ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামী


স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামী

ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে নুর নবী হোসেন (৩০) নামে একজন দিনমজুর নিহত হন। তিনি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ অভিযুক্ত মো. শাহ পরান যিনি ফয়সাল ও সাদ্দাম হোসেন নামেও পরিচিত, তাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত ধারাল চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত নুর নবী হোসেনের পিতা আব্দুর রব, এবং মাতা আঞ্জু বেগম। নুর নবী হোসেনের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মনসাদ বাড়ী এলাকায়। নদীভাঙনের কারণে তার পরিবার ঢাকা শহরে বসবাস শুরু করে। পরে, তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতে থাকেন। পরে দাগনভূঞা উপজেলার মৃত বেলাল হোসেনের কন্যা বিবি ফাতেমার সাথে পরিচয়ের মাধ্যমে তার বিয়ে হয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনে বোতল কুড়িয়ে বিক্রি এবং বিভিন্ন ধরনের দিনমজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাতের বেলা মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচেই তারা ঘুমাতেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার (২৬ জুলাই) ভোরে আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে নুর নবী ও তার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। সেই সময় একই স্থানে বসবাসকারী শাহ পরান, যিনি ফয়সাল ও সাদ্দাম হোসেন নামেও পরিচিত, বিবি ফাতেমার শরীরে বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনাটি শুনে নুর নবীর ঘুম ভেঙে গেলে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয় এবং পরে মারামারি শুরু করে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

নুর নবী যখন অভিযুক্তকে ঘুষি মারলেন, তখন শাহ পরান তার সাথে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে নুর নবীর পেটের দুই পাশে ছুরিকাঘাত করেন। এর ফলে নুর নবী গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়দের সহায়তায়, তাঁকে প্রথমে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে ঢাকা যাওয়ার পথে ফেনী পৌরসভার হাজারী রোড এলাকায় নুর নবীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আবার ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে ২৬ জুলাই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি সোমবার (২৭ জুলাই) ফেনী মডেল থানার মামলা নম্বর-৫৫ হিসেবে পেনাল কোডের ৩০২ ধারায় রুজু করা হয়।

মামলা দায়েরের পর, পুলিশ সুপার ফেনীর সার্বিক নির্দেশনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী মডেল থানার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। পরে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানার এলাকা থেকে পলাতক শাহ পরান, যিনি ফয়সাল ও সাদ্দাম হোসেন নামেও পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারাল চাকু উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা মাজারে ফেলে গেছেন, হাসপাতালে ছটফট করছে সাত মাসের শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


মা মাজারে ফেলে গেছেন, হাসপাতালে ছটফট করছে সাত মাসের শিশু

একটি শিশুর জন্য যে বয়সটি হল মায়ের বুকের উষ্ণতা, মমতার স্পর্শ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের, সে বয়সেই আজ সাত মাসের একটি শিশু হাসপাতালের একটি শয্যায় নির্বাক অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ছোট দুটি হাত নেড়ে, কান্নাভেজা চোখে যেন সে খুঁজে ফিরছে তার মাকে। কিন্তু যে তার মা, সেই মানুষটি তাকে ফেলে চলে গেছেন, এই অভিযোগে সবার মন ভারী হয়ে উঠেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর কেল্লা বাবা (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায় যে, গত ২৩ জুলাই মাজার প্রাঙ্গণে একটি সাত মাস বয়সী ছেলে শিশুকে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগকে জানানো হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা নরুল ইসলাম চৌধুরী গিয়ে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শিশুটিকে পরে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসক এবং নার্সদের তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এ ঘটনার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি শিশুকে এভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বেদনার সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, এই নির্মম ঘটনার মধ্যেও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা বিভাগ এবং হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। তারা শিশুটির নিরাপদ আশ্রয় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্সরা জানায় যে, শিশুটিকে দত্তক নিতে ইতোমধ্যে অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, "খবর পাওয়ার পরেই হাসপাতালে এসে হাজির হয়েছি। আমার একটি ছেলে আছে। এ শিশুটিকে দত্তক নিতে চাই।" তিনি জানান যে দুই দিন ধরে তিনি হাসপাতালে আসছেন এবং শিশুটির খবর রাখছেন ও তার সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স সানজিদা মাহমুদ বলেন, "শিশুটি বর্তমানে আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা মনিটর করা হচ্ছে।" তিনি বলেন, "অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তবে এ বিষয়ে সরকার নির্ধারিত আইন ও সমাজসেবা বিভাগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা দরকার।"

আখাউড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, "খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সমাজসেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে শিশুটির সার্বিক বিষয় দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

ইউএনও তাপসী রাবেয়া বলেন, "খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজ নিয়েছি এবং তার সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোনারগাঁয়ে মিছিলের প্রস্তুতির সময় ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


সোনারগাঁয়ে মিছিলের প্রস্তুতির সময় ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মী আটক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালীন বিষয়টি নজরে রেখে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল বেলায় উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের শিরাবো এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করার কার্যক্রম শুরু হয়।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র দ্বারা জানা গেছে, সোমবার বিকেলে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে একটি মিছিলের আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে দেখা গিয়েছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। একপর্যায়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের সহায়তায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

গ্রেপ্তারকৃত ১২ জনের মধ্যে রয়েছে- রায়হান মিয়া, শাওন শেখ, রাব্বী মিয়া, বিজয় পাল, সূর্য্যদেব চন্দ্র পাল, ঈশান সাহা, রাজ সাহা, রুদ্র দেব, আবির হাসান, শাহরিয়ার হাসান, ইমন মিয়া এবং যোবায়ের হোসেন। তারা সকলেই নারায়ণগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা।

তালতলা বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক এইচ,এম জসিমউদ্দিন বলেন, "মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালীন স্থানীয়দের সহায়তায় ১২ জন ছাত্রলীগকর্মীকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণার ৮ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


নেত্রকোণার ৮ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে সমির মিয়া (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য জানান। এর আগে রোববার (২৬ জুলাই) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সমিরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে।

এদিকে, অভিযুক্ত সমির মিয়া সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রাইভেট পড়া শেষে ভুক্তভোগী শিশুটি এবং তার পাঁচ বছর বয়সী ভাই বাড়ি ফিরছিল। পথে অভিযুক্ত সমির মিয়া শিশুটিকে জোর করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে হাত ও মুখ বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় শিশুটির সঙ্গে থাকা ছোট ভাই বাধা দিলে অভিযুক্ত তাকে মারধর করে ভয় দেখান। পরে শিশুটির চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। রোববার শিশুটিকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। চিকিৎসা শেষে, শিশুটির মা সমির মিয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে রাতেই মামলাটি রেকর্ডভুক্ত করা হয়।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সমির মিয়া পলাতক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত গা ঢাকা দিয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত

কক্সবাজারের রামুতে অটোরিকশায় কার্ভাডভ্যানের আঘাতের ফলে দুই বোনসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার শহীদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কের (কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক) খুনিয়াপালং ইউনিয়নের মধ্যম খুনিয়াপালং এলাকায় এই ঘটনার অবতারণা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে শাহনাজ বেগম (৪০) এবং রুবিন বেগম (৪২) রয়েছেন। তারা উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা এলাকার জাফর আলমের কন্যা। নিহত অপর অটোরিকশাযাত্রীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু হাইওয়ে ক্রসিং থানার পরিদর্শক সুকান্ত চক্রবর্তী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘‘বিকেলে রামুর মধ্যম খুনিয়াপালং এলাকায় কক্সবাজারমুখী কাভার্ডভ্যানটি বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়, ফলস্বরূপ ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হন এবং চালকসহ তিনজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।’'

কাভার্ডভ্যানের চালক ও তার সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে, তবে দুর্ঘটনায় জড়িত দুই গাড়িকে জব্দ করা হয়েছে। নিহতদের মৃতদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, ঘটনার ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%