বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:১৯ পি.এম
থাইল্যান্ডের একটি স্কুটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ছোট পর্দার একজন জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। ঘটনাটি ঘটে যখন তিনি একটি নাটকের শুটিং করছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে চারটার পর এটি ঘটে। এই দুর্ঘটনায় খায়রুল বাসারের পাশাপাশি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনি। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডের পাতায়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের কোলান দ্বীপের একটি পাহাড়ে শুটিং চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হলেও বিপর্যয় ঘটে শুটিং শেষ হওয়ার পর। যখন তারা পাহাড় থেকে নিচে নামছিলেন, তখন তাঁদের স্কুটি নিয়ন্ত্রণ হারায়, এবং এর ফলস্বরূপ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে শুটিং বাতিল করতে হয়।
দুর্ঘটনাটির ফলে খায়রুল বাসার বুকে ও হাঁটুতে আঘাত লেগেছে এবং হাঁটতেও অস্বস্তি হচ্ছে। তবে মেহেদী রনি তুলনামূলকভাবে বেশি আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে খায়রুল বাসার জানান, "আমাদের এক্স-রে করা হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী থাকতে হবে। সম্পূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন। এই অবস্থায় ২–৩ দিন শুটিং করা সম্ভব নয়।"
তিনি আরও বলেন, "আপনাদের দোয়ায় এখন সুস্থ আছি। যারা আমার খোঁজ নিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। ইনশাআল্লাহ আমি দ্রুত সেরে উঠবো। দোয়া রাখবেন যেন সুস্থতার সঙ্গে একটি সুন্দর ভ্রমণ শেষে দেশে ফিরতে পারি।"
উল্লেখ্য, খায়রুল বাসার একসঙ্গে একাধিক নাটকের দৃশ্য শুট করার জন্য থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন। নাটকগুলোর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন মীর আরমান হোসেন, যদিও নাটকগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১৫ আগস্ট উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর অংশ হিসেবে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সদস্যদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে ইতোমধ্যে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে র্যাবের পক্ষ থেকে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিকে ঘিরে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ সংগঠন বা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যেন নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য দেশব্যাপী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর অপতৎপরতা ও গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
আগামী তথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য বিভিন্ন এলাকায় কন্টাক্ট বা ইনফর্মার বা সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের রুটগুলোতেও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যদের মোতায়েন করে নজরদারি করা হচ্ছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধের জন্য রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বা উগ্রবাদী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মাধ্যমে নাশকতা ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার পেট্রলিং জোরদার করেছে র্যাব। বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোডের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
র্যাব আরও জানিয়েছে, কোথাও বিস্ফোরক বা বিস্ফোরক সদৃশ কোনো বস্তু পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে র্যাব নিজস্ব নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে সকল নাগরিককে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সম্পূর্ণভাবে বদ্ধপরিকর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণে পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া, ফাটা ও গলে যাওয়া খাবার অনুপযোগী আম থেকে পাল্প তৈরির অভিযোগ উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এসব আমের পাল্প কিনে নিচ্ছে দেশের নামি-দামি জুস কোম্পানিগুলো। নামমাত্র মূল্যে ১০০ টাকা মণ দরে এসব নিম্নমানের আম সংগ্রহের পর তা থেকেই প্রস্তুত হচ্ছে আমের জুসের প্রধান কাঁচামাল পাল্প। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই প্রতিদিন শত শত টন এমন আম থেকে তৈরি হচ্ছে আমের পাল্প। স্থানীয় প্রশাসনের গাফেলতি ও উদাসিনতায় এমন পাল্প তৈরির কারখানা গড়ে উঠলেও নেয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৌসুমের শেষ দিকেও জমজমাট কোনাবেচা দেশের সবচেয়ে বড় আমবাজার চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। এখনো বাজার সরগরম আশ্বিনা জাতের আমে। এ বাজারেই গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক আমের আড়ত। বাজার ও এসব আড়তে কাঁচা ও পাকা জাতের আশ্বিনা আম বিক্রি হচ্ছে ১৫০০-২০০০ টাকা মণ দরে। অথচ একই বাজারে একই জাতের আম মিলছে ১০০ টাকা মণ দরেও। তাও প্রতি মণ আমে কৃষককে দিতে হচ্ছে ৫২-৫৫ কেজি। পোকা ও ছত্রাকের আক্রমণে পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া, ফাটা ও গলে যাওয়া খাবার অনুপযোগী এসব আম নামমাত্র মূল্যে কিনে নিচ্ছেন আড়তদাররা। এরপর এসব আম যাচ্ছে পাল্প প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোতে।
আমচাষি ও আড়তদাররা জানান, বিভিন্ন পোকা ও নানারকম ছত্রাকের আক্রমণ এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির প্রভাবে চলতি বছর আশ্বিনা আমের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমনকি পঁচে যাওয়া এসব আম গাছ থেকে পড়েই নষ্ট হচ্ছে। খাবার অনুপযোগী হওয়ায় বাজারে নিতে চান না ক্রেতারা। এমন অবস্থায় নামমাত্র মূল্যে এসব আম কিনছেন কানসাট বাজারের আড়তদাররা। সরেজমিনে দেখা যায়, নিম্নমানের পঁচে নষ্ট ও দাগ লাগা এসব আম কিনে নেয়া হয়। এরপর সবচেয়ে খারাপ আম আলাদা করে তা ক্যারেটভর্তি করে নিয়ে গিয়ে মণপ্রতি ২০০-৩০০ টাকা লাখে বিক্রি করা হয় পাল্প প্রস্তুতকারক কোম্পানীতে।
কৃষকরা জানান, কৃষকের কাছে সংগ্রহের পর এসব পচা নষ্ট হওয়া এসব আম যায় জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নর আলমপুর এলাকায় গড়ে ওঠা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ ফিটুর মালিকানাধীন চাঁপাই এগ্রো প্রোডাক্ট মার্কেটিং কোম্পানী লিমিটেডের ফ্যাক্টরিতে। এরপর এমন নিম্নমানের আম থেকেই তৈরি হয় জুসের প্রধান কাঁচামাল পাল্প। এসব পাল্প কিনে নেয় দেশের নামি-দামি জুস কোম্পানি। ফ্যাক্টরিতে গিয়েও দেখা যায়, ড্রামে খোলা আকাশের নিচেই রাখা হয়েছে প্রস্তুতকৃত পাল্প। এমনকি এসব পাল্পের ড্রামের উপরে জমেছে বৃষ্টির পানি। এমন পচা, গলে যাওয়া আম থেকে পাল্প তৈরির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সচেতন আমচাষী, কৃষক নেতা ও অভিভাবকদের।
কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, কানসাট বাজারে অর্ধশতাধিক আড়তে এসব পচা নষ্ট আম কিনে নেয়া হয় নামমাত্র মূল্য দিয়ে। অথচ মাত্র ১০০ টাকারও বেশি খরচ হয় ৫০-৫৫ কেজি আম বাজারে আনতে। কিন্তু কোন উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই এমন দামে আম বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের। এবার রোগবালাইয়ের এত বেশি আক্রমণ হয়েছে যে শ্রমিক, সার, কীটনাশকের খরচই উঠছে না, লাভ তো অনেক দূরের কথা। পথে বসার উপক্রম হয়েছে আমচাষিদের।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আড়তদার সময় সংবাদকে জানান, সকলেই প্রকাশ্যেই এসব আম কিনছে কানসাট বাজারে। তাই আমরাও কিনছি। এসব নষ্ট হওয়া আম যেহেতু খাবার উপযোগী নয়, তাই বাজারে এর কোনরকম চাহিদা নেই। সেই সুযোগ কম দাম দিয়ে এসব আম কিনে মনপ্রতি ২০০-৩০০ টাকা লাভে পাল্প কোম্পানিতে বিক্রি করছি। আমরা এসব আম না কিনলে ফেলে দিতে হতো। এসব আম কানসাট বাজার থেকে সরাসরি পাশের উপজেলা গোমস্তাপুরের বোয়ালিয়ায় চাঁপাই এগ্রো প্রোডাক্ট মার্কেটিং কোম্পানী লিমিটেডের ফ্যাক্টরিতে।
বোয়ালিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা ও মুদি দোকানি তারেক রহমান বলেন, এখানে আকিজের আরও একটি প্রতিষ্ঠান আমের পাল্প তৈরি করে। এতে তারা আমের মৌসুমে বিপুল পরিমান আম নিয়ে জুসের জন্য পাল্প তৈরি করে থাকে। কিন্তু তারা একটিও পাকা আম নেয় না। বরং কাঁচা আম সংগ্রহ করে সেগুলো পাকিয়ে তারপর পাল্প তৈরি করে। কিন্তু আ.লীগ গোলাম মোহাম্মদ ফিটুর চাঁপাই এগ্রো প্রোডাক্ট মার্কেটিং কোম্পানী লিমিটেডের ফ্যাক্টরিতে জেলার যতগুলো পাঁকা, পচা, নষ্ট হওয়া আম কিনে নেয়। এসব আম দিয়েই তারা জুসের পাল্প তৈরি করে, এটা এলাকার সবাই জানে।
কৃষক নেতা মুনজের আলম মানিক সময় সংবাদকে জানান, পাল্প তৈরির অনেকগুলো ধাপ থাকে। তবে জীবাণুযুক্ত ও পঁচা নষ্ট হওয়া আম দিয়ে পাল্প তৈরির সময় এসব ধাপে তা বিনষ্ট না করলে এটি কোনভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এবং কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করবে।
সচেতন নাগরিক ও অভিভাবক শহিদুল ইসলাম, আরিফুল হক, মোজাম্মেল আহমেদ বলেন, জুসের অন্যতম প্রধান অংশ ক্রেতাই হলো শিশুরা। বিজ্ঞাপনগুলোতে নিরাপদ ও সুমিষ্ট আম থেকে জুস তৈরির কথা বললেও পচা নষ্ট হওয়া আম থেকে জুস তৈরির বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। কারন কোমলমতি শিশুরা এতে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে। এটি কোনভাবেই কাম্য নয়।
ফ্যাক্টরিতে পচা, নষ্ট, খাবার অনুপযোগী আম আসলেও পাল্প তৈরির প্রক্রিয়ার সময় আমের সেই অংশ কেটে ফেলে দেয়া হয় বলে দাবি ফ্যাক্টরি মালিক ও গোমস্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ ফিটুর। সময় সংবাদকে তিনি বলেন, সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনেই পাল্প তৈরি করা হয়। এছাড়াও আমাদের পাল্প কিনে নেয় দেশের নামি-দামি জুস প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। আমাদের পাল্প নেয়ার আগে তারা নমুনা সংগ্রহ করার পরই নিশ্চিত হলে কিনে নেয়।
পচা আম দিয়ে পাল্প উৎপাদনকে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি বলছেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শাকিলুজ্জামান। তিনি জানান, নিরাপদ খাদ্য আইনে এধরনের আম দিয়ে পাল্প বা জুস তৈরি মারাত্মক অপরাধ। কারন এতে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। আমরা বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আমের আড়তদারসহ পাল্প তৈরির সাথে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস স্থানীয় প্রশাসনের। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, এমন আম বিক্রি, কেনা ও পাল্প তৈরির সাথে জড়িতেদর আইনের আওতায় আনা হবে। কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিক্রেতাদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন মেধাবী তরুণ মো. নাজমুল হাসানের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে, নাজমুল হাসানের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাঁর হাতে অনুদান তুলে দেন।
এই সহায়তা কেবল আর্থিক সহযোগিতা নয়, বরং এটি একজন তরুণের মেধা ও স্বপ্নের প্রতি আস্থা প্রদর্শন করে।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক উপস্থিত সংবাদে এ তথ্য প্রদান করেন।
তিনি জানান, নাজমুল হাসান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স (থিসিস) স্তরের শিক্ষার্থী। সে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদকও।
সম্প্রতি, তিনি সুইডেনের University of Skövde থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পূর্ণ বৃত্তি অর্জন করেন।
তবে বিদেশযাত্রা, প্রাথমিক আবাসন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করা তাঁর পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ সংকটকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা নাজমুলের স্বপ্নের যাত্রায় নতুন আশা ও সম্ভাবনার সঞ্চার করেছে।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান নাজমুল এখন আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার দ্বারপ্রান্তে।
তার এই পথচলা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাজারো স্বপ্নবান তরুণের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এখন থেকে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করবেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই সম্পর্কিত নতুন পরিপত্র জারি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তারিখে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের বিপরীতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবার থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাই নিষ্পত্তি করবেন।
তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধন এবং নিজের ও পিতা-মাতার নামের পুরো পরিবর্তনের জন্য আবেদন নিষ্পত্তি করবেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি)।
এছাড়া, জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন একবার করা হলে দ্বিতীয়বার সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।
নতুন এই সিদ্ধান্তের কারণে এনআইডির তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের আবেদন মাঠ পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে এবং কোনগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ