ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যেভাবে চুরি করা হয় গির্জার ৭০ কেজি ওজনের ঘণ্টা


যেভাবে চুরি করা হয় গির্জার ৭০ কেজি ওজনের ঘণ্টা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সেইন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের পিতলের ঘণ্টা চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় গির্জার সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের অভিযান চালিয়ে জাকির হোসেন রোডের একটি ডাস্টবিনের পাশে ঘণ্টাটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে মোহাম্মদপুরের ৯২ আসাদ অ্যাভিনিউয়ে ওয়াসা ভবনের সামনে অবস্থিত সেইন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চে এই চুরির ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১ অক্টোবর রাত ১২টা ৩ মিনিটের পর গির্জার দোতলার উন্মুক্ত স্থান থেকে ঘণ্টাটি চুরি করা হয়। এর আগে থেকেই গির্জার সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ ছিল।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

ঘটনার খবর পাওয়ার পর শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এরপর চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য একাধিক দল অভিযান শুরু করে।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম আজকের পত্রিকাকে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। চোরাই মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, পুলিশের তৎপরতার মধ্যে চোরেরা ঘণ্টাটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ২ অক্টোবর রাত ২টা ৫০ মিনিটে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের একটি ময়লার ডাস্টবিনের পাশে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ঘণ্টাটি উদ্ধার করা হয়।

সিসিটিভি রেকর্ডিং বন্ধ থাকার বিষয়টি তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানালেন ওসি আবদুল হালিম। তিনি বলেন, রাত ১২টা ৩ মিনিট থেকে চার্চের সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং অপশন বন্ধ ছিল। কেন এবং কীভাবে সেটি বন্ধ হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৪৮৪ জন গ্রেপ্তার

চোর বা চোরদের শনাক্ত করার জন্য আশপাশের বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া পিতলের ঘণ্টাটি বর্তমানে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়ার ছাড়া ভারতের আর কোনো বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


শেখ হাসিনাকে ঢুকতে দেওয়ার ছাড়া ভারতের আর কোনো বিকল্প ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনাকে ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়ার ছাড়া ওই সময় ভারতের কাছে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে এক সেশনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ঐতিহাসিক ও পুরোনো বন্ধু হিসেবে সংকটময় পরিস্থিতিতে ভারত যা করা উচিত ছিল, সেটাই তারা করেছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজটিকে ভারতে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "অনুমতি না দিলে কী ঘটতে পারত তা কারও জানা নেই।"

তিনি আরও বলেন, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, শেখ হাসিনাকে আমাদের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। সেসময় বাংলাদেশের মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটা হয়েছিল এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এমন পরিস্থিতি যেন আর কখনো না ঘটে, যেখানে নির্দোষ মানুষ নিহত হয়। সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন।

তিনি বলেন, সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল, যার জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। তিনি টেলিভিশনে দেখছিলেন এবং স্ক্রলে লেখা আসছিল যে শেখ হাসিনা অন্য কোথাও, অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন। সেই সময়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ বিষয়ে তাদের কাছে বিকল্প ছিল না। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া তাদের দায়িত্ব ছিল।

ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি এর জন্য প্রস্তুত থাকেন না। তিনি প্রশ্ন করেন, "আমাদের কাছে আর কী বিকল্প ছিল?" তিনি বলেন, "যদি বলতাম যে, না আমরা তাকে গ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ডিংয়ের অনুমতি দেব না, তবে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত তা আমার জানা নেই।" তাই তিনি বলেন, এটিই হলো ঐতিহাসিক কারণ।

তিনি আরও বলেন, বাকিটা তার জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, সে বিষয়ে সবাইকে নিশ্চিত থাকতে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মতো ভারতও একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ এবং আশা করেন যে, সবাই আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবে। আইনি ব্যবস্থা তার কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জরুরি নির্দেশনা: ফুটপাত দখল প্রতিরোধে মনিটরিং টিম গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জরুরি নির্দেশনা: ফুটপাত দখল প্রতিরোধে মনিটরিং টিম গঠন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত দখল করে দোকান বা অন্যান্য স্থাপনা বসানো প্রতিরোধের জন্য একটি মনিটরিং টিম গঠন করেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ডিএনসিসির একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নির্দেশে এই মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। টিমটি নিয়মিতভাবে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা পর্যবেক্ষণ করবে।

যদি ফুটপাত দখল করে কোনো দোকান বা স্থাপনা বসানো হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, ফুটপাত দখল করে যাতে নতুন করে কোনো দোকান বা স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে মনিটরিং টিম নিয়মিত নজরদারি করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জানুয়ারিতে নতুন বই বিতরণ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইউনিফর্ম: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


জানুয়ারিতে নতুন বই বিতরণ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইউনিফর্ম: শিক্ষামন্ত্রী

জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বই বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে প্রাথমিকে ইউনিফর্ম ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকার সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে শিক্ষাকার্যক্রমের তদারকি করছেন। সরকার দেশের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন বই বিতরণ করা হবে। বইয়ের মান নিশ্চিত করতে এইবার ভালো মানের কাগজ ও কালি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, নিম্নমানের কারণে প্রকাশকদের কাছ থেকে তিন লাখ বই ফেরত নেওয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রকাশকের কাজে মানের ঘাটতি দেখা দেয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বই বিতরণের পর যদি কোনো অনিয়ম বা গাফিলতির অভিযোগ আসে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্মসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন বিভাগ বন্যপ্রাণীর গায়ে মাইক্রোচিপ বসাবে, কিন্তু কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


বন বিভাগ বন্যপ্রাণীর গায়ে মাইক্রোচিপ বসাবে, কিন্তু কেন?

বাংলাদেশ বন বিভাগ এবার বন্য প্রাণীদের নিরাপত্তা ও পাচার রোধে মাইক্রোচিপ বসানোর পরিকল্পনা করছে। এর আগে, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত নজরদারি এবং অরক্ষিত সীমানাদেয়ালের সুযোগ নিয়ে গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে একাধিকবার বন্য প্রাণী পাচারের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি, পাচার হয়ে যাওয়া বন্য প্রাণী শনাক্তের জন্য ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের উদ্যোগও নিতে চায় পার্ক কর্তৃপক্ষ।

বন্য প্রাণীর ডিএনএ সনাক্তকরণ সম্ভব হলে নির্দিষ্ট প্রাণীর জেনেটিক ছাপ সংগ্রহ করে রাখা হবে, যা পরবর্তীতে সেই প্রাণী বা তার রক্তের সম্পর্কযুক্ত অন্য প্রাণীকে বৈজ্ঞানিকভাবে শনাক্ত করতে সহায়তা করবে, যা মানুষের ফরেনসিক ডিএনএ টেস্টের মতো।

মাইক্রোচিপ হলো একটি ছোট ইলেকট্রনিক চিপ, যার মধ্যে একটি মৌলিক নম্বর থাকে। শনাক্তকরণ যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করলে ওই নম্বরের মাধ্যমে প্রাণীটিকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বন বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, বন্য প্রাণী হারিয়ে গেলে বা পাচারের পর উদ্ধার হলে সেগুলো সাফারি পার্কের কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। মাইক্রোচিপ বসানোর ফলে এ সংশয় দূর হবে এবং পাচার ঠেকাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দেশে বর্তমানে দুটি সাফারি পার্ক রয়েছে। একটি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক এবং অন্যটি গাজীপুর সাফারি পার্ক। গাজীপুর সাফারি পার্ক দেশের বৃহত্তম সাফারি পার্ক, যা ২০১০ সালে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৩ হাজার ৬৯০ একর এলাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২০১৩ সালে ৭৩ প্রজাতির ১ হাজার ৫০০ বন্য প্রাণী নিয়ে এ পার্কের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এখানে ৮৪ জন জনবল কর্মরত রয়েছে।

বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের এক কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা সংবেদনশীল ও দুর্লভ বন্য প্রাণীর ডিএনএ প্রোফাইলিং এবং মাইক্রোচিপ বসানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এ কাজটি বন বিভাগের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট করবে। তাদের ফরেনসিক ল্যাব থেকে এটি সম্পন্ন হবে।’

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘দেশের দুটি সাফারি পার্কের বন্য প্রাণীর দেহে মাইক্রোচিপ বসানো এবং ডিএনএ প্রোফাইলিং করার জন্য আমরা একটি প্রস্তাব পেয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, কোন কোন বন্য প্রাণীর মাইক্রোচিপ ও ডিএনএ প্রোফাইলিং প্রয়োজন, তা সুনির্দিষ্ট করে কাজ শুরু করা হবে। কিছু মাইক্রোচিপ বন বিভাগের কাছে রয়েছে, বাকিগুলো সংগ্রহ করে কাজ শুরু হবে। ফরেনসিক ল্যাবে কিছু রিএজেন্টের ঘাটতি রয়েছে, যা এক মাসের মধ্যে চলে আসবে।

মাইক্রোচিপ বসালে কী উপকার হবে

২০২৪ সালের ২২ নভেম্বর গাজীপুর সাফারি পার্কের সাফারি কিংডম এলাকা থেকে গ্রিন উইং ম্যাকাও নামের দুটি পাখি চুরি হয়। এ ঘটনায় একটি পাখি উদ্ধার ও একজনকে আটক করা হলেও চুরির রহস্য উদ্‌ঘাটন করা যায়নি। এরপর ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি একটি নীলগাই হারিয়ে যায় পার্ক থেকে, যা আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০২৫ সালের মার্চে ঘটে সাফারি পার্কের সবচেয়ে দুর্লভ প্রাণী মাদাগাস্কারের লেমুর চুরির ঘটনা। পার্ক থেকে তিনটি রিং-টেইলড লেমুর পাচার হয়ে যায়। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষে সিআইডি জানায়, এগুলো সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পাচার হয়ে গেছে।

বারবার চুরির ঘটনা রোধে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান বন্য প্রাণীর নিরাপত্তার স্বার্থে মাইক্রোচিপ বসানোর জন্য বন অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ে চিঠি দেন। এরপর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শারমীন আক্তারও চিঠিতে একমত পোষণ করেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পার্কের বন্য প্রাণী পাচার বা চুরি হলে মাইক্রোচিপ থাকলে সেগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এরপর এক বছর পর মাইক্রোচিপের সঙ্গে ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে বন অধিদপ্তর।

সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান জানান, গাজীপুর সাফারি পার্কের আয়তন সাড়ে তিন হাজার একরের বেশি। বিশাল এ পার্কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বন্য প্রাণীদের নিরাপত্তার স্বার্থে মাইক্রোচিপ ও ডিএনএ প্রোফাইলিং করা অত্যাবশ্যক। এছাড়া, বন্য প্রাণীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কেও উপাত্ত পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

বিশিষ্ট বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞ রেজা খান, যিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই সাফারি পার্কে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন, বলেন, এটি একটি ভালো উদ্যোগ। বিশ্বব্যাপী সাফারি পার্কগুলোতে এ ধরনের চর্চা রয়েছে। তবে সাফারি পার্কে আরও নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা বিদ্যমান।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, খাঁচাগুলো অস্বাস্থ্যকর। বন্য প্রাণীগুলো এ ধরনের আবদ্ধ অবস্থায় অস্বস্তি বোধ করে। বিষয়গুলো বোঝার মতো সাফারি পার্কে জ্ঞানসম্পন্ন লোকবল নেই। ৫০ দশকের পুরোনো পদ্ধতিতে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা চলছে। সেখানে পরিবর্তন আনতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%