও বলেন, "আমরা কোন জায়গায় আছি, কী করতে চাই, সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে। প্রত্যেকটি মানুষের দেশের আইনের প্রতি যথাযথ সম্মান থাকতে হবে, আইন মানতে হবে। আমি মানুষ এবং মানুষের সাথেই আমার সবচেয়ে বড় সম্পর্ক থাকবে।"
তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "নবীন শিক্ষার্থীরা কী হতে চাও, সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে। সর্বদা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি আদায় করতে হবে। আমাদের সবাইকে কিছু না কিছু করতে হবে। নিজেদের মধ্যে চেষ্টার মানসিকতা থাকতে হবে সর্বোচ্চ। আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞান সৃষ্টিকর্তা যতটুকু দান করেছেন, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।"
এসময় দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "আমাদের প্রকৃত মানুষ হতে হবে। মানুষকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। আমাদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান অনেকটাই কমে গেছে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি পিতা-মাতা এবং শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান রাখবে।"
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, "দিনাজপুর জেলা ছাত্র-কল্যাণ সমিতি যেন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একটি সংগঠন হয়। ব্যক্তির মতভেদ থাকলেও এই সংগঠনটি যেন সবসময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে।"
এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর মো. কামরুজ্জামান, দিনাজপুরস্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল ও বাস্কেটবলের মতো বেশ কিছু ডিসিপ্লিনের খেলা শুরু হয়ে গেলেও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে এশিয়ান গেমসের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর। বহুজাতিক এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন নিয়ে শুরু থেকেই নেতিবাচক খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আয়োজক দেশ জাপান। দক্ষিণ কোরিয়া টুর্নামেন্টের আবাসন ব্যবস্থাকে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বাজে’ বলে অভিহিত করেছে। একই অভিযোগ করেছে ভারতসহ বেশ কিছু দেশ।
বিভিন্ন দেশের অ্যাথলিটরা মূলত থাকার জায়গা নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। পরিস্থিতি সামলাতে আয়োজক দেশ ক্রুজ জাহাজও প্রস্তুত রেখেছে।
এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস, রোয়িং, অ্যাথলেটিক্স, শুটিংয়ের দল কয়েক ধাপে ইতোমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে আয়োজক শহর আইচি-নাগোয়ায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা থাকার রুম পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষত রোয়িং বা শুটিংয়ের মতো যেসব খেলার দল সবার আগে পৌঁছেছে, তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সবচেয়ে বেশি। অনেককেই ঘর পাওয়ার জন্য কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। দেখা গেছে, দীর্ঘযাত্রার ক্লান্তির কারণে বহু ক্রীড়াবিদ গেমস সেন্টারের লবিতে থাকা সোফাতেই ঘুমিয়ে পড়েছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মঙ্গলবার আইচি-নাগোয়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারতের শুটিং দল। কিন্তু তাদের ঘর দেওয়া হয়নি। ফলে সারা রাত লবিতেই কাটাতে হয়েছে শুটারদের। অবশেষে ভোরের দিকে তাদের জন্য ঘর বরাদ্দ করা হয়। ক্রীড়াবিদদের থেকেও খারাপ অবস্থায় ছিলেন সাপোর্ট স্টাফরা, কারণ তাদের ঘর পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে আরও বেশি সময়।
ভারতের এক কোচ আইচি-নাগোয়া থেকে গণমাধ্যমকে জানান, ‘আমরা বুধবার এসেছি। যারা মঙ্গলবার এসেছে, সবচেয়ে বেশি ভুগেছে তারা। কারণ প্রথমদিকে একেবারে অচলাবস্থা ছিল। আমরা যখন এসেছি, পরিস্থিতি সামান্য হলেও উন্নত হয়েছে। তারপরও আমাদের প্লেয়াররা ঘণ্টা দু’য়েক অপেক্ষা করেছে ঘর পাওয়ার জন্য। ওদের ক্রুজে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমাদের ঘর তখন দেওয়া হয়নি। জায়গা পেলাম রাতের দিকে। আমরা স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ এসেছি। আর আমাদের ঘর দেওয়া হল রাত দশটার দিকে। তাও আবার গেমস সেন্টার থেকে অনেকটা দূরে। সেন্টার থেকে বাসে করে রাত এগারোটার দিকে হোটেলে এসেছি।’
এই অব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে খেলোয়াড়দের রুম বরাদ্দ না রাখা চরম অপমানের শামিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জঙ্গল সলিমপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, যা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের সংগঠিত হওয়ার সুযোগ রোধ এবং সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন স্থানে এই অভিযানটি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় তিন শতাধিক সদস্য, যার মধ্যে রয়েছে পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি, এপিবিএন। অভিযান চলাকালীন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানানো হয় যে, কোনো অপরাধ বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম মন্তব্য করেন, "সমন্বিত এ অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের সংগঠিত হওয়ার সুযোগ প্রতিরোধ, সম্ভাব্য নাশকতার প্রস্তুতি নস্যাৎ এবং অপরাধ সংঘটনের অনুকূল পরিবেশ রোধের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
জঙ্গল সলিমপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্গম এলাকায় জননিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ সময় পুলিশ, বিজিবি ও এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ