মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪০ পি.এম
রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীতে স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডিত করে রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে স্বামী দুলাল হাওলাদার (৫০) গ্রেপ্তার হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত দুলালকে পুলিশ আটক করেছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) মধ্যরাতে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর একটি পাঁচতলা ভবনের চতুর্থ তলায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত শিরিন বেগম (৪২) পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার বিখাখালি গ্রামের মৃত সোহরাব আলীর কন্যা।
পুলিশ ও মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ঘটনার রাতে পাশের ফ্ল্যাট থেকে সন্দেহজনক কোপানোর শব্দ শুনতে পান বাড়ির মালিক খোরশেদ আলম। তিনি জানান, ৮-১০ দিন আগে ভাড়া নেওয়া ওই ফ্ল্যাটের দরজায় দীর্ঘক্ষণ কড়া নাড়ার প্রায় আধা ঘণ্টা পর দুলাল দরজা খুলেন।
ভেতরে সন্দেহজনক পরিস্থিতি এবং স্ত্রীর কোনো সাড়া না পেয়ে বাড়ির মালিক জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রান্নাঘর থেকে শিরিনের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত দুলালকে আটক করে।
মামলার বাদী ও নিহত দম্পতির ছেলে সিরাজ হাওলাদার জানান, তার মা শিরিন দীর্ঘদিন জর্ডানে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। দুই মাস আগে শাশুড়ির মৃত্যুর খবর পেয়ে দেশে ফিরে স্বামীকে নিয়ে যাত্রাবাড়ীর ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকছিলেন। দেশে ফেরার পর থেকেই স্বামী দুলাল তার কাছে টাকা দাবি করতেন এবং এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এছাড়া ফোনে অন্য কারও সঙ্গে কথা বলার কারণে তাদের মধ্যে সন্দেহ ও বিরোধ ছিল।
যাত্রাবাড়ী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুলাল স্বীকার করেছেন যে, রবিবার রাতে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রীর মাথা ধরে দেয়ালে আঘাত করলে তিনি জ্ঞান হারান। এরপর বটি দিয়ে স্ত্রীর মাথা ও দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখেন এবং আলামত হিসেবে রক্তের দাগ মুছে ফেলার চেষ্টা করেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহতের ছেলে সিরাজ হাওলাদার যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরার সিটি অরচার্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব অ্যান্ড বারে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৪৭ জন নারী ও পুরুষকে আটক করেছে।
এই অভিযানটি সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টায় শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলেছিল।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তরা জোনাল টিমের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবীর অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
অভিযান চলাকালে পারমিট ছাড়া মদ ও বিয়ার সেবনের অভিযোগে ১৭ জন নারীসহ মোট ৪৭ জনকে আটক করা হয়।
ডিবির উত্তরা জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইলিয়াস কবীর এশিয়া পোস্টকে জানান, ‘আমরা পারমিটবিহীন মদ ও বিয়ার পান করার অভিযোগে ১৭ জন নারী ও ৩০ জনকে আটক করেছি।’
ইলিয়াস কবীর আরও বলেন, প্রতিটি বারেই একে একে অভিযান চালানো হবে। পারমিট ছাড়া কেউ মাদক সেবন করতে পারবে না।
ডিবির এই কর্মকর্তা জানান, আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মর্নিং ওয়াকে বের হয়ে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গৌরীপুর ইউনিয়নের হরিপুর মসজিদের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার জিংলাতলী গ্রামের নজরুল ইসলাম (৬২) এবং তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪৮)।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ফজরের নামাজ শেষে ওই দম্পতি বাড়ি থেকে মর্নিং ওয়াকের উদ্দেশ্যে বের হন। হাঁটার এক পর্যায়ে তারা মহাসড়কের হরিপুর মসজিদের কাছে পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাত যানবাহন তাদের সজোরে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে দুজনেই সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর অন্য পথচারীরা তাদের রাস্তার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে দাউদকান্দির গৌরীপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেমলাল দাস বলেন, "অজ্ঞাত যানবাহনের চাপায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।" ঘাতক গাড়িটি শনাক্ত ও চালককে আটক করতে মহাসড়কের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সব সময়ই ‘সফলতাকে উৎযাপন’ করার কথা শোনা যায় বা পত্রিকায় লেখা দেখা যায়। তবে কখনো কি নিজের ব্যর্থতাকে উদযাপন করার কথা ভাবা হয়েছে? আজ ১৩ অক্টোবর ব্যর্থতা উদযাপনের দিন ‘Day for Failure’। আজকের দিনটি ব্যর্থতার মাধ্যমে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্দীপনা খুঁজে পাওয়ার জন্য নির্ধারিত।
ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন Aalto Entrepreneurship Society (Aaltoes) ১৩ অক্টোবর ব্যর্থতা দিবসের সূচনা করে। উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী তরুণদের মধ্যে ব্যর্থতা নিয়ে ভয় এবং সামাজিক সংকোচ কমানোর উদ্দেশ্যেই এই দিবসটি পালিত হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ দিনটির প্রচারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং International Day for Failure নামটি ব্যবহার করেন।
বলা হয়ে থাকে ‘বীরভোগ্যা এ বসুধা’ অর্থাৎ পৃথিবী কেবল জয়ীদের জন্য। আমাদের সমাজ কেবল জয়ীদের গল্প শুনতে চায়। জয়ীদের যুদ্ধ জয়ের কাহিনী ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়, কিন্তু ব্যর্থদের ইতিহাস হারিয়ে যায়। প্রতিটি ব্যর্থতার পেছনে যে এক পাহাড় সমান প্রচেষ্টা থাকে, তা সমাজে স্বীকৃতি পায় না এবং প্রচারেও আসে না। আমাদের হাজারো প্রচেষ্টার মাঝে কিছু ছোট ছোট ভুল আমাদেরকে নিজেদের যুদ্ধেই হারিয়ে দিয়ে ব্যর্থতার মুকুট পরিয়ে দেয়। আজ সেই ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করার দিন। নিজের সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন আজ।
একজন মানুষের ছাত্রজীবন শুরু হয় স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা থেকে, এরপর এসএসসি, এইচএসসি, ভর্তি যুদ্ধ কিংবা চাকরির লড়াই—প্রতিটি ধাপেই ব্যর্থতা আসতে পারে। আমাদের উচিত ব্যর্থতাকে জীবনের শেষ পরিণতি হিসেবে না দেখে, তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়া।
আপনি হয়তো ভর্তি যুদ্ধে হেরে গিয়ে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পাননি। কিন্তু সেই ব্যর্থতার গ্লানি বয়ে বেড়াতে গিয়ে যদি নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, তবে তার প্রভাব আপনার পরবর্তী জীবনে, এমনকি ক্যারিয়ারেও পড়তে পারে। একটি ব্যর্থতার হতাশা সামলাতে না পেরে আপনি ডেকে আনতে পারেন আরেকটি ব্যর্থতা।
ব্যর্থতা এভাবেই কখনো কখনো একটি চক্র তৈরি করে। ধরুন, এসএসসিতে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে না পারার হতাশা আপনাকে এমনভাবে গ্রাস করল যে আপনি এইচএসসিতেও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারলেন না। ফলে আগের ব্যর্থতার প্রভাবেই জীবনে যুক্ত হলো আরেকটি ব্যর্থতা। এভাবেই একটি ব্যর্থতা থেকে একের পর এক ব্যর্থতা জন্ম নিতে পারে, যদি না আমরা সময়মতো সেই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।
কেবল ছাত্রজীবনেই নয়, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সাংসারিক জীবন—জীবনের প্রতিটি ধাপেই মানুষকে ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়। তবে ব্যর্থ হওয়াই জীবনের শেষ কথা নয়। বরং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত জীবনের মূল লক্ষ্য।
আর তাই আজকের দিনটি ব্যর্থতার স্মৃতি মনে করে কষ্ট পাওয়ার দিন নয়; বরং সেই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কীভাবে আবার সফলতার পথে ফেরা যায়, তার প্রেরণা খুঁজে নেওয়ার দিন। অতীতের ভুলগুলোকে নিজের দুর্বলতা হিসেবে আঁকড়ে না ধরে, সেগুলোকে ভবিষ্যতের পথচলার পাথেয় করে নেওয়ার দিন আজ।
দিনটি উদ্যাপনের জন্য আপনি অনেক কিছুই করতে পারেন। ব্যক্তিগত ডায়েরিতে নিজের ভুলগুলো লিখে রাখতে পারেন, বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা, কিংবা একান্তে বসে ভেবে দেখতে পারেন—কোথায় ভুল ছিল, কী করলে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর প্রস্তুতিও নিতে পারেন।
ব্যর্থতার জন্য নিজেকে দোষারোপ করে থেমে থাকা নয়, বরং ব্যর্থতাকে স্বীকার করে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়াই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।
আজ ব্যর্থতার জন্য দুঃখ নয়, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষাগ্রহণের উদযাপন হোক।
লেখক: আতিক মাহবুব তানজিম
শিক্ষার্থী, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,
রসায়ন বিভাগ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের কারণে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাস্তা বন্ধ থাকায় আব্দুল সালাম (৬০) নামে এক ব্যক্তির লাশ দাফন করতে স্বজন ও এলাকাবাসী ঘরের অংশ ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেছেন।
রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আব্দুল সালাম কালিহাতী উপজেলার বিলপালিমা গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে। তিনি শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। রাতের কোনো এক সময়ে স্বজনরা তার লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাতেই দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে সকালে লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিলপালিমা গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন বলেন, "কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় প্রতিবেশীদের রাস্তা বের করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেননি।"
মৃত সালামের ভাই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ জানান, এলাকাবাসীর শরণাপন্ন হলে রোববার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে কবরস্থানে লাশ নেওয়ার সময় চলাচলের রাস্তা না থাকায় স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হন। পরে রাস্তার মাঝখানে থাকা ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেন তারা।
তিনি আরও বলেন, "এলাকাবাসীর সহায়তায় পরে কবরস্থানে লাশ দাফন করা সম্ভব হয়েছে। তার ভাইয়ের জানাজা শনিবার রাতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লাশ নেওয়ার রাস্তা না থাকায় রোববার সকাল ১১টায় দাফন করতে হয়েছে।"
এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধের কারণে প্রায় দুই বছর ধরে বিলপালিমা গ্রামের মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন।
বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহজালাল জানান, "প্রতিপক্ষরা রাস্তার মাঝখানে ঘর তুলেছিল। ঘর থাকায় লাশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ঘর ভেঙে রাস্তা তৈরি করেন। এরপর লাশ কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়।"
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, "ঘটনাটি শুনেছেন। লাশ দাফন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ