বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৩৭ পি.এম
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এখন থেকে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি করবেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই সম্পর্কিত নতুন পরিপত্র জারি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তারিখে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের বিপরীতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবার থেকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারাই নিষ্পত্তি করবেন।
তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধন এবং নিজের ও পিতা-মাতার নামের পুরো পরিবর্তনের জন্য আবেদন নিষ্পত্তি করবেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি)।
এছাড়া, জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন একবার করা হলে দ্বিতীয়বার সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।
নতুন এই সিদ্ধান্তের কারণে এনআইডির তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের আবেদন মাঠ পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে এবং কোনগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে নিষ্পত্তি হবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাত জন সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ৪৯ জন পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ৫৬ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্যের ঘোষণা করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের কর্মরত নির্ধারিত ৪৯ জন পুলিশ কর্মকর্তা যাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হয়ে গেছে, তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো।
অবসর প্রাপ্ত ৪৯ জন পুলিশ পরিদর্শক বিভিন্ন জেলা, ডিএমপি, সিআইডি, পিবিআই, এসবি, রেলওয়ে পুলিশসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কাজ করছিলেন।
অন্যদিকে, পৃথক একটি প্রজ্ঞাপনে সহকারী পুলিশ সুপার সমপর্যায়ের ৭ কর্মকর্তাকেও একই আইনের আওতায় অবসর প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন—ঢাকা র্যাব হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা সার্কেলর সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দুজ্জামান, ঢাকা মোহাম্মদপুর র্যাব-২ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকা আরআরএফের এএসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সিরাজগঞ্জ জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবসরজনিত সুবিধা পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এসব আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হামের সুরক্ষা বলয় ভেঙে পড়ায় দেশে আবারও ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে এই রোগটি। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ জনের মৃত্যু হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে যারা জটিল নানা রোগে আক্রান্ত, তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। যদিও পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে, তথাপি শিশু নির্বাচনে সংখ্যা সম্পর্কিত ঘাটতি রয়েছে বলেও মনে করছেন জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক। অন্যদিকে, চলতি বছরে ডেঙ্গুর জিনোটাইপ পরিবর্তন ঘটছে। ডেন-থ্রিতে আক্রান্তের হার অধিক রূপে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হামে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা একটি দেশে কীভাবে আবারও এই মরণঘাতী রোগ ভয়ংকর রূপ ধারণ করতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশের উদাহরণ উপস্থাপন করা যেতে পারে। প্রায় দুই দশক পর গত মার্চে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়েছে। নিয়মিত টিকা ক্যাম্পেইন না হওয়া এবং অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা কেনার ক্ষেত্রে ভুল নীতিগত সিদ্ধান্ত এর জন্য দায়ী বলেই মনে করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সারাদেশে টিকাদান ক্যাম্পেইন চালানো হলেও মৃত্যুর ঘটনা থামানো যাচ্ছে না। এখনও প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ জনের প্রাণ ঝরছে। আক্রান্তের সংখ্যা হাজারেরও বেশি। এরকম পরিস্থিতিতে টিকা দেওয়া সত্ত্বেও কেন হামে মৃত্যু বন্ধ হচ্ছে না, এটি একটি জটিল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সুরক্ষা বলয় ভেঙে পড়ার ফলে জটিল নানা রোগে আক্রান্তরাই অধিকতর ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। যথেষ্ট টিকা থাকা সত্ত্বেও কার্যক্রম বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে। জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. সৈয়দ আবু আহমাদ সাফি জানিয়েছেন, এবারের ভাইরাসের সিকুয়েন্স বিশ্লেষণ ও সিকুয়েন্সিং জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটেই সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ভিটামিন এর কর্মসূচিতে একই বয়সের প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। অন্যদিকে, হামের টিকার জন্য লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ। কিন্তু এখানে একটি সংখ্যাতাত্ত্বিক ঘাটতির অস্তিত্ব রয়েছে। প্রতিবছর ইপিআইয়ের মাইক্রোপ্ল্যান করা হয় এবং পরবর্তী মাইক্রোপ্ল্যানে এই ঘাটতি পূরণ করা প্রয়োজন।
হামের টিকা শিশুদের শরীরে কার্যকর হতে প্রায় চার সপ্তাহ সময় লাগে। এরপর এই টিকা কীভাবে শিশুদের শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করছে এবং টিকা কার্যকর হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে গবেষণা চলমান রয়েছে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে।
হাম নিয়ে উদ্বেগের মাঝে ডেঙ্গুও চোখ রাঙাচ্ছে। টানা বৃষ্টি এবং বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা দ্রুত বংশবিস্তার করতে সক্ষম। ফলে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রতিদিনই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।
আইসিডিডিআরবি জানিয়েছে, চলতি বছরে ডেঙ্গুর জিনোটাইপ পরিবর্তন হচ্ছে। বর্তমানে ডেন-থ্রি ধরনে আক্রান্তের হার বেশি দেখা যাচ্ছে ডেন-টু এর তুলনায়। এর ফলে চলতি বছরের তুলনায় আগামী বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের হার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
আইসিডিডিআরবির গবেষক মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, ডেঙ্গুর সেরোটাইপ কয়েক বছর পরপর পরিবর্তিত হয়। ২০১৯ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত দেশে ডেন-টু ধরন বেশি দেখা গেছে। এবার ডেন-থ্রি বেশি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী বছর বড় ধরনের ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব দেখা দেবে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে, ডেঙ্গুর টিকা আবিষ্কারের কাজেও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি নিয়োজিত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) এর ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোস্টার লাগানোর ঘটনা নিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ এবং সদস্যসচিব মো. আবুল বাশারের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের কার্যক্রম, প্রচারণা কিংবা পোস্টার-ব্যানার প্রদর্শন করা গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক এবং এটি আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধির পরিপন্থী হয়ে থাকে।
এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যাতে ঘটনাটির দ্রুত তদন্ত করা হয় এবং পোস্টার লাগানোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে দাবি জানানো হয়, ভবিষ্যতে যাতে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত বা প্রচারিত হতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, শিক্ষাবান্ধব ও রাজনৈতিক সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃড় এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করে কুবি ছাত্রদল।
কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, গত জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, গুলিবর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণা করেছে। এর ফলে আইন অনুযায়ী তাদের কোনো মতবাদযোগ্য রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং এর আশপাশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের যেকোনো অপতৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
সম্প্রতি ঘোষিত ছাত্রলীগের কমিটিতে যাদের নাম এসেছে, তাদের অনেককেই সাধারণ শিক্ষার্থীরা চেনেন না এবং তারা ক্যাম্পাস বা স্থানীয় এলাকার বাসিন্দাও নন বলে দাবি করেন তিনি।
মোস্তাফিজুর রহমান শুভ আরও বলেন, ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে ক্যাম্পাসের ভেতর বা এর ১০০ গজের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসন এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে সাধারণ শিক্ষার্থী, কুবি ছাত্রদল এবং অন্যান্য ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে এসব অপতৎপরতা প্রতিহত করবে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ১২ আগস্ট দিবাগত রাতে, অর্থাৎ ১৩ আগস্টের প্রথম প্রহরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ১৫ আগস্ট শোক দিবস উপলক্ষে পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগ ওঠে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাদকের টাকা না দেয়ায় নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে জন্মদাত্রী মাকে গলাকেটে হত্যার। এই ঘটনার পর অভিযোগকারী ছেলে, পালানোর সময় স্থানীয়দের দ্বারা আটক হয়ে পুলিশে সোপর্দ হয়।
এখন থেকে শুরু করে, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোররাতে উপজেলার শ্যামকুড় গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত শকের বানু (৫০) ওই গ্রামের মৃত জেকের আলীর স্ত্রী হিসেবে পরিচিত। অপর দিকে, অভিযুক্ত ঘাতক ছেলেটির নাম হচ্ছে ইখলাস (৪০)।
স্থানীয় সাংবাদিক মশিউর রহমান টিংকু জানিয়েছেন, ইখলাস দীর্ঘধর্র মাদক সেবন করে আসছিলেন। মাদকের টাকা পাওয়ার জন্য প্রায় সময় তিনি তার বৃদ্ধা মায়ের কাছে টাকা দাবি করতেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের কোনও এক সময়, ইখলাস তার মায়ের কাছে টাকা চেয়েছিলেন। তবে মা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে ভোররাতে তিনি গলাকেটে তার মাকে হত্যা করেন এবং পালিয়ে যান।
শুক্রবার সকালে, নিহত শকের বানুর ছোট ছেলের স্ত্রী খাবার দিতে তার শাশুড়ির ঘরে গিয়েছিলেন। সেই সময় বিছানায় শাশুড়িকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তিনি তৎক্ষণাৎ পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এদিকে ঘটনার পর, সকালে পালানোর সময় অভিযুক্ত ইখলাসকে আটক করে স্থানীয় মানুষ। পরে, তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান এ বিষয়ে জানান, ‘অভিযুক্ত ইখলাসকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনার জন্য আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ