ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে ‘ইউ-টার্ন টু মালয়েশিয়া’ ক্যাম্পেইন শুরু


বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে ‘ইউ-টার্ন টু মালয়েশিয়া’ ক্যাম্পেইন শুরু

‘ইউ-টার্ন টু মালয়েশিয়া’ ক্যাম্পেইনের আওতায় বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরও সম্পৃক্ততা জোরদার করছে মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিল (MHTC)। বাংলাদেশি রোগীদের জন্য মালয়েশিয়াকে একটি বিশ্বস্ত, মানসম্মত ও সহজলভ্য চিকিৎসা গন্তব্য হিসেবে শক্তিশালীভাবে তুলে ধরা এই উদ্যোগের একটি প্রধান লক্ষ্য।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, করপোরেট এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি ঢাকার বাইরের অন্যান্য অঞ্চলেও মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে MHTC এই ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সারদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের সঙ্গে বৈঠক করেছে MHTC। বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী মালয়েশিয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা গন্তব্য হিসেবে সমর্থন করেন এবং দুই দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিতে বাংলাদেশের রোগী ও স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার পাঁচটি শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান—Alpha IVF Specialist Center, IHH Healthcare Malaysia, KL Fertility and Gynecology Centre, Sunway Medical Centre এবং KPJ Ampang Puteri Specialist Hospital। প্রতিষ্ঠানগুলো ফার্টিলিটি, অনকোলজি, কার্ডিওলজি, গাইনোকলজি ও অন্যান্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবায় তাদের দক্ষতা ও সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরবে।

বাংলাদেশ বর্তমানে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা ভ্রমণ খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে পরিচিত। মালয়েশিয়ার হাসপাতালগুলোতে ১০,৮০০-এরও বেশি বাংলাদেশি স্বাস্থ্যসেবা ভ্রমণকারীর মাধ্যমে প্রায় RM ১০.৪ মিলিয়ন রাজস্ব অর্জিত হয়েছে।

ঢাকায় কার্যক্রমের পাশাপাশি MHTC ১৭–১৯ সেপ্টেম্বর ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (ATF)-এ অংশগ্রহণ করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি রোগী, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের অংশীজনদের মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।

ঢাকার বাইরের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে Malaysia Healthcare Week আয়োজন করতে যাচ্ছে MHTC। এর মাধ্যমে ‘ইউ-টার্ন টু মালয়েশিয়া’ ক্যাম্পেইনের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং রাজধানীর বাইরে বাংলাদেশের রোগী ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্টদের কাছে মালয়েশিয়ার উন্নত চিকিৎসাসেবা ও বিশেষায়িত সুবিধাগুলো আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, তবে শর্ত সাপেক্ষে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, তবে শর্ত সাপেক্ষে

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচনের পূর্বে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনের সংশোধন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সংশোধনী বিলটি জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সরকার উত্থাপন করেনি।

কমিশন মনে করছে, প্রথম ধাপের তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসবে না। ফলে, শিগগিরই এ আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাশ হবে না। অন্যদিকে, সংসদে কার্যকর এবং শক্তিশালী বিরোধী দলের উপস্থিতির কারণে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ আকারে এ সংশোধনী পাশ হবে কিনা, তা নিয়ে কমিশনের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে, প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে ইসির প্রস্তাবিত আইনের সংশোধনী পাশ না হলে সরকারকে চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে কমিশন। ওই চিঠিতে বাকি ধাপের ভোট শেষ হওয়ার আগে সংশোধনী পাশ না করার অনুরোধ করা হতে পারে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে এ বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, ‘আইনের সংশোধনী পাশ না হলে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার আইনগত সুযোগ নেই।' তারা উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার আইনগুলোতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা/কর্মচারীর পদকে লাভজনক পদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার অনুচ্ছেদ ১১.১৭(ক) ও (খ) অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক পদে বা চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। লাভজনক পদ বলতে যেসব পদকে বোঝানো হয়েছে, সেসব পদে স্থানীয় সরকারের কোনো পদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এছাড়া, রিট পিটিশন নং ৬৩৬৬/২০০৯-এর মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ পৌরসভার মেয়র পদকে লাভজনক পদ হিসাবে ব্যাখ্যা করেনি। এমনকি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থানীয় সরকারের অন্যান্য পদকে লাভজনক পদ হিসাবে ব্যাখ্যা করা এখতিয়ারবহির্ভূত হিসাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা সব নির্বাচনের জন্য একই আইন চাই। এক নির্বাচনে এক ধরনের আইন, আরেক নির্বাচনে অন্য ধরনের আইন প্রণয়ন করা হলে বৈষম্য তৈরি হবে। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্নের সৃষ্টি হবে।’

জানা গেছে, নির্বাচন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য যাচাই করে ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা তৈরি করেছে ইসি সচিবালয়। দেশের চার হাজার ৫৮০টির মধ্যে চার হাজার দুইশর বেশি ইউপি নির্বাচন উপযোগী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ভোট আয়োজনের উপযোগী ইউপির সংখ্যা তিন হাজার নয়শর বেশি।

প্রায় পাঁচশ ইউনিয়ন পরিষদের ভোট করার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। এবার কমিশন এক উপজেলার নির্বাচন উপযোগী সবকটি ইউপিতে একইদিনে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করছে। প্রথম ধাপে পাঁচ থেকে সাতশ এবং দ্বিতীয় ধাপে নয়শ থেকে এক হাজার ইউপিতে ভোটগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। শেষের দিকের ধাপগুলোতে তুলনামূলক কম সংখ্যক ইউপি রাখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে সিন্ডিকেট বাতিলের দাবি এবি পার্টির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে সিন্ডিকেট বাতিলের দাবি এবি পার্টির

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক রপ্তানিতে কথিত সিন্ডিকেট ব্যবস্থা বাতিলের দাবি জানিয়ে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সকল বৈধ ও লাইসেন্সধারী রিক্রুটিং এজেন্সিকে কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

দলটি একই সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের বাইরে শ্রমিকদের কাছ থেকে কোনো অর্থ না নেওয়ার এবং অভিবাসন ব্যয় কমানোর দাবি করেছে। এবি পার্টি অভিযোগ করে বলেছে, ‘সিন্ডিকেট বদলেছে, কিন্তু কাঠামো বদলায়নি’।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবীর মিলনায়তনে ‘মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি: সিন্ডিকেট, সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব দাবি জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, যিনি ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু আহমেদ, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব নুরুল আমিন ও ফখরুল ইসলাম এবং সাংবাদিক রাজীব আহমদ।

সভাপতির বক্তব্যে মঞ্জু বলেন, একটি রিক্রুটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স দেওয়ার আগে সরকার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। তিনি প্রশ্ন করেন, এত যাচাই-বাছাইয়ের পর যদি এজেন্সিগুলো কাজ করতে না পারে, তাহলে লাইসেন্স দেওয়ার অর্থ কী? তাই তিনি দাবি করেন, স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সকল লাইসেন্সধারী এজেন্সিকে কাজের সুযোগ দিতে হবে এবং সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয়ের বাইরে কোনো টাকা নেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত হচ্ছে। শ্রমিকদের স্বার্থে সিন্ডিকেটনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বিদেশে যাওয়ার আগে শ্রমিকদের সচেতন ও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জেনে-বুঝে এবং যথাযথভাবে যাচাই করে প্রবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক এজেন্সি ইতোমধ্যে ভাইভা নেওয়া শুরু করেছে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে শ্রমিকদের স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ৫ আগস্টের আন্দোলনে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ রেখে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অবদান রেখেছেন।

তিনি বলেন, শ্রমিকরা বিদেশে গিয়ে ঘাম ঝরিয়ে অর্থ উপার্জন করে দেশে পাঠান। অথচ ধনীদের সন্তানরা বিদেশে পড়তে গিয়ে দেশের অর্থ বিদেশে নিয়ে যান। গরিবের সন্তানরা দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন।

শ্রমিকদের কষ্টার্জিত অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকেও শ্রমিকদের স্বার্থ ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ৫ আগস্টের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সিন্ডিকেটমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

আইসিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবু আহমেদ বলেন, নির্দিষ্ট ২৫টি কোম্পানির মধ্যে জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সীমাবদ্ধ না রেখে এটি উন্মুক্ত করা হলে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে এবং শ্রমিকদের বিদেশ যাওয়ার খরচ কমবে।

তিনি বলেন, ‘ধান্দাবাজদের’ দেশ থেকে দূর করতে হবে। শ্রমিকরা যাতে সহজে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং কম খরচে বিদেশ যেতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা সামান্য আয়ের জন্য অসহনীয় কষ্ট করেন। অথচ অনেক ক্ষেত্রে তাদের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ন্যূনতম মানবিকতাও দেখা যায় না।

তিনি বলেন, ‘প্রবাসী শ্রমিকদের মানুষ হিসেবে না দেখে পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলে শুধু গর্ব করলেই হবে না, তাদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

দাতু আমিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের খবরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করে ফুয়াদ বলেন, প্রবাসীদের নিয়ে কোনো ধরনের ছিনিমিনি খেলা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, ২৫ কোম্পানির সিন্ডিকেট অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। কম খরচে, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, দেশের শ্রমিকরা জমি বিক্রি করে বিদেশে যান এবং অমানবিক পরিশ্রম করে দেশে অর্থ পাঠান। মালয়েশিয়াতেও বাংলাদেশি শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোকে কেন্দ্র করে আবারও পুরোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় করা হয়েছে। কোনো অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ১৭টি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হলো, তার জবাব দিতে হবে।

তিনি প্রশ্ন করেন, জনগণের সরকার হলে কেন সিন্ডিকেটের কাছে মাথানত করতে হবে? নেপাল ও ফিলিপাইন নিজেদের অবস্থান থেকে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারলে বাংলাদেশ কেন পারবে না?

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান ও শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, সড়ক ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী এম ড. শাহেদুল ইসলাম, যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, ছাত্রপক্ষের সাধারণ সম্পাদক রাফিউর রহমান ফাত্তাহ, ঢাকা উত্তর মহানগরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মশিউর রহমান মিলু, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রব জামিল এবং যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ ও প্রবাসী নেতা নুরুন্নবী নয়ন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে নতুন নিয়ম আসছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে নতুন নিয়ম আসছে

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি নির্বাচনের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিশেষভাবে সভাপতি নির্বাচনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশোধনী এনে একটি খসড়া প্রবিধানমালা প্রস্তুত করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম কার্যকর হবে যদি প্রস্তাবিত প্রবিধানমালা চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

খসড়া প্রবিধানমালার আওতায়, গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, জনপ্রতিনিধি এবং কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তারাও সভাপতি প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে সভাপতির জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি সভায় প্রস্তাবিত প্রবিধানমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অনুমোদনের পর সংশোধিত প্রবিধানমালাটি চূড়ান্ত করা হবে। তবে এর আগে খসড়াটি নিয়ে আরও আলোচনা ও সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রবিধানমালার অনুযায়ী, ম্যানেজিং কমিটির বিভিন্ন ক্যাটাগরির সদস্য পদে প্রথমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সদস্য নির্বাচন শেষ হওয়ার সাত দিনের মধ্যে সভাপতি নির্বাচনের জন্য সভা আহ্বান করতে হবে।

সভায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার সভাপতিত্ব করবেন। নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

তবে সভাপতি নির্বাচনের সভায় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একাধিক প্রার্থী সমান সর্বোচ্চ ভোট পেলে তাদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এছাড়া, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে সভাপতির পদ শূন্য হলে সর্বোচ্চ সাত কার্যদিবসের মধ্যে নতুন সভাপতি নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে।

সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতায়ও বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২০২৫ সালের সংশোধিত প্রবিধানমালায় থাকা ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রির শর্তই বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, সভাপতি প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক বা কর্মচারী ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে পারবেন না।

একই ব্যক্তি একই ধরনের দুইটির বেশি এবং মেয়াদভিত্তিক ধরনের তিনটির বেশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে পারবেন না, এমন বিধানও প্রস্তাব করা হয়েছে।

গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৪ সালের প্রবিধানে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ ও খ্যাতিমান সমাজসেবকদের মধ্য থেকে তিনজনের নাম প্রস্তাবের বিধান ছিল।

পরবর্তী ২০২৫ সালের সংশোধিত প্রবিধানে ক্ষেত্রমত বিভাগীয় কমিশনার বা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনার বিধান যুক্ত করা হয়। সেখানে সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাসহ নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তিদের মধ্য থেকে তিনজনের নাম প্রস্তাবের সুযোগ রাখা হয়।

এবার ২০২৬ সালের প্রস্তাবিত প্রবিধানে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং খ্যাতিমান সমাজসেবকদের মধ্য থেকে তিনজনের নাম ও পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নামের তালিকায় আগে বা পরে থাকার বিষয়টি কোনোভাবেই অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হবে না বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়া প্রবিধানমালায় ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির নির্বাচিত সভাপতির কিছু ক্ষমতা রহিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা।

পাশাপাশি একজন সভাপতি একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রবিধানমালায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি সরকারের সিদ্ধান্ত ও বিধি অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহকারী প্রধান ও কর্মচারী নিয়োগের পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ করবে। প্রয়োজনের ক্ষেত্রে শিক্ষক ও কর্মচারীদের পদোন্নতিও দেওয়া যাবে।

আগের সংশোধিত প্রবিধানে নতুন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছিল। নতুন প্রস্তাবে এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মচারী নিয়োগ বা পদোন্নতির সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত প্রবিধানমালার আরও কয়েকটি স্থানে ‘শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান’ শব্দের পরিবর্তে নতুন পরিভাষা ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রস্তাবিত প্রবিধানমালা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি নিয়ে আরও আলোচনা হতে পারে। এরপর শিক্ষামন্ত্রী অনুমোদন দিলে তা চূড়ান্ত করা হবে এবং নীতিমালা আকারে জারি করা হবে।

তিনি বলেন, ফলে এটি এখনই চূড়ান্ত হয়েছে, তা বলা যাবে না। আলোচনার মাধ্যমে আরও সংশোধনী আনা হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এ কেমন সু-খবর! ফকিরহাটে শব্দদূষণ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


এ কেমন সু-খবর! ফকিরহাটে শব্দদূষণ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ

‘সু-খবর, সু-খবর, সু-খবর...’। ফকিরহাট উপজেলার বাসিন্দাদের প্রতিদিন মাইকের উচ্চ শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। কখনো বেসরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা ও সুযোগ-সুবিধার সুখবর প্রচার করা হয়, কখনো ভর্তি কোচিং, দোকান, হোটেল ও শোরুম উদ্বোধনের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্যের অফার, কম দামে ডিম-মুরগিসহ বিভিন্ন পণ্যের প্রচারও চলছে মাইকিংয়ের মাধ্যমে। সকাল থেকে সন্ধ্যা, কোথাও রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইকিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ।

প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচারের নামে শব্দদূষণের কারণে রোগী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়ছেন। ‘সু-খবরের’ নামে শব্দদূষণের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ভোর হলেই বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং শুরু হয়। বিশেষ করে বেসরকারি ক্লিনিকের ডাক্তারদের প্রচার, কোচিং সেন্টারের ভর্তি ও ভ্রাম্যমাণ দোকানে পণ্যের বিজ্ঞাপনে উচ্চ শব্দে মাইক বাজানো হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে এবং অসুস্থ ও বয়স্ক মানুষও দুর্ভোগে পড়ছেন।

জানা গেছে, এ উপজেলায় প্রায় ১৫টি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আসেন। তাদের আসার খবর জানাতে রোগীদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাইকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, মাইকিংয়ের জন্য তাদের দৈনিক ১ হাজার টাকা দেওয়া হয়। সকাল ৭টা থেকে রাত পর্যন্ত ভ্যান ও ইজিবাইকে একাধিক মাইক লাগিয়ে তারা প্রচার করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও শোরুমের প্রচারেও উচ্চ শব্দে মাইকিং চলে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানভির হাসান অনিক জানান, সাধারণত মানুষের শ্রবণের জন্য শব্দের ৪৫ ডেসিবেল সহনীয় মাত্রা। তবে তা ৬৫ থেকে ৭০ ডেসিবেল অতিক্রম করলে ক্ষতিকর এবং ১৩০ ডেসিবেল হলে স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি হারানোর ভয় থাকে।

ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিনিয়ত যে হারে মাইকিং করা হচ্ছে, তাতে শব্দের মাত্রা প্রায়ই ৭০ ডেসিবেলের উপরে থাকে, যা শিশুদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে মাইকিংয়ের শব্দ ৫৫ সেকেন্ড ধরে মোবাইলের সাউন্ড মিটার অ্যাপের মাধ্যমে রেকর্ড করা হয়। এতে গড় শব্দমাত্রা পাওয়া যায় ৭৮ দশমিক ১ ডেসিবেল এবং সর্বোচ্চ ১০২ দশমিক ৫ ডেসিবেল।

শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী হাসপাতাল, ক্লিনিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারপাশের ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৫০ এবং রাতে ৪০ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। জনপরিসরে মাইক, লাউডস্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিমালায় বিধিনিষেধ ও শাস্তির বিধান রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রোকনুজ জামান জানিয়েছেন, শব্দদূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোগী আকৃষ্ট করতে কোনো চিকিৎসক বা ক্লিনিক মাইকিংয়ের মাধ্যমে শব্দদূষণ করতে পারবে না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। শব্দদূষণে ভুক্তভোগী কোনো নাগরিক অভিযোগ করলে প্রচলিত আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%